Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডার্ক সার্কেল তাড়াবে বেসনের ব্যবহার

ডার্ক সার্কেল তাড়াবে বেসনের ব্যবহার
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

তেলে ভাজা বিভিন্ন মজাদার খাবার তৈরির জন্য বেসন প্রয়োজন।

শুধু মজাদার খাবার তৈরিতেই নয়, চোখের নিচের জেদি কালচে দাগ দূর করতেও প্রয়োজন বেসন। এই কালচে দাগকে বলা হয়ে থাকে ডার্ক সার্কেল। বয়সের সঙ্গে ত্বকের সমস্যা বাড়তে থাকলেই মূলত ডার্ক সার্কেলের সমস্যাটি দেখা দেয় অনেকের। তবে হরমোনাল ইমব্যালেন্স, ঘুমের অনিয়ম, খাদ্যাভাসে অনিয়ম ও ত্বকের পরিচর্যার অভাবে ডার্ক সার্কেল তৈরি হয় চোখের নিচের ত্বকে।

ত্বকের পরিচর্যার অভাবে ডার্ক সার্কেল দেখা দিলে বেসন ও বেসনের ভিন্ন কয়েকটি পেস্ট সেক্ষেত্রে দারুণ উপকারে আসবে। যা একইসঙ্গে ডার্ক সার্কেল দূর করবে এবং ত্বককে উপকৃত করবে।

অ্যালোভেরা জেল ও বেসনের পেস্ট

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/10/1544419333727.jpg

ভিটামিন-ই, মিনারেলস, পলিস্যাচারিডস ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা পাতার জেল ত্বকের জন্য কতটা উপকারি সেটা আলাদাভাবে বলা বাহুল্য। এই অ্যালো জেল একইসাথে ত্বকের ভেতর থেকে পুষ্টি জোগাতে ও ত্বককে সুস্থ রাখতে কাজ করে। এই জেলের সঙ্গে বেসনের গুঁড়া ডার্ক সার্কেল দূর করতে চমৎকার কাজ করে। এক চা চামচ অ্যালো জেল ও এক চা চামচ বেসনের গুঁড়া একসাথে মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করতে হবে। তৈরিকৃত পেস্টটি চোখের নিচের প্রলেপ দিয়ে মিনিট দশেক রেখে দিতে হবে। এরপর পরিষ্কার ও স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে। এই পেস্টটি সপ্তাহে তিন-চার বার ব্যবহার করলে এক-দুই মাসের মাঝেই চোখের নিচের কালচে ভাব কমে আসবে। সব ধরণের ত্বকের সঙ্গেই এই পেস্টটি মানানসই বলে যে কেউ ব্যবহার করতে পারবেন।

টমেটো ও বেসনের পেস্ট

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/10/1544419287553.jpeg

প্রাকৃতিক উপাদান টমেটোতে আছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন-সি, পটাশিয়াম ও ভিটামিন-কে। যা ত্বকের জন্য টমেটোকে উপকারি উপাদান হিসেবে পরিচিত করে তুলেছে ইতিমধ্যে। বেসনের সঙ্গে টমেটোর ব্যবহার ত্বকের কালো দাগকে কমিয়ে, ত্বককে উজ্জ্বল করতে কাজ করে। দুই চা চামচ বেসনের সঙ্গে একটি মাঝারি আকৃতির পাকা টমেটোর পেস্ট একসাথে মিশিয়ে চোখ ও মুখের ত্বকে ম্যাসাজ করে পনের মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর ঠাণ্ডা পানিতে মুখ ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২-৩ বার টমেটো ও বেসনের পেস্ট ব্যবহার করতে হবে। এই পেস্টটি মূলত তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারি।

দই ও বেসনের পেস্ট

ক্লিনজার ও ময়েশ্চারাইজার হিসেবে দই তুলনীয়। দইয়ে থাকা ন্যাচারাল অয়েল, এনজাইম, ল্যাকটিক অ্যাসিড ডার্ক সার্কেল দূর করতে অন্যান্য উপাদানের চাইতে বেশ অনেকখানি বেশি কার্যকর। এই পেস্টটি শুষ্ক, স্বাভাবিক ও একনের উপদ্রব রয়েছে এমন ত্বকের জন্য পারফেক্ট। পেস্টটি তৈরির জন্য দুই চা চামচ বেসন ও ১-২ চা চামচ দই একসাথে মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরিকৃত পেস্টটি সম্পূর্ণ চোখের উপরে ভালোভাবে ম্যাসাজ করে ১৫-২০ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে চোখ ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ২-৩ বার এই পেস্টটি ব্যবহার করতে হবে।

আরো পড়ুন: ডার্ক সার্কেলের সমস্যাকে দূরে রাখুন

আরো পড়ুন: ঘরেই তৈরি করুন বডি বাটার ময়েশ্চারাইজার

আপনার মতামত লিখুন :

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র