Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

জাবি’তে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম!

জাবি’তে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম!
জাবি’তে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম!, ছবি: বার্তা২৪
জাবি করেসপন্ডেন্ট
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

‘প্রতিদিন চারশ থেকে পাঁচশ পিঠা নিয়ে আসি। সব পিঠা বিক্রি হয়ে যায়। আমি নিজেই পিঠা বানাই, তবে ছেলে ও দুই নাতিও আমাকে সহযোগিতা করে। হাড় কাঁপানো শীতে পিঠার বিক্রিও বেশ ভালো। প্রতিদিন ৪-৫ হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করতে পারছি। গরীবের সংসার, পিঠা বিক্রির টাকা দিয়েই চলতাছে। তবে সব সময় পিঠা বিক্রি হয় না, অনেকে ঠিকমতো দামও দেয় না।’- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্রাম্যমাণ পিঠা বিক্রেতা ষাটোর্ধ্ব রহিমা বিবি এভাবেই বর্তা২৪.কম’কে কথাগুলো বলছিলেন। তিনি নিয়মিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশের পাশে পিঠা নিয়ে বসেন।

তীব্র শীত, কনকনে ঠান্ডা, সন্ধ্যা নামতেই কুয়াশার আবরণে ঢাকা পড়ে পুরো ক্যাম্পাস। এ যেন এক শীতের নগর। সোনালী সূর্য অস্ত যেতেই ক্যাম্পাস এক অন্যরকম পরিবেশ ধারণ করে। আর এ ঠাণ্ডা উপভোগ করতে ক্যাম্পাসে চলছে নানা আয়োজন। কেউবা প্রিয়ার কাধেঁ মাথা রেখে করছে আলাপণ আবার দলপাগল অনেকে একজোঁট হয়ে বসিয়েছেন গানের আসর, চলছে কোরাসের পর কোরাস। এর মাঝে পুরো ক্যাম্পাসের বিভিন্ন যায়গা জুড়ে বসেছে গরম সব পিঠার আয়োজন। সেসব বাহারি পিঠার যে কত নাম। ভাঁপা, চিতই, পাটিসাপটা, নঁকশি, পাকন, তেলের পিঠা প্রভৃতি। পিঠার স্বাদ বাড়াতে রয়েছে নানা ধরণের ভর্তা। রয়েছে মাশরুম, সবজি, মাংসের পিঠাও। ফলে পিঠার মৌ মৌ গন্ধে অনেকেই ছুটে আসছেন ক্যাম্পাসে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/06/1546764042478.jpg

বিশ্ববিদ্যালয়ের অমর একুশে, ছবি চত্বর, লাইব্রেরির সামনে, বটতলা, আলবেরুণী হল, বঙ্গবন্ধু হল, মীর মশাররফ হোসেন হল, প্রীতিলতা হল, শহীদ রফিক-জব্বার হল ও শেখ হাসিনা হলসংলগ্ন স্থানে বসেছে এসব পিঠার দোকান। পুরোদমে শীত থাকায় জমেও উঠেছে এসব পিঠার দোকানগুলো। আর এসব পিঠা খাওয়ার মাঝে চলছে আড্ডা।

সরেজমিনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১৬টি ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান দেখা গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, জাবি ক্যাম্পাসে প্রতিদিন প্রায় একলাখ টাকার পিঠা বিক্রি হয়। আর এসব দোকানগুলোর ওপর জীবিকা নির্বাহ করছেন প্রায় ১৫-১৮ পরিবারের শতাধিক মানুষ।

গ্রামে শীতের সকালে উঠানের মিষ্টি রোদে বসে খেঁজুরের গুড় দিয়ে পিঠা খাওয়ার দৃশ্য পরিচিত। তবে এখানে উঠানে বসার সুযোগ না মিললেও আছে বিভিন্ন টং। তবে অনেক জায়গায় পিঠার দোকানের আশপাশে চৌকিও বসানো হয়েছে। সন্ধ্যা নামতেই বাড়তে থাকে ক্রেতাদের ভীড়। এসব দোকানে ক্রেতাদের মধ্যে যেমন শিক্ষার্থীরা আছেন, তেমনি আছেন স্মৃতির টানে ছুটে আসা সাবেক শিক্ষার্থী ও তার পরিবার সদস্যরা। দূর-দূরান্ত থেকে অনেকেই এখানকার পিঠার স্বাদ নিতে আসেন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/06/1546764165792.jpg

দোকানিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, তারা পিস হিসাবে পিঠা বিক্রি করেন। যেমন: তেলে ভাজা পিঠা পাঁচ টাকা, ভাপা পিঠা, চিতই পিঠা, মাংস পিঠা প্রতিপিস ১০ টাকা আর পাটিসাপটা, নঁকশি পিঠা ১৫ টাকা করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী চৈতি শাহরিন আড্ডাচ্ছলে বলছিলেন, ‘কুয়াশা ঘেরা হিম হিম সকাল কিংবা বিকেলবেলায় খেজুরগুড়ের ভাপা পিঠা কিংবা ঝাল সর্ষেভর্তা দিয়ে চিতই কিংবা নারকেল ভরা পাটিসাপটা-পুলি পিঠা খাওয়া দৃশ্য এখন নেই বললেই চলে। আর জাবি’র শিক্ষার্থীদের জীবনে এই দৃশ্য এখন অনেকটাই অনুপস্থিত। তবে ক্যাম্পাসের মোড়ে মোড়ে ছোট ছোট ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোতে পাওয়া যায় মাটির চুলোয় বানানো ভাপা, চিতই, ডিম চিতই, পুলি, পাটিসাপটা, পাকন পিঠা। এসব পিঠার সাথে চলে আড্ডা-গান আর জীবনের গল্পও।’

তিনি আরো বলেন, ‘জীবনের গল্প লেখার টানে ঘরের আদুরে ছেলে-মেয়েরা, যারা প্রতি শীতে পরিবারের সবার সঙ্গে রোদে বসে পিঠে খাওয়ার দিনগুলো ছেড়ে এই জগৎকে আপন করে নেয় তাদের মনের ভেতরের সেই হাহাকারটাকে কিছুটা হলেও কমিয়ে দেয়। এই পিঠেগুলো হয়তো সেই প্রিয় মানুষগুলোর হাতের জাদুভরা হয় না, তবে তীব্র মনখারাপটাকে কমিয়ে দিতে আর স্মৃতিগুলোকে উজ্জ্বল করে নিতে এর তুলনা হয় না।’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/06/1546764185542.jpg

তবে এসব ভ্রাম্যমাণ পিঠার দোকান নিয়েও আছে কিছু বিড়ম্বনা। যত্রতত্র ময়লা ফেলা, আগুন জ্বালিয়ে পরিবেশ নষ্ট করাসহ শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন অভিযোগও করেন। এসব ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলোর ফলে ক্যাম্পাসের নির্মল পরিবেশ দূর্লভ হয়ে পড়ছে। শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ আবার এসব পিঠার এবং অন্যান্যে দোকান উঠিয়ে দেওয়ার পক্ষে। আবার নিয়ন্ত্রিতভাবে অন্য কোনো উপযুক্ত স্থানে এসব ভ্রাম্যমাণ দোকানগুলো রাখার পক্ষে অনেকে।

আপনার মতামত লিখুন :

কেন এগিয়ে যাচ্ছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানরা

কেন এগিয়ে যাচ্ছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানরা
ক্যারিবিয়ান মাস্টার-ব্লাস্টার ব্রায়ান লারা

নান্দনিকতার বিচারে ক্রিকেট ইতিহাসে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের কদর সবসময়ই যেন একটু বেশি। তবে পরিসংখ্যান বলে, দৃষ্টিনন্দন এই ব্যাটিং স্টাইল বড় স্কোর গড়তে এবং ম্যাচ জয়ের ক্ষেত্রে কার্যকরীও বটে।

