‘নাগরিক অধিকার নিশ্চিত না হলে নির্বাচনে যাবে না বিএনপি’



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, লক্ষ্মীপুর
বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো আলোচনা হবে না, যতক্ষণ বাংলাদেশে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না। যতক্ষণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দেশে ফিরে আসবে না, সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত হবে না, ততক্ষণ রাস্তায় রাস্তায় আন্দোলন চলবে। মনে রাখবেন চোরের দশদিন, গৃহস্থের একদিন।

শুক্রবার (২৬ মে) বিকেলে বর্তমান সরকারের পদত্যাগসহ ১০ দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে লক্ষ্মীপুরে বিএনপির জনসমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শহরের বশির ভিলা প্রাঙ্গণে এ সমাবেশের আয়োজন করে জেল বিএনপি।

তিনি বলেন, পুলিশের একাংশ, বুদ্ধীজীবীদের একাংশ, সরকারি আমলারা নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। অথচ এদেশের আপামর জনগণ এখনো নির্বাচন চায় না। কারণ সকলের অংশগ্রহণে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের এখনো কোন পরিবেশ তৈরি হয়নি।

তিনি আওয়ামী লীগ ও সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, এ সরকার হচ্ছে বাকশালী সরকার। বাকশালী মানে টেন্ডারে প্রভাব বিস্তার, জমি জবরদখল, লুটতরাজ, হত্যা, খুন, গুম, রাহাজানি করা। সাধারণ মানুষের অধিকার লুণ্ঠন করা, ভোটের অধিকার হরণ করা এ সরকারের কাজ। এ সরকার জনগণের সরকার নয়।

উচ্চ আদালতের নির্দেশনা অধিনস্থ এবং সরকারের অবজ্ঞা, গায়েবি মামলা, নির্বিচারে গ্রেফতার, পুলিশি হয়রানি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বিদ্যুতের লোডশেডিং, আওয়ামী সরকারের সর্বগ্রাসী দুর্নীতিসহ ১০ দফা বাস্তবায়নের দাবিতে লক্ষ্মীপুরে বিএনপির এ জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা শহরের পুরাতন গো-হাটা সড়কের বশির ভিলা প্রাঙ্গণে জনসমাবেশের আয়োজন করা হয়।

এসময় কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি বলেন,এই সরকার ফ্যাসিবাদি সরকার। এই সরকার কর্তৃত্ববাদী সরকার। এ সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন বেগবান করার এখনই সময়।

জেলা বিএনপির উদ্যেগে আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। জেলা বিএনপির আহবায়ক ও কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যনির সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া, কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জালাল আহমেদ মজুমদার, হারুনুর রশিদ ভিপি হারুন, সাবেক সংসদ সদস্য নাজিম উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব শাহাবুদ্দিন সাবু ও যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাছিবুর রহমান।

কেবিন থেকে সিসিইউতে খালেদা জিয়া



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সিসিইউতে খালেদা জিয়া/ছবি: সংগৃহীত

সিসিইউতে খালেদা জিয়া/ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কেবিন থেকে করোনারি কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) স্থানান্তর করা হয়েছে।

সোমবার (১৫ জুলাই) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালের কেবিন থেকে তাকে সিসিইউতে নেওয়া হয়।

অধ্যাপক ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেনের বরাত দিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইং থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৮ জুলাই ভোরে এভার কেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। তার আগে একই হাসপাতালে তার অস্ত্রোপচার হয়।

এর আগে গত ২ জুলাই তিনি ১১ দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় ফেরেন। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বেড়ে গেলে চিকিৎসকদের পরামর্শে ২১ জুন দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এভাকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। এর একদিন পর ২২ জুন তার হার্টে পেসমেকার স্থাপন করা হয়।

৭৯ বছর বয়সী সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, আর্থরাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, হার্ট ও চোখের সমস্যাসহ বিভিন্ন রোগে ভুগছেন।

;

প্রধানমন্ত্রীর কারাবন্দী দিবসে আলোচনা সভা করবে আওয়ামী লীগ



Sajid Sumon
ছবি: আওয়ামী লীগ এর লোগো

ছবি: আওয়ামী লীগ এর লোগো

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করেছে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ।

সোমবার (১৫ জুলাই) ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আরমান হোসেন অপু এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানিয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারাবন্দী দিবস। ১/১১-এর অগণতান্ত্রিক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিভিন্ন মিথ্যা-বানোয়াট, হয়রানি ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় ২০০৭ সালের ১৬ জুলাই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গ্রেফতার করা হয়।

