Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঝিনাইদহে দেখা মিলেছে ৩৫ মণ ওজনের গরু

ঝিনাইদহে দেখা মিলেছে ৩৫ মণ ওজনের গরু
ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
ঝিনাইদহ


  • Font increase
  • Font Decrease

ঝিনাইদহের একটি খামারে দেখা মিলেছে ৩৫ মণ ওজনের এক গরুর। যার নাম দেওয়া হয়েছে যুবরাজ। প্রতিদিন গরুটি দেখতে খামারে ভিড় করছে উৎসুক জনতা। 

শুক্রবার (১৯ জুলাই) সদর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামে সরেজমিনে দেখা মেলে ৩৫ মণ ওজনের এই গরুটির। গরুটির মালিক শাহ আলম নিজ খামারে যুবরাজের দেখাশোনা করেন বলেও জানা যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563550391931.jpg
শাহ আলম নিজেই গরুটির দেখাশোনা করেন  

 

শাহ আলম বলেন, 'বর্তমানে খামারে ৮ টি বড় গরু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৩৫ মণ ওজনের একটি গরু আছে যার নাম দিয়েছি যুবরাজ। ইতিমধ্যে গরুটির দাম হয়েছে ২২ লাখ টাকা।'

এদিকে, যুবরাজকে দেখতে প্রতিদিন তার খামারে ভিড় করছেন শত শত মানুষ।

তার খামারে গরু দেখতে আসা শৈলকুপা উপজেলার পলাশ হোসেন বলেন, 'বড় গরুর কথা শুনে আজ দেখতে এসেছি। এত বড় গরু আমি জীবনে দেখিনি।'

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563550688905.jpg
দূর থেকেও সবাই গরুটি দেখতে ভিড় করছে

 

হরিণাকুন্ডু উপজেলার মিলু হোসেন বলেন, 'শাহ আলমের খামারে গরু দেখে আমারও গরু পালনের ইচ্ছা হয়েছে। তার খামারে গরু দেখতেও ভালো লাগে।' 

গ্রামের নাসির উদ্দিন নামের এক কৃষক বলেন, 'গরুটি দেখতে অনেক মানুষ ভিড় করছে। তাই আমিও দেখতে এসেছি।' 

আপনার মতামত লিখুন :

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি

গাইবান্ধায় আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবি
আমন চারা কেনাবেচায় টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসন ও দারিয়াপুর হাটসহ সকল হাট বাজারে আমনের চারা (বিছন) ক্রয় বিক্রয়ে টোল আদায় বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) বাংলাদেশ কৃষক সমিতির আয়োজনে স্থানীয় দারিয়াপুর হাটের চারমাথা মোড়ে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে জেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ছাদেকুল ইসলাম মাস্টারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কমিউনিস্ট পার্টির জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, কৃষক সমিতির জেলা সহ-সভাপতি সন্তোষ বর্মণ, সদর উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম মন্ডল, দারিয়পুর অঞ্চল কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি গুলবদন সরকার, সাধারণ সম্পাদক কৃষক নেতা জাহাঙ্গীর আলম মাস্টারসহ অনেকে।

বক্তারা দ্রুত ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। সেই সঙ্গে ইরি ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া, বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের কাছ থেকে যাতে আমন চারা ক্রয় বিক্রয়ে কোনো প্রকার টোল আদায় না করার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ

দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় ২ শতাধিক কোচ
দৌলতদিয়ায় নদী পারের অপেক্ষায় বাসের দীর্ঘ সারি

রাত যত বাড়ছে ততই নৈশ কোচের চাপ বাড়ছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাটে। নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে প্রায় দুই শতাধিক কোচ।

দুপুরের পর থেকে দৌলতদিয়া ঘাটে যানবাহনের তেমন কোন চাপ ছিল না। তবে লোকাল বাসের যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড় ছিল দিনভর। সন্ধ্যা লাগার পর থেকে লোকাল বাসের যাত্রীদের চাপ কমলেও এখন নৈশ কোচের চাপ বেড়েছে।

শনিবার (১৭ আগস্ট) রাত ৮টায় সরেজমিন দেখা যায় দৌলতদিয়া জিরো পয়েন্ট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে নদী পারের জন্য অপেক্ষা করছে প্রায় দুই শতাধিক নৈশ বাস। রাতে বাসের সারি আরও দীর্ঘ হতে পারে বলে ধারণা করছেন ঘাট সংশ্লিষ্টরা।
https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566057794700.jpg

তবে যানবাহনের সংখ্যা বাড়লেও খুব বেশি সময় নদী পারের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না বলে আশা করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহনের (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া ঘাটের শাখা ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) আবু আব্দুল্লাহ রনি বার্তাটোয়েন্টিফোর.কমকে বলেন, যানবাহন পার করার জন্য দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি পন্টুনই সচল রয়েছে। তাছাড়া ১৯টি ফেরি নিয়মিত চলাচল করছে। আশা করছি নদী পারের জন্য ঘাটে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানবাহনগুলোকে অপেক্ষা করতে হবে না।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র