বিগত কয়েক দশকে ব্যাট হাতে পাদপ্রদীপের আলো নিজেদের করে নিয়েছেন অসংখ্য কিংবদন্তি। ব্রায়ান লারা, কুমার সাঙ্গাকারারা দেখিয়েছেন স্টাইলিশ ও মার্জিত ব্যাটিং; পরিস্থিতি অনুযায়ী কার্যকরী স্ট্রোক খেলার পারদর্শিতার প্রমাণ রেখেছেন ম্যাথু হেইডেন, গ্রায়েম স্মিথরা। আগ্রাসী মনোভাবে যে ব্যাটকে তরবারীর মতো ছুটিয়েছেন ক্রিস গেইল, অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, সনাথ জয়সুরিয়া—সেই একই ব্যাটকে ধৈর্যের সাথে মহাপ্রাচীর বানিয়ে দারুণ সব ইনিংস উপহার দিয়েছেন শিবনারায়ণ চন্দরপল, অ্যালান বোর্ডাররা। কৌশলের এমন ভিন্নতা তাদেরকে দিয়েছে আলাদা পরিচিতি, তবে বর্তমানে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের দাপুটে রাজত্বের ভিতটা যে তাঁরাই গড়ে দিয়েছেন, তা বলাই বাহুল্য।

ইতিহাস বলছে, বাঁহাতিদের ব্যাটিং তুলনামূলক কার্যকরী এবং রানস্কোরিং—এই দাবিটা মিথ্যে নয়। ১৯৭০ সাল থেকে পরবর্তী প্রায় প্রতিটি দশকে ধারাবাহিকভাবে সফল বাঁহাতিরা গড় হিসাবে এগিয়ে রয়েছেন প্রায় দুই রানের ব্যবধানে, যা ২০০০ সালের পর হয়েছে দ্বিগুণ। চলতি দশকের শুরুতে অবশ্য সব হিসাব পাল্টে এই গড়ের খেলায় শচীন টেন্ডুলকার, বীরেন্দর শেবাগ, কেভিন পিটারসেন, তিলকরত্নে দিলশানদের সৌজন্যে এগিয়ে যাচ্ছিলেন ডানহাতিরা, যাতে ছেদ টানেন হালের ডেভিড ওয়ার্নার, তামিম ইকবাল, শিখর ধাওয়ানদের মতন পাওয়ার হিটাররা।

এখানে যে মজার ব্যাপারটি লক্ষণীয়, তা হলো বিগত দশকগুলোতে ডানহাতি ও বাঁহাতিদের খেলা মোট ইনিংসের অনুপাত। ৭০-এর দশকে বাঁহাতিদের প্রতি ইনিংসের বিপরীতে ডানহাতিদের ইনিংস ছিল প্রায় চারটি, যেটি গত ত্রিশ বছরে হয়ে গেছে প্রায় সমান-সমান। তবে কি বাঁ-হাতের সাফল্যের ভারী পাল্লাই অনুপ্রেরণা যোগাচ্ছে নতুন দিনের ব্যাটসম্যানদেরকে?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712391653.jpg
ক্রিস গেইলের ধ্বংসলীলা ◢

 

২০০০ পরবর্তী দলগত পরিসংখ্যান অনুযায়ী বাঁহাতিদের ভাণ্ডার অন্যান্যদের চেয়ে স্পষ্টতই সমৃদ্ধ করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এই সময়ের মধ্যে ক্যারিবিয়ান দলের বাঁহাতিদের গড় প্রায় ৪০, যেখানে ত্রিশেরও নিচের গড় নিয়ে দৈন্যদশা তাদের ডানহাতিদের। প্রায় একই ব্যবধান বিরাজমান বাংলাদেশের বাঁহাতি ও ডানহাতি ব্যাটসম্যানদের মধ্যে। তামিম, ইমরুল, সৌম্য সরকারদের মতো পরীক্ষিতদের স্কোরগুলোর পাশে যোগ করুন বর্তমান বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসানের চোখধাঁধানো ইনিংসগুলো—হিসাবটা দিনের আলোর মতোই পরিষ্কার!

