লোকসানে চামড়া বিক্রি করেছেন ব্যবসায়ীরা



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের সর্ববৃহৎ চামড়ার মোকাম যশোরের রাজারহাট ঈদ পরবর্তী প্রথম হাটেঁ চামড়ার কেনাবেচা জমেনি।

মঙ্গলবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এ হাটঁ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাহিরের জেলাগুলো থেকে বড় ব্যবসায়ীরা ও চামড়ার ক্রেতারা না আসায় প্রায় ক্রেতাশূন্য ছিল এ হাট।

যশোরের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে চামড়া সংগ্রহ করে বিক্রি করতে আসা ব্যাপারীদের অভিযোগ, সরকার ট্যানারী মালিকদের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও খোলা বাজারে সে দামের সাথে কোন মিল নেই।

যশোরের কেশবপুর থেকে ৭টা ছাগলের চামড়া নিয়ে এসেছেন চন্দর দাস। তিনি বলেন, '৭টা চামড়া খরচসহ কেনা দাম পড়েছে ৭৮০ টাকা। বিক্রি করতে আসলে ক্রেতারা ৭টা চামড়ার দাম বলছে ১৫০ টাকা।

মনিরামপুর থেকে ১৪০ পিস ছাগলের চামড়া নিয়ে এসেছেন সঞ্জয় কুৃমার। তিনি বলেন, '১৪০ পিস চামড়ায় কেনা খরচসহ ২৫০০ টাকা। প্রতি পিচ চামড়ার দাম বলছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। লোকসান গুনেই চামড়া বিক্রি করে দিতে হচ্ছে।

যশোর শহরের তালতলা এলাকার চামড়া ব্যাপারী সুবদ দাস বলেন, আমি গতকাল ১৭ পিস কোরবানির গরুর চামড়া ১১০০ টাকা করে প্রতি পিস কিনেছি। বিক্রি করতে আসলে ক্রেতারা দাম বলছে ৯০০, সর্বোচ্চ ৯৫০ টাকা। আমরা চামড়া ব্যাপারীরা এবার শেষ।

তিনি বলেন, 'অনান্য বছর বাহিরের জেলা থেকে ৫০-১০০ জন ক্রেতা ও বড় বড় ব্যবসায়ীরা আসে। এ বছর বাহিরের জেলা থেকে বড় ব্যবসায়ীরা না আসায় ঈদ পরবর্তী আজ প্রথম হাটেঁ চামড়ার দাম কম। তাছারা বর্তমানে সবাই মাদ্রাসায় চামড়া দান করে দেয়। এজন্য কেউ গরজ করে চমড়া ছাড়ায় না, চামড়া ছাড়াতে গিয়ে চামড়ায় ফুটো-ফাটা করে ফেলে যার কারণে অধিকাংশ চামড়া চাতিল বলে ফিরিয়ে দেয় ক্রেতারা।

স্থানীয় চামড়া ব্যবসায়ী ও ক্রেতা পদীপ দাস বলেন, ট্যানারী মালিকরা আমাদের অনেক টাকা আটকে রেখেছে। তা বাদে তারা অনেক চামড়া ফিরিয়ে দেয়। ফলে আমাদেরও লোকসানে পড়তে হয়। এজন্য চামড়ার দাম কম।

আরেক ক্রেতা শিবপদ দাস বলেন, 'আমরা স্থানীয় ব্যবসায়ী। আমরা চামড়া কিনে ঢাকায় পাঠাই, আমাদের বহন খরচ আছে। তারপরেও আমাদের অনেক চামড়া তারা বাতিল বলে ফিরিয়ে দেয়। লবনের দাম বেশি, চামড়া সংরক্ষণে খরচ বেশি। তাছাড়া ট্যানারী মালিকরা আমাদের টাকা বাকি রাখায় আমরা ব্যাপারীদের কাছ থেকে ভালো দামে চামড়া কিনতে পারি না।'

রাজারহাট চামড়া মোকামের ব্যবসায়ী নেতা আমিনুর পলাশ বলেন, আজকে ঈদ পরবর্তী প্রথম হাটেঁ চামড়ার দাম কম। বাহিরের জেলা থেকে ক্রেতারা আসেনি। অনান্যবার, নাটোর, পাবনা, ঢাকা, কুষ্টিয়া থেকে ক্রেতারা আসে। আমরা তারপরেও চেষ্টা করছি সরকারের বেঁধে দেওয়া দামে চামড়া কিনে ঢাকায় সরবরাহ করতে। আশা করি আগামী শনিবার সামনের হাঁটে বাজার জমজমাট হবে।

গ্রিল কেটে নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা, মেয়ে আহত



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, যশোর
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

যশোরের ঝিকরগাছায় মধ্যেরাতে গ্রিল কেটে ঘরের মধ্যে ঢুকে ফেরদৌসী খাতুন (৫০) নামে এক নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। রোববার (১৪ জুলাই) রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার নওয়ালী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় নিহতের মেয়ে জান্নাতি খাতুনকেও ছুরিকাঘাত করে আহত করেছে ওই দুর্বৃত্তরা।

