এলিফ্যান্ট রোডে মার্কেটে আগুন, নিয়ন্ত্রণে ১০ ইউনিট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডের বাটা সিগন্যাল সংলগ্ন নয়তলা শেলটেক মার্কেটের পঞ্চম তলায় আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইউনিট কাজ করছে।

সোমবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার সার্ভিস কন্ট্রোল রুমের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি। এছাড়া আগুনে হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেলকে হত্যার হুমকি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর

অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর

  • Font increase
  • Font Decrease

পাকিস্তান ও আফগানিস্তান আর্মির হেড পরিচয়ে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীরকে মোবাইল ফোনে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে।

এ অভিযোগে রাষ্ট্রের এ আইন কর্মকর্তা ডিএমপির পল্টন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকালে ডিএমপির মতিঝিল বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) হায়াতুল ইসলাম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, আমরা হুমকিদাতাকে শনাক্ত করেছি। তদন্ত স্বার্থের তার নাম-পরিচয় প্রকাশ করছি না। খুব দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। এরপর তার নাম প্রকাশ করা হবে।

সাধারণ ডায়েরিতে অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর লিখেছেন, গত ১০ জুলাই রাত ১০টা ৫১ মিনিটের দিকে জনৈক ব্যক্তি মোবাইলে ফোনে নিজেকে পাকিস্তান ও আফগানিস্তান আর্মির হেড পরিচয় দিয়ে বলে, রাজবাড়ীতে হত্যা মামলার সঠিক পরিচালনা না করলে বাংলাদেশকে উড়িয়ে দেওয়া হবে।

তিনি জিডিতে আরও উল্লেখ করেছেন, তাকেও জীবননাশের নানা হুমকি দিয়েছে। বিষয়টি তিনি তাৎক্ষণিকভাবে ৯৯৯ ফোন দিলে পল্টন মডেল থানা পুলিশকে লাইন সংযোগ লাগিয়ে দিলে পল্টন মডেল থানার এস আই মো. ইব্রাহিমকে ঘটনার বিষয়টি অবহিত করেন। পরবর্তীতে গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৫৮ মিনিটে একই ব্যক্তি একই মোবাইল ফোন নম্বর থেকে পুনরায় কল দিয়ে বলে, পুলিশকে জানানোর কারণে আপনার বড় ধরনের খেসারত দিতে হবে।

;

‘রাজাকার’ স্লোগান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে, বলছেন বিশিষ্টজনরা



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

মুক্তিযুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাকিস্তানি ও তাদের দোসর রাজাকাররা যে বর্বরতা চালিয়েছিল সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ পরিচয়ে স্লোগানে বিস্ময় প্রকাশ করে একে অনাকাঙ্খিত ও অগ্রহণযোগ্য বলেছেন শিক্ষাবিদ ও বিশিষ্টজনরা। এই স্লোগানকে রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতার অংশ বলেও অভিহিত করেন তারা।

‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের অবমাননা করা হয়েছে’ এমন দাবিতে রোববার মাঝরাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘তুমি কে আমি কে- রাজাকার রাজাকার’, ‘রাজাকার আসছে রাজপথ কাঁপছ’, ‘ঢাবিতে হামলা কেন প্রশাসন জবাব চাই’- ইত্যাদি স্লোগানে মুখর হয়।

দিনভর এ নিয়ে বিস্তর আলোচনা-সমালোচনা ও উত্তেজনার মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্লোগান নিয়ে বার্তা২৪.কম এর সঙ্গে কথা বলেছেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক সভাপতি গোলাম কুদ্দুস, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইমেরিটাস অধ্যাপক এ কে আজাদ চৌধুরী।

‘এটা রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল’

কোটা সংস্কার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের স্লোগানে নিজেদের ‘রাজাকার’ হিসেবে উচ্চারণ প্রসঙ্গে অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘এটা খুবই দুঃজনক, নিন্দনীয়। আমরা সবাই এই ঘটনার জন্য লজ্জিত ও অপমানিত।’

‘এ ধরণের ঘটনা ঘটবে বা ঘটতে পারে তা চিন্তার বাইরে। এ ধরণের স্লোগান বাংলাদেশের অস্তিত্ব বিরোধী। মুক্তিযুদ্ধবিরোধী রাজাকার, আলদবর, আল শামস-যাদের নামের সঙ্গেই যুক্ত আছে হত্যাকারী, লুণ্ঠনকারী, ধর্ষণকারী, অগ্নিসংযোগকারী-এই শব্দগুলো। একাত্তরে রাজাকাররাই পাকিস্তানের বর্বর হানাদার বাহিনীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে এই ধরণের মানবতাবিরোধী অপরাধগুলো করেছে। তাদের নাম দিয়ে নিজেদের পরিচয় দিয়ে স্লোগান দেওয়া এটা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের দেশে অকল্পনীয়। গর্হিত অপরাধ। এটা রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধের শামিল’-বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই উপাচার্য।

