নির্বাচন নিয়ে নিরাপত্তার কোন হুমকি নেই: আইজিপি



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন বলেছেন, 'আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে নিরাপত্তার কোন হুমকি নেই। অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্দেশ দিয়েছেন সিইসি, আমরা একটা সুষ্ঠু নির্বাচন উপহার দিতে পারবো।' 

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) সকালে আগারগাঁও নির্বাচন ভবনে নির্বাচন কমিশনাদের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এই কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'সংসদ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত আমরা কোন থ্রেট দেখছি না। আমাদের গোয়েন্দা সংস্থা সব জায়গায় ফিট করা আছে। কোন থ্রেটের তথ্য পেলে আমাদের আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ব্যবস্থা নিবে। তারা যে তথ্য দেবে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী সেই আলোকে ব্যবস্থা নিবে।' সকল প্রস্তুতি নিতে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ও প্রস্তুত আছি বলেও জানান তিনি।

আইজিপি বলেন, 'আমরা সিইসি মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। যখনই নির্বাচন আসে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীসহ সবাই নির্বাচন কমিশনের অধীনে চলে আসি। ইসি’র নির্দেশনা অনুযায়ী আমরা কাজ করি। নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠভাবে করার জন্য আইন অনুযায়ী যে কাজ করার দরকার তাই করে থাকি। আমরা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী কাজ করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। আমরা আশা করছি ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী একটা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন দেশবাসীকে উপহার দিতে পারবো।' 

আইন-শৃঙ্খলা পরিবেশ কেমন এখন পর্যন্ত আশঙ্কাজনক কোন খবর আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, 'এখন পর্যন্ত আশঙ্কাজনক কোন খবর নেই, বা বোধও করছি না।' 

সহিংসতা প্রসঙ্গে আইজিপি বলেন, 'সহিংসতা যারা করছে তারা বাসে আগুন দিচ্ছে, গাড়িতে আগুন দিচ্ছে ট্রেনে আগুন দিচ্ছে। এদের মধ্যে অনেকে গ্রেফতার হচ্ছে। তবে আমরা তৎপর আছি। আমাদের তৎপর থাকার কারণে রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের উপস্থিতি বেড়েছে। বর্তমানে ৮০ শতাংশ গাড়ি রাস্তায় চলাচল করছে প্রাই সবকিছুই স্বাভাবিক হচ্ছে। যারা চোরাগুপ্তা হামলা চালাচ্ছে তাদের বিরুদ্ধে দেশের আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেবো।

প্রকাশ্যে সিল মারা দমনে বন্ধ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, 'ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনা জানা নেই। তবে কারোর বিরুদ্ধে তোন ত্রুটি পেলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। যেকোন নির্বাচনে আইন বহির্ভূত কাজে পুলিশের লোক হোক বা যেকোন লোক হোক যার বিরুদ্ধে ত্রুটি পাবো ব্যবস্থা নেবো।' 

   

৫০ হাজার টন পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি ভারতের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ রপ্তানির অনুমতি দিয়েছে ভারত। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত রপ্তানিকারকরা এই পেঁয়াজ বাংলাদেশে রপ্তানি করতে পারবেন। খুব শিগগিরই এ কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) নয়াদিল্লিতে ভারতের ভোক্তা বিষয়ক অধিদপ্তরের সচিব রোহিত কুমার সিং সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

তিনি বলেছেন, 'আমরা বাংলাদেশে ৫০ হাজার টন পেঁয়াজ অবিলম্বে রপ্তানির অনুমতি দিয়েছি। ব্যবসায়ীদের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এই পরিমাণ রপ্তানি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে এবং এই লক্ষ্যে কাজ চলছে।'

তিনি বলেছেন, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে বাংলাদেশে রপ্তানির অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এই মাসের শুরুর দিকে ভারত সফরের সময় পবিত্র রমজান মাসের আগে বাংলাদেশের স্থানীয় বাজারে তাদের দাম স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশে পেঁয়াজসহ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য ভারতকে অনুরোধ করেছিলেন।

ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এস. জয়শঙ্কর এবং বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের সঙ্গে বৈঠকের সময় ড. হাছান ওই পণ্যগুলো বাংলাদেশে রপ্তানির জন্য আবেদন করেছিলেন।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ভারত অভ্যন্তরীণ সরবরাহ বাড়াতে এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে পেঁয়াজ রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।

