Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পরিবারের জন্য খরচ সওয়াবের কাজ

পরিবারের জন্য খরচ সওয়াবের কাজ
এক মুসলিম পরিবারের সদস্যরা একসঙ্গে খাবার খাচ্ছেন, ছবি: সংগৃহীত
মাহমুদা নওরিন
অতিথি লেখক
ইসলাম


  • Font increase
  • Font Decrease

মানুষ নিজের এবং তার অধীনস্থদের জন্য যা খরচ করে তা সদকা হিসেবে পরিগণিত হয় বলে হাদিসে উল্লেখ করা হয়েছে। হজরত আবু উমামা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘অনিষ্টতা ও খারাপ থেকে বেঁচে থাকার জন্য যে ব্যক্তি নিজের জন্য কিছু খরচ করল তা তার জন্য সদকা এবং যে ব্যক্তি নিজ স্ত্রী, সন্তান-সন্তুতি ও পরিবারের অন্য সদস্যদের জন্য কিছু খরচ করল তা তার জন্য সদকা হিসেবে পরিগণিত হবে।’ -মুজামুল আওসাত: ৩৮৯৭

আল মিকদাদ ইবন মাদি কারিব (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘তুমি নিজে যা খাবে তা তোমার জন্য সদকা। তুমি তোমার সন্তানকে যা খাওয়াবে তা তোমার জন্য সদকা। তুমি তোমার স্ত্রীকে যা খাওয়াবে তা তোমার জন্য সদকা। তুমি তোমার চাকরকে যা খাওয়াবে তা তোমার জন্য সদকা।’ –মুসনাদে আহমাদ: ১৭২১৮

হজরত ইরবাদ ইবন সারিয়া (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘একজন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে পানি পান করালে সওয়াব লাভ করবে। তিনি বলেন, এ কথা শোনে আমি আমার স্ত্রীর কাছে আসলাম, অতঃপর তাকে পানি পান করালাম এবং আমি যা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে শুনেছি তা বর্ণনা করলাম।’ -মুসনাদে আহমাদ: ১৭১৯৫

অপর এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে, আপন স্ত্রী যা খায় তাও সদকা। হজরত সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবী করিম (সা.) শুশ্রুষার জন্য তার কাছে গেলেন। যেই জমিন থেকে তিনি হিজরত করেছেন সে জমিনে মৃত্যুবরণ করতে তিনি পছন্দ করছেন না। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার সব সম্পত্তি অসিয়ত করতে চাই। তিনি (সা.) বললেন, ‘না। তিনি বললেন, তবে অর্ধেক অসিয়ত করি। তিনি (সা.) বললেন, না। তিনি বললেন, তবে আমি এক-তৃতীয়াংশ অসিয়ত করি। নবী করিম (সা.) বললেন, এক-তৃতীয়াংশ করতে পারো, এক-তৃতীয়াংশই অনেক। তুমি তোমার সন্তান-সন্ততিকে মুখাপেক্ষী করে রেখে যাবে, আর তারা মানুষের দ্বারে দ্বারে চেয়ে বেড়াবে এর চেয়ে তাদের তুমি অমুখাপেক্ষী করে রেখে যাবে, এটিই উত্তম। তুমি পরিবারের জন্য যা খরচ করবে তাই সদকা। এমনকি তুমি তোমার স্ত্রীর মুখে যে লোকমা তুলে দেবে তাও সদকা।’ –সহিহ বোখারি: ২৫৯১

তবে ওপরে বর্ণিত সওয়াব তখনই পাওয়া যাবে, যখন কোনো মুমিন তার স্ত্রীকে পানাহার করাবে আল্লাহতায়ালার সন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে, দায়িত্ব ও কর্তব্য মনে করে, ঈমানি চেতনা নিয়ে।

