সাহায্য চাইতে ৯৯৯ এ কল, উল্টো কলারই গ্রেফতার



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এ কল দিলেন স্ত্রী-সন্তানের হাত থেকে বাঁচতে। কিন্তু স্ত্রী সন্তানকে রেখে অভিযোগকারীকেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

গতকাল বুধবার (২৯ নভেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ওয়ারির বিসিজি রোড এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ এর পরিদর্শক (মিডিয়া) আনোয়ার সাত্তার।

তিনি বলেন, 'সম্পত্তি ও পারিবারিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রথম স্ত্রী ও মেয়েকে আটক রাখার অভিযোগ করে এক ভুক্তভোগী ফোন করেন।  স্ত্রী-মেয়ে জমি লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে উল্লেখ করে  একজন কলার ‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করেন। এ অবস্থা থেকে তাকে  উদ্ধারের জন্য তিনি সাহায্য চান।' 

এ তথ্যের ভিত্তিতে ৯৯৯ কলটেকার কনস্টেবল বরকত শেখ ওয়ারী থানায় বিষয়টিতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য জানায়। পাশাপাশি ৯৯৯ ডেসপাচার এসআই রেজাউল করিম কলার এবং সংশ্লিষ্ট সবার সাথে যোগাযোগ করে পুলিশি তৎপরতার খোঁজখবর নিতে থাকেন।

প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে ওয়ারী থানার একটি পুলিশ দল কলারকে উদ্ধারের জন্য ঘটনাস্থলে যায়। অন্যদিকে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানার একটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা ভুক্ত একজন আসামি ওয়ারির বিসিজি রোডের ২৯ নম্বর বাসায় অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অন্য এক পুলিশ দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

জানা যায় কলার কামাল আহমেদ মোল্লা (৪৫), পিতা- মৃত জয়নাল আবেদীন মোল্লা, গ্রাম- চক পালপাড়া, সিঙ্গাইর, মানিকগঞ্জ থানার মামলা নম্বর ২৭ তারিখ ২৮/১০/২০২৩ এর ৩৪ নম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি।

এভাবে নিজের পাতা জালে ধরা পড়া আসামিকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং পরবর্তীতে আইনী ব্যবস্থার জন্য মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানায় হস্তান্তর করা হয়। সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে যাওয়া ওয়ারি থানার এস আই বিশ্বজিৎ ৯৯৯ কে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন।

   

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম,ব গুড়া
বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

বগুড়ায় মাটি খুঁড়তে বেরিয়ে এলো ৩ গ্রেনেড

  • Font increase
  • Font Decrease

বাড়ির সংস্কার কাজ করার সময় মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এসেছে মুক্তিযুদ্ধকালের তিনটি গ্রেনেড। তবে সেগুলো অবিস্ফোরিত৷

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উদ্ধার করা গ্রেনেডগুলো পানিতে ভিজিয়ে নিরাপদ দূরত্বে রাখা হয়েছে।

বগুড়া শহরের স্টাফ কোয়ার্টার সংলগ্ন জিলাদারপাড়া এলাকার একটি বাড়ির আঙিনা থেকে গ্রেনেডগুলো উদ্ধার করে পুলিশ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ঘটনাস্থলে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল বলে দাবি করেছেন ওই বাড়ির মালিক। গ্রেনেডগুলো মুক্তিযুদ্ধকালের বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাড়ির মালিক মোস্তাফিজুর রহমান স্বাধীন জানান, কয়েকদিন ধরে তার বাড়ির সংস্কার কাজ চলছে। বাড়ির পাশে কিছু মাটি নেওয়ার জন্য মাটি খুঁড়তেই একসঙ্গে তিনটা গ্রেনেড পাওয়া যায়। পরে তাৎক্ষণিক পুলিশকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার করে। মুক্তিযুদ্ধের সময় সেখানে আর্মিদের ক্যাম্প ছিল। এ গ্রেনেডগুলো সেই সময়কার।

বগুড়া সদর থানার ওসি সাইহান ওলিউল্লাহ জানান, তিনটি গ্রেনেড সদৃশ বস্তু পাওয়া গেছে। দেখে মনে হচ্ছে এগুলো অনেক পুরাতন। ঢাকায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিটকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলে এগুলো নিষ্ক্রিয় করা হবে।

;

নীলফামারীতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিক্ষক নিহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, নীলফামারী
ছবি: বার্তা ২৪.কম

ছবি: বার্তা ২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

নীলফামারীর ডিমলায় সড়ক দুর্ঘটনায় জামিনুর রহমান (৪০) নামে এক স্কুল শিক্ষক নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মিস্টার নামে এক পুলিশ সদস্য গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

সোমবার (৪ মার্চ) দুপুরে ইসলামি ডিগ্রি কলেজের পূর্ব দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত জামিনুর রহমান ওই এলাকার বাসিন্দা ও স্থানীয় পচারহাট উচ্চ বিদ্যালের শিক্ষক এবং আহত পুলিশ সদস্য পচারহাট এলাকার আলীর ছেলে মিস্টার।

প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, ওই শিক্ষক ও পুলিশ সদস্য মামলার হাজিরার জন্য মোটরসাইকেল যোগে লালমনিরহাটের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানের সাথে ধাক্কায় দুজনে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পরে যায়৷ পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক জামিনুর রহমানকে মৃত ঘোষণা করেন এবং মিস্টার নামে পুলিশ সদস্যকে জরুরি চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ বিষয়ে ডিমলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দেবাশীষ রায় জানায়, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মৃত ব্যক্তির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

