ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখবে পাঁচ নিয়ম

ছবি: সংগৃহীত

ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইফস্টাইল

উজ্জ্বল সুস্থ ত্বক কে না পেতে চায়।

কিন্তু চারপাশের পরিবেশের অবস্থা, পরিবেশ দূষণ, আবহাওয়ার পরিবর্তন ও যত্নের অভাবের ফলে ত্বক যেন ক্রমেই বুড়িয়ে যায় এবং ত্বক থেকে হারায় স্বাভাবিক সৌন্দর্য। ত্বকের সহজাত সৌন্দর্যকে অক্ষুণ্ণ রাখতে প্রয়োজন কয়েকটি নিয়ম যথাসম্ভব ভালোভাবে মেনে চলা। এই নিয়মগুলো শুধু যে ত্বককে সুস্থ রাখবে তাই নয়, ত্বকের অহেতুক বয়স বেড়ে যাওয়াকেও প্রতিরোধ করবে খুব চমৎকারভাবে।

আর্দ্রতা রক্ষা করতে হবে ত্বকের ভেতর ও বাইরে

ত্বকের ভেতরের আর্দ্রতা রক্ষা করতে, টক্সিন উপাদান বের করে দিতে এবং ত্বকে তার প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করতে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করতে হবে। এতে করে ত্বক ভেতর থেকে আর্দ্রতা পাবে। তবে শুধু ভেতরের আর্দ্রতাই ত্বকের জন্য যথেষ্ট নয়। বাইরের আবহাওয়ার সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্য ত্বককে বাইরে থেকে আর্দ্রতার যোগান দিতে হবে। তার জন্য প্রয়োজন হবে ভালো মানের সিরাম ও ময়েশ্চারাইজার ব্যবহারের। যা ত্বককে আর্দ্র রাখার পাশাপাশি ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের হাত থেকেও রক্ষা করবে।

ভিটামিন-সি থাকতে হবে খাদ্যাভাসে

বেশ অনেকগুলো গবেষণা থেকেই দেখা গেছে, ভিটামিন-সি গ্রহণে ত্বকের তারুণ্য লম্বা সময় পর্যন্ত বজায় থাকে। বিশেষত বয়স বাড়লে ত্বকের বলিরেখা দেখা দেওয়ার প্রবণতা অনেকটাই কমে যায় ভিটামিন- সি গ্রহণে। বিভিন্ন ধরণের সাইট্রাস ফল, শাক ও ক্যাপসিকাম ত্বকের জন্য দারুণ উপকারি।

খেতে হবে ‘সরবিটল’ যুক্ত ফল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2018/Dec/31/1546237137633.jpeg

ত্বকের আর্দ্রতা ধরা রাখার জন্য সরবিটল (Sorbitol) হলো বিশেষ একটি পুষ্টি উপাদান। যা মিষ্টি জাতীয় ফল যেমন আঙ্গুর ও বেরিজে পাওয়া যায়। এই সরবিটল শুধু ত্বকের আর্দ্রতা তৈরি ও ধরে রাখা নয়, ত্বকের স্বাভাবিক রংকে ধরে রাখতেও কাজ করে।

এক্সফলিয়েশন করতে হবে অবশ্যই

ত্বকের সুস্থতায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অবিচ্ছেদ্য এক অংশ। এতে করে ত্বকের উপরিভাগের টক্সিন উপাদান, ময়লা, মরা চামড়া ও জীবাণু দূর হয়। একইসাথে ত্বক তার স্বাভাবিক আর্দ্রতা ফিরে পায়। মুখের ত্বকের জন্য ভালো মানের স্ক্রাবার ব্যবহার করতে হবে এবং শরীরের অন্যান্য অংশের জন্য লোফাহ ও পায়ের জন্য পিউমিক স্টোন ব্যবহার করতে হবে।

বাদ দিতে হবে দুগ্ধজাত খাবার

দুগ্ধজাত খাবার যদি আপনার প্রিয় হয় তবে আপনার জন্য দুঃসংবাদ। যেকোন ধরণের দুগ্ধজাত খাবারে থাকে ‘কাও হরমোনস’। যা শরীরের অয়েল গ্ল্যান্ডগুলোকে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি কার্যকর করে তোলে। অতিরিক্ত তেল নিঃসরণের জন্য মুখের রোমকূপ বাইরের ময়লার সংস্পর্শে এসে বন্ধ হয়ে যায়। যা থেকে ব্রণ, ব্ল্যাকহেডস ও অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়। তাই ধীরে ধীরে দুগ্ধজাত খাবার গ্রহণের মাত্রা কমিয়ে আনতে হবে এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য দুধ পান করা প্রয়োজন হলে ফুল-ফ্যাট দুধ পান করা বাদ দিতে হবে।

আরো পড়ুন: ডার্ক সার্কেল তাড়াবে বেসনের ব্যবহার

আরো পড়ুন: মুলতানি মাটির ব্যবহারে সুন্দর-সুস্থ ত্বক

লাইফস্টাইল এর আরও খবর