ভালুকা হয়ে উঠছে করোনার কেন্দ্রস্থল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ময়মনসিংহ
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

শিল্পাঞ্চল হিসেবে খ্যাত ময়মনসিংহের ভালুকা উপজেলা। এখানে গড়ে উঠা গার্মেন্টস, টেক্সটাইল, ওষুধ শিল্পপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন কারখানায় করোনাকালীন সময়েও কাজ করছেন বহু শ্রমিক। সম্প্রতি উপজেলাটিতে ব্যাপক হারে বেড়ে গেছে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। যার বেশীরভাগই কারখানা শ্রমিক।

শুক্রবার (১২ জুন) সর্বশেষ পাওয়া তথ্য মতে, এ পর্যন্ত উপজেলাটিতে করোনার উপস্থিতি মিলেছে ১৫৬ জন ব্যক্তির শরীরে। যেখানে কারখানা শ্রমিকের সংখ্যাই ৮২ জন।

জানা গেছে, গত ৪ জুন (বৃহস্পতিবার) থেকে উপজেলার কারখানাগুলোতে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত হতে থাকে। ওই দিন তিনজন নারীর করোনা শনাক্ত হয়। সবাই কারখানাশ্রমিক। পরদিন শুক্রবার উপজেলায় ১৯ জন শনাক্ত হন। তাদের মধ্যে আটজন পোশাক কারখানার শ্রমিক। তারা স্কয়ার ফ্যাশন নামের একটি কারখানায় কাজ করেন। এরপর শনিবার উপজেলায় ১১ জনের করোনা শনাক্ত হয়, যাদের ৮ জনই ছিলেন পোশাক কর্মী। তারাও এসকিউ, স্কয়ার ফ্যাশনসহ অন্যান্য কারখানার শ্রমিক। পরেরদিন রোববার শনাক্ত হয় ২১ জন, যাদের ২০ জনই তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। এরপর মঙ্গলবার শনাক্ত হওয়া ৩৫ জনের মধ্যে ২৭ জন এবং বুধবার ১৮ জনের মধ্যে ১৬ জনই কারখানা শ্রমিক।

করোনায় শনাক্তের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, উপজেলায় প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয় গত ১৯ এপ্রিল। প্রথম করোনা শনাক্তের পর সংখ্যাটি ৫০ ছুঁতে সময় নেয় ৪৮ দিন। এর মধ্যে শ্রমিক ছিলেন মাত্র তিনজন। পরের মাত্র তিনদিনেই আরও ৫১ এবং এরপর দুইদিনে ৫৩ জন শনাক্ত হন। এই ১০৪ জনের মধ্যে কারখানা শ্রমিকই রয়েছেন ৭৯ জন।

এদিকে কারখানার ভেতরে স্বাস্থ্যবিধি মেনেই কাজ করানো হচ্ছে দাবি করে স্থানীয় স্কয়ার ফ্যাশনের কর্মকর্তা (অ্যাডমিন) মো. রফিক বলেন, ঈদের সময়ে শ্রমিকেরা বাড়িতে চলে গিয়েছিলেন। ছুটি শেষে আবার তারা কর্মস্থলে যোগ দিয়েছেন। এই যাওয়া-আসার মধ্যে হয়তো কিছু শ্রমিক করোনায় সংক্রমিত হয়েছেন। এখন প্রতিদিনই পরীক্ষার মাধ্যমে তাদের আলাদা করা হচ্ছে। তাই সংখ্যাটা বাড়ছে।

ভালুকা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি মাসুদ কামাল বলেন, কারখানার ভেতরে শ্রমিকদের দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করানোর চেষ্টা করে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আসা-যাওয়ার পথে স্বাস্থ্যবিধি মানেন না শ্রমিকেরা। ফলে উপজেলার শিল্পকারখানাগুলোতে প্রতিদিনই বাড়ছে সংক্রমিতের সংখ্যা।

তিনি জানান, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) ভালুকায় নতুন করে তিনজনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় মোট শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫৬ জনে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০ জন ও মৃত্যুবরণ করেছেন দুইজন।

এদিকে জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ.বি.এম মসিউল আলম জানান, বৃহস্পতিবার ময়মনসিংহে নতুন করে ২১ জনের করোনা শনাক্ত করা হয়েছে। এনিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮৫০ জনে। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২৯৩ জন ও মৃত্যু হয়েছে ১০ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে বর্তমানে হোম আইসোলেশনে আছেন ৫১০ জন ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২৮ জন।

অস্তিত্ব সংকটে নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দির



সোহেল মিয়া, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, রাজবাড়ী
রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির জামালপুর ইউনিয়নের নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দির

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির জামালপুর ইউনিয়নের নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দির