হজরত আবু মাসউদ আল বাদরি (রা.) বর্ণিত অপর এক হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় যখন কোনো মুসলমান তার পরিবারের জন্য কিছু খরচ করে, তখন তা তার জন্য সদকায় পরিণত হয়।’ -সহিহ মুসলিম: ২৩৬৯

সন্তান-সন্তুতির প্রতি অনুগ্রহ করলে জান্নাত লাভ হয় এবং জাহান্নামের আগুন হারাম হয়ে যায়। হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, আমার কাছে দু’টি কন্যা সন্তানসহ এক মিসকিন এলো। আমি তাকে তিনটি খেজুর দিলাম। সে প্রত্যেককে একটি করে খেজুর দিলো এবং সে নিজে খাওয়ার জন্য একটি খেজুর মুখের দিকে উঠাল। কিন্তু তার কন্যাদ্বয় খেজুরটি খাওয়ার জন্য তার কাছে চাইল। ফলে সে যে খেজুরটি খেতে চেয়েছিল তা দু’ভাগে ভাগ করে দু’জনকে দিয়ে দিলো। তার বিষয়টি আমাকে বিস্মিত করল। সে যা করল আমি তা হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে বললাম। অতঃপর নবী করিম (সা.) বললেন, নিশ্চয় আল্লাহতায়ালা এর বিনিময়ে তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব করে দিয়েছেন। অথবা তিনি বললেন, নিশ্চয় আল্লাহতায়ালা এর বিনিময়ে জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে মুক্তি দিয়েছেন।’ -সহিহ মুসলিম: ৬৮৬৩

স্ত্রীকে যাই দেওয়া হোক তাই সদকা হিসেবে গণ্য। হজরত উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) একদা আমর ইবন উমাইয়ার কাছে এলেন, তখন তিনি বাজারে রেশমি চাঁদরের দরদাম করছিলেন। তিনি বললেন হে আমর! রেশমি চাঁদর কী করা হবে? তিনি বললেন, আমি এটি ক্রয় করব, অতঃপর তা সদকা করব। তিনি বললেন, কাকে সদকা করবেন? তিনি বললেন, আমার সঙ্গিনীকে। তিনি বললেন, আপনার সঙ্গিনী কে? তিনি বললেন, আমার স্ত্রী। তিনি বললেন, আপনি আপনার স্ত্রীকে সদকা করবেন? তিনি বলেন, আমি হজরত রাসূলুল্লাহকে (সা.) কে বলতে শুনেছি, তিনি বলেন, তোমরা তোমাদের স্ত্রীদেরকে যা দেবে তাই তোমাদের জন্য সদকা হিসেবে পরিগণিত হবে। তিনি (হজরত উমর) বলেন, হে আমর! আপনি হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর মিথ্যা আরোপ করবেন না।

অতঃপর তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আপনি হজরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে এসে জিজ্ঞেস না করা পর্যন্ত আমি আপনাকে ছাড়ব না। বর্ণনাকারী বলেন, তারা উভয়েই গিয়ে হজরত আয়েশা (রা.)-এর কাছে গিয়ে উপস্থিত হলেন। অতঃপর তাকে আমর বললেন, হে আম্মাজান! ইনি উমর। তিনি আমাকে বলছেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর ওপর মিথ্যা আরোপ করবেন না। আপনাকে আল্লাহর কসম দিয়ে বলি, আপনি কি হজরত রাসূলুল্লাহকে (সা.) এ কথা বলতে শুনেছেন যে, তিনি বলেন, তোমরা যা তাদেরকে (স্ত্রীদেরকে) দেবে তাই তোমাদের জন্য সদকা হিসেবে পরিগণিত হবে। তিনি বললেন, আল্লাহুম্মা! হ্যাঁ, আল্লাহুম্মা হ্যাঁ। -মারিফাতুস সুনান ওয়াল আসার: ২৫৫৮

