Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

দুপুরে খাওয়ার পর কেন ঘুম পায়?

দুপুরে খাওয়ার পর কেন ঘুম পায়?
দুপুরে খাবার খাওয়ার পরেই দেখা দেয় ঘুম ভাব। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

দুপুরে পেটপুরে খাওয়ার পর ঘুমে চোখ খুলে রাখাই কষ্টকর বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

এদিকে ক্ষিধে ভাব নিয়েও বেশিক্ষণ থাকা সম্ভব নয়। তরকারি-ডাল-ভাত কিংবা বার্গার, পিৎজা যাই খাওয় হোক না কেন, কিছুক্ষণ পর থেকেই চোখ আপনাআপনিই বন্ধ হয়ে আসবে ঘুমের প্রাবল্যে। সে এক ভীষণ বিশ্রী অবস্থা!

দুপুরে খাবার খাওয়ার পর চোখে ঘুম এসে ভর করলে কোনভাবেই সেই ঘুম তাড়ানো সম্ভব হয় না। বাসাতে থাকলে না হয় ঘন্টাখানেক ঘুমিয়ে নেওয়া যায়। কিন্তু অফিসে তো তার অবকাশ নেই। হাজার কাজের ব্যস্ততা মাথায় চেপে থাকা পরেও, ঘুম ভাবের জন্য কাজে মনোযোগ দেওয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

কেন এমনটা হয়?

বিব্রতকর এই সমস্যাটি দেখা দেওয়ার কারণ সম্পর্কে বলেছেন ডায়েটেশিয়ান ও স্পোর্টস নিউট্রিশনিস্ট রবি ক্লার্ক। তিনি জানান, দুপুরে খাওয়ার পর ঘুম ভাব দেখা দেওয়া খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। এমনটা হওয়ার মূল কারণ হলো খাদ্য পরিপাক হওয়া।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/06/1536225971057.jpg

তিনি বলেন, ‘শরীরের কার্যকারিতা ও বেঁচে থাকার জন্য আমাদের শক্তি প্রয়োজন। এই শক্তি আমরা পরিপাককৃত খাবার থেকেই পাই। খাবার পরিপাক হয়ে গ্লুকোজ ও অন্যান্য ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্টে পরিণত হয়। মূলত পরিপাক ক্রিয়া আমাদের শরীরের এই ধরণের প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে’।

দুপুরে খাওয়ার পর ঘুম ভাব দেখা দেওয়ার অন্য আরেকটি কারণ হলো, মিষ্টি জাতীয় খাদ্য গ্রহণ। মিষ্টি খাবার গ্রহণের পর রক্তে ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যায়। যা এসেনশিয়াল অ্যামিনো অ্যাসিড ট্রিপটোফেনকে সরাসরি মস্তিষ্কে পাঠিয়ে দেয়। মস্তিষ্কে পৌঁছানোর পর সেরোটোনিন ও মেলাটোনিনের নিঃসরণ বৃদ্ধি করে। এই দুইটি হরমোন ‘আনন্দ ভাব’ ও ‘ঘুম ভাব’ তৈরির জন্য দায়ী।

আরো একটি কারণ হলো, অনেক সময় আমরা দুপুরে পরিমাণ ও প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খেয়ে ফেলি। যা শরীরে অস্বস্তি ও ক্লান্তিভাব এনে দেয়। যে কারণে বলা হয়ে থাকে, পেট কিছুটা খালি রেখে খাবার খাওয়ার জন্য।

কীভাবে এড়ানো যাবে এই সমস্যাটি?

বিরক্তিকর এই সমস্যাটি এড়াতে কিছু টিপস জানিয়েছেন রবি ক্লার্ক। চটজলদি দেখে নিন টিপসগুলো।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Sep/06/1536225991528.jpeg

১. সকালের নাস্তা বাদ দেওয়া যাবে না। সকালে পুষ্টিকর খাবার শরীরের ক্লান্তিভাব দূর করে। পাশাপাশি সকালে খালিপেটে থাকার ফলে দুপুরে বেশি খাওয়া হয়। ফলে দেখা দেয় ঘুম ভাব।

২. সহজপাচ্য ও পুষ্টিকর খাবার পরিমিত পরিমাণে খেতে হবে। একবারে মাত্রাতিরিক্ত পরিমাণে খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। রবি পরামর্শ দেন, সবুজ সবজি ও রঙিন ফল বেশি খাওয়ার জন্য।

৩. যদি সম্ভব হয় তবে ঘরে বা অফিসের কক্ষে বসে খাবার খাওয়ার পরিবর্তে খোলা কোন স্থানে বসে খাবার খেতে হবে। এতে মন চনমনে থাকবে। যা ঘুম ভাব তৈরি হতে বাধা দেবে। ঘরের বাইরে খাবার খাওয়া সম্ভব না হলেও, খাবার পর বাইরে থেকে কিছুক্ষণ হাঁটাহাঁটি করে আসতে হবে। এতে ঘুম ভাব দেখা দিলেও সেটা কেটে যাবে।

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র