Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

এসিভি পানে এই ভুলগুলো কী আপনিও করছেন?

এসিভি পানে এই ভুলগুলো কী আপনিও করছেন?
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

অ্যাপল সাইডার ভিনেগার তথা এসিভির গুণের যেন শেষ নেই।

প্রতিদিন এসিভি পানের বিভিন্ন চমকপ্রদ উপকারিতার জন্যেই ভীষণ জনপ্রিয় এই উপাদানটি। এসিভির গন্ধ ও স্বাদ কটু হওয়া স্বত্বেও, এই পানীয়টি পান করেন স্বাস্থ্য সচেতনেরা।

আপনিও যদি সদ্য এসিভি পান করা শুরু করে থাকেন, তবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে রাখা জরুরি। জানুন এসিভি পানের ক্ষেত্রে কোন ভুলগুলো এড়িয়ে চলা প্রয়োজন।

পানি না মিশিয়ে এসিভি পান করা

তীব্র অ্যাসিডিক তরল পদার্থ হলো এসিভি। এর গুণাগুণের মতোই অ্যাসিডিক উপাদান প্রবলভাবে উপস্থিত থাকে এসিভিতে। পানির সঙ্গে মিশিয়ে এসিভি পান না করলে দাঁত তো বটেই, গলা ও পরিপাকতন্ত্রও পুড়ে যেতে পারে। তাই অবশ্যই পানির সঙ্গে এসিভি ভালোভাবে মিশিয় এসিভি পান করতে হবে। এক গ্লাস পানিতে নিতে হবে এক চা চামচ এসিভি।

খাবার খাওয়ার পর এসিভি পান করা

সাধারণত খাবার খাওয়ার পর ভরা পেটে এসিভি পান করেন সকলে। কিন্তু সঠিক নিয়মটি একেবারেই উল্টো। খাবারা খাওয়ার অন্তত ২০ মিনিট পূর্বে এসিভি পান করে হবে। এতে করে এসিভি ভালোভাবে পরিপাক হয় এবং এসিভির গুণাগুণ শরীরে সম্পূর্ণভাবে শোষিত হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/15/1542273923563.jpg

এসিভির ঘ্রাণ নেওয়া

পরিপাকতন্ত্র ও হৃদযন্ত্রের জন্য এসিভি উপকারী হলেও, ফুসফুসের জন্য এসিভি খুবই ক্ষতিকর। এসিভির তীব্র কটু গন্ধ ফুসফুসে জ্বালাপোড়ার অনুভূতি তৈরি করে। যা ফুসফুসে ক্ষতিরক প্রভাব ফেলে দেয়। যে কারণে এসিভি পানের সময় অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে, যেন এসিভির গন্ধ নাকে প্রবেশ করতে না পারে।

চুমুক দিয়ে এসিভি পান করা

পানির সঙ্গে মিশিয়ে নেওয়ার পরেও এসিভির প্রবল অ্যাসিডিক উপাদান অক্ষত অবস্থায় থাকে। চুমুক দিয়ে এসিভি পান করার ফলে দাঁতের সরাসরি সংস্পর্শে আসে এসিভি। যা দাঁতে এনামেলকে ক্ষতিগ্রস্থ করে। এসিভি পানের সবচেয়ে সঠিক উপায় হলো স্ট্রর সাহায্যে পান করা।

প্রথম থেকেই অতিরিক্ত পান করা

যেহেতু এসিভি পানের উপকারিতা অনেক বেশি, এসিভি পান করার শুরু থেকেই অনেক বেশি পরিমাণে পান করেন অনেকেই। যা একেবারেই অনুচিত। এসিভিতে অভ্যাস্ত হতে শরীরের বেশ কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হয়। প্রথম থেকেই একবারে অনেক বেশি এসিভি পানের ফলে পরিপাকতন্ত্রে সমস্যা দিতে পারে এবং অসুস্থ হয়ে পড়ার সম্ভবনা থাকে।

আরো পড়ুন: এসিভি ও আপেল জ্যুসের বুদ্ধিদীপ্ত ব্যবহার

আরো পড়ুন: সুস্থ পরিপাকতন্ত্রে সুস্থ আপনি

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র