Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ইসলামে শ্রম ও শ্রমিকের মর্যাদা

ইসলামে শ্রম ও শ্রমিকের মর্যাদা
পৃথিবীতে বিচরণশীল সব প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহতায়ালার, ছবি: সংগৃহীত
মুফতি অহিদুল আলম
অতিথি লেখক
ইসলাম


  • Font increase
  • Font Decrease

আল্লাহতায়ালা আসমান-জমিনের প্রাণী ও জড় সবকিছু সৃষ্টি করেছেন এবং আল্লাহতায়ালা তাদের রিজিকের দায়িত্ব নিজে গ্রহণ করেছেন। এ প্রসঙ্গে কোরআনে কারিমে ইরশাদ হয়েছে, ‘পৃথিবীতে বিচরণশীল সব প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব আল্লাহতায়ালার।’ -সূরা হুদ: ৬

আল্লাহতায়ালা সব প্রাণীর রিজিকের দায়িত্ব নেওয়ার অর্থ এটা নয় যে, মান্না ও সালওয়ার মতো প্রস্তুত করা খাদ্য সরবরাহ করবেন। বরং প্রাণীকে তার রিজিকের জন্য চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহতায়ালা তার প্রচেষ্টায় ও শ্রমে বরকত দান করবেন এবং তারই মাধ্যমেই জীবিকার সুব্যবস্থা করবেন।

জীবিকা উপার্জনের নির্দেশ
ইসলাম জীবিকা উপার্জনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দান করেছে। নবী-রাসূলরা জীবিকা উপার্জনের জন্য শ্রম ব্যয় করেছেন। শেষ নবী হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ও তার সাহাবাগণ, জীবিকা উপার্জনের জন্য বিভিন্ন পেশা গ্রহণ করেছেন। বিনাশ্রমে অর্জন উপার্জন করাকে তারা ঘৃণা করতেন।

এ বিষয়ে আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, নামাজ আদায়ের পর তোমরা জমিনে ছড়িয়ে পড় এবং আল্লাহর অনুগ্রহ (জীবিকা) অন্বেষণ কর। -সূরা জুমুআ: ১০

নবী করিম (সা.) বলেছেন, জীবিকা অন্বেষণ করা (অপরাপর) ফরজ আদায়ের পর আরেকটি ফরজ। -মিশকাত ও বায়হাকি: ২৪২

জীবিকা উপার্জন নবী-রাসূলদের সুন্নত
নবী-রাসূলদের কোনো না কোনো পেশা ছিল। তারা অলস ছিলেন না। নিজ হাতে অর্জিত সম্পদ ভোগ করতেন। নবী-রাসূলরা ছাগল চরাতেন। নবী করিম (সা.) বলেন, পৃথিবীতে আল্লাহতায়ালা এমন কোনো নবী পাঠাননি যিনি বকরি চরাননি। সাহাবিরা (বিস্মিত হয়ে) আরজ করেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনিও কি (বকরি চরাতেন)? তিনি প্রত্যুত্তরে বলেন, হ্যাঁ আমিও কয়েক কিরাতের বিনিময়ে মক্কাবাসীদের বকরি চরাতাম।’ –সহিহ বোখারি: ১/৩০১

নবী করিম (সা.) আরও বলেন, কোনো ব্যক্তি নিজ হাতের উপার্জন থেকে আহার করা অপেক্ষা উত্তম খাদ্য কখনও আহার করেনি (অর্থাৎ নিজ হাতে অর্জিত আহার অপেক্ষা উত্তম কোনো খাদ্য নেই) আল্লাহর নবী হজরত দাউদ (আ.) নিজ হাতের অর্জিত সম্পদ খেতেন। -সহিহ বোখারি: ১/২৭৮

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, হজরত মুসা (আ.) বিয়ের মোহর ও পানাহারের বিনিময়ে আট কিংবা দশ বছর নিজেকে মজুরিতে খাটিয়েছেন। -ইবনে মাজা

অন্য হাদিসে রয়েছে, হজরত দাউদ (আ.) ছিলেন বর্ম প্রস্তুতকারী, হজরত আদম (আ.) ছিলেন কৃষিবিদ, হজরত নূহ (আ.) ছিলেন কাঠমিস্ত্রী, হজরত ইদরিস (আ.) ছিলেন দর্জি এবং হজরত মুসা (আ.) ছিলেন রাখাল। -ফাতহুল বারি: ৪/৩০৪

