Barta24

মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

শরতে গ্রীষ্মের তাপদাহ; গরমে অতিষ্ঠ নগরজীবন

শরতে গ্রীষ্মের তাপদাহ; গরমে অতিষ্ঠ নগরজীবন
তীব্র গরমে পানি পান করছেন এক গাড়ি চালক, ছবি: সৈয়দ মেহেদী, বার্তা২৪.কম
মনি আচার্য্য
 স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশে শরৎকাল শুরু হয় আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে আর শেষ হয় অক্টোবরের মাঝামাঝিতে। এই ঋতুর অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল আবহাওয়ায় হালকা ঠাণ্ডা থাকে। কিন্তু লক্ষ্য করার বিষয় হল এই বছর শরতের বৈশিষ্ট্যের ছিটেফোটাও নেই এদেশের আবহাওয়ায়। হালকা ঠাণ্ডার পরিবর্তে দেখা মিলছে তীব্র গরমের।

আবহাওয়ার এ পরিবর্তন দেখে এক কথায় বলা চলে শরৎকালে চলছে গ্রীষ্মের তাপদাহ। আর এ তাপদাহের সব থেকে বেশি প্রভাব পড়েছে রাজধানী ঢাকাতে।

প্রচণ্ড তাপদাহে বিধ্বস্ত রাজধানীর জনজীবন। রাজধানীতে অধিক গণবসতি ও রাস্তাঘাটে প্রচণ্ড যানজটের কারণে গরমের তীব্রতা যেন কয়েকগুণ বেড়ে অসহনী পর্যায়ে চলে গেছে। তাই সব মিলিয়ে বলা চলে গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা চলছে ঢাকার নগরজীবনে। এছাড়া সূর্যের প্রখর তাপে অসুস্থ হয়ে পড়ছে অনেক মানুষ।

আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীতে ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা রয়েছে। যা চলবে আরও বেশ কয়েক দিন ধরে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/03/1538550664049.jpg  

এদিকে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রচণ্ড এ তাপদাহে দিন দিন বেড়ে চলছে গরম জনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা।

মঙ্গলবার (২ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে ঘুরে ও ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ও সড়কে সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রচণ্ড তাপদাহে রাজধানীর রাস্তাঘাটে হাঁটাচলা করা কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া ঢাকার রাজপথের অসহনীয় যানজট গরমের ভোগান্তিকে আরও কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে অনেকেই গণপরিবহণ ছেড়ে পায়ে হেঁটে তাদের কর্মস্থল ও অন্যান্য গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা করছেন। তার পরেও গরম থেকে রেহাই পাচ্ছেন নগরবাসী।

সরেজমিনে আরও দেখা গেছে, প্রচণ্ড গরমে ঘামে ভিজে জর্জরিত হয়ে কোমল পানীয়, লেবুসহ বিভিন্ন শরবত ও ডাবের ভাসমান দোকানের দিকে ছুটছেন পথচারী রাজধানীবাসী। আবার অনেকে দেখা গেছে হাঁটার পথে কিংবা রাস্তার আশপাশে একটু ছায়া পেলেই গরম থেকে বাঁচার জন্য দাঁড়িয়ে যাচ্ছেন।

তবে সব থেকে বেশি ভোগান্তি পোহাতে দেখা গেছে শারীরিক পরিশ্রমের কাজে ব্যস্ত মানুষজনকে। প্রচণ্ড গরমে কঠিন শারীরিক পরিশ্রম করে তারা অল্পতে হাঁপিয়ে উঠছেন। ফলে অসুস্থ্যও হয়ে পড়ছেন তারা।

রাজধানীর টিএসসি মোড়ে যাত্রী নামিয়ে দিয়ে এসে প্রথমে এক গ্লাস লেবুর শরবত পান করলেন রিকশা চালক মো.হামিদ। প্রথম গ্লাসে তেষ্টা না মিটলে আরেক গ্লাস শরবত পান করলেন।