সূত্র: বাসস

 

 

 

 

 

 

 

;

বাগেরহাটে ১০০ ভরি স্বর্ণ ছিনতাই



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, বাগেরহাট
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে এক জুয়েলার্স ব্যবসায়ীকে মারপিট করে ১০০ ভরি ওজনের স্বর্ণালংকার, নগদ আড়াই লাখ টাকা ও মোটরসাইকেল ছিনতাই করা হয়েছে।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সেরেস্তাদারবাড়ি এলাকায় এই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ঘটনার শিকার নিলয় জুয়েলার্সের মালিক মিলন কর্মকারকে অজ্ঞাত ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেল থেকে ফেলে মারপিট করে স্বর্ণালংকারের ব্যাগ ও মোটরসাইকেল নিয়ে যায়।

মিলন কর্মকার বলেন, দোকান বন্ধ করে বাসায় ফেরার পথে তার বাসায় পৌঁছার মাত্র ২০০ গজ আগে রাস্তার ওপরে এ ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। ৩ জনের ছিনতাইকারী দল তার সঙ্গে থাকা ১০০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ আড়াই লাখ টাকা ও স্কুটি মোটরসাইকেলটি নিয়ে যায়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, এ ঘটনার পর থেকে বিমর্ষ অবস্থায় পড়ে রয়েছেন মিলন কর্মকার।

এ বিষয়ে মোরেলগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) মো. শাহজাহান আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশের একাধিক টিম কাজ শুরু করেছে। বিভিন্ন সড়কে তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে।

;

ভারতীয় বন বিভাগের সহায়তায় নিজ দেশে দুই হাতি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ভারতীয় বন বিভাগের সহায়তায় নিজ দেশে দুই হাতি

ভারতীয় বন বিভাগের সহায়তায় নিজ দেশে দুই হাতি

  • Font increase
  • Font Decrease

গত তিন দিন ধরে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বেশ কয়েকটি সীমান্ত এলাকা দাপিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে ভারতীয় বন বিভাগের সহায়তায় নিজ দেশে ফিরেছে ভারতীয় হাতি দুটি।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের উত্তর কাশিমগঞ্জ ও ভারতের ফাঁসি দেওয়া সীমান্ত দিয়ে হাতি দুটিকে ভারতে নেয়া হয়।

তিন দিনের মাথায় উভয় দেশের প্রশাসন, বন বিভাগ, পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর যৌথ প্রচেষ্ঠায় ভারতীয় হাতির সাহায্যে হাতি দুটিকে ঘুমের ইনজেকশনে ট্র্যাংকুলাইজ করে ভারতীয় লরিতে উঠিয়ে নিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে ভারতীয় বন বিভাগ।

এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি ভারত- বাংলাদেশ সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশের লোকালয়ে চলে আসা বন্য হাতি দুটি। এর পর থেকে সীমান্ত দাপিয়ে বেড়ায় হাতিগুলো।

জানা গেছে, গত তিন দিন আগে হাতি দুটো পূর্ব (ভারত) থেকে এসে তেঁতুলিয়া হয়ে সীমান্তের নোম্যানস ল্যান্ডের আশেপাশে ঘোরাফেরা করছিল। প্রথম দিন একজনের প্রাণহানি ও ফসলের কিছু ক্ষয়ক্ষতি হলেও দুদিনে কোন ক্ষয়-ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। সাধারণ মানুষকে সচেতন করতে গত তিন দিনে নির্ঘুম রাত যাপন করতে হয়েছে সবাইকে। 

এদিকে বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিনভর তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের তেলিপাড়া গ্রামের সীমান্তে ২'শ গজ দূরে ভারতের হাফতিয়াগছ বিএসএফ ক্যাম্প সংলগ্ন ভারতীয় ফরেস্টের জিরো সীমানায় অবস্থান করে হাতি দুটি। এতে রাতভর স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করতে দেখা যায়। তবে ভোর রাতে আবারো সীমান্ত এলাকার মহানন্দা নদীর পাশ দিয়ে উত্তর কাশিমগঞ্জ ও ফাঁসি দেওয়া সীমান্ত পৌঁছায় হাতি দুটি।

এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফজলে রাব্বি জানান, হাতি দুটি নিজ দেশে ঘোরাফেরা করতে করতে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশ চলে আসে। গত তিন দিনে বিভিন্ন এলাকা ঘুরেছে এই দুই হাতি, একই সাথে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল এলাকাগুলোতে। আমরা সার্বক্ষণিক মানুষকে সচেতন ও নিরাপদ দূরত্ব থাকার আহ্বান জানিয়েছে। অবশেষে ভারতীয় বনবিভাগ হাতি দুটিকে ট্র্যাংকুলাইজ করে লরিতে উঠিয়ে নিয়ে যেতে সমর্থ হয়েছে। আর আমাদের সীমান্ত এলাকায় হাতির আতঙ্ক নেই। তবে এর মাঝে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে। কিছু ফসলের ক্ষয়ক্ষতি ও একজনের প্রাণহানি হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার (২০ ফেব্রুয়ারি) উপজেলার শালবাহান ইউনিয়নের রওশনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৭৩৫/২ এস এর মধ্যবর্তী ইসলামবাগ এলাকা দিয়ে ২টি ভারতীয় বন্য হাতি বাংলাদেশে প্রবেশ করে। পরে হাতি দুটি তিরনইহাট এলাকা হয়ে গোয়ালগছ বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্তে কাশিমগঞ্জ এলাকায় এসে অবস্থান নিয়ে তাণ্ডব চালিয়ে কিছু বাড়ি ঘরে হামলা করে এবং সন্ধ্যায় হাতির তাণ্ডবে নুরুজ্জামান (২৩) নামে এক বাংলাদেশি যুবকের মৃত্যু হয়। 

পরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয় ও বিজিবি সদর দপ্তরের নির্দেশনায় বিকেলে কাশিমগঞ্জ সীমান্ত এলাকার ৭৩০ পিলারে বাংলাদেশ ও ভারতীয় বনবিভাগের প্রয়োজনীয় সমন্বয় সাধনের জন্য পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে ভারত থেকে বাংলাদেশে আসা হাতি দুটি ভারতে ফিরিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশি বনবিভাগের সদস্যদের সঙ্গে ভারতীয় বনবিভাগ বিভাগের সদস্যদের প্রয়োজনীয় আলোচনা হয়। পরে রাতে গোয়ালগছ ক্যাম্পের বিপরীতে ৭৩০ এর নিকটবর্তী বিএসএফ ব্যাটালিয়নের ফাঁসি দেওয়া ক্যাম্প এলাকা দিয়ে নদী পার হয়ে ভারতে প্রবেশ করে হাতি দুটি।

এর মাঝে আবারো হাতি দুটি ভারতের বিভিন্ন এলাকা অতিক্রম করে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের তেলিপাড়া ও ভারতের হাফতিয়াগছ ফরেস্টের জিরো সীমানায় অবস্থান নিয়ে সব শেষ তৃতীয় দিনে তিরনইহাট ইউনিয়নের উত্তর কাশিমগঞ্জ ও ভারতের ফাঁসি দেওয়া সীমান্ত এলাকায় অবস্থান নেয়।

;

মদ খেয়ে রাস্তায় মাতলামি, আদালতে পাঠাল পুলিশ



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, চট্টগ্রাম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রাম নগরীর বায়েজিদ এলাকায় মদ খেয়ে রাস্তায় মাতলামি ও লোকজনের ওপর আক্রমণাত্মক আচরণ ৪ যুবক। এমন খবর পেয়ে পুলিশ তাদের আটক করে থানা নিয়ে আসে। মেডিকেল পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের মদ পানের সত্যতাও পাওয়া যায়।

শুক্রবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তাদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে জানিয়েছেন পুলিশ।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) দিনগত রাতে টেক্সটাইল পানির কল এলাকা থেকে চারজনকে আটক করা হয়।

তারা হলেন- সেকান্দর আলী (৪৬), দিল মোহাম্মদ (৩৯), হিরন মিয়া (২৭) ও ফারুক (২৫)।

বিষয়টি বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন বায়েজিদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় কুমার সিনহা।

তিনি বলেন, রাতের বেলা মদ খেয়ে মাতলামি এবং লোকজনের ওপর আক্রমণাত্মক আচরণ করার খবর পেয়ে টেক্সটাইল পানির কল এলাকা থেকে ৪ জনকে আটক করা হয়। তাদের কারও কাছে মদ পান করার কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই বলে জানায়। পরে তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। মেডিকেল টেস্টে তাদের এ্যালকোহল পানের সত্যতা পাওয়া যায়।

শুক্রবার সকালে চারজনকে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান ওসি।

;