‘সরকার নিজের ওপর আস্থা হারিয়ে স্বাভাবিক নির্বাচন চায় না’



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি

  • Font increase
  • Font Decrease

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, ইভিএম হচ্ছে শান্তিপূর্ণ কারচুপির মেশিন। সরকার নিজের ওপর আস্থা হারিয়ে স্বাভাবিক নির্বাচন চায় না।

রোববার (১১ সেপ্টেম্বর) জাপার বনানী কার্যালয় মিলনায়তনে জাতীয় মেডিকেল টেকনোলজিস্ট পরিষদ এর সাথে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি আরও বলেন, সরকার ও তাদের কিছু মিত্র ছাড়া আর সকল দলই নির্বাচনে ইভিএম চায় না। কিন্তু নির্বাচন কমিশন হঠাৎ করেই ইভিএম-এ নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নির্বাচন কমিশন বলেছে, সকল দল চাইলে ব্যালট-এ নির্বাচন হবে। আসলে নির্বাচন কমিশনের বলা উচিৎ ছিল সবাই চাইলে ইভিএম-এ নির্বাচন করা হবে। কারণ, ব্যালট পেপারে নির্বাচন বিদ্যমান এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য।

নির্বাচন কমিশন ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপণ করবে এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, উদ্দেশ্য ভালো না হলে কোন কিছুই ভালো হবে না। নির্বাচন কমিশনের সৎ উদ্দেশ্যে কাজ করতে হবে।

তিনি আরও বলেন, ভালো নেই দেশের মানুষ, অর্থনৈতিক সমস্যায় সীমাহীন কষ্টে আছে সাধারণ মানুষ। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতে শুরু করেছে, আমাদের দেশেও কমানো উচিৎ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে যে সকল পণ্যের দাম বেড়েছে সেগুলো যেনো কমানো হয় সেজন্য সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। মহামারি করোনা ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট এর কারণে অনেকেই চাকরি হারিয়েছেন। অনেকের ব্যবসা বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকের বেতন কমানো হয়েছে। এমন বাস্তবতায় প্রতিদিন নিত্যপণ্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কারণে সাধারণ মানুষ হিমশিম অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন। বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক সংকটে অনেক দেশই সাধারণ মানুষের জন্য কল্যানমুখী অনেক কর্মসূচি গ্রহণ করে মানুষের সেবা করেছে। মানুষের কষ্ট দূর করতে অনেকভাবেই সাহায্য করেছে বিভিন্ন দেশের সরকার। কিন্তু এমন বাস্তবতায় মানুষের কল্যাণে আমাদের সরকারের কোন উদ্যোগ চোখে পড়েনা। বাজেটে যেটুকু বরাদ্দ দেয়া হয় তাও দুর্নীতির কারণে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায় না। মানুষ বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রয়োজন হলে মেগা প্রকল্প বন্ধ রাখা উচিৎ।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র, সরকার ও সরকারি দল এখন এক করে ফেলা হয়েছে।। দেশ ও মানুষের কল্যাণে আমরা সরকারের সমালোচনা করবো, এটা আমাদের কর্তব্য। তাই সরকারের সমালোচনা করলে, রাষ্ট্রবিরোধী মনে করা হয়। অনেক ক্ষেত্রে রাষ্ট্র বিরোধী মামলা দেয়া হয়।

তিনি বলেন, নির্বাচন অবাধ ও গ্রহণযোগ্য না হলে সংঘাত আরো বাড়বে। কারণ, আগামী নির্বাচন হবে অস্তিত্বের লড়াই। দেশের রাজনৈতিক সংস্কৃতি এমন একটি জায়গায় নেয়া হয়েছে, সবাই প্রতিপক্ষকে শত্রু মনে করছে। সবাই মনে করছে পরাজিত হলে তাকে হত্যা করা হবে, যে পরাজিত হবে সে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। আসলে এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি আমরা চাই না। আমরা চাই সবাই যার যার রাজনীতি করবে। আবার সবার সাথে সবার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে। দেশ ও মানুষের কল্যানে সবাই এক সাথে কাজ করবে। আমরা চাই, সরকার সবাইকে ডেকে অথবা গোল টেবিল বৈঠকের আয়োজন করে শান্তিপূর্ণ একটি নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। তিনি বলেন, অসহিষ্ণু রাজনীতি কারো জন্যই মঙ্গল বয়ে আনবে না।

