৭৯৩ গোল, ৭ ব্যালন ডি'অর, ১ বিশ্বকাপ- সর্বকালের সেরা মেসি!

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’


স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট, বার্তা২৪.কম
৭৯৩ গোল, ৭ ব্যালন ডি'অর, ১ বিশ্বকাপ- সর্বকালের সেরা মেসি!

৭৯৩ গোল, ৭ ব্যালন ডি'অর, ১ বিশ্বকাপ- সর্বকালের সেরা মেসি!

  • Font increase
  • Font Decrease

সবই ছিল, ট্রফিটাই তার ক্যাবিনেটে ছিল না। যে কারণে তাকে দিয়েগো মারাদোনা, পেলেদের থেকে অনেকেই কিছুটা পিছিয়ে রাখতেন। কিন্তু রোববার রাতে কাতারে সেই অধরা বিশ্বকাপও জিতলেন লিওনেল মেসি। তারপরেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি মেসিই বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলার?

কাতার বিশ্বকাপ ফাইনালে ফ্রান্সের বিরুদ্ধে ২৩ মিনিটে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মেসি। তারপর আর্জেন্টিনার যে দ্বিতীয় গোলটা হয়, সেটা কার্যত তৈরি করে দেন ফুটবলের রাজপুত্র। মাঝমঠের নীচ থেকে দুটি টাচে ফ্রান্সের রক্ষণকে ছন্নছাড়া করে দেন। তারপর ১০৮ মিনিটে গোল করে আর্জেন্টিনাকে ফের এগিয়ে দেন মেসি। পেনাল্টি থেকেও গোল করেন আর্জেন্টিনার অধিনায়ক।

শুধু ফাইনালেই যে মেসি ম্যাজিক দেখেছে বিশ্ব, তা মোটেও নয়। এবার বিশ্বকাপ দুনিয়াটা ছিল মেসির। সেই দুনিয়ায় বাকিরা খেলতে এসেছিলেন। মেসি যেন কোনও চিত্রশিল্পী হয়ে উঠেছিলেন, যিনি নিজের ইচ্ছামতো ছবি আঁকছিলেন। তাতে কেউ কিছু করতে পারছিলেন না। এবারের বিশ্বকাপে মোট সাতটি গোল করেছেন। সবমিলিয়ে বিশ্বকাপে মোট ১৩টি গোল করেছেন মেসি। যা আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ।

এমনকি এতদিন যে মেসির বিশ্বকাপের নক-আউট পর্বে একটিও গোল ছিল না, সেই ফুটবলের রাজপুত্র এবার রাউন্ড অফ ১৬, কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনালে গোল করেছেন। বিশ্বের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে সেই নজির গড়েছেন। দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। নিজে গোল করেছেন। দলের সতীর্থদের গোল করিয়েছেন। সবথেকে বড় কথা, বিশ্বকাপ জিতেছেন। তারপরেই স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, এবার কি মেসিকে বিশ্বের সর্বকালের সেরা ফুটবলারের তকমা দেওয়া যায়?

এতদিনে পেলে বা মারাদোনার সঙ্গে মেসিকে সমকক্ষে রাখতেন না অনেকে। তাদের বক্তব্য ছিল, দেশকে বিশ্বকাপ জেতাতে পারেননি মেসি। যে কাজটা করে দেখিয়েছেন পেলে এবং মেসি। এবার মেসিও সেই অধরা বিশ্বকাপ ট্রফিও হাতে তুলে নিলেন। দুনিয়ার কোনও সাফল্য বাকি রইল না তার। তবে অনেকের বক্তব্য, কে সর্বকালের সেরা, কে সর্বকালের অন্যতম সেরার তর্কের দরকার নেই। বরং নিজেদের ধন্য মনে করুন যে আপনি মেসির দুনিয়ায় বেঁচে আছেন।

