Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

শীতকালেও কমবে না রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা!

শীতকালেও কমবে না রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রতিদিন তাপমাত্রা কমছে।

সেই সঙ্গে বাড়ছে অসুস্থ হবার সম্ভবনা। আবহাওয়ার পরিবর্তন, ঠাণ্ডা আবহাওয়া, শরীরের সঙ্গে নতুন আবহাওয়া মানিয়ে নেওয়ার সমস্যা সহ নানান কারণে অসুস্থতা দেখা দিলেও, প্রধান কারণটি হলো রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া।

শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধরা রাখা ও বৃদ্ধি করার জন্য প্রয়োজন, কিছু উপকারী অভ্যাস গড়ে তোলা।  

ঘর জুড়ে বাতাস ও আলোর আনাগোনা

শীতকালে রোদের মিষ্টি নরম আলোটা সকলেই উপভোগ করেন। যতটা সম্ভব এই আলো ঘরে প্রবেশ করতে দিতে হবে এবং নিজেকে আলোতে রাখতে হবে। শুধু আলো নয়, বাইরের হাওয়া-বাতাসও ঘরে চলাচলের জন্য পর্দা সরিয়ে রাখতে হবে। অনেকেই ঘরে পর্দা দিয়ে জানালা ঢেকে রাখেন। কিন্তু শীতের সময় ঘরে যেন আলো-বাতাসের প্রাচুর্য থাকে সেই ব্যবস্থা রাখার চেষ্টা করতে হবে। এতে করে বাইরের পরিবেশের মাইক্রোবিয়াম ঘরে প্রবেশ করবে। যা রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করবে।

নিয়মিত শরীরচর্চা করা শুরু করা

শরীরচর্চা করা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী, এই তথ্য নতুন কিছু নয়। কিন্তু শরীরচর্চা কীভাবে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতার উপর প্রভাব ফেলে, সে সম্পর্কে ধারণা নেই অনেকেরই। শরীরচর্চা করার ফলে রক্তের শ্বেতরক্ত কণিকা দ্রুত প্রবাহিত হয়। ফলে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে তুলনামূলক আগেই শরীর যেকোন রোগের উপস্থিতি টের পায়। এছাড়া স্বাভাবিক মাত্রার কার্ডিও ওয়ার্কআউট শারীরিক চাপ কমায় অনেকটা এবং মাইক্রোবিয়ালের কার্যকারিতার মাত্রা বৃদ্ধি করে।

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার অভ্যাস গড়া

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/13/1542108313200.jpg

আয়রন, ভিটামিন-সি, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন-বি৬ ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ অ্যাপল সাইডার ভিনেগারকে বলা হয় নিউট্রিশনাল পাওয়ার হাউজ। গবেষণা সুপারিশ করে প্রত্যেহ অ্যাপল সাইডার ভিনেগার খাওয়ার ফলে পাকস্থলিস্থ মাইক্রোবিয়ামের বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে। যা পক্ষান্তরে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

ফ্রেশ ফলের রস পান করা

রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ‘অন-পয়েন্ট’ এ রাখার জন্য উপকারী ফল ও ফলের রস খাওয়ার কোন বিকল্প নেই।  কারণ শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন- ই, এ, সি, ডি, বি৬, ফলিক অ্যাসিড, কপার, সেলেনিয়াম, আয়রন ও জিংকের প্রয়োজন। শীতকালীন ও সাইট্রাস ঘরানার ফল কিংবা ফলের রস পান করার মাধ্যমে শরীর তার প্রয়োজনীয় সকল পুষ্টি উপাদান পেয়ে থাকে।

খাদ্য তালিকায় ‘স্বাস্থ্যকর’ ফ্যাট রাখা

শুধু রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি নয়, পুরো শীতকালে শরীরে স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের যোগানের জন্যেও খাদ্যাভাসে ফ্যাট রাখতে হবে। এই ফ্যাট বলতে দুগ্ধজাত খাদ্য, অলিভ অয়েল, বিভিন্ন বাদাম, সিড অয়েল ও মাছের তেলকে বোঝানো হচ্ছে। যা একইসাথে শরীরের চাহিদা পূরণ করে থাকে এবং রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

আরো পড়ুন: এসিভি ও আপেল জ্যুসের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহার

আরো পড়ুন: তেলের পরিবর্তে রান্নায় থাকুক ঘি

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র