Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ঘুম হোক গানের সঙ্গে

ঘুম হোক গানের সঙ্গে
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

পুরো বিশ্ব জুড়ে বর্তমান সময়ের অন্যতম কমন শারীরিক সমস্যা হলো ঘুমজনিত সমস্যা।

কর্মব্যস্ত দিনের শেষে শরীর ক্লান্ত থাকার পরেও, রাতে ঘুমাতে গেলে চোখ থেকে ঘুম উবে যায়। প্রতিদিন এমন সমস্যার মুখোমুখি হবার ফলে খুব সহজেই শরীরে ক্ষতিকর ও নেতিবাচক প্রভাব দেখা দেওয়া শুরু করে।

তবে আনন্দের বিষয় হচ্ছে, সাম্প্রতিক সময়ের একটি গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকে দেখা গেছে, গান শোনার মাধ্যমে ঘুমের সমস্যা দূর করা সম্ভব। গবেষকেরা জানান, গান মানসিক চাপ ও শারীরিক ব্যথার প্রভাব কমায়। পরীক্ষা থেকে তারা আরও দেখেছেন, গানের আওয়াজের ফলে ঘুমকে বাধাপ্রাপ্তকারী ইন্টারনাল অথবা এক্সটার্নাল ‘সমস্যা’ দূরে থাকে। ফলে দ্রুত ঘুমিয়ে পড়া যায়। নানান দিক বিবেচনা করে গানকে তারা বিশেষায়িত করেছে সবচেয়ে সুলভ, নন-ফার্মাসিউটিক্যাল ঘুমের ওষুধ হিসেবে।

ঘুমের সমস্যাযুক্ত প্রায় ৬৫০ জন পূর্ণবয়ষ্ক মানুষের উপর পরীক্ষা শেষে দেখা গেছে, ৬২ শতাংশ মানুষের ঘুমের সমস্যা দূর হয়েছে গান শোনার অভ্যাস গড়ে তোলার ফলে। আরও দারুণ বিষয় হচ্ছে, ঘুমের সমস্যা নেই এমন অনেকেই ঘুমের আগে গান শুনতে অভ্যস্ত ও তাদের ঘুম অন্যান্যদের চাইতে বেশ ভালো হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/18/1542520715380.jpg   

এখানে তো শুধু একটি গবেষণার বিষয়ে জানানো হলো। ঘুমের সঙ্গে গানের সম্পর্ক নিয়ে পূর্বেও বেশ অনেকগুলো গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। অন্যান্য গবেষণা থেকে দেখা গেছে, গান নিউরোলজিক্যাল ও সাইকোলজিক্যাল ক্ষেত্রে বেশ ইতিবাচক প্রভাব তৈরি করে। যার ফলাফল স্বরূপ ঘুমের সমস্যা কমে যায় অনেকটা।

এছাড়া শরীরের কেমিক্যাল চেঞ্জ এবং হরমোনের তারতম্যও ঘটে গান শোনার ফলে। পছন্দের ও প্রিয় গান শোনার ফলে অক্সিটোসিন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা মন ও শরীরকে রিল্যাক্স করতে এবং মনকে শান্ত করতে সাহায্য করে।

তবে গান শোনার পাশপাশি কিছু খাদ্য উপাদান ঘুম দ্রুত আসতে ও ঘুম ভালো হতে অবদান রাখে। ঘুমের ঘণ্টাখানেক আগে এক কাপ গরম দুধ হতে পারে পারফেক্ট ঘুমের ওষুধ। দুধের ট্রাইটোফেন ও অ্যামিনো এসিড সেরোটোনিন হরমোন নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি করে।

অন্যদিকে কাঠবাদাম, কলা, ক্যামোমাইল চা ও ডার্ক চকলেটকে ঘুমের ক্ষেত্রে খুব উপকারী উপাদান হিসেবে বিবেচিত খাদ্য উপাদান হিসেবে ধরা হয়।

আরও পড়ুন: পানি পান করুন ঘুমানোর আগে

আরও পড়ুন: ঘুমের সমস্যা নিয়ে আর নয় দুশ্চিন্তা!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র