বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রাশিয়ার হস্তক্ষেপ নেই: রাষ্ট্রদূত



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার ভি মান্টিটস্কি বলেছেন, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে রাশিয়ার কোন হস্তক্ষেপ নেই। তাই আগামী নির্বাচন নিয়ে আমার কোন মন্তব্য নেই।

সম্প্রতি গাজীপুরের সিটি করপোরেশনের নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়েছে। তাই আগামী সংসদ নির্বাচনও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হবে বলে আমার বিশ্বাস।

বৃহস্পতিবার (৮ জুন) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব সভাপতি সালাহ্উদ্দিন মো. রেজার সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক দেবদুলাল ভৌমিক। প্রেসক্লাবের যুগ্ম সম্পাদক শহীদুল্লাহ শাহরিয়ারের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি চৌধুরী ফরিদ এবং রাশিয়ার অনারারি কনসাল স্থপতি আশিক ইমরান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, পশ্চিমা দেশসমূহ রাশিয়ার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার কারণে বাংলাদেশসহ রাশিয়ার সাথে সম্পর্ক রয়েছে এমন বিভিন্ন দেশ বাণিজ্যিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। বিশ্বব্যাপী খাদ্য ও জ্বালানি নিরাপত্তা বাধাগ্রস্ত করছে।

ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধের কারণে বাংলাদেশে রাশিয়ার সহায়তায় তৈরি পরমাণু বিদ্যুৎ প্রকল্পের কাজ পিছিয়ে যাবে কিংবা বাধাগ্রস্ত হবে কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে চলতি বছরের অক্টোবরেই পূর্ব নির্ধারিত শিডিউল মোতাবেক পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ শুরু করবে রাশিয়া। পাবনার কাছে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। বাংলাদেশের জাতীয় গ্রিডে এই পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র ২ দশমিক ৪ গিগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করবে। ইতিমধ্যেই ২০২০-২০২১ সালে এই প্ল্যান্টের উভয় রি-এ্যাক্টর প্রেসার ভেসেল স্থাপনের কাজ সমাপ্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, রাশিয়ার বৃহত্তম গ্যাস অনুসন্ধানকারী প্রতিষ্ঠান গ্যাজপ্রমের সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্রে সফলভাবে কূপ খনন করছে। সম্প্রতি ভোলা দ্বীপে ২০তম কূপ খননের কাজ শেষ হয়েছে। গ্যাজপ্রম বাংলাদেশে তার কার্যক্রমের পরিধি আরও বাড়াতে ইচ্ছুক।রাশিয়া বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আরও বলেন, ২০২২ সালে আমাদের সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থাগুলি প্রায় ৯ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন গম সরবরাহ করেছে, যা বাংলাদেশের আমদানির ৪২ শতাংশ। এছাড়া, ২০১৪ সাল থেকে রাশিয়াই বাংলাদেশের পটাশ সারের অন্যতম প্রধান রফতানিকারী দেশে। দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বাড়াতে রাশিয়ায় বাংলাদেশি পণ্য রফতানির উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন এবং রাশিয়ান কোম্পানি ন্যাশনাল গ্রুপ এলএলসি-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এতে বাংলাদেশ থেকে রাশিয়ায় আলু এবং অন্যান্য খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করা যাবে। তিনি বলেন, রাশিয়ার বাজারে বাংলাদেশে তৈরি ওষুধ, পাট, চামড়া এবং সামুদ্রিক খাবারের চাহিদা রয়েছে এবং এর যথেষ্ট সম্ভাবনাময় বাজার রয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নেন নুরুল আলম, মো. শহীদুল ইসলাম, বিপুল বড়ুয়া, কামাল উদ্দিন খোকন, হাজেরা শিউলী, নুরউদ্দিন আলমগীর এবং হামিদুল ইসলাম।

কোটা আন্দোলনে সংঘর্ষে আহত ১২ জন ঢামেকে ভর্তি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
হামলায় আহত শিক্ষার্থী

হামলায় আহত শিক্ষার্থী

  • Font increase
  • Font Decrease

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষের ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন ১২ জন। এ ঘটনায় আহত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট চিকিৎসা নিয়েছেন ২৯৭ জন।

সোমবার (১৫ জুলাই) রাত সাড়ে আটটায় মেডিকেল কলেজ সূত্রে এ তথ্য জানা যায়।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টার দিকে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ১টার দিকে তারা অবস্থান নেওয়া শুরু করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভে যোগ দেন।

বিকেল ৩টার দিকে বিজয় একাত্তর হলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তা পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ১৫ বারেরও বেশি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

;

কোটা আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বরিশাল
ছবি: কোটা আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ

ছবি: কোটা আন্দোলনের নামে ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বরিশালে বিক্ষোভ