নিজ হাতে অর্জিত জীবিকা সর্বোত্তম জীবিকা
হজরত রাফে ইবন খাদিজ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী করিম (সা) কে জিজ্ঞেস করলো, উত্তম উপার্জন কোনটি? হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) প্রত্যুত্তরে বলেন, ব্যক্তির স্বীয় হাতের কাজ এবং হালাল ব্যবসার মাধ্যমে উপার্জন।

হজরত আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (সা.) বলেন, তোমাদের স্বীয় (হাতে) উপার্জিত নিজ উপার্জিত সম্পদ থেকে ভক্ষণ করা খাদ্য হলো- উত্তম খাদ্য। অবশ্য তোমাদের সন্তান-সন্তুতিও নিজ উপার্জনের অর্ন্তভুক্ত অর্থাৎ সন্তানের উপার্জিত সম্পদও পিতা-মাতার জন্য তাদের নিজে উপর্জনের ন্যায়।

ইসলামে শ্রমের গুরুত্ব
নবী করিম (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে কাজ করার নির্দেশ দিতেন। তিনি ইরশাদ করেছেন, তোমাদের নিজ হাতে রশি নিয়ে লাকড়ির বোঝা বেঁধে নিজ পিঠে করে তা বিক্রি করা, এর দ্বারা আল্লাহ কর্তৃক স্বীয় মর্যাদা রক্ষা করা (প্রয়োজনপূরণ করা) মানুষের কাছে সওয়াল করে অনুগ্রহ কিংবা লাঞ্চনা পাওয়ার চেয়ে উত্তম।

নবীর শিক্ষা করো না ভিক্ষা, মেহনত করো সবে। তিনি আরও বলেছেন, যদি কোনো মুসলমান গাছ লাগায় কিংবা জমি চাষ করে, অত:পর কোনো পাখি বা মানুষ কিংবা কোনো চতুষ্পদ জন্তু তা থেকে ভক্ষণ করে, তাহলে তা তার জন্য সদকা হিসেবে বিবেচ্য হবে। -সহিহ বোখারি: ১/৩১২

সৎ ব্যবসা ইবাদত
বিভিন্ন উপায়ে অর্থ উপার্জন করা যায়। তন্মধ্যে ব্যবসা হলো- উত্তম পন্থা। নবী করিম (সা.) বলেছেন, সত্যাশ্রয়ী, আমানতদার ব্যবসায়ী কিয়ামতের দিন নবী, সিদ্দিক ও শহীদদের সঙ্গে অবস্থান করবে। -ইবনে মাজাহ: ১/১৬৫

অন্য হাদিসে আরও ইরশাদ হয়েছে, ব্যবসায়ীদের পাপী হিসেবে হাশরে উঠানো হবে। মুত্তাাক, পুণ্যবান ও সৎ ব্যবসায়ী ছাড়া। -তিরমিজি: ১/২৩০

নবী করিম (সা.) আরও বলেছেন, আল্লাহতায়ালা ওই ব্যক্তিকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন যে ক্রয়-বিক্রয়ে উদারতা ও নম্রতা প্রদর্শন করে। -ইবনে মাজাহ

দ্রুত শ্রমিকের পারিশ্রমিক প্রদান
শ্রমিকের কাজ শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার পারিশ্রমিক প্রদান করা কর্তব্য। এ ব্যাপারে শৈথিল্যতা প্রদর্শন করা বা গড়িমসি করা মহা অপরাধ। নবী করিম (সা.) বলেছেন, শ্রমিকের পারিশ্রমিক তার শরীরের ঘাম শুকাবার পূর্বেই প্রদান করো। -মিশকাত: ২৫৮

হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, বিচর দিবসে আমি তিন শ্রেণির মানুষের প্রতিপক্ষ হবো। ১. যে ব্যক্তি আমার নামের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে তা ভঙ্গ করেছে, ২. যে ব্যক্তি স্বাধীন ব্যক্তিকে বিক্রি করে তার মূল্য ভক্ষণ করেছে এবং ৩. যে ব্যক্তি কাউকে শ্রমিক নিযুক্ত করে নিজের কাজ আদায় করেছে, কিন্তু তার পারিশ্রমিক প্রদান করেনি। -সহিহ বোখারি: ১/৩০২

শ্রমিক উত্তম ব্যক্তি
কর্মহীন ব্যক্তি উত্তম ব্যক্তি নয়, বরং কর্মীই উত্তম। হজরত ঈসা (আ.) এক ব্যক্তিকে অসময়ে উপাসনালয়ে দেখে প্রশ্ন করলেন, তুমি এখানে কী করো, সে বললো আল্লাহর ইবাদত করি। হজরত ঈসা (আ.) বললেন, তোমার জীবিকার ব্যবস্থা কে করে? লোকটি বলল, আমার একজন ভাই আছে সে জীবিকার ব্যবস্থা করে। হজরত ঈসা (আ.) তখন বললেন, সে তোমার চেয়ে উত্তম। -হেদায়াতুল মুরশিদীন

