বেইলি রোডে আগুনে নিহত বেড়ে ৪৩



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
বেইলি রোডে আগুন

বেইলি রোডে আগুন

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর বেইলি রোডের কাচ্চি ভাই রেস্তোরাঁর ভবনে আগুনে পুড়ে নিহত বেড়ে ৪৩ জনে দাঁড়িয়েছে। দগ্ধ আরও বেশ কয়েকজন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন।

বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, খবর পেয়ে হাসপাতালে দ্রুত চলে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী আমাকে দ্রুত আসতে বললেন। এখানে এসে যা দেখলাম তা ভয়াবহ অবস্থা। বার্ন ইন্সটিটিউটে এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছেন। অপর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন মারা গেছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, যারা এখন পর্যন্ত বেঁচে আছেন। তাদের বেশির ভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। যারা বেঁচে আছে তাদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে। আহতরা ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও বার্ন ইউনিটে ভর্তি আছেন। বাইরে কেউ আছে কি না এখনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ঢামেক ১৪ জন ও বার্নে ৮ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তবে তাদের অবস্থা গুরুতর।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সবাইকে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, রাত ৯টা ৫০ মিনিটে আগুন লাগার খবর পান তারা। প্রথম ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ৯টা ৫৬ মিনিটে। পরে আগুনের ভয়াবহতা ছড়িয়ে পড়লে আরও ১২টি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করে পুলিশ, আনসার, র‌্যাব ও এনএসআই।

   

হকারদের দখলে চিড়িয়াখানার ফুটপাত, ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা



রাকিব হাসান, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
হকারদের দখলে চিড়িয়াখানার ফুটপাত, ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

হকারদের দখলে চিড়িয়াখানার ফুটপাত, ভোগান্তিতে দর্শনার্থীরা

  • Font increase
  • Font Decrease

 

জাতীয় চিড়িয়াখানার পশু পাখি আর সুন্দর প্রকৃতি শিশু থেকে বৃদ্ধ সকলের মনকে আনন্দে ভরিয়ে তোলে। তাই ঈদে চিড়িয়াখানায় এসেছে হাজারো দর্শনার্থী। তবে শিশুদের এই ঈদ আনন্দ ভোগান্তিতে রূপ নিচ্ছে তীব্র গরম, যানজট এবং ফুটপাতের হকারদের অত্যাচারে।

বিশেষ করে হকারদের কারণে ফুটপাত দিয়ে দর্শনার্থীদের চলাচলই যেন দায় হয়ে পড়েছে। ফুটপাতে জায়গা না পেয়ে দর্শনার্থীদের অনেকে মূল সড়ক দিয়ে হাঁটছেন।

জানা গেছে, স্থানীয় সরকার দলীয় নেতা এবং থানাকে ম্যানেজ করেই চলছে সড়ক ও ফুটপাত দখল। চায়ের দোকানদার আবুলের নেতৃত্বে টাকা তোলা হয় ফুটপাত ও সড়কের এসব অবৈধ দোকান থেকে। ব্যবহার করা হচ্ছে অবৈধ বিদ্যুৎ ও পানি।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) জাতীয় চিড়িয়াখানা ঘুরে দেখা গেছে চিড়িয়াখানার প্রধান গেট থেকে রাইনখোলা বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত তীব্র যানজট। সাধারণ মানুষ উপায় না পেয়ে রাইনখোলা বাস স্ট্যান্ড থেকে হেঁটে চিড়িয়াখানার উদ্দেশ্য রওনা দিচ্ছে। তীব্র গরমে কোলের শিশু অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। আবার অনেক বাচ্চা অল্প হেঁটেই রাস্তার মধ্যে অসুস্থ হয়ে বমি করে দিচ্ছে।


গেন্ডারিয়া থেকে চিড়িয়াখানা এসেছেন প্রশান্ত চন্দ্র হালদার। কোলে তার ছোট ছেলে ও বড় ছেলে হেটেই যাচ্ছিলো। হঠাৎ টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘক্ষণ লাইনে থাকার কারণে অসুস্থ হয়ে পড়ে কোলের ছেলে। এমন অবস্থায় কি করবেন প্রশান্ত চন্দ্র তা ভেবে পাচ্ছিলেন না। তবে মাথায় ও চোখে মুখে পানি দিয়ে ছায়াতে বসে কিছুক্ষণ সেবা শুশ্রূষা করলে ছেলে কিছুটা সুস্থ করলে চিড়িয়াখানার ভেতরে প্রবেশ করেন।

তিনি বলেন, সেই রাইনখোলা মোড় থেকে হেটে আসছি। জ্যামের কারণে গাড়ি চিড়িয়াখানা পর্যন্ত আসতে পারেনি। তাছাড়া রাস্তায় যে পরিমাণে দোকান বসেছে এতে হাটাও এখন দায়। কারো কোন কাণ্ডজ্ঞান নেই।