সন্তান-সন্ততির জন্য যা খরচ করা হয় তাই সর্বশ্রেষ্ঠ দান। হজরত আবু হুরায়রা (রা.) বর্ণিত এক হাদিসে নবী করিম (সা.) বলেন, ‘তুমি একটি দিনার আল্লাহর রাস্তায় খরচ করেছ, একটি দিনার দাস মুক্তির কাজে ব্যয় করেছ, একটি দিনার মিসকিনকে দান করেছ, আর একটি দিনার তোমার পরিবারের জন্য খরচ করেছ। এর মধ্যে যে দিনারটি তুমি তোমার পরিবারের জন্য খরচ করেছ; তার সওয়াব সবচেয়ে বেশি।’ -সহিহ মুসলিম: ২৩৫৮

আপনার মতামত লিখুন :

পবিত্র কাবা ও মসজিদে হারামের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

পবিত্র কাবা ও মসজিদে হারামের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ইবাদতের জন্য পৃথিবীতে সর্বপ্রথম স্থাপিত গৃহ পবিত্র কাবাঘর। কাবার চারপাশে গড়ে ওঠা মসজিদই মসজিদে হারাম। কাবা ও মসজিদে হারামের সঙ্গে পৃথিবীর ১৮০ কোটি মুসলমানের হৃদয় আধ্যাত্মিক সুতায় বাঁধা।

মসজিদে হারামে এক রাকাত নামাজ পড়লে অন্যত্র ১ লাখ রাকাত নামাজেরও বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। হজরত জাবির (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- 'আমার এ মসজিদে এক নামাজ অন্য মসজিদে হাজার নামাজ থেকেও উত্তম। তবে মসজিদে হারাম ছাড়া। কেননা মসজিদে হারামে এক নামাজ অন্য মসজিদের এক লক্ষ নামাজের চেয়ে উত্তম।'(মুসনাদে আহমাদ)। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563767670027.jpg
মসজিদে হারামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য মোট কর্মচারীর সংখ্যা ১৭১৫

 

কাবাঘরকে ঘিরে নির্মিত মসজিদে হারামের আয়তন ৪ লক্ষ বর্গমিটার বা ৪৩ লক্ষ বর্গফুট। স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী এতে একসঙ্গে ৯ লক্ষ মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। তবে হজ বা রমজানের মওসুমে অতিরিক্ত আরও ৪০ লক্ষ লোকের স্থান সংকুলান হয় মসজিদে হারামে।

এতোবড় আয়োজনের পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও অত্যধিক গুরুত্বের দাবি রাখে। বছরে দুইবার কাবা ঘরের দরজা খুলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় এবং কাবাঘরকে বিশেষ পানি দ্বারা ধোয়া হয়। প্রথমবার করা হয় শাবান মাসে আর দ্বিতীয়বার করা হয় জিলকদ মাসে। পবিত্র জমজমের পানি, তায়েফ গোলাপ জল এবং বহু মূল্যবান ঊড তৈল দিয়ে একটি পরিষ্কার মিশ্রণ তৈরি করে তা দিয়েই পবিত্র কাবা শরিফ পরিষ্কার করা হয়। আর এ কাজে নেতৃত্ব দেন দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম সৌদির বাদশাহসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563767690112.jpg
মসজিদে হারাম পরিষ্কার ও পবিত্র করার কাজে ২০০ গ্যালন গোলাপজল ব্যবহার করা হয়

 

আর মসজিদে হারামকে দৈনিক ৫ বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। মসজিদে হারামের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রতিদিন ১২৪৫ জন কর্মচারী লিপ্ত থাকেন। হজের মৌসুমে পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য জরুরি কাজে ৪৭০ জন কর্মচারী বাড়ানো হয়। যে কারণে মোট কর্মচারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭১৫ জন। এর মধ্যে ২১০ জন মহিলা কর্মচারী থাকে।