কয়েক দিনের গরমের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘সারা দিন গায়ে গতরে এই গরমের মধ্যে রিকশা চালিয়ে জীবন বাঁচতেছে না। যাত্রী নিয়ে রিকশা চালানোর সময় জীবনটা শেষ হয়ে যায় গরমে। আর পারতাছি না, কবে যে বৃষ্টি দিব আল্লাহ। ৫০০ টাকা সারা দিনে ইনকাম করলে ৫০ টাকার শরবত খাইতে হয় ‘

বাহিরে তো গরমের প্রকোপ আছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু বাসা বাড়িরতেও তাপদাহে অতিষ্ঠ রাজধানীবাসী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Oct/03/1538550704213.jpg

মো. ইভান বার্তা২৪.কমকে বলেন, অফিস থেকে বাসায় ফেরার পর আরেক নতুন অত্যাচার শুরু হয়ে যায়। মনে হয় বাসার দেওয়ালগুলোতে যেন আগুন ধরেছে গরমে। বাচ্চাকাচ্চা নিয়ে সারা রাত জেগে থাকতে হয় গরমের কারণে। তাছাড়া ফ্যানের বাতাসেও গরম লাগে।’

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু হওয়া এ তাপদাহ সম্পর্কে আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের ওপর মৌসুমি বায়ু কম সক্রিয় রয়েছে এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল ধরণের। তাই নতুন ঋতুর আবহাওয়ার প্রভাব এখনো শুরু হয়নি। ফলে গ্রীষ্মের তাপদাহ চলমান রয়েছে, যা সহসা বন্ধ হবে না বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বার্তা২৪.কমকে বলেন, ‘তাপদাহ অক্টোবর পর্যন্ত থাকতে পারে। মাঝখানে সামান্য পরিমাণে বৃষ্টি হলেও তাতে তাপদাহ কমার কোনো লক্ষণ নেই। ঋতু পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত এই অবস্থা চলতেই থাকবে রাজধানীসহ সারাদেশে।’

এদিকে চিকিৎসকদের মতে প্রচণ্ড এই গরমে সর্দি-হাঁচি-কাশিসহ না রোগব্যাধি হচ্ছে শিশুসহ বড়দের। এছাড়া গরম থেকে রেহাই পেতে রাস্তাঘাটে চলাচলরত অস্বাস্থ্যকর ঠাণ্ডা পানীয় খাওয়ার কারণে ছড়িয়ে পড়ছে ডায়রিয়া-আমাশয়সহ অনেক পানিবাহিত রোগ।

আপনার মতামত লিখুন :

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব

তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে হাইকোর্টে তলব
হাইকোর্ট

তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি), মহাব্যবস্থাপক (জিএম), উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) এই তিনজনকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ২ জলুাই তাদের শরীরে হাজির হতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) বিচারপতি এস আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

তিতাস গ্যাসের কর্মকর্তা নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তবায়ন না করায় একটি সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট এ তলবের আদেশ দিয়েছেন।

এর আগে হাইকোর্ট তিতাসের কর্মচারী নিয়োগে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাস্তায়নের নির্দেশ দিয়েছিলেন। তা অনুসরণ না করায় আদালত সম্পূরক আবেদন করেন। আদালতের আবেদনের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল এবিএম আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

২০১৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর তিতাসে ৭৯ জন কর্মকর্তা নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করে কর্তৃপক্ষ। মুক্তিযোদ্ধার সন্তান কোটায় নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিলেও চূড়ান্ত ফলে তাদের বাদ দেওয়া হয়। কোটা অনুসরণ করে নিয়োগ দেওয়ার নির্দেশনা চেয়ে মো. রেজাউল করিমসহ ৮ জন ২০১৮ সালের ২০ নভেম্বর রিট দায়ের করেন।