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা আন্দোলনের নামে স্বাধীন দেশকে অচল করতে জনসাধারণকে জিম্মি এবং বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশকে ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসাবে চিহিৃত করার ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড বরিশাল মহানগর কমিটির নেতাকর্মীরা।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে বরিশাল নগরীর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল করে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড বরিশাল মহানগর কমিটির নেতাকর্মীরা।

পরে তারা নগরীর সদর রোডের অশ্বিনী কুমার হলের সামনে গিয়ে সমাবেশ করে। সমাবেশে ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তে রাঙানো জাতীয় পতাকা পদদলিত, মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কটুক্তি, বীর মুক্তিযোদ্ধাকে রাজপথে লাঞ্ছিতের প্রতিবাদ জানানো হয়।

মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহ্বায়ক শেখ সাঈদ আহমেদ মান্না সভাপতিত্বে বক্তৃতা দেন, বরিশাল সদর উপজেলার সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রব, মহিউদ্দিন মানিক (বীর বিক্রম), শাজাহান হাওলাদার, আনসার উদ্দিন হাওলাদার, গিয়াস উদ্দিন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড সিনিয়র সদস্য খান মাহিদ, মো. ফয়সাল, ঝালকাঠি আহ্বায়ক মো. শামীম, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ প্রমুখ।

;

চিকিৎসা ব‍্যয় মেটাতে দরিদ্র হচ্ছে ৬১ লাখ মানুষ



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন/ছবি: সংগৃহীত

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চিকিৎসা ব‍্যয় মেটাতে দেশের ৬১ লাখ ৩০ হাজার মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে। যা মোট দারিদ্র্যের ৩ দশমিক ৭ শতাংশ। এছাড়া হাসপাতালে ভর্তি হয়ে ৬১ শতাংশ মানুষ অর্থ সংকটে পড়েছে এবং ২৭ শতাংশ ঋণ নিয়েছেন।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) "বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য অভিঘাতের ফলে বাংলাদেশে দারিদ্র্য" শীর্ষক গবেষণায় এসব তথ‍্য উঠে এসেছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিআইডিএস কনফারেন্স রুমে বাংলাদেশ পারিবারিক আয় ব্যয় জরিপের ২০২২ (হেইজ) ভিত্তিতে এই গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সংস্থাটির রিসার্চ ফেলো ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়, স্বাস্থ্য সেবা মেটাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খরচ করতে হয় বাংলাদেশে। বাংলাদেশে স্বাস্থ্য সেবার ৭৩ শতাংশ ব্যয় মানুষের পকেট থেকে মেটাতে হয়। শুধুমাত্র আফগানিস্তানে এ খরচ বাংলাদেশের থেকে বেশি ৭৭ শতাংশ। অন্যদেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানে ৫৭ শতাংশ, নেপালে ৫১ শতাংশ, ভারতে ৪৯ শতাংশ, ভুটানে ১৮ শতাংশ এবং মালদ্বীপে খরচ হয় ১৪ শতাংশ।

অন্যদেশগুলোর তুলনায় খরচ বেশি হলেও জিডিপিতে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ সবচেয়ে কম। জিডিপিতে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ মাত্র ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। যেখানে আফগানিস্তানে বরাদ্দ ২১ শতাংশ। মালদ্বিপে বরাদ্দ ১০ শতাংশ। একারণে চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশের মানুষকে অতিরিক্ত খরচ বহন করতে হয়। ক‍্যান্সার চিকিৎসায় ৬ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকা পযর্ন্ত ব‍্যয় করতে হয়‍ বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, একটি পরিবারের একজন সদস্য হাসপাতালে ভর্তি হলে গড়ে প্রায় ৫৫ হাজার টাকা ব্যয় করতে হয়। আর এ খরচের প্রায় প্রায় ২৫ শতাংশ ওষুধের পেছনে ব্যয় হয়। হাসপাতালে ভর্তি না হওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে ৫৪ শতাংশ ওষুধের পেছনে ব্যয় হয়। আর এসব ব্যয় নির্বাহ করতে গিয়ে আর্থিক সংকটের মধ্যে পড়তে হয়। স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বহন করতে সঞ্চয় ভেঙ্গে, ঋণ করে এবং সম্পদ বিক্রি করছে অধিকাংশ মানুষ।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ঋণ করে স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় বহন করতে হয় ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ মানুষের। ৩২ দশমিক ৫৮ শতাংশ খরচ করে সঞ্চয় ভেঙ্গে। বন্ধু-বান্ধবের কাছ সহায়তা নেয় ১৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ। আর ১৫ শতাংশ ক্ষেত্রে সম্পদ বিক্রি করে দিতে হয়।