রফিকুল ইসলাম তার দুই মেয়েকে নিয়ে চিড়িয়াখানায় এসেছেন তিনি বলেন, চিড়িয়াখানা আসতে যে এতো ঝামেলা পোহাতে হবে তা আগে জানলে আসতাম না। এতো অব্যবস্থাপনা তা বলে শেষ করতে পারব না। রাস্তার পুরো অংশটা জুড়ে মানুষ গাড়ি দোকান সব মিলেমিশে জগা খিচুড়ি। পাশেই পুলিশ দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখছে কিন্তু কিছু বলছে না।


ফুটপাতে দোকান নিয়ে বসা এক ব্যবসায়ীর কাছে জানতে চাইলে তিনি তার নাম জানাতে অনীহাবোধ করেন। তিনি বলেন, আমরা সারা বছর এখানে দোকান করি। আমরা এই এলাকার লোক। কাউকে কোন চাঁদা দেই না।

তবে আরেক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শর্তে জানান, চিড়িয়াখানা রোডের চায়ের দোকানদার আবুল এই সড়কে যত দোকান আছে সেগুলোর থেকে টাকা উঠায়। এই আবুল মূলত লাইনম্যানের দায়িত্ব পালন করছে। আবুল এই টাকা থানা ও স্থানীয় নেতাদের হাতে তুলে দেন। সারা বছর যারা ব্যবসায় করে তারাই ঈদকে কেন্দ্র করে কয়েকটি করে দোকান দিয়েছে। ভাসমান এসব দোকান থেকে শুধু মাত্র ঈদের এই কয়েকদিন ১০০/২০০ থেকে শুরু করে ১০০০ হাজার করে টাকাও তোলা হচ্ছে। দোকানের পজিশন আর সাইজের উপর ভিত্তি করে চাঁদার হার নির্ধারণ করা হয়।

এই টাকা কারা পাচ্ছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, কার পেটে যাচ্ছে বলতে পারবো না। তবে স্থানীয় নেতা ও থানায় যাচ্ছে এটা তো অনুমান করতে পারি। কিন্তু কিছু বলার নাই।

এ প্রসঙ্গে মিরপুর ট্রাফিক জোনের এটিএসএই মো: শামীম বার্তা২৪.কম’কে বলেন, যানজট নিরসনে প্রতিদিনের মতো আজকেও সকাল থেকে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সাধারণত চিড়িয়াখানার এই সড়কে শুক্র ও শনিবার ভিড় হলেও। ঈদকে কেন্দ্র করে গাড়ির চাপ অনেক বেশি। তাই মাঝেমধ্যে একটু জ্যাম তৈরি হচ্ছে। সড়কে অবৈধ দোকান, ফুটপাত দখল করে দোকান উচ্ছেদ আমাদের কাজ না। তবে যেহেতু এদের জন্যে আমাদের সমস্যা হচ্ছে তাই আমি সংশ্লিষ্ট থানায় অবগত করছি তারাই সমাধান করবে।

;

জাফলংয়ে নারী পর্যটকদের ইভটিজিং, যুবককে ২ বছরের কারাদণ্ড



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, সিলেট
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে সিলেটের গোয়াইনঘাটের জাফলংয়ে ঘুরতে এসে ইভটিজিংয়ের শিকার হয়েছেন কয়েকজন নারী। ইভটিজিংয়ের দায়ে এক যুবককে দুই বছরের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। পাশাপাশি আরও দুই কিশোরের মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) জাফলংয়ে জিরো পয়েন্ট সংলগ্ন ভ্রাম্যমাণ বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার ৬ নং চিকনাগোল ইউনিয়নের ঠাকুরের মাটি এলাকার অহিদুর রহমানের ছেলে জাহিদুর রহমান (২১) একই এলাকার মৃত জসিমউদ্দীনের ছেলে মো.রাহিম আহমেদ (১৭) ও ঠাকুরের মাটি এলাকার আকমল আলির ছেলে সুমন আহমেদ (১৬)।

এদের মধ্যে রাহিম ও সুমন দুজন কিশোর হওয়ায় তাদের পরিবারকে খবর দিয়ে নিয়ে এসে মুচলেকা দিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাফলং টুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ মোহাম্মদ রতন শেখ (পিপিএম)।

ট্যুরিস্ট পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে একটি পরিবার জাফলংয়ে বেড়াতে এসে দুই কিশোর ও এক তরুণের ইভটিজিংয়ের শিকার হন ওই পরিবারের নারীরা। বিষয়টি তৎক্ষণাৎ ভিকটিমরা ট্যুরিস্ট পুলিশকে জানালে আমরা ইভটিজারদের আটকে উপজেলা প্রশাসনকে খবর দেই। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তরুণকে দুই বছরের কারাদণ্ড প্রদান করেন।