জাতীয় মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট পরিষদের আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন বাবু’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য মোস্তফা আল মাহমুদ, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মনিরুল ইসলাম মিলন, ভাইস চেয়ারম্যান শফিউল্লাহ শফি, মোঃ জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া, সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য এম রাজ্জাক খান প্রমুখ।

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

ঢাকা উত্তর ছাত্রলীগের আলোচনার শীর্ষে সভাপতি প্রার্থী প্রান্ত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সম্মেলন ঘিরে সভাপতি প্রার্থী হিসেবে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন সংগঠনটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত।

আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে ২ ডিসেম্বর। সম্মেলন ঘিরে সক্রিয় হয়ে উঠেছে মহানগর ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা। সেই সঙ্গে সম্মেলনে সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক পদকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। কমিটিতে স্থান পেতে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন পদপ্রত্যাশীরা।

আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, পদপ্রত্যাশীদের মধ্যে যাদের সাংগঠনিক সক্ষমতা ভালো, রয়েছে ক্লিন ইমেজ, পরিবারের সঙ্গে জামায়াত-বিএনপির কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই, অসাম্প্রদায়িক চেতনার অধিকারী তারাই আগামীর নেতৃত্বে আসবে। এছাড়াও যারা শিক্ষার্থীদের কাছে জনপ্রিয় এবং মানবিক কাজ করে আলোচনায় আসতে পেরেছেন, এমন ছাত্রনেতারাও এগিয়ে থাকবেন।

নেতাকর্মীরা জানান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের পদপ্রত্যাশীরা হলেন- সভাপতি পদে এগিয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সালমান খান প্রান্ত, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ সুমন, রুপনগর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ও ঢাকা মহানগর উত্তরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মারুফ হোসেন মিঠু, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-দপ্তর সম্পাদক আবু নাইম, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের উপ-স্কুল ও ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক সাদ হাসান অথৈ, ধানমন্ডি থানা ছাত্রলীগের ২নং যুগ্ম সম্পাদক রকি, মোহাম্মদপুর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেলসহ দুই ডজন পদপ্রত্যাশী।


এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী সালমান খান প্রান্ত বলেন, করোনার মধ্যে সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করেছি। আগামীতেও করতে চাই। অপশক্তিকে রুখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করাই আমার লক্ষ্য। ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আমি সব সময় সরব বলে প্রতিহিংসার স্বীকার হয়েছি বহুবার।

তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে সুযোগ দিলে ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের প্রতিটি ইউনিটে সম্মেলনের মাধ্যমে কমিটি গঠন করবো। ছাত্রলীগ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর হাতে গড়া বিপ্লবী বাংলার বিপ্লবী সংগঠন। ছাত্রলীগের কর্মীরা সব সময় বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে বুকে ধারণ করে এবং মনে লালন করে। আওয়ামী পরিবারের সন্তান আমি। দলের জন্য সবসময় কাজ করে যাচ্ছি, ভবিষ্যতেও করব।

সালমান খান প্রান্ত গাজীপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী মোজাম্মেল হক, গাজীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ইলিয়াছ আহমেদের নাতি।

;

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর



নিউজ ডেস্ক, বার্তা২৪.কম
উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর

উন্নয়নের ফলেই চট্টগ্রামের জনসভা জনসমুদ্রে রূপান্তরিত হবে: বাবর

  • Font increase
  • Font Decrease

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক রেলওয়ে পলোগ্রাউন্ডে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৪ ডিসেম্বরের জনসভাকে স্মরণকালের বৃহত্তম জনসমুদ্রে পরিণত করার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুব মহিলালীগের নেত্রী সোনিয়া আজাদের উদ্যোগে গণসংযোগ, পথসভা ও হ্যান্ড লিফলেট বিতরণ করা হয়।

সোমবার ২৮ শে নভেম্বর নগরের জিইসি মোড়ে এই প্রচারণা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর।

এসময় আওয়ামী লীগ নেতা হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর বলেন, চট্টগ্রামের মানুষ এমনিতেই অধীর আগ্রহে বসে আছেন, প্রধানমন্ত্রীর জন্য। তারা অনেক উচ্ছ্বসিত। কারণ আওয়ামী লীগ সরকারের উন্নয়নের ছোঁয়া তারা পেতে শুরু করেছে। চট্টলবাসী জনসভাকে যেন জনসমুদ্রে পরিণত করতে পারে, তার জন্যই আমাদের এই প্রচেষ্টা। বর্তমান যুগে মানুষ সব-ই জানেন। তবুও আমরা জনসংযোগ করে মানুষকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন মনে করিয়ে দিতে চাই। আমাদের উদ্দেশ্য এই জনসভায় যেন সাধারণ মানুষের ঢল নামে।