প্রতিবেদনে মানুষের স্বাস্থ্যসেবার ব্যয় কমাতে ইন্স্যুরেন্স ব্যবস্থা প্রণয়নের পরামর্শ দেন বিআইডিএসের গবেষক ড. আব্দুর রাজ্জাক সরকার। গত কয়েক বছর ধরে দেশে ওষুধের দাম বাড়ছে বলেও তিনি জানান।

বিনায়েক সেন বলেন, দেশে স্বাস্থ্য বীমা চালু করা প্রয়োজন। যেখানে মালিকপক্ষ তার কর্মীদের স্বাস্থ‍্য সেবার জন‍্য অর্থ দেবে। তাহলে চিকিৎসা ব‍্যয় অনেক কমে যাবে। জার্মানিতে ইউনিভার্সাল হেল্থ কেয়ার নিতে ১২৭ বছর লেগেছিল। ভারত ও চায়নার ৪০ শতাংশ মানুষ স্বাস্থ‍্য বীমার আওতায় এসেছে। এসব দেশে বীমার আওতায় আনতে ১২ বছর সময় লেগেছে।

স্বাস্থ‍্যমন্ত্রী বলেন, গ্রামাঞ্চলে এবং প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করাটাকে আমি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা যদি ব্লাড প্রেসার, ডায়াবেটিসের যথাযথ চিকিৎসা এবং ওষুধ দিতে পারি তাহলে ঢাকা শহরে এত বড় বড় বিশেষায়িত হাসপাতালের দরকার হবে না।

এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, প্রেসক্রিপশন ছাড়া সামান্য সর্দি জ্বর হলেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে। এন্টি মাইক্রোবিয়াল রেসিস্টেন্ট ভয়ানক একটা জিনিস। এ প্রসঙ্গে আমি বলব, ডিজি ড্রাগকে আরও শক্ত হতে হবে। ফার্মেসিতে গিয়ে কঠোরভাবে মনিটরিং করতে হবে। প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এন্টিবায়োটিক বিক্রি বন্ধে আমরা ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন সিস্টেম চালু করার চেষ্টা করছি। ইলেকট্রনিক প্রেসক্রিপশন সিস্টেম যদি চালু করা যায় তাহলে যথাযথ মনিটরিং করা সম্ভবপর হবে। ওষুধের যথেচ্ছ এবং মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা যাবে।

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আমি মন্ত্রী হবার মেয়াদ মাত্র ছয় মাস। এই ছয় মাসে স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন নিয়ে আমি অন্তত সাতটি সভা করেছি। আমি যেভাবেই হোক এটা মহান জাতীয় সংসদ নিয়ে যাব। কারণ, রোগী এবং চিকিৎসক উভয়ের সুরক্ষা নিশ্চিত করাটা আমার দ্বায়িত্ব।

স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা মোকাবিলায় সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে সামন্ত লাল সেন আরও বলেন, স্বাস্থ্যখাতের সমস্যা নিরসনে আমাদের একযোগে কাজ করতে হবে। এ ব্যাপার জনমত তৈরি করতে হবে। সাংবাদিক ভাইদের সহযোগিতায় এবং সৃষ্ট জনমতের কারণে পাঁচ বেড থেকে পাঁচশ’ বেডের বার্ন হাসপাতাল তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ বর্তমানে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ বার্ন হসপিটাল। একটা রোগীও বিনা চিকিৎসায় মারা যাচ্ছে না। রোগীরা আইসিইউতেও পর্যাপ্ত চিকিৎসা পাচ্ছে, স্থান সংকুলান হচ্ছে যেটা আগে সম্ভব ছিল না।

;

হলের ফেরার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান, দালাল বলে স্লোগান



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ফেরার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

ফেরার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

শহীদুল্লাহ্ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক জাবেদ ইসলাম পাটোয়ারীর হলে ফেরার অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় হল প্রভোস্টকে উদ্দেশ্য করে দালাল দালাল ও ভুয়া বলে স্লোগান দেয় আন্দোলনরতরা।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ছাত্রলীগের সাথে কয়েক দফা সংঘর্ষ শেষে হলে ফিরতে শিক্ষার্থীদের অনুরোধ করেন হল প্রভোস্ট।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। দুপুর ১২টার দিকে ঢাবির রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এ কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও ১টার দিকে তারা অবস্থান নেওয়া শুরু করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাবি অধিভুক্ত সাত কলেজের শিক্ষার্থীরাও বিক্ষোভে যোগ দেন।

বিকেল ৩টার দিকে বিজয় একাত্তর হলে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে তা পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ছত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা চালায়। এতে প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হয়। সংঘর্ষ চলাকালীন সময়ে ১৫ বারেরও বেশি ককটেল বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেছে।

সন্ধার পর ছাত্ররা হল থেকে বের হয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন।

;