Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ভ্রমণে কী রাখবেন সাথে?

ভ্রমণে কী রাখবেন সাথে?
ভ্রমণ হোক আনন্দময়। স্থান: ক্রাংসুরি ফলস, ভারত। ছবি কৃতজ্ঞতা: নাবিলা শুভা।
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

এখনও জাঁকিয়ে শীত পড়েনি।

হালকা শীত ও রোদ্দুরের মিষ্টি আলোর মিশেলে চমৎকার এই আবহাওয়ায় ভ্রমণের সুযোগ হাতছাড়া করতে চান না কেউ। বছরের এই শেষ সময়ে কাঙ্ক্ষিত স্থানে ভ্রমণের সুযোগে থাকেন ভ্রমণ পিপাসুরা। সময় পেলেই ব্যাগপ্যাক কাঁধে বেরিয়ে পড়েন সমুদ্র কিংবা সুবিশাল পাহাড়ের উদ্দেশ্যে।

ইতোমধ্যে অনেকেই পছন্দের স্থানে ঘুরে এসেছেন, অনেকেই বেড়িয়ে পড়েছেন এবং অনেকেই ভ্রমণের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেছেন। দেশের বিভিন্ন স্থানে কিংবা দেশের বাইরে ভ্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন যারা তাদের জন্যেই আজকের এই ফিচার।

পূর্বে ভ্রমণের অভিজ্ঞতা থাকলেও প্যাকিং এর সময় প্রয়োজনীয় অনেক কিছুই বাদ পরে যায়। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় ঘোরাঘুরির মাঝে। ভ্রমণে বের হবার আগে তাই পুনরায় দেখে নিন, প্রয়োজনীয় সকল কিছু নেওয়া হয়েছে কিনা।

স্কিন কেয়ার প্রোডাক্ট

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/27/1543315604546.jpg

মুখের জন্য ময়েশ্চারাইজার, লিপবাম, সানস্ক্রিন, হাত ও পায়ের জন্য বডি লোশন নিতে হবে অবশ্যই। নইলে ত্বকের নানা ধরণের সমস্যা ও রোদেপোড়া ভাব নিয়ে ফিরতে হবে ভ্রমণ শেষে।

জামাকাপড়

ব্যাগে সবার প্রথমে অবশ্যই জামাকাপড় গোছানো হয়। তবে হিসাব করে দেখুন, কতদিনের ট্রিপের জন্য কতগুলা জামাকাপড় প্রয়োজন। নারীদের ক্ষেত্রে জিন্স-ফতুয়াতে স্বাছন্দ্য বোধ করলে দুইটি জিন্সের প্যান্টের সঙ্গে চার-পাঁচটি ফতুয়া নেওয়া যাবে অনায়াসে। সঙ্গে রাখতে পারেন ট্রাউজার, টি-শার্ট ও কামিজ। ছেলেদের ক্ষেত্রে কম্ফোর্টেবল টি-শার্ট ও দুইটি জিন্স নেওয়াই যথেষ্ট।

যেহেতু শীতের মাঝে ভ্রমণে বের হবার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে, একটি ভারি সোয়েটার বা জ্যাকেট, হাতাকাটা সোয়েটার একটি ও মাফলার নিতে ভুলবেন না।

অন্তর্বাস ও হাবিজাবি

এই বিষয়ে ভুল করলে ভীষণ বিব্রতকর সমস্যায় পড়তে হবে। তাই আগে থেকেই প্রয়োজনীয় অন্তর্বাস গুছিয়ে রাখুন। সঙ্গে মোজা, মাথার টুপি, স্থান বিবেচনায় হাত মোজাও নিয়ে নিতে হবে। পায়ের জুতা বাদে এক জোড়া বাড়তি জুতা ও হালকা হাঁটাচলার জন্য এক জোড়া চপ্পলকেও রাখতে হবে তালিকায়। এছাড়া গামছা কিংবা তোয়ালেও যেন ব্যাগে নেওয়া হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

ওষুধ ও অন্যান্য

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/27/1543315620456.jpg

আপনি যদি মেডিকেশনের মধ্যে থাকেন তবে অবশ্যই প্রয়োজনীয় সকল ওষুধ নিতে হবে। প্রয়োজনে কিছুটা বাড়তি ওষুধ নিতে হবে এবং বের হবার আগে পুনরায় পরীক্ষা করে দেখতে হবে ব্যাগে ওষুধগুলো ঠিকমতো আছে কিনা। মেডিকেশনের মধ্যে না থাকলেও জ্বর, ঠান্ডা-কাশি, মাথাব্যথার জন্য প্রয়োজনীয় কিছু ওষুধ রাখতে হবে সঙ্গে। ওষুধের সঙ্গে ব্যান্ড এইড, অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ও মশার অত্যাচার থেকে দূরে থাকতে ওডোমস ক্রিমেরও প্রয়োজন হবে ভ্রমণে।

অনুষঙ্গ

এই তালিকায় থাকবে সানগ্লাস, বডি স্প্রে, হাত ঘড়ি, পানি খাওয়ার বোতল, সাধারণ ও ওয়েট টিস্যু পেপার, চিরুনির মতো ছোটখাটো জিনিস।

ইলেকট্রনিক্স পণ্য

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Nov/27/1543315639597.jpg

ভ্রমণে বের হচ্ছেন অথচ সঙ্গে যদি প্রয়োজনীয় ইলেকট্রনিক্স এক্সেসরিজ না থাকে তবে বিপত্তি দেখা দিবে। মোবাইল ফোনের কথা নিশ্চয় আলাদাভাবে মনে করিয়ে দিতে হবে না। সঙ্গে রাখুন মোবাইল চার্জার, ইয়ারফোন, পাওয়ার ব্যাংক, টর্চ ও এক্সট্রা ব্যাটারি।

টয়লেট্রিজ

ব্রাশ, পেস্ট, ছোট সাবান, মিনি প্যাক শ্যাম্পু ব্যাগে নিয়ে নিতে হবে মনে করে। কারণ দুর্গম এলাকায় ক্যাম্পে গেলে এই সকল জিনিসের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিবে সবচেয়ে বেশি।

এছাড়া ভ্রমণের ধরণ বুঝে দড়ি, মোমবাতি, কাঁচি, ছোট ছুরি রাখতে হবে ব্যাগে।

তালিকা দেখে বিচলিত হওয়ার কিছু নেই। নূন্যতম তিনদিনের ভ্রমণের জন্যেও উপরে উল্লেখ করা প্রতিটি জিনিস প্রয়োজন হবে। ঠিকভাবে গুছিয়ে নিতে পারলে স্বল্প স্থানের মাঝেই সকল পণ্য নেওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: ভ্রমণ করুন সুস্থ থাকুন!

আরও পড়ুন: ১২ কারণে গড়ে তুলুন বই পড়ার অভ্যাস

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র