স্টিফেন ফ্লেমিং, মার্ক রিচার্ডসন, টম ল্যাথাম, জেসি রাইডারদের সৌজন্যে প্রায় একই চিত্র ব্ল্যাকক্যাপস নিউজিল্যান্ড দলের পরিসংখ্যানেও। ব্যতিক্রম শুধু রস টেলর—চল্লিশোর্ধ্ব গড় নিয়ে পনেরোশোর বেশি রান পাওয়া একমাত্র ডানহাতি কিউই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712458522.jpg
বাঁ-হাতের জাদুকর সাকিব আল হাসানের আইডল বাঁ-পায়ে সেরাদের সেরা লিওনেল মেসি ◢

 

ঠিক উল্টো চিত্র এশিয়ার দুই পরাশক্তি ভারত ও পাকিস্তান দলে, যেখানে আধিপত্য রয়েছে ডানহাতিদেরই। পাকিস্তান লাইনআপের ত্রিরত্ন—ইনজামাম-উল-হক, ইউনিস খান এবং মোহাম্মদ ইউসুফ সবসময়ই এগিয়ে ছিলেন বাকিদের থেকে। পরবর্তী সময় শহীদ আফ্রিদি, মোহাম্মাদ হাফিজ, আহমেদ শেহজাদদের মতো অভিজ্ঞরা ডানহাতিদের রানের পাল্লা করেছেন আরো ভারী। সাম্প্রতিক সময়ের তারকা ব্যাটসম্যান ফখর জামান, ইমাম-উল-হকদের বাঁ-হাতের জাদু যেন দিনবদলের বিজ্ঞাপন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712529262.jpg
পাকিস্তানের একমাত্র ওয়ানডে ডবল সেঞ্চুরিয়ান ফখর জামান ◢

 

আর ভারতের ‘ব্যাটিং ঈশ্বর’ টেন্ডুলকার থেকে শুরু করে রাহুল দ্রাবিড়, বীরেন্দর শেবাগ, ভিভিএস লক্ষ্মণ কিংবা বর্তমানের সেরাদের সেরা বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা—সব ডানহাতি জায়ান্টরা বছরের পর বছর গড়েছেন রানের পাহাড়। ৫০+ গড়ের সামনে বাঁহাতিরা বেশ ব্যাকফুটেই রয়েছেন। তবে সৌরভ গাঙ্গুলি, গৌতম গম্ভীর, যুবরাজ সিংদের মতো দুর্ধর্ষ বাঁহাতিদের গৌরবের ঝাণ্ডা উঁচিয়ে ধরে এগিয়ে চলেছেন হালের শিখর ধাওয়ান।

যুক্তরাজ্য এবং নেদারল্যান্ডভিত্তিক সাম্প্রতিক কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব ক্রিকেটার ব্যাটিং করেন ‘ভুল’ পদ্ধতিতে—অর্থাৎ যাদের মূলশক্তির হাতটি থাকে হ্যান্ডেলের উপরিভাগে—তাদের সফলতার হার অন্যদের থেকে বহুগুণে বেশি। এ তালিকায় রয়েছে ব্রায়ান লারা, মাইক হাসি, অ্যালিস্টার কুক, ডেভিড ওয়ার্নার, ক্রিস গেইলের মতো তারকাদের নাম, যাদের ডান বাহুটিই মূল শক্তির উৎস হলেও ব্যাটিং স্টাইলে বাঁহাতি। উল্টোটা ঘটেছে বামের শক্তিতে বলিয়ান মাইকেল ক্লার্ক, অ্যারন ফিঞ্চদের ক্ষেত্রে।

প্রশ্ন হচ্ছে, বাঁহাতিদের এই স্বাচ্ছন্দ্য বিচরণের রহস্য কী? অন্তর্নিহিত কোনো বৈশিষ্ট্যের জন্যই কি সফলতা লুটাচ্ছে তাদের ব্যাটে? ক্রিকেটের বেশিরভাগ নিয়মকানুন কি তাদের অনুকূলেই যাচ্ছে? নাকি ডানহাতিদের বিপক্ষে বোলিংয়ে অভ্যস্ততাই সৃষ্টি করেছে আজকের এই অবস্থা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712581984.jpg
মারকুটে বাঁহাতি অ্যাডাম গিলক্রিস্ট ◢

 