রিটের প্রাথমিক শুনানি শেষে রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। এর মধ্যে ৬৩ জনকে নিয়োগ দেয় তিতাস। গত ২ এপ্রিল আরো ১৭ জনকে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে ক্ষুব্ধ রিট আবেদকারীরা হাইকোর্টে একটি সম্পূরক আবেদন করেন।

এই আবেদনের শুনানি করে হাইকোর্ট তিতাসের এমডিসহ ৩ জনকে তলবের আদেশ দেন।

আদালতে তিতাসের আইনজীবী জানান, ৩০ শতাংশ  কোটা সংরক্ষণ করেছে কর্তৃপক্ষ। রিটের আইনজীবীরা তার এই বক্তব্যে আপত্তি জানান। 

নারীশ্রমে বাঁচলো মৃতপ্রায় নদী!

নারীশ্রমে বাঁচলো মৃতপ্রায় নদী!
নারীশ্রমে প্রাণ পেলো মৃত নদী, ছবি: সংগৃহীত

ভারতে সম্ভাব্য পানি সংকটের পদধ্বনিতে আশাবাদী দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন দেশটির নারীশক্তি। মৃতপ্রায় নদী বাঁচাতে ২০০০০ মহিলা নিরলস প্রচেষ্টা চালালেন দীর্ঘ চার বছর। নারীশ্রমে নবপ্রাণ পেয়ে বাঁচলো নদী।

চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যসেবার জন্য  দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের যে ভেলোর পরিচিত, সেখানে নাগানধি নদী পেলে নতুন জীবন। বহু মানুষও বেঁচে গেলেন তীব্র পানিকষ্ট থেকে।

তামিলনাড়ুর যে ২৪টি জেলা খরাপ্রবণ, তার মধ্যে অন্যতম ভেলোর। এই ভেলোরের মানুষদের কাছে বেঁচে থাকার, জীবনধারণের জন্য প্রয়োজনীয় পানির উৎস ছিল একমাত্র এই নাগানধি।

কিন্তু ১৫ বছর আগে এই নদীটি শুকিয়ে মৃতপ্রায় হয়ে যায়। নারীশ্রম মৃত নদীকে নবজন্ম দিয়েছে। ফলে মানুষ, প্রকৃতি ও কৃষি সম্ভাব্য ক্ষয় থেকে রক্ষা পেয়েছে।

দক্ষিণ ভারত থেকে শত মাইল দূরে ভারতের উত্তর দিকেও একই ছবি দেখা গেছে। উত্তরাখণ্ডের পউরি গাড়ওয়ালের প্রায় ১০০ জন গ্রামবাসী ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে নিয়ে নানা মাপের রিজ়ার্ভার তৈরি করছেন। পানির স্বল্পতার কবল থেকে বাঁচতে স্বেচ্ছা শ্রম ও স্বেচ্ছা প্রণোদনায় এগিয়ে এসেছেন মানুষ। যে মানুষের মধ্যে অগ্রণী ও সংখ্যাগরিষ্ঠ হলেন গ্রামের নারীরা।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্যের ভিত্তিতে বার বার জানাচ্ছে যে, ২০৩০ সাল নাগাদ ভারতের বড় বড় অনেক শহরই চরম পানি সংকটের মুখোমুখি হবে। এরই মাঝে চেন্নাই প্রভৃতি শহরে পানি স্বল্পতা ও সংকটের আঁচ পড়েছে।

আরও পড়ুন: চেন্নাইয়ে পানির তীব্র সংকট

ভারতের প্রত্যন্ত গ্রামেও যে পানির ভয়াবহ সংকট হাতছানি দিচ্ছে, তা সারা বিশ্বের সামনে স্পষ্টভাবে চিত্রিত হয় নদী উদ্ধারের এই ঘটনাগুলো থেকেই। ভেলোরের ক্ষেত্রে ২০ হাজার মহিলার ৪ বছরের প্রচেষ্টায় ১৫ বছর আগে শুকিয়ে যাওয়া নাগানধি নদীকে আবারও স্রোতস্বিনী করা প্রচেষ্টার পাশাপাশি বহু গ্রামে পানির জন্য রিজার্ভার, কুয়া, জলাধার তৈরি করছে মানুষ, যাতে প্রচুর নুড়ি পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। 