মেসির ট্রফি ক্যাবিনেট 

ফুটবল বিশ্বকাপ: এক।

কোপা আমেরিকা: এক।

অলিম্পিক্স: সোনা।

ব্যালন ডি'অর: সাতবার।

চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: চারবার।

লা লিগা: ১০ বার।

লিগ ওয়ান: একবার।

মেসির গোল সংখ্যা

মোট ম্যাচ: ১,০০৩।

মোট গোল: ৭৯৩।

বিশ্বকাপে গোলের সংখ্যা: ১৩ (আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ)। সেইসঙ্গে আটটি অ্যাসিস্ট করেছেন। যা ১৯৬৬ সালের বিশ্বকাপ থেকে সর্বোচ্চ।

   

জেলে বসে লেখা আলভেসের চিঠি প্রকাশ করলেন প্রাক্তন স্ত্রী



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

২০২২ সালের ডিসেম্বরে বার্সেলোনার একটি নাইটক্লাবে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ব্রাজিল ও বার্সার সাবেক ডিফেন্ডার দানি আলভেস। তাকে সাড়ে চার বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন স্পেনের একটি আদালত।

আলভেসের শাস্তির খবর প্রকাশের পরই তার প্রাক্তন স্ত্রীকে একটি অন্তরঙ্গ চিঠি লিখেছিলেন। বিচারের অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় সেল থেকে চিঠিটি তার প্রাক্তন স্ত্রী জোয়ানা সানজের কাছে পৌঁছানো হয়। জোয়ানা তার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে চিঠির ছবি শেয়ার করে তড়িঘড়ি মুছেও ফেলেন। তার ভাষ্যমতে, ছবিটি ভুলে পোস্ট করেছিলেন, এটি শুধু তার ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উদ্দেশ্যে দিতে চেয়েছিলেন।

গোল.কম-এর এক প্রতিবেদন অনুযায়ী সেই চিঠিতে আলভেস লিখেছেন- ‘আমি তোমার (জোয়ানা) সঙ্গে সমস্ত পথ একসঙ্গে পাড়ি দেয়ার স্বপ্ন দেখেছি। আমার কোনো ভুল মানুষ ছিল না, বরং তুমি ই ছিলে। আমার একটি দিন, একটি মুহূর্ত, এমন একটি ভাবনাও নেই যেখানে তুমি নেই। আমি প্রতিদিন প্রার্থনা করি সেই দিনটির জন্য যেখানে আমি তোমাকে জেগে থাকতে দেখতে পারি। যেখানেই হোক, যাই হোক না কেন, তুমি সবসময় আমার পাশেই আছো। আমি এই অনুভূতিটি অনুভব করি। আমি তোমাকে ভালোবাসি।’

২০২২ সালের ৩১শে ডিসেম্বর জিজ্ঞাসাবাদে যৌন নিপীড়নের বিষয়টি আলভেস অস্বীকার করেছিলেন। তবে তার আবেদন খারিজ করা হয়েছিল। স্পেনে যৌন নিপীড়নের অভিযোগেরভিত্তিতে একটি ধর্ষণের দাবি তদন্ত করা হয় এবং দোষী সাব্যস্ত হলে চার থেকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে। অবশেষে হয়েছেও তাই।

আলভেসের আইনজীবী তার খালাস চেয়েছিলেন এবং বলেছিলেন যে তিনি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন। স্প্যানিশ মিডিয়ার মতে, আলভেসের ভুক্তভোগী নারীকে প্রায় ১ কোটি ৭৮ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

বার্সেলোনা, পিএসজি , সেভিলা এবং ব্রাজিলের হয় উজ্জ্বল ফুটবল ক্যারিয়ার ছিল আলভেসের। নিজের একটি ভুলের কারণে বর্ণাঢ্য এই ক্যারিয়ারের উপর কালো দাগ ফেললেন তিনি নিজেই। নিজের পাপের শাস্তিই এখন তাকে ভোগ করতে হচ্ছে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

ট্রফি দিয়ে কোচদের বিচার করা উচিৎ না: পচেত্তিনো



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের দল চেলসির বর্তমান কোচ মরিসিও পচেত্তিনো। সাম্প্রতিক সময়টা ভালো যাচ্ছে না তার। দলের ধারাবাহিক বাজে পারফরম্যান্স ও হারের কারণে খুশি নন। লিগের পয়েন্ট টেবিলেও নিচের দিকে নেমে গেছে দল, আছে দশম অবস্থানে।