কর্মহীন ব্যক্তিকে অবশ্যই অন্যের মুখাপেক্ষী হতে হবে, যা খুবই খারাপ। বেকারত্ব ও ভিক্ষাবৃত্তি মানুষের সামাজিক, মানসিক ও নৈতিক মর্যাদার অধ:পতন ঘটায়। নবী করিম (সা.) বলেছেন, কে আছ! আমার সঙ্গে ওয়াদাবদ্ধ হবে যে, সে কোনো দিন কারও কাছে কোনো কিছু চাইবে না; আমি তার জান্নাতের দায়িত্ব নিবো। হজরত সাওবান (রা.) বলেন, আমি (এ ব্যাপারে অঙ্গীরাবদ্ধ হলাম)। অত:পর তিনি জীবনে আর কখনও কারও কাছে কিছু চাননি। -সুনানে আবু দাউদ

আপনার মতামত লিখুন :

পবিত্র কাবা ও মসজিদে হারামের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

পবিত্র কাবা ও মসজিদে হারামের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

ইবাদতের জন্য পৃথিবীতে সর্বপ্রথম স্থাপিত গৃহ পবিত্র কাবাঘর। কাবার চারপাশে গড়ে ওঠা মসজিদই মসজিদে হারাম। কাবা ও মসজিদে হারামের সঙ্গে পৃথিবীর ১৮০ কোটি মুসলমানের হৃদয় আধ্যাত্মিক সুতায় বাঁধা।

মসজিদে হারামে এক রাকাত নামাজ পড়লে অন্যত্র ১ লাখ রাকাত নামাজেরও বেশি সওয়াব পাওয়া যায়। হজরত জাবির (রা.) বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- 'আমার এ মসজিদে এক নামাজ অন্য মসজিদে হাজার নামাজ থেকেও উত্তম। তবে মসজিদে হারাম ছাড়া। কেননা মসজিদে হারামে এক নামাজ অন্য মসজিদের এক লক্ষ নামাজের চেয়ে উত্তম।'(মুসনাদে আহমাদ)। 

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563767670027.jpg
মসজিদে হারামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য মোট কর্মচারীর সংখ্যা ১৭১৫

 

কাবাঘরকে ঘিরে নির্মিত মসজিদে হারামের আয়তন ৪ লক্ষ বর্গমিটার বা ৪৩ লক্ষ বর্গফুট। স্বাভাবিক ধারণ ক্ষমতা অনুযায়ী এতে একসঙ্গে ৯ লক্ষ মুসুল্লি নামাজ আদায় করতে পারে। তবে হজ বা রমজানের মওসুমে অতিরিক্ত আরও ৪০ লক্ষ লোকের স্থান সংকুলান হয় মসজিদে হারামে।

এতোবড় আয়োজনের পরিচ্ছন্নতার বিষয়টিও অত্যধিক গুরুত্বের দাবি রাখে। বছরে দুইবার কাবা ঘরের দরজা খুলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয় এবং কাবাঘরকে বিশেষ পানি দ্বারা ধোয়া হয়। প্রথমবার করা হয় শাবান মাসে আর দ্বিতীয়বার করা হয় জিলকদ মাসে। পবিত্র জমজমের পানি, তায়েফ গোলাপ জল এবং বহু মূল্যবান ঊড তৈল দিয়ে একটি পরিষ্কার মিশ্রণ তৈরি করে তা দিয়েই পবিত্র কাবা শরিফ পরিষ্কার করা হয়। আর এ কাজে নেতৃত্ব দেন দুই পবিত্র মসজিদের খাদেম সৌদির বাদশাহসহ দেশটির ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563767690112.jpg
মসজিদে হারাম পরিষ্কার ও পবিত্র করার কাজে ২০০ গ্যালন গোলাপজল ব্যবহার করা হয়

 

আর মসজিদে হারামকে দৈনিক ৫ বার পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। মসজিদে হারামের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য প্রতিদিন ১২৪৫ জন কর্মচারী লিপ্ত থাকেন। হজের মৌসুমে পরিচ্ছন্নতা এবং অন্যান্য জরুরি কাজে ৪৭০ জন কর্মচারী বাড়ানো হয়। যে কারণে মোট কর্মচারীর সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭১৫ জন। এর মধ্যে ২১০ জন মহিলা কর্মচারী থাকে।