আন্দোলনকারীরা এই স্লোগানের মাধ্যমে সরকার নয়, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না এর সঙ্গে সরকার বা উচ্চ আদালতের কোন মতপার্থক্য আছে। আন্দোলনকারীরা চাচ্ছে কোটা সংস্কার। সরকার ২০১৮ সালে কোটা বাদই দিয়েছিল। তারপর এটা আদালতে পুনর্বিবেচনার জন্য আপিল করা হয়েছিল। মাননীয় প্রধান বিচারপতি বলেছেন, শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চ আদালত উন্মূক্ত আছে। তারা যেকোন সময় তাদের মতামত ব্যক্ত করতে পারে। এখানে আমি কোন বিরোধ দেখি না।’

‘বিরোধ যদি কিছু থাকে তা আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের দিকে এগিয়ে যাওয়া সরকার ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে হতে পারে। যদি সমাধান নাও হয় সেখানে আন্দোলনকারীরা সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া, সরকারের সমালোচনা করা তা তাদের আন্দোলনের অংশ-সেটাও তারা করতে পারে। কিন্তু তারা যে কাজটি করেছে তা সরকারের বিরুদ্ধে নয়, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে।’

ড. আরেফিন সিদ্দিক আরও বলেন, ‘যে রাষ্ট্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে অর্জিত। সেই রাষ্ট্রের ভিতরে থেকে এ ধরণের স্লোগান দেওয়া...এটা আমাদের স্তম্ভিত করেছে। হতবাক করেছে। বাকরুদ্ধ করেছে। আমি নিজে এই ঘটনার যে নিন্দা জানাব সেই ভাষা খোঁজে পাচ্ছি না।’

এর পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে মনে করেন সাবেক এই উপাচার্য। তিনি বলেন, ‘আমি যেটা বুঝতে পারি তরুণরা তাদের চাকুরির সংস্থানের জন্য নানাভাবে চিন্তিত। সেজন্য তারা এই আন্দোলনে গেছে। কিন্তু তাদেরকে কাজে লাগিয়ে, অপব্যবহার করে পেছনে কোন ষড়যন্ত্রকারীর চক্রান্তকারী এই কাজটি করিয়েছে। আমি এখনো বিশ্বাস করি আন্দোলনকারী সকল শিক্ষার্থী এই শ্লোগান দেয়নি। এই স্লোগান দিয়েছে অল্প কিছু ছেলেমেয়ে যারা পেছনে থেকে ফাঁয়দা লুঠতে চায় তাদের ইন্ধনে এ কাজগুলো হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলেই আমি দেখি।’

‘ঘোরপ্যাচ করে এতদূর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া দরকার ছিল না’

কোটা আন্দোলন ধীরে ধীরে ভিন্ন চরিত্র লাভ করতে দেওয়া দরকার ছিল না বলে মনে করেন ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী।

বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ বলেন, ‘উপরের দিকটা দেখলেই হবে না। অনেক গভীর থেকে দেখতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটু ইমোশনাললি কথা বলেছেলেন, তিনি তো মুক্তিযুদ্ধকে ধারণ করেন। তার পরিবারের সবাই মুক্তিযোদ্ধা। তার ছোট ২ ভাই মুক্তিযোদ্ধা। জাতির পিতার কন্যা তিনি। যখন মুক্তিযোদ্ধাদের প্রসঙ্গে কথা উঠবে তখন তাঁর মাঝে ইমোশনাল আউটব্রাস্ট হতেই পারে। সেই আউটব্রাস্টকে এমনভাবে টেনে নিয়ে গেছে..। তখন তারাও (শিক্ষার্থীরা) আউটব্রাস্ট করেছে ‘তুমি কে আমি কে রাজাকার’.. এটা গ্রহণযোগ্য নয়।’

‘আমি সেই সঙ্গে এও বলব কোটা সংস্কার করা যৌক্তিক দাবি। এটাকে ঘোরপ্যাচ করে এতদূর পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া দরকার ছিল না। এখনও আমি মনে করি আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বসে আলোচনা করা হয়, তারা সরে না আসলেও স্থিমিত হবে। কিন্তু সেটা না হয়ে আজকে যে মারপিট হলো সেটা খারাপ হলো’-যোগ করেন এই শিক্ষাবিদ।

আন্দোলন বিস্ফোরণ উন্মূখ হওয়ার পেছনে সংশ্লিষ্টদের ব্যর্থতা দেখেন কিনা এমন প্রশ্নে এ কে আজাদ চৌধুরী বলেন, ‘সমস্যা শুরুতেই প্রশমনের উদ্যোগ নিতে হয়। এটা শুরুতেই নিরসন করে দেওয়া যেত। তারা তো বেশি কিছু চায়নি। তারা তো বলেছিল একটা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এটা বলা হোক। সিদ্ধান্তটা আসতে হবে নির্বাহী বিভাগ থেকে, বিচারবিভাগ থেকে নয়।’

এই শিক্ষাবিদ মনে করেন, বিষয়টিকে কিছুটা গুরুত্বহীন মনে করা হতে পারে। গুরুত্বহীন মনে করা খারাপ। অনেক সময় ছোট ঘটনাও বড় আকার ধারণ করে। এখনো সময় আছে মনে হয়।’

‘এর পেছনে ইতিহাস বিমুখতা’