  • Font increase
  • Font Decrease

যে জোড় বাংলা মন্দিরকে ঘিরে এক সময়ে গড়ে উঠেছিল আটটি মন্দির, সেই মন্দির আজ জৌলুস হারাতে বসেছে। অবৈধ দখলদার আর সংস্কারের অভাবে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে পৌনে চারশত বছর আগে স্থাপিত রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির জামালপুর ইউনিয়নের নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দির। ইতিহাসের পাতায় জোড় বাংলা মন্দিরটি এখন শুধুই স্মৃতি। কোন রকম ভগ্ন স্তুপে দাঁড়িয়ে আগামী প্রজন্মকে জানান দিচ্ছে তার সোনালী দিনের স্মৃতি। ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে যেটুকু স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে তাও জরাজীর্ণ ও লতাপাতায় ভরা।

জানা যায়, ১৬৫৫ সালে উড়িষ্যার গৌরীয় রীতিতে রাজা সীতারাম রায় এই জোড় বাংলা মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন। পরে শ্রী কৃঞ্চ রাম চক্রবর্তী রাজা সীতারাম রায়ের অনুরোধে নলিয়া গ্রামে এসে দেব মন্দির এবং বিগ্রহ রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। নলিয়ায় জোড় বাংলা মন্দিরের পাশে অবস্থিত দুটি মন্দির। একটি মন্দিরের চূড়া থাকলেও অপরটির চূড়া অবশিষ্ট নেই। এই জোড় বাংলা মন্দিরকে ঘিরেই এখানে এক সময় নির্মিত হয় ৮টি মন্দির।
এই মন্দির কিভাবে স্থাপিত হলো তা নিয়ে এলাকায় বিভিন্ন জনের বিভিন্ন মত রয়েছে।

তবে জনশ্রুতি রয়েছে, ১৬৫৫ সালে রাজা সীতারাম রায় তৎকালীন সময়ে রাজবাড়ির বেলগাছিতে সোনা দিয়ে নির্মিত একটি মূর্তি দিয়ে পূজা করতে চেয়েছিলেন। রাজার ইচ্ছাপূরণে সে সময়ে সোনা দিয়ে মূর্তি তৈরির কাজটি নলিয়া গ্রামের জনৈক এক কর্মকারকে দিয়ে করানোর নির্দেশ দেন। কর্মকার মূর্তি তৈরির জন্য রাজার কাছে সোনা চাইলে রাজা বিষয়টি সন্দেহের চোখে দেখেন। কর্মকার স্বর্ণ চুরি করতে পারে ভেবে রাজা তার নিজ বাড়িতে কর্মকারকে ডেকে সেখানে মূর্তি তৈরি করতে বলেন। রাজার এমন মনোভাবে কষ্ট পান কর্মকার। তিনি রাজার বাড়িতে বসেই সোনার মূর্তির পাশাপাশি অনুরূপ আরেকটি মূর্তি তৈরি করেন পিতলের।


কিন্তু সনাতন ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী একই মন্দিরে দুই পূজা না করার বিধান থাকায় কর্মকার পূজা শুরুর আগে রাজার অনুমতিক্রমে সোনা ও পিতলের তৈরি দুটি মূর্তির কথা স্বীকার করেন। কোনো উপায়ন্তর না পেয়ে তখন রাজা পিতলের তৈরি মূর্তিটি নিয়ে কর্মকারের বাড়ি নলিয়াতে স্থাপন করে সেখানে পূজা করার নির্দেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে রাজা সেখানে একটি মন্দিরও নির্মাণ করে দেন। তখন থেকেই এর নাম হয় নলিয়া জোড় বাংলা মন্দির। এরপর সেখানে রাজা আরো ৮টি মন্দির স্থাপন করে দেন।

কালের আর্বতনে আজ ঐতিহ্যবাহী এই নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দিরটি অবহেলা আর অযত্নে অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে।

সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, মন্দিরটি লতাপাতায় ভরে রয়েছে। মন্দিরের গায়ের থেকে ইট খুলে পড়ছে। মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ভেঙে পড়েছে। মন্দিরটি দেখেই বোঝা যাচ্ছে দীর্ঘদিন কোনো সংস্কার হয়নি। সংস্কারের অভাবে অস্তিত্ব হারাতে বসেছে শতশত বছরে ইতিহাসের সাক্ষী এই জোড় বাংলা মন্দিরটি। মন্দিরটির ৩১ শতাংশ জমি রয়েছে। সেই জমির বেশির ভাগই এখন বেদখলে বলে দাবি মন্দির কর্তৃপক্ষের। মন্দিরটির অবস্থা খুবই শোচনীয়। মন্দিরের ভেতরে বাস করছে চামচিকাসহ বিভিন্ন প্রাণী।

মন্দিরটির দ্রুত সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের দাবি জানিয়ে মন্দির দেখতে আসা দর্শনার্থী ফরিদপুরের বোয়ালমারির বাসিন্দা প্রভাষক বিপুল কুমার মন্ডল বলেন, সনাতন ধর্মাম্বলীদের কাছে এটি পবিত্র স্থান। এটি শতশত বছরের ইতিহাসের একটি অংশ। মন্দিরটি ধ্বংস হয়ে যাওয়া মানে আগামী প্রজন্মকে ইতিহাস জানার থেকে দূরে রাখা। তিনি এটিকে দ্রুত সংস্কার করে জোড় বাংলা মন্দিরটিকে রক্ষা করার জোড় দাবি জানান সংশ্লিষ্টদের প্রতি।


