যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি দূরভিসন্ধিমূলক: ১৪ দলীয় জোট



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ সদস্য এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমু বলেছেন, বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসানীতি দূরভিসন্ধিমূলক। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোট মনে করে এ ভিসানীতি অনাকাঙ্ক্ষিত, যা কারও পক্ষে ব্যবহার করা হচ্ছে।

রোববার (৪ জুন) রাজধানীর ইস্কাটনস্থ আমির হোসেন আমুর নিজ বাসভবনে আয়োজিত কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বৈঠকে দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর আলোচনা হয়েছে জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, মার্কিন ভিসানীতি অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনাহূতভাবে আসায় তা অত্যন্ত দূরভিসন্ধিমূলক মনে হচ্ছে। এটা কারও কারও পক্ষে ব্যবহার করার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু আমরা মনে করি, বাঙালি জাতি সংবিধানের প্রত্যেকটি প্রক্রিয়াকে সমুন্নত রাখতে ঐক্যবদ্ধ। সরকার সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন উপহার দেওয়ার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো হস্তক্ষেপ কামনা করি না।

আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য বলেন, যারা নির্বাচনকে বিভিন্ন অজুহাত দিয়ে বানচাল করতে চায়, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চায়, তাদের জন্য এটা (ভিসানীতি) সহায়ক হতে পারে। সেই দিকে লক্ষ্য রেখে আমরা কথাগুলো বলতে চাই।

তিনি বলেন, এখানে যদি অন্য কোনো দেশের সন্দেহ থাকে, তাহলে তারা বসে এটা ঠিক করতে পারে যে, সংবিধানের ভেতরে কোথায় কোনো ফাঁকফোকর আছে, সেটা তারা বিবেচনা করুক। সেগুলো দেখুক, আলোচনা করুক। কিন্তু সংবিধানের ভিত্তিতে নির্বাচনটা অনুষ্ঠিত হতে হবে। সংবিধানে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে, অন্য কোনো উপায়ে আঘাত আসুক এটা আমরা চাই না।

সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের জন্য ১৪ দলীয় জোট কোনো আলোচনার উদ্যোগ নেবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে আমির হোসেন আমু বলেন, বাঙালি জাতি সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। কোনো দলই জাতির বাইরে না, জনগণের বাইরে না, দেশের বাইরে না। জনগণের ওপর আস্থা থাকলে, সংবিধানভিত্তিক নির্বাচনে আস্থা থাকলে সবারই অংশগ্রহণ করা উচিত। সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সব দলকে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাই। কোনো দলের পক্ষে জনস্রোত থাকলে, এই স্রোতের বাইরে প্রশাসনও যেতে পারে না। সেই দিকেই নির্বাচন ধাবিত হয়।

তিনি বলেনে, দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ১৪ দলের নেতারা। জোটের পক্ষ থেকে দ্রুত বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

বাজেট নিয়ে সংসদে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে জানিয়ে আমির হোসেন আমু বলেন, সরকার পড়াশোনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী নবম শ্রেণি পর্যন্ত বিনা পয়সায় বই বিতরণ করছেন। সবকিছু ঠিক আছে। সেই ক্ষেত্রে কলম ও কাগজের দাম বৃদ্ধি পড়াশোনার ক্ষেত্রে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। সংবাদপত্রের ওপর ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। তাই আমরা মনে করি কাগজ-কলমের দাম কমানো উচিত। আরোপিত কর প্রত্যাহার করা উচিত।

বৈঠকে দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক পর্যায়ে আনার জন্য ১৪ দলীয় জোট সরকারের প্রতি আহ্বান জানায়। এ প্রসঙ্গে আমির হোসেন আমু বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সব রকম চেষ্টা করছেন। আমাদের দেখতে হবে সরকার সচেতন কিনা, প্রচেষ্টা আছে কিনা। কিন্তু পরিস্থিতি হাতের বাইরে থাকলে কাউকে দোষ দিয়ে লাভ নেই।

বৈঠকে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে আগামী ৬ জুন বিকেলে রাজধানীতে একটি জনসভা করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউস্থ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।

