Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

অসুস্থতা দেখা দিতে পারে আপনার রান্নাঘর থেকেও!

অসুস্থতা দেখা দিতে পারে আপনার রান্নাঘর থেকেও!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

নিজ ঘরে তৈরি খাবার খাওয়া হলো সবচেয়ে স্বাস্থ্যসম্মত।

যতই নামীদামী কিংবা পরিচিত রেস্টুরেন্ট থেকে খাবার কেনা হোক না কেন, সন্দেহ থেকেই যায়। রেস্টুরেন্টের রান্নাঘর কতটা পরিষ্কার থাকে, সে বিষয়ে কমবেশি সকলেরই ধারণা থাকে। কিন্তু নিজের রান্নাঘর ও রান্নাঘরে ব্যবহৃত জিনিসপত্র কতটা পরিষ্কার ও স্বাস্থ্যসম্মত সে সম্পর্কে ধারণা নেই অনেকের।

নিজের রান্নাঘরে ব্যবহৃত জিনিসপত্র থেকেও অসুস্থতা বাসা বাঁধতে পারে শরীরে। বিশেষত বহু দিনের পুরনো বাসন ও রান্নার বিভিন্ন ধরণের সরঞ্জামাদি থেকেও দেখা দিতে পারে রোগের প্রকোপ। জেনে রাখুন নিজ রান্নাঘরের কোন জিনিসগুলোর বিষয়ে এখন থেকেই সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/25/1545722492852.jpg

বহুদিনের পুরনো অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র

রান্নার সময় অ্যালুমিনিয়ামের মাত্র আগুনের উচ্চতাপএ বারবার পুড়ে যায় এবং বাদামী বর্ণ ধারণ করে। এছাড়া প্রায়শ এইসকল পাত্রে বাসি খাবার রেখে দেওয়া হয়। ফলে খুব সহজেই পাত্রে ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেয়। অ্যালুমিনিয়ামের পাত্র দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে এই সকল পাত্র থেকে অ্যালুমিনিয়াম পার্টকেল খাবারে মিশে যাওয়া শুরু হয়। যা স্বাস্থ্যের পক্ষে হুমকি স্বরূপ।

দাগযুক্ত কাপ ও গ্লাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/25/1545722608814.JPG

অনেকেই ভাবেন দীর্ঘদিন একই কাপ কিংবা গ্লাসে চা ও কফি পানের ফলে সেই পাত্রে দাগ বসে যায়। যা আদতে ভুল ধারণা। পানি পানের জন্য ব্যবহার করা হলেও এই সকল পাত্রে দাগ দেখা দিয়ে থাকে। যা ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের মিশ্রণ। দাগযুক্ত এই সকল পাত্রে পানীয় পান করা অব্যহত রাখলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে ঘনঘন। এই দাগ সম্পূর্ণ দূর করার জন্য বেকিং সোডা ও ভিনেগারের মিশ্রণ ব্যবহার করতে হবে।

চপিং বোর্ড

প্রথমেই মনে রাখতে হবে, মাছ-মাংস ও সবজির জন্য কোনভাবেই একই চপিং বোর্ড ব্যবহার করা যাবে না। কাঁচা মাছ-মাংসের জীবাণু চপিং বোর্ড পরিষ্কার করার পরেও থেকে তাতে থেকে যায়। যা খুব সহজেই সবজির সঙ্গে মিশে যায় এবং দ্রুত বৃদ্ধি পেতে থাকে। যেহেতু মাছ-মাংসের তুলনায় সবজি রান্নায় তুলনামূলক কম সময় প্রয়োজন হয়, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই জীবাণুগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয় না। যা শরীরে প্রবেশের পর নানান ধরণের রোগের প্রকোপ তৈরি করে থাকে।

দীর্ঘদিন মেলামাইনের পাত্রের ব্যবহার

সহজলভ্য, সুলভ মূল্য ও সহজে ভাঙ্গে না বলে মেলামাইনের তৈরি বাসনের চাহিদাও বেশি। তবে কোনভাবেই এই মেলামাইন গরম তাপে ব্যবহার করা যাবে না। এছাড়া একই মেলামাইনের পাত্র দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে কিডনি স্টোনের মতো গুরুত্বর শারীরিক সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

নন-স্টিকি পাত্র

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/25/1545722671508.jpg

নন-স্টিকি পাত্রে রান্নার সুবিধা হলো তেল খুব কম প্রয়োজন হয়। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে তেলের প্রয়োজনও হয় না। কিন্তু এই সুবিধার বদলে নন-স্টিকি পাত্র তৈরি করে শারীরিক সমস্যা। পাত্রের উপরের নন-স্টিকি কোটিং উচ্চ তাপে খুব স্বল্প মাত্রায় কেমিক্যাল নির্গত করে থাকে। যা পরবর্তিতে লিভার ও পাকস্থলীর সমস্যা তৈরি করে।

কফি মেকার

কফি মেকারের রিসার্ভেয়রে প্রচুর পরিমাণ ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস থাকে। যা থেকে পেটের সমস্যা সহ অন্যান্য শারীরিক সমস্যা দেখা দিতে পারে সহজেই। তাই প্রতিবার ব্যবহারের পর গরম পানিতে সম্পূর্ণ কফি মেকারের ভেতরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে ভালোভাবে।

আরো পড়ুন: নিত্য ব্যবহার্য জিনিসে বিষাক্ত হচ্ছে ঘরের পরিবেশ

আরো পড়ুন: শীতকালেও কমবে না রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র