ভোট চুরি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে খেলা হবে: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

ভোট চুরি, দুর্নীতি, অর্থপাচারকারী, জঙ্গিবাদ ও লুটপাটের বিরুদ্ধে খেলা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

শুক্রবার (১ সেপ্টেম্বর) বিকাল ৫টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাত্রলীগের সমাবেশের বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আপনারা তৈরি হয়ে যান। আমাদের মাতৃভূমিকে রক্ষা ও গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হবে। আমাদের খেলা হবে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার শত্রুদের বিরুদ্ধে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকের বাংলাদেশ উন্নয়শীল দেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য ১৫ বছর আগের যে বাংলাদেশ, সে বাংলাদেশের একটা বিশাল রূপান্তর ঘটেছে। 

বিএনপি ও তারেক রহমান অন্তর জ্বালায় জ্বলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঢাকায় মেট্রোরেল চালু হয়েছে। এই মেট্রোরেল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করেছেন। অন্তর জ্বালা ত থাকবেই। নিজেরা কিছু করতে পারেনি। এখন শেখ হাসিনা করেছেন এটাই তাদের মনের কষ্ট, বুকের জ্বালা।

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতা থেকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র চলছে। শেখ হাসিনাকে হঠাতে বিদেশি মুরব্বিদের ডাকছেন। নিষেধাজ্ঞা ও ভিসানীতি প্রয়োগের চেষ্টা চলছে। আজ বাংলাদেশে স্যাটেলাইট যুগে প্রবেশ করেছে। এটা কার অবদান? সারাদেশে বিদ্যুৎ নিশ্চিত করেছে কে? এক সময় এ দেশ অন্ধকারে ছিল।

দেশের ৭০ ভাগ মানুষ ভোট দিতে উম্মুখ হয়ে আছে জানিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি ১০ ডিসেম্বর ক্ষমতায় চলে যায়। শেখ হাসিনা নাই, পালিয়ে গেছেন। এখন কি হলো? গোলাপবাগের গরুর হাঁটে হোঁচট খেলো। পদযাত্রায় আর কাজ হয় না তাই কালো পতাকা নিয়ে শোক মিছিল করা শুরু করেছে। বিজয় আমাদের হবেই। ইনশাআল্লাহ শেখ হাসিনার মত নেতা আছে আমাদের, আল্লাহ ছাড়া আর কোন ভয় নেই আমাদের।

এসময় তিনি ছাত্রলীগের নেতাদের নিজেদের আচরণের মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতিকে সবার কাছে আকর্ষণীয় করে তুলার নির্দেশনা দিয়ে বলেন, এমনটি করলে নেত্রীর সুনাম বাড়বে, পার্টির সুনাম বাড়বে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নাশকতার মামলায় বিএনপির ৫ নেতাকর্মী গ্রেফতার



ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ছবি: বার্তা২৪.কম

ছবি: বার্তা২৪.কম

  • Font increase
  • Font Decrease

সারাদেশ চলমান কোটা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল ও আশুগঞ্জে নাশকতার ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে তিনটি মামলা দায়ের করেছে। এসব মামলায় তিন দিনে বিএনপির ৫ নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুধবার (২৪ জুলাই) সকালে সাংবাদিকদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃতরা হলেন, আশুগঞ্জ উপজেলার লালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাবুবর রহমান বাবুল (৫৫), যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামীম চৌধূরী (৫০), দূর্গাপুর ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মুগল মিয়া (৫০), সদর ইউনিয়নের যুবদল কর্মী হেলাল উদ্দিন (৩২) ও লালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি মো. মিজানুর রহমান (৪৫)।

পুলিশ জানায়, জেলার আশুগঞ্জে ও সরাইলে নাশকতার ঘটনায় মোট তিনটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মো. সোনাহার আলী শরীফ বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে নাশকতার ও আশুগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে হামলার ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় দুটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অন্যদিকে সরাইলে নাশকতার ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। এসব মামলায় মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়ছে।

;

এখনো কয়েকজন শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের এমপি বলেছেন, একদিকে সরকার বলছে ছাত্রদের যৌক্তিক সব দাবি মেনে নেওয়া হয়েছে এবং ছাত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আন্দোলনরত অনেক শিক্ষার্থীই গ্রেফতার এড়াতে এখনো পালিয়ে বেড়াচ্ছে, এটা সরকারের দ্বিচারিতা ছাড়া আর কিছুই নয়।