‘নাগানধি বাঁচাও’ প্রকল্পের ডিরেক্টর চন্দ্রশেখরণ কুপ্পান বলছেন, 'কোনও নদীকে পুনরায় বাঁচিয়ে তোলার জন্য শুধু তার বহমানতার দিকে নজর দিতে হয়, তা নয়।  নদীর গভীরতাও যাতে ঠিক থাকে সেদিকেও নজর দিতে হয়।  এক্ষেত্রে বৃষ্টির পানিও যাতে মাটি শুষে নিয়ে জমিয়ে রাখে সেটাও একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।  তাই বৃষ্টি হলে সেটা এজাতীয় নদীর ক্ষেত্রে খুব কাজে দেয়। '

উল্লেখ্য, নদীটি মৃতপ্রায় হলে ভেলোরের অর্ধেকের বেশি কৃষক পানির অভাবে গ্রাম ছেড়ে অন্য জায়গায় চলে যেতে থাকেন। কারণ তারা চাষের জন্য পানি পাননি দীর্ঘদিন। নদী নতুন জীবন পাওয়ায় বেঁচেছে জনপদ, কৃষি ও কৃষক।

ভেলোরের আগে দক্ষিণ ভারতের আরেক জায়গায় একই সংকট ঘণীভূত হয়েছিল। কর্ণাটকের বেদবতী এবং কুমুদবতী নামে দুটি নদীও সংস্কারের অভাবে মৃত্যু মুখে পতিত হয়। দুটি নদীকেই স্বেচ্ছাশ্রমে পুনরায় নাব্যতা দিয়েছিলেন স্থানীয় মানুষ, যাদের সিংহভাগ ছিলেন গ্রামীণ নারী।

পানি সংকটের সম্ভাব্য বিপদ থেকে বাঁচতে ভারতীয় গ্রামের নারীরা অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন। তারা গ্রামে গ্রামে রিজার্ভার বা কুয়া বানাচ্ছেন। দক্ষিণ ভারতের কান্যায়মবাদি ব্লকের সালামানাথাম গ্রামের একজন নারী একাই প্রায় ৩৬ টা কুয়া খুঁড়েছেন।   

উত্তর ভারতেও এমন ঘটনা ঘটছে। সেখানে পউরি গাড়ওয়ালের ১৩ বছরের ছাত্রী দীপা রাওয়াত এবং তার বন্ধু স্কুল শেষে বৃষ্টির পানি ধরে রাখার জন্য রিজ়ার্ভার তৈরি করতে মাটি খুঁড়ে চলে আজকাল।  সেখানকার সরকারি স্কুলগুলো প্রতিটি ছাত্রছাত্রীকেই এই কাজে উৎসাহ দেয়।  বলা হয়েছে, এক একটি রিজ়ার্ভার যাতে অন্তত ২ ফুট গভীর হয় সেদিকে নজর দিতে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, 'শহরের পাশাপাশি গ্রামগুলোতে মানুষের সচেতন হওয়া খুব জরুরি এখনই। যাতে ভবিষ্যতের জন্য তারা পানি সঞ্চয় করে রাখতে পারেন। নইলে সমস্যা বাড়বে। কারণ গ্রামগুলো দিন দিন শুকিয়ে যাচ্ছে। জলের উৎসও কমছে। দিন দিন জল যত কমবে লোকজন চলে যাবেন এই এলাকা থেকে।  তাই গণ সচেতনতা ও অংশগ্রণ ছাড়া এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে মুক্তির কোনও আশা নেই।'

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র