এসময়ে হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর সাধারণ জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন। তুলে ধরেন সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প প্রনণয়ন ও বাস্তবায়নের কথা।

উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবলীগ নেত্রী কানিজ ফাতেমা, ইসরাত হাসান, নাসরিন সুলতানা মুন্নি,আরফা বেগম,ডেইজি চৌধুরীসহ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

;

‘ছাত্রলীগের সম্মেলনের তারিখ এগিয়ে আনা, শেখ হাসিনার নৈতিকতা’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

ওবায়দুল কাদের, ফাইল ছবি

  • Font increase
  • Font Decrease

 

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৮ তারিখ থেকে ৬ তারিখে করা বিএনপির আন্দোলনের ফসল নয়, এটা শেখ হাসিনার উদার  নৈতিকতার ফসল বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী  ওবায়দুল কাদের।

সোমবার (২৮ নভেম্বর)  দিনাজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন।

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন দুর্ভোগ সৃষ্টি না করতে বিএনপি নেতাদের আহবান জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপির সমাবেশে আওয়ামী লীগের একজন নেতাকর্মীও তাদের সমাবেশের ধারে-কাছেও যাবেনা।

;

‘সমাবেশে আগুন-লাঠি নিয়ে খেলতে এলে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপির ১০ ডিসেম্বরের সমাবেশে কোন বাধা দিবে না সরকার তবে আগুন ও লাঠি নিয়ে খেলতে এলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সমুচিত জবাব দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শনিবার (২৬ নভেম্বর) পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্যে বিএনপিকে এ হুঁশিয়ারি করেন।

ওবায়দুল কাদের তাঁর রাজধানীর বাসভবন থেকে সম্মেলনে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।

ঢাকায় ১০ ডিসেম্বর বিএনপি সমাবেশ যেন সুষ্ঠু ভাবে করতে পারে সেজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ছাত্রলীগের ৮ ডিসেম্বরের কেন্দ্রীয় সম্মেলন ৬ তারিখে করা হয়েছে বলে জানান ওবায়দুল কাদের।

বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল উল্লেখ করে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন কানাডার আদালত বিএনপিকে একটি সন্ত্রাসী দল হিসেবে ঘোষণা করেছ।তাদের রাজনীতি হচ্ছে আন্দোলনের নামে জ্বালাও পোড়াও।

রাজনীতি না করার শর্তে মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে পালিয়ে যাওয়া নেতাকে নেতা বানানো এতো সহজ নয় উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের আরও বলেন মানুষকে ধোকা দেওয়ার সময় শেষ।

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বিএনপি মহাসচিবের উদ্দেশে প্রশ্ন রেখে বলেন দুনিয়ার কোন দেশে তত্বাবধায়ক সরকার আছে? আপনাদের নেত্রীই তো বলেছিলেন পাগল আর শিশু ছাড়া কেউ নিরপেক্ষ নয়।

তিনি বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এখন আদালত কর্তৃক নিষিদ্ধ, এটা এখন মিউজিয়ামে।

ওবায়দুল কাদের বলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দুঃস্বপ্ন দেখে কোন লাভ নেই, আগামী জাতীয় নির্বাচন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যেভাবে অনুষ্ঠিত হয় বাংলাদেশেও সেভাবে হবে।

কুমিল্লার সমাবেশে কোথায় গেল হাঁকডাক, জনগণের উপস্থিতি ছিল খরা,কোথায় গেল স্রোত আর ঢল এমনটা জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন ঢাকা শহরে দেখা যাবে কত ধানে কত চাল।

তিনি আবারও পিরোজপুর শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উপস্থিত লাখো মানুষের উদ্দেশে বলেন বিএনপির দুঃশাসন, অপকর্ম,ভোটচুটি,হাওয়া ভবন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে।

পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ কে এম আউয়ালের সভাপতিত্বে সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য আমির হোসেন আমু।

এছাড়াও আরও বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ডক্টর শাম্মি আহমেদ, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান, পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদারসহ অন্যান্য কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

;