বুধবার (২৪ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, এখনো কয়েকজন শিক্ষার্থী নিখোঁজ রয়েছে, মামলায় আটক হয়েছে অনেকেই। কোটা সংস্কার আন্দোলনে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের সন্ধান সরকারকেই দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের ওপর নির্মম নির্যাতন অমানবিক ও অগ্রহণযোগ্য।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলামের অভিযোগ- তাকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তুলে নিয়ে নির্দয়ভাবে নির্যাতন করেছে। তার শরীরের ক্ষতচিহ্ন এবং নির্যাতনের পৈশাচিকতার বর্ণনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছে।

বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, ২৩ জুলাই বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলনে অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদের পিতা বিল্লাল হোসেন তার সন্তানের সন্ধান দাবি করেছেন। তিনি জানেন না তার ছেলে কোথায় আছে। এমনিভাবে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আবু বারেক মজুমদার ও রিফাত মাহমুদেরও সন্ধান পাচ্ছে না স্বজনরা। ছাত্ররা জানায়, সাধারণ ছাত্রদেরও অনেককেই সন্ধান পাচ্ছে না তারা। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, স্বজনরা নিখোঁজ শিক্ষার্থীদের সন্ধানে হাসপাতালের মর্গে ছুটছে।

তিনি বলেন, সরকারই স্বীকার করছে, ছাত্রদের আন্দোলন ছিল অহিংস। যদি তাই হয়, তাহলে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের ওপর নির্যাতন কেন? নিখোঁজ ছাত্রদের সন্ধানে স্বজনদের মর্গে ছুটতে হচ্ছে কেনো? এমন হৃদয়বিদারক ও নিন্দনীয় ঘটনা বাংলাদেশের ইতিহাসে এর আগে ঘটেছে বলে জানা নেই।

আটকৃত ছাত্রদের নিঃশর্ত মুক্তি, সাধারণ ছাত্রদের ওপর জুলুম-নির্যাতন বন্ধ এবং ছাত্রদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মামলা অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবী জানিয়েছেন তিনি।

;

আক্রান্ত হলে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে পারি না: কাদের



স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আক্রান্ত হলে আমরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করতে পারি না।

বুধবার (২৪ জুলাই) রাজধানীর শ্যামলী-আদাবর রিং রোডে মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে দুস্থদের মধ্যে খাবার বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, মির্জা ফখরুল এখনো মিথ্যাচার করছেন। এদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নেই। মির্জা ফখরুল এখনো ধ্বংসের সুরে কথা বলছেন, আগুনের কথা বলছেন। আপনারা এ দেশ চাননি, মুক্তিযুদ্ধ চাননি। আপনারা পদ্মা সেতু চাননি, মেট্রোরেল চাননি। আজ মেট্রোরেল বন্ধ, ধ্বংসলীলায় পরিণত হয়েছে।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ঢাকাবাসী চেয়েছিল মেট্রোরেল। আজ ধ্বংস হয়ে গেছে। মিরপুর স্টেশনে যে হামলা হয়েছে সেগুলো সারাতে এক বছর লাগবে। আমাদের যত অর্জন আছে, সন্ত্রাসীদের আক্রমণে সেগুলো ধ্বংসলীলায় পরিণত হয়েছে।

;

শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র ছাত্রলীগের হামলা ক্ষমার অযোগ্য: জিএম কাদের



স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম, ঢাকা
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের

  • Font increase
  • Font Decrease

কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর সশস্ত্র ছাত্রলীগসহ সরকারদলীয় সন্ত্রাসীদের হামলা ক্ষমার অযোগ্য বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জিএম কাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) এক বিবৃতিতে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

ছাত্রদের যৌক্তিক দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বিনা উসকানিতে আন্দোলনরত কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর রাষ্ট্রীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীসমূহ কর্তৃক চরম নির্মমতা প্রদর্শন করা হচ্ছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে জানা যাচ্ছে।