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস শিক্ষার্থীদের ‘রাজাকার’ স্লোগানের বিষয়ে বলেন, ‘রাজাকারকে নিজেদের আত্মপরিচয় দিয়ে যে স্লোগান দেওয়া হচ্ছে তা অনাকাঙ্খিত। আমরা বিস্মিত! ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাঙালি জাতির ২৩ বছরের লড়াই সংগ্রামের সুতিকাগার ছিল, পাকিস্তান আর্মির ক্ষোভের কারণ ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। যার প্রকাশ আমরা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ আমরা দেখেছি।’

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হলের ছাত্র-শিক্ষকদের হত্যা করেছিল পাকিস্তানিরা। একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর রাজাকার-আলকদররা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ধরে নিয়ে নৃশংস্যভাবে হত্যা করেছিল, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজাকারকে নিজের আত্মপরিচয় দিয়ে স্লোগান উঠবে, এটা আমরা কখনো ভাবিনি। আমরা মনেকরি, এটা আমাদের চেতনাহীনতাকে প্রমাণ করে।’

যারা এই স্লোগান দিয়েছেন তারা তাদের ভুল বুঝতে পারবেন আশা করে গোলাম কুদ্দুস বলেন, ‘যেকোন আন্দোলনে নানা মত থাকতে পারে। যে কোন দল, ব্যক্তি বা সংগঠনই আন্দোলন করতে পারেন। কিন্তু কখনোই স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি যারা একাত্তরের গণহত্যার সঙ্গে যুক্ত তাদেরকে নিজেদের সঙ্গে এককাতারে দাঁড় করিয়ে স্লোগান দেওয়াটা কখনো স্বাভাবিক হতে পারে না। এর পেছনে রয়েছে আমাদের জাতি হিসাবে আত্মবিস্মৃতি এবং ইতিহাস সম্পর্কে বিমুখতা।’

‘আমরা আমাদের প্রজন্মকে একাত্তরের প্রকৃত ইতিহাস সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারিনি। আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা, আমাদের সংস্কৃতি-রাষ্ট্র ব্যবস্থা এক্ষেত্রে ব্যর্থতার দায় থেকে বেরুতে পারার সুযোগ নেই’-যোগ করেন এই সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব।

;

খাসিয়াদের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশি

ছবি: সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশি

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ সীমান্তে খাসিয়াদের গুলিতে নিহত দুই বাংলাদেশি যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) রাত পৌনে ৮টার দিকে মরদেহ হস্তান্তর করে বিএসএফ। এর আগে দিনভর পতাকা বৈঠক করে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

জানা যায়, রোববার(১৪জুলাই) বিকেলে ভারতীয় খাসিয়ার গুলিতে নিহত হয় কালাইরাগ করবলাটুক গ্রামের মৃত ফজর আলীর ছেলে আলী হুসেন ও মৃত সুন্দর আলীর ছেলে কাউছার আহমদ। তাদের মরদেহ প্রায় ২৮ ঘন্টা সেখানে পড়ে ছিল। দু-দেশের সীমান্ত জটিলতা দূর করে সন্ধ্যায় তাদের মরদেহ দুটি হস্তান্তর করে ভারত।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিজিবি কালাইরাগ ক্যাম্প কমান্ডার সুবেদার মিজানুর রহমানসহ আরও কয়েকজন বিজিবি সদস্য।

এব্যাপারে কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমেদ বলেন, রাত পৌনে ৮টার দিকে ওই যুবকের মরদেহ হস্তান্তর করে বিএসএফ। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রায় সময় নিহত দুই যুবক ভারতের সীমান্ত থেকে লাকড়ি কুঁড়িয়ে আনতে গিয়ে মারা যায়।

;

গাজীপুরে নৌকা ডুবে মা ছেলে নিখোঁজ



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাজীপুর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

গাজীপুরে বিলে বেড়াতে গিয়ে নৌকা ডুবে মা ছেলে নিখোঁজের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটিনায় আরও তিন জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করেছে এলাকাবাসী। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে জেলার কালিয়াকৈর উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের বগাবাড়ি বিলে এ ঘটনা ঘটে৷

নিখোঁজ মা ছেলে, উপজেলা ভাওমান টালাবহ এলাকার সাইফুল ইসলামের মেয়ে সাদিয়া(২১) ও তার পুত্র মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (৩)।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বাবার বাড়িতে বেড়াতে এসে সোমবার বিকেলে পরিবারের সাথে উপজেলার সূত্রাপুর ইউনিয়নের বগাবাড়ি বিলে নৌকা নিয়ে ঘুরতে যান সাদিয়া ও তার ছেলে আব্দুল্লাহ। এক পর্যায়ে বিলে নির্মিত একটি কালভার্টের কাছে গেলে নৌকাটি বানের তোড়ে ডুবে যায়। এসময় তাদের চিৎকারে স্থানীয়রা ছুটে এসে তিনজনকে উদ্ধার করলেও সাদিয়া ও তার ছেলে আব্দুল্লাহকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে স্থানীয়রা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো তাদের উদ্ধার করা যায়নি।

কালিয়াকৈর ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার ইফতেখার হোসেন রায়হান চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

;