এ বিষয়ে গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.তৌহিদুল ইসলাম বলেন, অপরাধকারী দুইজন অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় সদাচারণের শর্তে তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে । সেই সাথে প্রাপ্তবয়স্ক একজনকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়।

তিনি বলেন, তাদের বিস্তারিত তথ্য থানা ও টুরিস্ট পুলিশের অপরাধী রেকর্ডে অন্তর্ভুক্ত করে রাখা হয়েছে। ভবিষ্যতে জাফলং কিংবা অন্যকোন স্থানে যদি কোন ক্রিমিনাল আ্যক্টিভিটিজ করে তাহলে পুলিশের ক্রিমিনাল ডাটাবেইজের ভিত্তিতে তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিসহ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

;

রমনা বটমূল-ঢাবি এলাকায় মানতে হবে যেসব ট্রাফিক নির্দেশনা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রমনা বটমূল-ঢাবি এলাকায় মানতে হবে যেসব ট্রাফিক নির্দেশনা

রমনা বটমূল-ঢাবি এলাকায় মানতে হবে যেসব ট্রাফিক নির্দেশনা

  • Font increase
  • Font Decrease

আগামীকাল রোববার (১৪ এপ্রিল) পহেলা বৈশাখ ১৪৩১ উদযাপন উপলক্ষে রমনা বটমূল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আয়োজন করা হয়েছে বিভিন্ন কর্মসূচি।

এ উপলক্ষে ভোর পাঁচটা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রমনা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় সর্বসাধারণ ও যান চলাচলে সুনির্দিষ্ট ট্রাফিক নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক রমনা বিভাগ।

যেসব এলাকায় রাস্তা বন্ধ ও রোড ডাইভারশন থাকবে

বাংলামোটর ক্রসিং, মিন্টো রোড ক্রসিং, অফিসার্স ক্লাব ক্রসিং, কাকরাইল চার্চ ক্রসিং, কদম ফোয়ারা ক্রসিং, ইউবিএল ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার ক্রসিং, জগন্নাথ হল ক্রসিং, ভাস্কর্য ক্রসিং, নীলক্ষেত ক্রসিং ও কাঁটাবন ক্রসিং।

যানবাহন চলাচলের বিকল্প রাস্তা

১. মিরপুর-ফার্মগেট থেকে শাহবাগ অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন বাংলামোটর-মগবাজার হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

২. বঙ্গবাজার-হাইকোর্ট থেকে মৎস্য ভবন অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন কদম ফোয়ারা-ইউবিএল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

৩. জিরো পয়েন্ট-কদম ফোয়ারা থেকে মৎস্য ভবন অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন ইউবিএল-নাইটিংগেল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

৪. শান্তিনগর-রাজমনি থেকে গুলিস্তান ও সদরঘাট অভিমুখী যাত্রীবাহী যানবাহন নাইটিংগেল-ইউবিএল ক্রসিং হয়ে গন্তব্যে পৌঁছাবে।

নগরবাসীকে উল্লিখিত সময়ে উপর্যুক্ত এলাকা/রোডগুলোহ পরিহার করে বিকল্প রাস্তা ব্যবহার করার জন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে।

;

বান্দরবানে শুরু হলো মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা ২৪.কম, বান্দরবান
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

 

শুরু হয়েছে মারমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ ‘সাংগ্রাই’ উৎসব। পুরাতন বছরকে বিদায় ও নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে বান্দরবান পার্বত্য জেলার মারমা সম্প্রদায় আয়োজন করে অন্যতম প্রধান সামাজিক উৎসব ‘সাংগ্রাই’।

শনিবার (১৩ এপ্রিল) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান পার্বত্য জেলার আয়োজনে সাংগ্রাই উপলক্ষে বর্ণীল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। শোভাযাত্রাটি স্থানীয় রাজার মাঠ থেকে শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি সভাপতি ও সংসদ সদস্য বীর বাহাদুর উশৈসিং। আরো উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পার্বত্য জেলার জেলাপ্রশাসক, শাহ্ মোজাহিদ উদ্দিন।

সকালে মারমা সম্প্রদায়ের শত শত নারী পুরুষ তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী ও বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষজন সহ ১১টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী-পুরুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক পড়ে, নানা সাজে সেজে নেচে গেয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নেয়।

এবার উৎসবে থাকছে চন্দন পানিতে বুদ্ধ মূর্তি স্নান, বয়স্ক পূজা, মারমা তরুণ তরুণীদের পানি খেলা, পিঠা তৈরির প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়াও থাকছে বিভিন্ন পাড়ার নিজস্ব জাতি গোষ্ঠীর আয়োজনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

;