মন্দিরের সেবায়েত বিদ্যুৎ কুমার মুখার্জী জানান, ইতিহাসের সাক্ষী এই মন্দিরটি দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন জায়গা থেকে দর্শনার্থী ছুটে আসেন। এখানে আসার পর মন্দিরটির এই করুণদশা দেখে তারা নিরাশ হয়ে ফিরে যান। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ঐতিহ্যবাহী নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দিরটি দ্রুত সংস্কার না করলে অচিরেই মন্দিরটি তার অস্তিত্ব হারাবে।

জামালপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ কে এম ফরিদ হোসেন বাবু বার্তা২৪.কমকে জানান, বালিয়াকান্দিতে হাতেগোনা কয়েকটি ইতিহাস-ঐতিহ্যবহনকারী স্থাপনা রয়েছে। তার মধ্যে নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দিরটি অন্যতম। মন্দিরটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য তার পরিষদের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকবার প্রত্নতত্ত্ব দফতরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তারা এসে পরিদর্শন করেই শুধু চলে যান। কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেন না।

মন্দিরটির সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক আফরোজা খান মিতা বার্তা২৪.কমকে জানান, চলতি বছরের জানুয়ারির মাঝামাঝিতে চার সদস্যের একটি দল মন্দিরটি পরিদর্শন করেছেন। মন্দিরটি এখনো সংরক্ষিত হয়নি। সংরক্ষণের কাজ চলমান। সংরক্ষণ হওয়ার পরই শত বছরের ঐতিহ্যবাহী নলিয়ার জোড় বাংলা মন্দিরটির সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় সব ধরনের উন্নয়নমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

;

দেশের সম্পদ ধ্বংসকারীদের বিচার দেশবাসীকে করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

  • Font increase
  • Font Decrease

দেশের সম্পদ যারা নষ্ট করেছে তাদের বিচার দেশের মানুষেরই করতে হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) সকালে রাজধানীর মিরপুর-১০ ও কাজীপাড়া এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত মেট্রোরেল স্টেশন পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশবাসীর কষ্ট লাঘবে সরকার যে উন্নয়ন করেছে সেগুলো ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে দেশবাসীকেই রুখে দাঁড়াতে হবে। এ তাণ্ডব যারা করেছে তাদের বিচার এদেশের মানুষকেই করতে হবে। 

তিনি আরও বলেন, যে স্থাপনাগুলো মানুষের জীবনকে সহজ করে সেগুলো ধ্বংস করা আসলে কোন ধরনের মানসিকতা। ঢাকা শহর যানজটে নাকাল থাকলেও মেট্রোরেল স্বস্তি দিয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তির এই পরিবহন এভাবে ধ্বংস করেছে তা মানতে পারছি না। 

;

দুই ঘণ্টা পর ধানমন্ডির রেস্টুরেন্টের আগুন নিয়ন্ত্রণে



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাজধানীর ধানমন্ডিতে ফরেস্ট লাউঞ্জ নামে একটি রেস্টুরেন্টে অগ্নিকণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পরে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিটের সহায়তায় প্রায় দুই ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) ভোর পৌনে ৫টার দিকে আগুনের খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার খালেদা ইয়াসমিন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে ধানমন্ডি ১০/এ এলাকার ফরেস্ট লাউঞ্জ রেস্টুরেন্টে আগুন লাগার খবর আসে। পরে মোহাম্মদপুর ও হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের চারটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসে।

তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে কিছুই জানাতে পারেননি এ ফায়ার কর্মকর্তা। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

;

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলে একজন ও হাসপাতালে নেয়ার পথে আরো দুইজনসহ তিনজন আরোহী নিহত হয়েছেন।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাত ৮টার দিকে উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের চারপাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- কুমিল্লার মুরাদনগর টনকি ইউনিয়নের বাইরা গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে ছাব্বির (২০), জিনোদপুর ইউনিয়নের জিনোদপুর গ্রামের হাফেজ মিয়ার ছেলে রাব্বি (২১) ও একই গ্রামের মালাই গ্রামের কাদির মেম্বারের ছেলে পিয়াস (২৩)। ঘটনাস্থলে ছাব্বির ও কুমিল্লায় নেওয়ার পথে রাব্বি ও পিয়াস মারা যান।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় পার্শ্ববর্তী মুরাদনগর উপজেলার টংকি ইউনিয়নের বাইরা গ্রামের সেলিম মিয়ার ছেলে ছাব্বির (২০) মোটরসাইকেলে নবীনগরে আসার পথে চারপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় বিপরীত থেকে আসা রাব্বির মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুইটি মোটরসাইকেলে থাকা ৩ জন আরোহী নিহত হয়েছেন।

নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুব আলম তিনজন মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

;