পবিত্র রমজান মাসে উমরাহ চলাকালীন সময়ে ১৩১ জন অতিরিক্ত নারী কর্মচারীর খেদমত গ্রহণ করা হয়ে থাকে। যারা মসজিদে হারামের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন। মসজিদে হারাম পরিষ্কার ও পবিত্র করার কাজে ২০০ গ্যালন গোলাপজল ব্যবহার করা হয়। দ্রুততার সঙ্গে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে পরিষ্কারের সাধারণ পদ্ধতি ছাড়াও নিত্যনতুন অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও মেশিনারির ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/22/1563767703981.jpg
পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বড় অংশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের

 

কিছু আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে গোলাপজল ভরে মসজিদের মেঝে ও আশপাশে ছিটানো হয়। খাদেমগণ বাইতুল্লাহর মেঝে পরিষ্কারের সঙ্গে কাবার গিলাফ, হাজরে আসওয়াদ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জায়গা ও জিনিসপত্রে প্রতিদিন পাঁচবার সুগন্ধি লাগান।

মসজিদে হারাম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সময় কর্মচারীরা বিশেষ পোশাক পরিধান করে কাজ করেন। আর এই পরিচ্ছন্ন কর্মীদের বড় অংশ ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের।

সাদা-কালো গিলাফে নতুন রূপে কাবা

সাদা-কালো গিলাফে নতুন রূপে কাবা
সাদা-কালো গিলাফে নতুন রূপে কাবা, ছবি: সংগৃহীত

কালো কাপড়ের আচ্ছাদিত পবিত্র কাবা দেখতে বিশ্ববাসী অভ্যস্ত। এটাই কাবার চিরায়ত রূপ। কিন্তু বছরের তিন সপ্তাহের মতো সময় সেই পুরনো রূপে দেখা যায় না কাবাকে। কারণ, তখন কালো কাপড়ের সঙ্গে কাবার গিলাফের নিচের বেশ কিছু অংশ সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়, আর কিছু অংশ খালি রাখা হয়। তখন সাদা-কালোর মিশ্রণে নতুন রূপে দেখা যায় কাবা ঘরকে।

প্রতিবছর হজ মৌসুমে জিলকদ মাসের মাঝামাঝি সময়ে পবিত্র কাবা ঘরের গিলাফকে মাটি থেকে অনেকটা উঁচুতে উঠিয়ে খাঁজ করে রাখা হয়। আর কিছু অংশ খোলা রাখা হয়।

কারণ, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হজপালনেচ্ছুদের অনেকে বরকত লাভের আশায় নিরাপত্তারক্ষীদের চোখ ফাঁকি দিয়ে কাবার গিলাফ কেটে নিয়ে যায়। তারা মনে করেন, কাবার গিলাফের টুকরো কাফনের কাপড়ের সঙ্গে দিয়ে দিলে কবরের আজাব হবে না, কিংবা পরকালে এটা তার মুক্তির কারণ হবে।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563722255398.jpg

অনেকে আবার পবিত্র কাবা ঘরের গিলাফ স্পর্শ করার জন্য মরিয়া হয়ে চেষ্টা করে আহত হন। ফলে অনেকের জন্য তাওয়াফ করা কষ্টসাধ্য হয়ে উঠে।
মূলত কাবার গিলাফের মূল অবয়ব রক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার জন্য এটা করা হয়। তখন সাদা-কালোর গিলাফের সংমিশ্রণে কাবা শরিফের নতুন রূপ পরিলক্ষিত হয়। দেখার সৌভাগ্য হয় কাবার দেয়ালের প্রকৃত রূপ।

অবশ্য ৯ জিলহজ আরাফার দিন (হজের দিন) পুরনো এই গিলাফ পরিবর্তন করে নতুন গিলাফ লাগানো হবে। ফলে হজের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে এসে হাজি সাহেবর নতুন গিলাফে ঢাকা কাবা দেখতে পাবেন।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563722287338.jpg

কাবার গিলাফ স্পর্শ করা বা এটা ধরে দোয়া-মোনাজাত করার আলাদা কোনো ফজিলত নেই। তার পরও দেখা যায়, অনেক হজযাত্রী কাবাঘরের দেয়াল স্পর্শ করতে এমনকি তাতে নিজের রুমাল, জামা কাপড় স্পর্শ করাতে। যদিও ধর্মীয় চিন্তাবিদরা এমন কাজ করা থেকে মানুষকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র