পবিত্র রমজান মাসে উমরাহ চলাকালীন সময়ে ১৩১ জন অতিরিক্ত নারী কর্মচারীর খেদমত গ্রহণ করা হয়ে থাকে। যারা মসজিদে হারামের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন। মসজিদে হারাম পরিষ্কার ও পবিত্র করার কাজে ২০০ গ্যালন গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। দ্রুততার সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে পরিষ্কারের সাধারণ পদ্ধতি ছাড়াও নিত্যনতুন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারির ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563767703981.jpg
পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বড় অংশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের

 

কিছু আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে গোলাপজল ভরে মসজিদের মেঝে ও আশপাশে ছিটানো হয়। খাদেমগণ বাইতুল্লাহর মেঝে পরিষ্কারের সঙ্গে কাবার গিলাফ, হাজরে আসওয়াদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ও জিনিসপত্রে প্রতিদিন পাঁচবার সুগন্ধি লাগান।

মসজিদে হারাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় কর্মচারীরা বিশেষ পোশাক পরিধান করে কাজ করেন। আর এই পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বড় অংশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের।

সাদা-কালো গিলাফে নতুন রূপে কাবা

সাদা-কালো গিলাফে নতুন রূপে কাবা
সাদা-কালো গিলাফে নতুন রূপে কাবা, ছবি: সংগৃহীত

কালো কাপড়ের আচ্ছাদিত পবিত্র কাবা দেখতে বিশ্ববাসী অভ্যস্ত। এটাই কাবার চিরায়ত রূপ। কিন্তু বছরের তিন সপ্তাহের মতো সময় সেই পুরনো রূপে দেখা যায় না কাবাকে। কারণ, তখন কালো কাপড়ের সঙ্গে কাবার গিলাফের নিচের বেশ কিছু অংশ সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়, আর কিছু অংশ খালি রাখা হয়। তখন সাদা-কালোর মিশ্রণে নতুন রূপে দেখা যায় কাবা ঘরকে।

প্রতিবছর হজ মৌসুমে জিলকদ মাসের মাঝামাঝি সময়ে পবিত্র কাবা ঘরের গিলাফকে মাটি থেকে অনেকটা উঁচুতে উঠিয়ে খাঁজ করে রাখা হয়। আর কিছু অংশ খোলা রাখা হয়।

কারণ, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হজপালনেচ্ছুদের অনেকে বরকত লাভের আশায় নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কাবার গিলাফ কেটে নিয়ে যায়। তারা মনে করেন, কাবার গিলাফের টুকরো কাফনের কাপড়ের সঙ্গে দিয়ে দিলে কবরের আজাব হবে না, কিংবা পরকালে এটা তার মুক্তির কারণ হবে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563722255398.jpg

অনেকে আবার পবিত্র কাবা ঘরের গিলাফ স্পর্শ করার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে আহত হন। ফলে অনেকের জন্য তাওয়াফ করা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে।
মূলত কাবার গিলাফের মূল অবয়ব রক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য এটা করা হয়। তখন সাদা-কালোর গিলাফের সংমিশ্রণে কাবা শরিফের নতুন রূপ পরিলক্ষিত হয়। দেখার সৌভাগ্য হয় কাবার দেয়ালের প্রকৃত রূপ।

অবশ্য ৯ জিলহজ আরাফার দিন (হজের দিন) পুরনো এই গিলাফ পরিবর্তন করে নতুন গিলাফ লাগানো হবে। ফলে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এসে হাজি সাহেবর নতুন গিলাফে ঢাকা কাবা দেখতে পাবেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563722287338.jpg

কাবার গিলাফ স্পর্শ করা বা এটা ধরে দোয়া-মোনাজাত করার আলাদা কোনো ফজিলত নেই। তার পরও দেখা যায়, অনেক হজযাত্রী কাবাঘরের দেয়াল স্পর্শ করতে এমনকি তাতে নিজের রুমাল, জামা কাপড় স্পর্শ করাতে। যদিও ধর্মীয় চিন্তাবিদরা এমন কাজ করা থেকে মানুষকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র