;

রোজায় সাশ্রয়ী মূল্যে চাল পাবে ৫০ লাখ পরিবার: খাদ্যমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন চাল সাশ্রয়ী মূল্যে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার।

সোমবার (৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি ১ মার্চ থেকেই লিফটিং (ডিলারদের চাল উঠাতে) করতে বলেছি। ১ থেকে ২০ মার্চ পর্যন্ত আমাদের একটি সিদ্ধান্ত ছিল। সেটা কমিয়ে ১০ মার্চের মধ্যে ৫০ লাখ পরিবারকে দেড় লাখ টন খাদ্য দেওয়া হবে।

এতে বাজারে স্বস্তি ফিরবে কি না প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেড় লাখ টন চাল যদি ১৫ টাকা কেজি দরে দেওয়া হয়, তাহলে ৫০ লাখ পরিবারকে তো আর বাজার থেকে চাল কিনতে হবে না। এতে চালের বাজার আরও স্থিতিশীল হবে।

২০ ফেব্রুয়ারি থেকে বস্তায় চালের দাম ও জাত লেখা থাকার সিদ্ধান্ত কার্যকর হয়েছে কি না, জানতে চাইলে সাধন চন্দ্র বলেন, আমরা ২০ ফেব্রুয়ারির মধ্যে পরিপত্র জারি করব বলেছিলাম, আর কার্যকর করব ১৪ এপ্রিল বা ১ বৈশাখ থেকে। তখন বাজারে বোরোর নতুন চাল আসবে। যেসব চাল এখন বাজারে বস্তাবন্দি আছে এবং সিল মারা আছে, সেগুলো এখন আর কেউ প্যাকেট চেঞ্জ করবে না। কাজেই নতুন বছরে বোরো চাল উঠবে, তখন থেকে এটা কার্যকর হবে।

ডিসিদের কাছে হালনাগাদ তথ্য আছে কি না, জানতে চাইলে খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ডিসি-মিল মালিকদের সঙ্গে মিটিং শুরু হয়েছে। ধান ও চালের জাতের যে নমুনা, সেটা তাদেরও সরবরাহ করা হচ্ছে। ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সে জাতগুলো দিয়েছে, আউশ, আমন ও বোরোতে কোন কোন জাত, কোনটা মোটা, মাঝারি ও সরু সেই জাত দিয়েছে, সেটা নিয়ে তাদের সঙ্গে কাজ করছি।

এ ছাড়া মজুতবিরোধী অভিযান অনেকাংশেই সফল হয়েছে। বস্তার গায়ে জাতের নাম লেখা নিয়ে যে পরিবর্তন এসেছে, সেটা বাস্তবায়নে সার্বিক সহযোগিতা করতে ডিসিদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

;

আগুনের পরও নিরাপত্তা ছিল না ওয়ারীর পেশওয়ারাইন রেস্তোরাঁয়, গ্রেফতার ২



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ওয়ারী থানার পেশওয়ারাইন রেস্টুরেন্টে গত শুক্রবার (১ মার্চ) রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এরপরও ওই রেস্টুরেন্টের মালিক এবং ম্যানেজার রেস্টুরেন্টের নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছাড়াই রান্নার কাজে সিলিন্ডার এবং চুলা ব্যবহার করেন। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানর পুলিশ (ডিএমপি)’র ওয়ারি থানা।

পুলিশ বলছে, পেশওয়ারাইন রেস্তোরাঁঁর মালিক এবং ম্যানেজার মিলে অগ্নি নিরাপত্তা কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়াই রান্নার কাজে সিলিন্ডার ব্যবহার করে আসছিল। নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করেই অসাবধানতা, অবহেলা, বেপরোয়া ও তাচ্ছিল্যপূর্ণ এবং বিপদজনকভাবে এই গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করায় শুক্রবার (১ মার্চ) রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ম্যানেজার মো. সালাউদ্দিন আহম্মেদ (২৯) ও আ মো. সাইফুল ইসলাম ওরফে শিমুল (৩০)। এই সময়ে চারটি সিলিন্ডারসহ বেশ কিছু মালামাল জব্দ করা হয়।

সোমবার (৪ মার্চ) এসব তথ্য জানান ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইকবাল হোসাইন।

তিনি জানান, গত শুক্রবার (১ মার্চ) রাত ১০টা ১০ মিনিটের দিকে ওয়ারী থানার পেশওয়ারাইন রেস্টুরেন্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। তখন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট, পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং পুলিশের কয়েকটি টহল টিম কাজ করে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি।

ডিসি ইকবাল হোসাইন বলেন, ১ মার্চ আগুন লাগার ঘটনার পরেও পেশওয়ারাইন রেস্টুরেন্টটিতে পুনরায় রান্নার কাজে ব্যবহারের জন্য নিরাপত্তার তোয়াক্কা না করে গ্যাস সিলিন্ডার ব্যবহার করতে থাকে। ৩ মার্চ ওই এলাকায় ডিউটিরত অবস্থায় এসআই মো. রেজাউল করিম চৌধুরী বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ঘটনার সত্যতা যাচাই ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে সবাই পালানোর চেষ্টা করেন। সালাউদ্দিন ও শিমুলকে গ্রেফতার করা হয়।

এ ঘটনায় আজ সোমবার পুলিশ বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নং- ৪। গ্রেফতার দুজনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

;