আগামীকাল (রবিবার) লিগ কাপের ফাইনালে ইয়ুর্গেন ক্লপের লিভারপুলের বিপক্ষে মাঠে নামবে চেলসি। দুঃসময়ে এই জয়টা তাদের স্বস্তি দিবে বলে মনে করেন পচেত্তিনো ও তার দল।

২০১৪-১৯ সাল পর্যন্ত আরেক ইংলিশ ক্লাব টটেনহামের কোচের দায়িত্ব পালন করেছিলেন পচেত্তিনো। একবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে খেললেও শিরোপার দেখা পাননি।

কোচ হিসেবে অনেক সমালোচিত হয়েছেন পচেত্তিনো। সেসব সমালোচনা সয়ে অবশেষে মুখ খুলেছেন চেলসি কোচ, ‘আমি শিরোপা জেতা দিয়ে একজন কোচ বা কোচিং স্টাফকে বিচার করি না। এটা প্রতিযোগিতা এবং জেতার বিষয়। কিন্তু এখানে বেশ কয়েকটা কারণ রয়েছে যা দলকে প্রভাবিত করে। আপনার যদি ভালো খেলোয়াড় থাকে, তাহলে আপনার জেতার সম্ভাবনা থাকা উচিত।‘

২০১৮-১৯ মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ফাইনালে লিভারপুলের মুখোমুখি হয়েছিলেন তখনকার টটেনহ্যাম কোচ পচেত্তিনো। এবার লিগের কাপের ফাইনালে ক্লপের সেই লিভারপুলের মুখোমুখি হচ্ছে তার বর্তমান দল চেলসি। সেই ফাইনালে মাঠে নামার আগে ক্লপের বেশ প্রশংসা করলেন আর্জেন্টাইন এই কোচ, ‘লিভারপুলে আসার আগে থেকেই ক্লপ অনেক ভালো কোচ ছিলেন। কিন্তু প্রথম তিন-চার বছর সে কিছুই জিততে পারেনি। তবে এখন তার কাছে চ্যাম্পিয়নস লিগ এবং প্রিমিয়ার লিগ দুটোই আছে।’

চলতি লিগ কাপ আসরে নিজেদের ভালো পারফরম্যান্স দিয়েই সব ধাপ উতরে এসেছে পচেত্তিনোর দল। সেমিফাইনালের প্রথম লেগে মিডলসবরোর কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল চেলসি। তবে দ্বিতীয় লেগে ঘরের মাঠে দুর্দান্ত খেলা দেখিয়ে ৬-১ গোলের বিশাল জয় তুলে নিয়েছিল তারা। দুই লেগ মিলিয়ে ৬-২ ব্যবধানে জিতে ফাইনালের মঞ্চে জায়গা করে নিয়েছে চেলসি।

এর আগে কোয়ার্টার ফাইনালে নিউক্যাসলের সঙ্গে ১-১ গোলে সমতা থাকার ম্যাচ পেনাল্টিতে ৪-২ ব্যবধানে জিতে নিয়েছিল চেলসি।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

ইংল্যান্ডের ঘূর্ণিজালে বিপদ দেখছে ভারত



স্পোর্টস ডেস্ক, বার্তা ২৪
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

রাঁচিতে যেন ফিরে আসছে হায়দরাবাদের স্মৃতি। প্রথম টেস্টে ইংল্যান্ডের জন্য ঘূর্ণিজাল ফেঁদে নিজেরাই আষ্টেপৃষ্ঠে জড়িয়ে গিয়েছিল ভারত। রাঁচিতেও তেমন কিছুই হচ্ছে। ইংলিশ স্পিনারদের দাপটে দ্বিতীয় দিন শেষে অনেকটা পিছিয়ে ভারত। ইংল্যান্ডের ৩৫৩ রানের জবাবে ভারতের সংগ্রহ ২১৯। এখনো ১৩৪ রানে পিছিয়ে আছে স্বাগতিকরা, হাতে আছে লেজের সারির তিন উইকেট।