এতে বলা হয়, আওয়ামী লীগ সভাপতির কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে রাজধানির তেজগাঁওস্থ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে ১৬ জুলাই সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।

এতে আরও উপস্থিত থাকবেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জনাব মির্জা আজম, দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ঢাকা-১৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম ও ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ।

সভায় সভাপতিত্ব করবেন ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদ এবং সঞ্চালনা করবেন সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুন।

;

সিলেটে লাঠিসোঁটা হাতে ছাত্রলীগের মিছিল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, সিলেট
লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে ছাত্রলীগ

লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে ছাত্রলীগ

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট নগরীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিহত করতে লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

সোমবার (১৫জুলাই) নগরীর টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ও সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে বাঁশের লাঠি হাতে মিছিল শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পরে মিছিল নিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

জানা যায়, টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ থেকে বাঁশের লাঠি হাতে মিছিল শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি সরকারি কলেজের সামনে যাওয়ার আগে সংক্ষিপ্ত সভায় মিলিত হয়। পরে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে টিলাগড় মোড় পর্যন্ত মিছিল করেন নেতা-কর্মীরা।

এ সময় এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম ও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রুহেল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমদসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

একই দিন বিকেলে নগরীর আম্বরখানা সাপ্লাই রোড থেকে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজের নেতৃত্বে আরেকটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি আম্বরখানা পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এসময় পয়েন্টে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সোমবার বিকাল ৪টায় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশওয়ার জাহান সৌরভ ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সজিবুর রহমান প্রমুখ।

এদিকে, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের সড়ক থেকে এক প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে তা প্রধান ফটকে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

এ ব্যাপারে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক আসাদুল্লাহ আল গালিব অভিযোগ করে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম। এর মধ্যে আমরা খবর পাই, মিছিলে আসতে আগ্রহী হলের কিছু ভাইকে ছাত্রলীগ আসতে বাধা দিচ্ছে। তাই আবাসিক ছাত্র হল অভিমুখে গেলে পথিমধ্যে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের মিছিলে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা হামলা করে।

;

‘মতিহারের সবুজ চত্বরে আর কোনো রাজাকারের স্লোগান হবে না’



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য ‘মতিহারের সবুজ চত্বরে আর কোনো রাজাকারের স্লোগান হবে না’ বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব।

স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা, রাজাকারের পক্ষে সাফাই গাওয়া ও আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা তৈরির প্রতিবাদে সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই বক্তব্য দেন।

তিনি আরও বলেন, যে রাজাকারের শাবকরা গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহারের সবুজ চত্বরে নিজেদের রাজাকার দাবি করেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ তাদেরকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। রাবি ছাত্রলীগ শেখ হাসিনার পক্ষে ছিল, শেখ হাসিনার পক্ষে থাকবে, ইনশাল্লাহ। কাল যখন আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের রাজাকার দাবি করিয়েছে, তখনো কিছু শিক্ষার্থী আমাদের সঙ্গে বসে খেলা দেখেছে। আমরা হুশিয়ারি করে বলতে চায়, এই মতিহারের সবুজ চত্বরে রাজাকারের পক্ষে আর কোনো স্লোগান হবে না। আমরা স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ, স্বাধীনতার পক্ষেই থাকবো।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ও ভদ্রতা দেখিয়েছে। আর একটি জামায়াত-শিবির বা, রাজাকারের প্রেতাত্মা যদি রাজাকার বলে কোনো স্লোগান দেয়, তাহলে রাবি শাখা ছাত্রলীগ আর কোনো ছাড় দিবে না। ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমরা সবসময় কাজ করে যাবো। আমি প্রত্যেকটা হলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছি, এখন থেকে সবাই সবার অবস্থান থেকে নিজেরা ঐক্যবদ্ধভাবে থাকবেন যেন, জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মারা আর একটি সাউন্ডও না করতে পারে।

এর আগে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিকেল সাড়ে চারটা থেকে দলীয় টেন্টে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। বিকেল পাঁচটার দিকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড প্রদক্ষিণ করে আবার দলীয় টেন্টে এসে জড়ো হয় সবাই। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক কাইয়ূম মিয়া। এসময় শাখ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

;