Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ওজন কমবে ডায়েট ছাড়াই!

ওজন কমবে ডায়েট ছাড়াই!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

বাড়তি ওজনকে কমাতে চাইলে সঠিক ডায়েট মেনে চলা সবচেয়ে সহজ ও কার্যকরি উপায়।

নতুন ডায়েটের নিয়ম মেনে চলার জন্য খাদ্যাভাসে বড়সর পরিবর্তন নিয়ে আসা প্রয়োজন হয়। যার সঙ্গে অনেকেই মানিয়ে নিতে পারেন না।

এছাড়া প্রতিদিন ডায়েটের নিয়ম মেনে খাবার তৈরি করা ও সময় মেনে খাবার খাওয়াটাও বেশ ঝামেলার বিষয়। ক্লাস কিংবা অফিসের ব্যস্ততা থাকলে ডায়েট মেনে চলা ভীষণ কষ্টকর হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ওজন কমানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি পিছিয়ে যায়।

গৎবাঁধা ডায়েটের ঝামেলা থেকে নিজেকে দূরে রেখেও ওজন কমানো সম্ভব খুব ভালোভাবেই। তবে তার জন্য মানতে হবে ছোট কয়েকটি সহজ নিয়ম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/22/1545458126598.jpg

ভোরে শরীরচর্চা করা

সকাল সকাল ঘুম ওঠা স্বাভাবিকভাবেই স্বাস্থ্যের জন্য খুব উপকারি। ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর অলসতা ভেঙে ফ্রি-হ্যান্ড এক্সসারসাইজ করতে হবে ৩০-৪৫ এর মতো। সকালে শরীরচর্চা করার ফলে মেটাবলিজমের হার বৃদ্ধি পায়। যা সারাদিনভর কাজ করে। মেটাবলিজমের হার যত বেশি হবে, ওজন তত দ্রুত কমবে।

সকালের নাস্তা খেতে হবে পেট ভরে

সকালের নাস্তা খেতে পছন্দ করেন না বিধায় নাস্তা না খেয়েই দিনের শুরু করেন অনেকে। যা একেবারেই অনুচিত। পুরো দিনের মাঝে সকালের নাস্তা করা প্রয়োজন সবচাইতে বেশি। এমনকি দিনের অন্যান্য সময়ের খাবারের মাঝে সকালের নাস্তা খাওয়া প্রয়োজন সবচেয়ে বেশি। সকালে ভরপেট নাস্তা খাওয়ার ফলে মেটাবলিজমের হার বাড়ে এবং সারাদিনভর ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেওয়া কমে। যা পক্ষান্তরে ওজন কমাতে সহায়ক।

জোর দিতে হবে স্বাস্থ্যকর খাবারে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/22/1545458111233.jpg

একদম ধরাবাঁধা কোন ডায়েট মেনে চললেও, স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া যাবে না একদম। অস্বাস্থ্যকর খাবার শুধু ওজনকে বাড়িয়ে দেয় না, স্বাস্থ্যকেও ঝুঁকির মুখে ফেলে দেয়। বিভিন্ন ধরণের প্রাকৃতিক সবজি, ফল, বাদাম ও তৈলাক্ত মাছ প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় রাখার চেষ্টা করতে হবে সবসময়।

পান করতে হবে কফি

চিনিবিহীন কফি পানে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকবে এবং ক্ষেত্র বিশেষে বাড়তি ওজন কমতেও সাহায্য করবে। ব্ল্যাক কফি পানে মেটাবলিজমের হার বৃদ্ধি পায়, যা স্থায়ী হয় পরবর্তী তিন ঘন্টা পর্যন্ত।

একটা আপেল প্রতিদিন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/22/1545457940866.jpg

আগেই বলা হয়েছে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস গড়ে তোলার বিষয়ে। ফল অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাদ্য উপাদান এবং যেকোন ফলের মাঝে আপেল হলো সবচেয়ে বেশি উপকারি। প্রতিদিন একটি করে আপেল খাওয়ার অভ্যাস ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে দারুণ কাজ করবে। বিশেষত বাইরে যাওয়ার আগে অন্য যেকোন খাবারের পরিবর্তে একটি আপেল হতে পারে পারফেক্ট চয়েজ।

অহেতুক কেনাকাটার অভ্যাস বাদ দিতে হবে

বিশ্বাস করুন, অকারণ কেনাকাটা ওজন বৃদ্ধির জন্য অনেকাংশে দায়ী। সুপার শপে ঘুরে ইচ্ছামতো বিভিন্ন ধরণের খাবারের জিনিস কিনতে সবসময়ই ভালো লাগে। এই সকল খাবারের জিনিস নিশ্চয় ফেলে রাখা হয় না। ঝোঁকের বশে কিনে ফেলা এই সকল খাবার পরবর্তিতে বাড়তি ক্যালোরি যোগ করে। এটা নিশ্চয় জানা কথা যে, বাড়তি ক্যালোরি মানেই বাড়তি ওজন।

তাড়াতাড়ি খেতে হবে রাতের খাবার

রাত ১০ কিংবা ১১ টার আগে রাতের খাবার খাওয়া হয় না বেশিরভাগ বাসাতেই। এই অভ্যাসটি খুবই অস্বাস্থ্যকর। রাতের খাবার অবশ্যই রাত ৮-৯ টার মাঝেই খেয়ে নিতে হবে। এতে করে রাতের খাবার পরপরই ঘুমিয়ে পরা হবে না এবং সকালের নাস্তার আঘে অন্তত ১০-১২ ঘণ্টার লম্ব একটা গ্যাপ পাওয় যাবে। যা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

আরো পড়ুন: ব্যস্ততা ও সুস্থতা থাকবে একসাথে!

আরো পড়ুন: যেভাবে তাড়াবেন মধ্যরাতের ক্ষুধা

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র