নিহত ফেরদৌসী খাতুন নওয়ালী গ্রামের আলতাফ হোসেনের স্ত্রী।

স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, অজ্ঞাতনামা চোর রান্নাঘরের গ্রিল কেটে চুরির উদ্দেশ্য ঘরে ঢুকতে পারে। চুরি করার বিষয়টি ফেরদৌসী খাতুন টের পেয়ে যাওয়ায় তার বাম কানের পাশে, ডান হাতের আঙ্গুলে ও বাম বুকে ছুরিকাঘাত করে দুর্বৃত্তরা। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি মধ্যে মারা যান। এ সময় তার মেয়ে জান্নাতি খাতুনকেও ছুরিকাঘাত করে আহত করে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। আহত জান্নাতি খাতুন পাশের বাসায় থাকা তার চাচা মিজানুর রহমান মিন্টু ও চাচী নিলুফা খাতুনকে জানালে স্থানীয় লোকজনকে সাথে নিয়ে ঘরে ঢুকে দেখেন ফেরদৌসী খাতুন ঘরের মধ্যে মৃত অবস্থায় পড়ে আছেন।

এ বিষয়ে ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন ভুঁইয়া বলেন, 'চুরি করতে গিয়ে ওই নারীকে হত্যা করা হয়েছে কিনা এটা আমরা নিশ্চিত না, তবে গ্রিল কেটে ঘরে ঢুকে ওই নারীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয়েছে। একই সাথে তার মেয়েকেও ছুরিকাঘাতে আহত করা হয়েছে।'

তিনি বলেন, 'এটা হত্যাকাণ্ড তবে কি কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটলো সেটি আমরা তদন্ত করছি।'

;

কাঁচা মরিচের ঝাঁজে নিত্যপণ্যের বাজারে দিশেহারা ক্রেতারা



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
কাঁচা মরিচের ঝাঁজে নিত্যপণ্যের বাজারে দিশেহারা ক্রেতারা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

কাঁচা মরিচের ঝাঁজে নিত্যপণ্যের বাজারে দিশেহারা ক্রেতারা/ ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

টানা কয়েকদিনের বৃষ্টি ও জলাবদ্ধতার প্রকোপ ছাপিয়ে আবারও জমে উঠেছে কারওয়ান বাজার। সবুজ শাক সবজির আমদানিও হয়েছে ভালোই। বৃষ্টি জলাবদ্ধতায় নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে না পারা ক্রেতারাও এসেছেন বাজারে।

বাজারে আমদানি স্বাভাবিক থাকলেও বেড়েছে সবজির দাম। প্রতিটি কাচা পণ্যের দাম বেড়েছে ১০-১৫ টাকা পর্যন্ত। এছাড়া সাধ্যের বাইরে কাঁচা মরিচের দাম। ৩ কেজির চালের মূল্যেও মিলছে ১ কেজি মরিচ। দেশি পেঁয়াজও মিলছে না ১০০ টাকার নিচে।

সরেজমিনে রোববার (১৪ জুলাই) সকালে কারওয়ান বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, যা গতকালও ছিল ৪০ টাকা। আগের তুলনায় দাম বেড়েছে করলা, ঢেঁড়স, বেগুনের। ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে লম্বা করলা। যদিও ছোট করলা মিলছে ৮০ টাকায়। ঢেঁড়স বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজি দরে, টমেটো ৮০ টাকা। আলুর দাম ১০ টাকা বেড়ে ৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে বাজারে।

এদিকে পাইকারি বাজারে কাঁচা মরিচের আমদানি কমায় বেড়েছে দাম। ২০০ টাকা পাইকারি মিললেও খুচরা বাজারে ২৪০ টাকা কেজি। এতে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতা।

ব্যাংকার শামিম হোসেন বলেন, সকালে এসে বাজারে টাটকা শাক সবজি পেয়েছি। কিন্তু গতকালকের থেকে আজ ১০-২০ টাকা দাম বেশি। এভাবে তো কেনা যায় না। দেখেন আমাদের বেতনের সাথে তাল মেলাতে গেলে কীভাবে হবে। এসবের কারণেই মানুষ অসৎ পথে উপার্জন করছে।

জান্নাতুল মাওয়া নামের এক নারী বলেন, খুব কষ্ট হচ্ছে সংসার চালাতে। আগে ৫০০ টাকায় দুই-তিনটা আইটেম কেনা যেত এখন একটা কিনলে আরেকটা কেনা যায় না। আসলে এভাবে কোনো বাজার ব্যবস্থা চলতে পারে না। নিম্ন আয়ের মানুষ খুব অসুবিধায় আছে।

এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টি ও আন্দোলনের কারণে বেশ ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। ফলে এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। শহরের জলাবদ্ধতায় পচে গেছে অনেক সবজি। একি সাথে বৃষ্টির কারণে আমদানি কম হয়েছে গত কয়েকদিনে। এর প্রভাব সরাসরি পড়েছে ক্রেতার উপড়ে।

কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী মুজাম্মেল হক বলেন, গতকাল আমদানি কম ছিল। ৪০০ টাকা কেজি ছিল মরিচের। আজ তা পাইকারি ২০০ টাকা। বৃষ্টির কারনে অনেক মরিচ পচে গেছে। আর এর প্রভাব পড়েছে বাজারে। 

