Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ব্যস্ততা ও সুস্থতা থাকবে একসাথে!

ব্যস্ততা ও সুস্থতা থাকবে একসাথে!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

‘ব্যস্ততা আমায় দেয় না অবসর’ এমন অজুহাতে নিজের প্রতি অযত্ন ও অবহেলা করা যাবে না মোটেও।

কাজের ব্যস্ততা থাকবেই। হোক সেটা নিজের বাসায়, ক্লাসে কিংবা অফিসে। কিন্তু তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেকেও সুস্থ রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে নিজের শরীরের প্রতি।

ঘন্টাখানেকের জন্য জিমে যাওয়ার কিংবা আয়োজন করে স্বাস্থ্যকর খাবার তৈরির সময় না থাকলেও নিজেকে কীভাবে ফিট রাখা যাবে জেনে নিন আজকের আলোচনা থেকে।

রান্না করতে হবে ওয়ান-পট মিল

কাজের ব্যস্ততায় রান্না করাটা বেশ ঝামেলাপূর্ণ কাজ। কিন্তু রান্না না করে, বাইরের খাবার খেয়ে খুব বেশিদিন কাটানো সম্ভব নয় নিশ্চয়। তাই রান্না সারতে হবে ওয়ান-পট মিল তৈরির মাধ্যমে। ওয়ান-পট মিলে নানান ধরণের উপাদান একসঙ্গে রান্না করে নেওয়া যায় একটি পাত্রেই। সময় বাঁচাতে ও ঝামেলা কমাতে পাশ্চাত্যে ওয়ান-পট মিল খুবই জনপ্রিয়। আলাদাভাবে সবজি, মাংস ও ডাল রান্নার বদলে এক রান্নাতেই যদি সব সেরে নেওয়া যায় তবে খারাপ কী! এতে করে শরীর সব পুষ্টিগুণ একসাথে পাবে, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হবে এবং বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিবে না।

লিফটকে জানাতে হবে বিদায়

সকাল থেকে সন্ধ্যা, কোন কোনদিন রাত অব্দি অফিসে কাটাতে হয়। যার ফলে শরীরচর্চার জন্য আলাদা সময় তো বটেই, এনার্জিও পাওয়া যায় না। তারপর কিন্তু নিজেকে ফিট রাখা সম্ভব। অফিসের লিফট নয়, ব্যবহার করতে হবে সিঁড়ি। পাঁচ-ছয় তলা পর্যন্ত অবলীলায় সিঁড়ি ব্যবহার করা যায়। ৯-১০ তলা বা তারও বেশি হলে বিরতি দিয়ে দিয়ে উঠতে হবে। সিঁড়ি দিয়ে উপরে ওঠার ফলে শরীর প্রতিদিন বাড়তি ক্যালোরি বার্ণ করবে, যা ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

খেতে হবে ভরপেট

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/10/1544425436403.jpeg

পেট ভরে খেলেই যে ওজন বাড়বে এমন ভ্রান্ত ধারণা থেকে বের হয়ে আসা প্রয়োজন। ওটস, লাল আটার রুটি, সবজি, শাক, ফল প্রভৃতি স্বাস্থ্যকর খাবার খেয়ে পেট ভরে ফেলতে হবে সকালের নাস্ত কিংবা দুপুরের খাবার সময়। এতে করে ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দিবে না। হুটহট ক্ষুধাভাব দেখা দেওয়ার ফলে স্ন্যাক্স জাতীয় অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হয়। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর তো বটেই, ওজনকেও অনেক বাড়িয়ে দেয়।

পর্যাপ্ত পানি পান করতেই হবে

অফিসে, ক্লাসে বা বাসাতে প্রচন্ড কাজের চাপ থাকলেও হাতের কাছে একটি পানির বোতল অবশ্যই রাখতে হবে। সময়ে সময়ে পানি পানের কথা একেবারেই ভোলা যাবে না। পানি পানের মাত্রা কমে গেলে খাবার পরিপাকে সমস্যা দেখা দেয়, মেটাবলিজমের হার কমে যায় এবং শরীরে পানি স্বল্পতার কারণে ক্লান্তিভাব দেখা দেয়। তাই কাজের গতি ও নিজেকে ঠিক রাখার জন্যে পানি পান করতে হবে পর্যাপ্ত।

প্যাকেটজাত খাবারকে ‘না’

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/10/1544425523985.jpg

তাড়াহুড়ো করে কোন কিছু খাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিলেও প্যাকেটজাত খাবারকে এড়িয়ে যেতে হবে সথাসম্ভব। প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে ক্ষতিকর কার্ব, চিনি, সোডিয়াম, প্রিজার্ভেটিভ ও আর্টিফিসিয়াম ফ্লেভার থাকে অনেক বেশি এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা থাকে শূন্য।

ঘুমে নয় অনিয়ম

সকল চেষ্টাই বিফলে যাবে যদি ঘুমের নিয়মে ব্যাঘাত ঘটে। কাজের চাপ, মানসিক ও শারীরিক চাপের সৃষ্টি করে। যে কারণে শরীর ও মনের জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রামের প্রয়োজন হয়। অন্তত আট ঘন্টার ঘুম না হলে ক্লান্তি ও অবসাদভাব শরীর ও মনে থেকে যাবে। যার দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবে অসুস্থতার প্রকোপ দেখা দিতে শুরু করবে। তাই সঠিক খাদ্যাভাসের সঙ্গে ঘুমটাকেও ঠিক রাখতে হবে।

আরো পড়ুন: যেভাবে তাড়াবেন মধ্যরাতের ক্ষুধা

আরো পড়ুন: ১২ কারণে গড়ে তুলুন বই পড়ার অভ্যাস

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র