রহস্যের উত্তর হতে পারে এই তিন কারণের সংমিশ্রণও। ক্রীড়াবিজ্ঞানীদের ভাষায়, ব্যাটিংয়ের সময় বাঁহাতিদের মস্তিষ্কের বামপাশের প্রবাহে ডান অংশের দখল তাদের স্থানিক সচেতনতা এবং প্রতিক্রিয়া ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এছাড়াও বাঁহাতিদের ক্ষেত্রে লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে পিচ হওয়া বলগুলো এলবিডব্লু উইকেটের বিপরীতে অসামঞ্জস্যতার বেনিফিট প্রদান করে। পাশাপাশি বাঁহাতিদের ব্যাটিং স্ট্যান্স ব্যাহত করে ফাস্ট বোলারদের স্বাভাবিক স্বাচ্ছন্দ্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/21/1563712641218.jpg
রিভার্স সুইপ খেলছেন অস্ট্রেলিয়ার গ্লেন ম্যাক্সওয়েল ◢

 

তবে দলীয় সাফল্য অর্জনে ডান-বাম কম্বিনেশনের ব্যাটিং লাইনআপ কিন্তু দারুণ কার্যকরী। এতে বিপক্ষ দলের অধিনায়ক বল বাই বল ফিল্ড সেটিং পরিবর্তনে পড়েন বিপাকে, যার সবটুকু সুবিধা যায় ব্যাটসম্যানদের ঝুলিতে।

পরিশেষে বলা যায় অনুকুল পরিস্থিতির সর্বোচ্চ সুবিধা নিয়ে নান্দনিক ও উদ্ভাবনী শট খেলতে পারার দুর্দান্ত সব সুযোগই বাড়াচ্ছে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানদের সংখ্যা এবং সফলতার হার।

৫০ বছর আগের এই দিনে চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ

৫০ বছর আগের এই দিনে চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ
ছবি: সংগৃহীত

আজ থেকে পঞ্চাশ বছর আগে চাঁদে পা রেখেছিল মানুষ। আমেরিকার মহাকাশচারী নিল আর্মস্ট্রং ও বুজ অ্যালড্রিন প্রথম মানুষ, যারা এই ইতিহাস সৃষ্টি করেছিলেন।

চাঁদের পৃষ্ঠে প্রথম অবতরণ করেন নিল আর্মস্ট্রং। এরপর বুজ অ্যালড্রিল। তাদের সঙ্গী ছিলেন মাইকেল কলিন্স। তবে তিনি চাঁদের পৃষ্ঠে না নেমে নভোযানে অবস্থান করেন।

১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই ‘ঈগল’ নামক এক চন্দ্রতরীতে করে তারা প্রথম চাঁদে অবতরণ করেন। নিল আর্মস্ট্রং চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ করে বলেছিলেন, "That's one small step for man, one giant leap for mankind." (মানুষের ক্ষুদ্র এই পদক্ষেপটি মানব সভ্যতাকে বহুদূর এগিয়ে নিয়ে গেল।)

Moon

চাঁদে মানুষ পাঠানো নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে ছিল মর্যাদার লড়াই। ১৯৫৭ সালে স্পুটনিক নামক কৃত্রিম উপগ্রহ প্রথম মহাকাশে পাঠায় রাশিয়া। এতে চন্দ্র জয়ের দৌড়ে এগিয়ে যায় দেশটি।

এরপর ১৯৬৬ সালে রাশিয়ার লুনা-৯ নামক উপগ্রহ চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করে। এর দুইমাস পর লুনা-১০ নামক আরেকটি উপগ্রহ চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে স্থাপন করে রাশিয়া। তারা চন্দ্রজয়ের কাছাকাছি পৌঁছে গেলেও মানুষ পাঠানোর মতো প্রযুক্তি তখনও তারা অর্জন করতে পারেনি। এছাড়া অর্থনৈতিক দুরাবস্থার কারণে তাদের মহাকাশ অভিযান বাধাপ্রাপ্ত হয়।

Moon

এরমধ্যে ১৯৬৮ সালে মহাকাশ গবেষণায় বড় সাফল্য অর্জন করে যুক্তরাষ্ট্র। তারা মহাকাশে অ্যাপোলো-৮ নামে মানুষ বহানকারী একটি যান মহাকাশে পাঠায়। সেটি চাঁদের কক্ষপথে সফলভাবে প্রদক্ষিণ করে নিরাপদে ফিরে আসে।

তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই মহাকাশযান অ্যাপোলো-১১ তে চড়ে চাঁদে প্রথম অবতরণ করেন নিল আর্মস্ট্রংরা।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র