আশরাফুল ইসলাম নামের আরেক ব্যবসায়ী বলেন, দেখেন গত কয়েকদিন কি লসটা ব্যবসায়ীরা খেয়েছে। এটার প্রভাব বাজারে পড়া স্বাভাবিক। আমাদেরও কিছু করার নাই। প্রতিটি পণ্যের দাম বেড়েছে ১০-২০ টাকা। আমরাও বুঝি। তবে ব্যবসা তো করতে হবে। আমদানি চেইন ঠিক করা গেলে দাম কমবে। একটা সবজি কিনতে ১০ টাকা প্রয়োজন হলেও বাজারে আসতে তা হয়ে যায় ৫০ টাকা। রাস্তার খরচ কমাতে না পারলে বাজারে দাম কমবে না।

;

মেহেরপুরের গাংনীতে সড়কে ডাকাতি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, মেহেরপুর
ছবি: বার্তা ২৪

ছবি: বার্তা ২৪

  • Font increase
  • Font Decrease

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার পূর্বমালসাদহ-বারাদি সড়কে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (১৩ জুলাই) রাত ১০টার দিকে মাছ ব্যবসায়ীদের আটকে রেখে নগদ টাকা ও পাখিভ্যান ছিনিয়ে নিয়েছে একদল ডাকাত।

জানা গেছে, হাড়িয়াদহ গ্রামের জিয়ারুল ইসলাম গাংনী হাট থেকে পাখিভ্যানযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। ওই সড়কের সরোয়ার হোসেনের ইটভাটার কাছে পৌঁছালে অস্ত্রধারী কয়েকজন ডাকাত পথরোধ করে। তার হাত-পা ও চোখ বেঁধে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ডাকাতদল সড়কে চলাচলকারীদের কাছ থেকে টাকা ও মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেয়। যাওয়ার সময় জিয়ারুলের ব্যাটারি চালিত পাখিভ্যানটি নিয়ে যায়। খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে।

ভুক্তভোগী জিয়ারুল ইসলাম জানান, রসি দিয়ে তাকে গাছের সাথে বাঁধা হয়। এসময় ডাকাতরা লাঠি দিয়ে তার শরীরের বেশ কয়েকটি আঘাত করে। তারা চার জন ছিল। তাদের কৌশলে কথা বলছিল ফলে ভাষা ও কণ্ঠ শনাক্ত করা যায়নি। দীর্ঘ দুই ঘণ্টা বেঁধে রাখার সময় আরও কয়েকজনকে তারা সড়কে আটক করে। তবে তাদের পরিচয় পাননি জিয়ারুল ইসলাম।

এ বিষয়ে গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) তাজুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার ও ছিনতাই হওয়া মালামাল উদ্ধারের চেষ্টা করছে পুলিশ।

;

গাইবান্ধায় নৈশ প্রহরীকে হত্যা করে অটোরিকশা চুরি



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, গাইবান্ধা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে একটি গ্যারেজের নৈশ প্রহরীকে শ্বাসরোধে হত্যা করে গ্যারেজ থেকে পাঁচটি অটোরিকশা নিয়ে গেছে চোর চক্র। ঘটনার সাথে পূর্ব শত্রুতার জেরও থাকতে পারে বলে প্রাথমিক ধারণার কথা জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার (১৩ জুলাই) দিনগত গভীর রাতে পলাশবাড়ি পৌর শহরের সুঁইগ্রামের একটি গ্যারেজে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। গেল কয়েকদিন আগেও ওই গ্যারেজে চুরির ঘটনা ঘটেছে।

৬০ বছর বয়সী নিহত ওই নৈশ প্রহরীর নাম দুদু মিয়া। নিহত দুদু একই গ্রামের মৃত আমির আলীর ছেলে। তিনি কয়েক বছর থেকে নুরে আলম জিল্লু মিয়া নামে এক ব্যাক্তির গ্যারেজে নাইটগার্ড (নৈশ প্রহরী) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বিষয়টি মোবাইল ফোনে বার্তা২৪.কমকে নিশ্চিত করেছেন গাইবান্ধার সহকারি পুলিশ সুপার (সি সার্কেল) উদয় কুমার সাহা। এ সময় তিনি বলেন, 'গতকাল রাতে সুঁই গ্রামের একটি গ্যারেজের নৈশ প্রহরীকে হত্যা করে পাঁচটি অটোরিকশা চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। নিহতের মুখে কাপড় গোজানো ছিলো, ধারণা করা হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, এর আগে ২০১৬ সালেও একটি অটোরিকশা চুরি হয়। এরপর একাধিকবার একই গ্যারেজ থেকে অটোর চার্জার, ব্যাটারিসহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশও চুরি হয়েছে। ঘটনাটি পূর্ব শত্রুতার জেরেও হয়ে থাকতে পারে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সকালে একজনকে আটক করা হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ঘটনার সঠিক কারণ উদঘাটনসহ অপরাধীদের শনাক্তে কাজ করছে পুলিশ।

;