ভারতের সাত উইকেটের ছয়টিই গেছে ইংলিশ স্পিনার ঝুলিতে। উইকেটের যা হাল, তাতে সামনের দিনগুলোতে যে ঘূর্ণিবাজদের দাপট আরও বাড়বে, তা না বললেও চলে। প্রথম ইনিংসে ভারতের ব্যাটারদের মধ্যে ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল ছাড়া বাকি কেউ ইংল্যান্ডের স্পিনের তেমন যুতসই কোনো জবাব দিতে পারেননি। 

জয়সওয়াল আরেকটি সেঞ্চুরির দিকেই ছুটছিলেন, তবে ৭৩ রানের সময় শোয়েব বশিরের নিচু হয়ে আসা একটা বল পেছনের পায়ে খেলতে গিয়ে বিপদ বাঁধিয়ে বসেন তিনি। বল তার ব্যাটের কানায় লেগে স্ট্যাম্প ভেঙ্গে দেয়।

জয়সওয়াল ফেরার পর দিনের শেষ সেশনে ভারতের আর কোনো ব্যাটার বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। সরফরাজ খান বেশ খানিকটা সময় উইকেটে টিকলেও তাতে রানের চাকা সচল হয়নি। ৫৩ বলে ১৪ রান করেন এই ব্যাটার। শেষের দিকে ধ্রুব জুরেল ও কুলদীপ যাদবের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ভারত কিছুটা সাহস পাচ্ছে। জুরেল ও কুলদীপ অষ্টম উইকেট জুটিতে হার না মানা ৪২ রান যোগ করেন। 

ভারতের এই ইনিংসে ইংল্যান্ড চারজন বোলারকে ব্যবহার করে। পেসার জেমস অ্যান্ডারসন ভারতের ইনিংসের শুরুতে রোহিত শর্মাকে ফেরান। দিনের বাকি সময়টায় উইকেট নিয়ে উৎসবে মাতেন ইংল্যান্ডের স্পিনাররা। এই তালিকায় শোয়েব বশির ছিলেন সবচেয়ে সফল। ৪ উইকেট পান তিনি। এর মধ্যে জয়সওয়ালের প্রাইজ উইকেটও রয়েছে।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;

চোটে কিউই সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টিতে নেই ওয়ার্নার



স্পোর্টস ডেস্ক বার্তা২৪.কম
ছবি: সংগৃহীত

ছবি: সংগৃহীত

  • Font increase
  • Font Decrease

নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে চলমান টি-টোয়েন্টি সিরিজের শেষ ম্যাচে খেলতে পারবেন না অজি ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। কুচকির চোটের ফলে ক্যারিয়ারের শেষ দ্বি-পাক্ষিক সিরিজের শেষ টি-টোয়েন্টি ম্যাচটি খেলা হচ্ছে না তার।

ক্রিকেটের বড় দুই ফরম্যাট টেস্ট এবং ওয়ানডেকে বিদায় জানিয়েছিলেন আরও আগেই। স্বল্প পরিসরের ক্রিকেটটি তার বেশি পছন্দের ও সেটিই চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের হয়ে এই ফরম্যাট থেকেও বিদায় নিয়ে নিবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তাই তো কিউইদের বিপক্ষে এই সিরিজটি খেলে শেষ করার আগ্রহ ছিল ওয়ার্নারের।

সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচেও একাদশে ছিলেন না ৩৭ বছর বয়সী এই অজি ব্যাটার। চোট থেকে সেরে উঠতে বেশিদিন লাগবে না বলে জানিয়েছে ম্যানেজমেন্ট। সবকিছু ঠিক থাকলে ও নতুন কোনো চোটের দেখা না পাওয়া গেলে আসন্ন আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে এবং টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের থাকবেন ওয়ার্নার।

  ‘মরুর বুকে বিশ্ব কাঁপে’

;