Alexa

যে চার কারণে ফাস্ট ফুডকে ‘না’

যে চার কারণে ফাস্ট ফুডকে ‘না’

ছবি: সংগৃহীত

‘ফাস্ট ফুড’ নামের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে এর অর্থ।

যে খাবারগুলো খুব দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে তৈরি করে পরিবেশন করা হয় এবং স্বাদে খুবই মজাদার হয়, সে সকল খাবারই হলো ফাস্ট ফুড। এই খাবারগুলো খেতে যেমন মজাদার, দেখতেও বেশ সুন্দর। কিন্তু ফাস্ট ফুড থেকে কোন স্বাস্থ্য উপকারিতা ও পুষ্টিগুণ একেবারেই পাওয়া যায় না। উপরন্তু এতে থাকে অপ্রয়োজনীয় ও বাড়তি ক্যালোরি, ফ্যাট ও চিনি। যা নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ও হুমকিস্বরূপ।

জনপ্রিয় প্রতিটি ফাস্ট ফুডে রয়েছে আলাদাভাবে ক্ষতিকর প্রভাব। এই খাবারগুলো যতই প্রিয় হোক না কেন, সুস্বাস্থ্যের খাতিরেই খাদ্যাভাস থেকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দেওয়া প্রয়োজন।

হৃদরোগ

সকল ধরণের ফাস্ট ফুডে থাকে অনেক বেশি পরিমাণ ট্রান্স অথবা স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এই ফ্যাট আর্টারিতে ব্লক তৈরি করে এবং রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও তথ্য গবেষণা করে দেখা গেছে, সপ্তাহে চারবারের অধিক ফাস্ট ফুড গ্রহণকারীর হৃদরোগে মৃত্যুর সম্ভবনা ৮০ শতাংশ বেড়ে যায়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/05/1543993879740.jpeg

ওবেসিটি

যাদের অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস রয়েছে, তাদের ওবেসিটি দেখা দেওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় অনেকটা। শুরুতেই বলা হয়েছে সকল ধরণের ফাস্ট ফুডে রয়েছে অনেক বেশি মাত্রার ক্যালোরি। এই সকল ক্যালোরি সহজেই শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে দেয়। উপকারী শাক-সবজী ও ফল খাওয়ার চাইতে ফাস্ট ফুডের উপর ঝোঁক যাদের বেশি, তাদের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও দুর্বল হয়ে পরে।

পেপটিক আলসার

গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টে সমস্যা দেখা দিলেই মূলত পেপটিক আলসার হয়। অস্বাস্থ্যকির খাদ্য খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর অ্যাসিডিক ধর্মে পরিবর্তন দেখা দেয় ও বেড়ে যায়। যা থেকে প্রচন্ড পেটব্যথা ও ক্ষেত্র বিশেষে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাও দেখা দেয়। অতিরিক্ত মশলাযুক্ত খাবার, বাড়তি লবণযুক্ত খাবার ও ফাস্ট ফুড খাওয়ার ফলে এমন সমস্যা দেখা দেয়।

ডায়বেটিস

কাজের ব্যস্ততায় অনেকেই নিয়মতি রান্না করার সময় পান না। ফলে ফাস্ট ফুড খেয়েই সেরে নেন খাওয়াদাওয়ার ঝামেলা। এমনটা সপ্তাহে একদিন হতে পারে। কিন্তু প্রতিদিন যদি বাইরের খাবারের উপরেই নির্ভর করতে হয়, তবে ডায়বেটিস দেখা দেওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যাবে ৭০ শতাংশ। এই সকল খাবারে ব্যবহৃত চিনি ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি বাড়িয়ে দেয় রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণও।

আরো পড়ুন: ফাস্ট ফুড খাওয়ার পর কী করা প্রয়োজন?

আরো পড়ুন: বছর শেষে সঞ্চয় বাড়াবে যে নিয়মগুলো

আপনার মতামত লিখুন :