তিনি বলেন, গতকালকে ৬ জন নিহতের খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে এবং অসমর্থিত সূত্রের তথ্য অনুযায়ী আজকে ১৫ জন অর্থাৎ মোট ২১ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া যাচ্ছে। বিষয়টি অত্যন্ত মর্মান্তিক। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হল রাষ্ট্রকর্তৃক নিযুক্ত আইনের রক্ষকরা সশস্ত্র সরকার দলীয় সন্ত্রাসীদের সঙ্গে এক সাথে মিলে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে একটি অসম যুদ্ধে লিপ্ত হচ্ছেন।

তিনি আরও বলেন, সবাইকে মনে রাখতে হবে, বাংলাদেশ একটি প্রজাতন্ত্র। প্রত্যেকটি নাগরিকের মতামত প্রকাশের, সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর ও সরকারের প্রতি তাদের দাবি জানানোর অধিকার আছে। সরকারের কর্তব্য এ প্রতিবাদের ভাষা বোঝা এবং সরকারের দায়িত্ব সেটা নিরসনের ববস্থা নেয়া। রাষ্ট্রীয় বাহিনী বা নিজেদের সন্ত্রাসী বাহিনী অথবা একসঙ্গে উভয়কে ব্যবহার করে প্রতিবাদ স্তব্দ করা নয়। কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের যৌক্তিক দাবি বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে মেনে নেওয়া উচিত।

ক্ষোভ প্রকাশ করে জিএম কাদের বলেন, ১৬ জুলাই বিনা উসকানিতে রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে কাছ থেকে ঠান্ডা মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে পুলিশ। হত্যাকারীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে আমরা জানি না। আবার পুলিশের সাথে রাস্তায় নেমে ছাত্রলীগের যে সব সন্ত্রাসী পিস্তল উঁচিয়ে গুলি ছুড়েছে সাধারণ ছাত্রদের ওপর- ছাত্রলীগের সেই সব সন্ত্রাসীদের এখনো গ্রেফতার করা হয়নি।

তিনি বলেন, গেলো কয়েক দিন ধরে নিরীহ ছাত্রদের ওপর ছাত্রলীগ যেভাবে সশস্ত্র হামলা করেছে তা সভ্য সমাজে বেমানান। সরকার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে লাঠিয়াল বাহিনী তৈরি করেছে। তারা নিরীহ ছাত্রদের ওপর পৈশাচিক হামলা চালাচ্ছে। অনুগত সন্ত্রাসীদের আইনের ওপরে রেখেছে। নিরীহ ছাত্রদের রক্ত ঝড়াবে আর বিচার হবে না। এটা একটি স্বাধীন দেশে হতে পারে না। যে সরকার কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছিলো এখন তারাই কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নেয়া ছাত্রদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। এখন আওয়ামী লীগ নেতাদের বক্তব্য এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী হামলা প্রমাণ করে শুধু আন্দোলন ঠেকাতেই সরকার ২০১৮ সালে কোটা বাতিলের কৌশলী সিদ্ধান্ত নিয়েছিলো। সাধারণ মানুষের ধারণা জনগণের এ দাবির প্রতি সরকারের সমর্থন ছিল না। যে কোন ভাবে পরবর্তীতে, সময় সুযোগ বুঝে আবার কোটা পদ্ধতি চালু করা হবে, এ সিদ্ধান্ত আগেই ছিল। ফলে জনগণের ধারনা কোটা পদ্ধতি পুনঃপ্রবর্তনের মামলা ও এতে বর্তমান ফলাফলের বিষয়ে সরকারের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ মদদ ছিল।

তিনি আরও বলেন, ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির পদে কোটা পদ্ধতি বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। পরবর্তীতে কোন একটি সময় কোটা বহালের দাবিতে সাধারণ জনগণের অজান্তে একটি পক্ষ আদালতে মামলা করেছিলো। ২০২৪ সালে হঠাৎ করে সেই মামলার রায় হয়। সেই রায়ে আদালত কোটা পদ্ধতি বহাল রাখার সিদ্ধান্ত দেন। সম্পূর্ণ বিষয়টি রহস্যজনক। চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সমাজে বৈষম্য সৃষ্টিতে সহায়ক। বৈষম্যহীন সমাজ গঠনই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। বৈষম্যহীন সমাজ গড়ার জন্য ন্যায়বিচার ভিত্তিক জনগণের নিজেদের একটি দেশ গঠনই ছিল স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্য। সে কারণে, কোটা পদ্ধতি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের উদ্দেশ্যের মূলে আঘাত।

;