জোট সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমুর সভাপতিত্বে বৈঠকে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টি (একাংশ)-জেপির সাধারণ সম্পাদক শেখ শহীদুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান নজিবুল বশর মাইজভান্ডারী, কমিউনিস্ট কেন্দ্রের আহ্বায়ক ওয়াজেদুল ইসলাম খান, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, গণ আজাদী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট এস কে সিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সিলেটে লাঠিসোঁটা হাতে ছাত্রলীগের মিছিল



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট বার্তা২৪.কম, সিলেট
লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে ছাত্রলীগ

লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে ছাত্রলীগ

  • Font increase
  • Font Decrease

সিলেট নগরীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের প্রতিহত করতে লাঠিসোঁটা হাতে নিয়ে মিছিল করেছে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

সোমবার (১৫জুলাই) নগরীর টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ ও সরকারি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে বাঁশের লাঠি হাতে মিছিল শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। পরে মিছিল নিয়ে নগরীর বিভিন্ন এলাকা প্রদক্ষিণ করে।

জানা যায়, টিলাগড় এলাকায় এমসি কলেজ থেকে বাঁশের লাঠি হাতে মিছিল শুরু করেন নেতা-কর্মীরা। মিছিলটি সরকারি কলেজের সামনে যাওয়ার আগে সংক্ষিপ্ত সভায় মিলিত হয়। পরে ক্যাম্পাস থেকে বেরিয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. নাজমুল ইসলামের নেতৃত্বে টিলাগড় মোড় পর্যন্ত মিছিল করেন নেতা-কর্মীরা।

এ সময় এমসি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম ও সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রুহেল আহমদ, সাধারণ সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমদসহ ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

একই দিন বিকেলে নগরীর আম্বরখানা সাপ্লাই রোড থেকে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজের নেতৃত্বে আরেকটি মিছিল বের হয়। মিছিলটি আম্বরখানা পয়েন্টে গিয়ে শেষ হয়। এসময় পয়েন্টে বসে বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সোমবার বিকাল ৪টায় মহানগর ছাত্রলীগের সভাপতি কিশওয়ার জাহান সৌরভ ও সাধারণ সম্পাদক নাঈম আহমেদের নেতৃত্বে মিছিল নিয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিলে উপস্থিত ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি খলিলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সজিবুর রহমান প্রমুখ।

এদিকে, ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলের সড়ক থেকে এক প্রতিবাদ মিছিল বের হয়ে তা প্রধান ফটকে গিয়ে সমাবেশে মিলিত হয়।

এ ব্যাপারে কোটা সংস্কার আন্দোলনের সমন্বয়ক আসাদুল্লাহ আল গালিব অভিযোগ করে গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ মিছিল করছিলাম। এর মধ্যে আমরা খবর পাই, মিছিলে আসতে আগ্রহী হলের কিছু ভাইকে ছাত্রলীগ আসতে বাধা দিচ্ছে। তাই আবাসিক ছাত্র হল অভিমুখে গেলে পথিমধ্যে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের মিছিলে বাধা দেয়। একপর্যায়ে তারা হামলা করে।

;

‘মতিহারের সবুজ চত্বরে আর কোনো রাজাকারের স্লোগান হবে না’



রাবি করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

রাবি ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের উদ্দেশ্য ‘মতিহারের সবুজ চত্বরে আর কোনো রাজাকারের স্লোগান হবে না’ বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা-হিল-গালিব।

স্বাধীনতাকে কটাক্ষ করা, রাজাকারের পক্ষে সাফাই গাওয়া ও আন্দোলনের নামে অস্থিতিশীলতা তৈরির প্রতিবাদে সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেলে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এই বক্তব্য দেন।

তিনি আরও বলেন, যে রাজাকারের শাবকরা গতকাল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মতিহারের সবুজ চত্বরে নিজেদের রাজাকার দাবি করেছে, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ তাদেরকে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছে। রাবি ছাত্রলীগ শেখ হাসিনার পক্ষে ছিল, শেখ হাসিনার পক্ষে থাকবে, ইনশাল্লাহ। কাল যখন আমাদের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভুল বুঝিয়ে নিজেদের রাজাকার দাবি করিয়েছে, তখনো কিছু শিক্ষার্থী আমাদের সঙ্গে বসে খেলা দেখেছে। আমরা হুশিয়ারি করে বলতে চায়, এই মতিহারের সবুজ চত্বরে রাজাকারের পক্ষে আর কোনো স্লোগান হবে না। আমরা স্বাধীনতার পক্ষের মানুষ, স্বাধীনতার পক্ষেই থাকবো।

শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ও ভদ্রতা দেখিয়েছে। আর একটি জামায়াত-শিবির বা, রাজাকারের প্রেতাত্মা যদি রাজাকার বলে কোনো স্লোগান দেয়, তাহলে রাবি শাখা ছাত্রলীগ আর কোনো ছাড় দিবে না। ক্যাম্পাসে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে আমরা সবসময় কাজ করে যাবো। আমি প্রত্যেকটা হলের নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছি, এখন থেকে সবাই সবার অবস্থান থেকে নিজেরা ঐক্যবদ্ধভাবে থাকবেন যেন, জামায়াত-শিবিরের প্রেতাত্মারা আর একটি সাউন্ডও না করতে পারে।

এর আগে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী বিকেল সাড়ে চারটা থেকে দলীয় টেন্টে জড়ো হতে থাকেন বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা। বিকেল পাঁচটার দিকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যারিস রোড প্রদক্ষিণ করে আবার দলীয় টেন্টে এসে জড়ো হয় সবাই। সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও বক্তব্য দেন সাংগঠনিক সম্পাদক কাইয়ূম মিয়া। এসময় শাখ ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের দুই শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

;

‘আমি রাজাকার’ স্লোগানধারীদের দেখে নেব: সাদ্দাম হোসেন



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন

ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কার আন্দোলনে যারা ‘আমি রাজাকার’ বলে স্লোগান দিচ্ছেন, তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন।

সোমবার (১৪ জুলাই) দুপুরে রাজু ভাস্কর্যের সামনে আন্দোলনের নামে মুক্তিযুদ্ধকে কটাক্ষ করার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল-পূর্ব অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, আজকের কোটা সংস্কার আন্দোলন যারা কন্ট্রোল করছে তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সম্পূর্ণ বিরোধী। তাদের হাতে আন্দোলনের রিমোর্ট কন্ট্রোল চলে গেছে। যে কারণে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এটিকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে আমরা এটাকে মোকাবিলা করব। যারা আজকেও বাংলাদেশে থেকে আমি রাজাকার বলার হিম্মত রাখে আমরা তাদের দেখে নেব।

তিনি বলেন, আমরা সুস্পষ্টভাবে বলছি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যারা নৈরাজ্য তৈরি করতে চায়, রাজাকারদের তোষণ করার রাজনীতি বাংলাদেশে যারা বাস্তবায়ন করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ রয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা অনেক দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছি, বিনয়ের পরিচয় দিয়েছি, যৌক্তিক পরিকল্পিত উপায়ের জন্য শিক্ষার্থীদের আহ্বান জানিয়েছি। কিন্তু আজ আমরা মনে করি যে, আন্দোলনকে কন্ট্রোল করছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে যারা লালন করে না তারা। তাদের হাতেই আন্দোলনের রিমোট কন্ট্রোল চলে গেছে।

;

‘ঢাবিতে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে শিবির-ছাত্রদল’



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত

ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত

  • Font increase
  • Font Decrease

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে শিবির-ছাত্রদল বলে দাবি করেছেন ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত।

সোমবার (১৫ জুলাই) বিকেল ৪টায় গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেন, হলে হলে ঢুকে ছাত্রলীগের ওপর হামলা চালিয়েছে শিবির-ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।

এদিকে, বিজয় একাত্তর হলে হামলার প্রতিবাদে ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ছাত্রলীগ ও ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে জড়ো হচ্ছেন। এসময় তাদের দেশিও অস্ত্রশস্ত্র ও লাঠিসোঠা নিয়ে ক্যাম্পাসে শোডাউন দিতে দেখা যায়।

ঢাবি ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সৈকত দাবি করেছেন, ছাত্রলীগের অন্তত ২৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছে।

অন্যদিকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কয়েকজন ছাত্র আহত হয়েছে খবর পাওয়া গেছে।

;