Barta24

রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬

English

২০১৯ হোক ক্যারিয়ারের বছর

২০১৯ হোক ক্যারিয়ারের বছর
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

শুরু হয়ে গেছে নতুন বছর।

শুধু কথার কথা নয়- সত্যিকার অর্থেই পুরনো জঞ্জালকে পেছনে ফেলে, নিজেকে নতুনভাবে গুছিয়ে সামনের দিনগুলোতে এগিয়ে যেতে হবে। সত্যি কথা হলো, নতুন বছরের প্রতিটি দিন, এক একটি নতুন সম্ভাবনা। এই নতুন বছরকে কীভাবে কাজে লাগাবেন, কীভাবে নিজেকে পরিণত করবেন সেটা কিন্তু সম্পূর্ণই আপনার উপর নির্ভর করে।

বিশেষত ক্যারিয়ার নিয়ে সচেতন প্রতিটি চাকরিজীবীকে আরও বেশি মনযোগী হতে হবে নিজের কাজ নিয়ে। গোছানো ও পরিকল্পিতভাবে কাজ করার পাশাপাশি কিছু বিষয়ে নজর দেওয়া সকলের প্রয়োজন।

সকালে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করতে হবে

দেরী করে ঘুমানো ও দেরী করে ঘুম থেকে ওঠা কখনোই স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। কর্মক্ষেত্রে ভালো করতে চাইলে অবশ্যই নিজেকে সুস্থ রাখতে হবে। তাই সকাল সকাল ঘুম থেকে ওঠার কোন বিকল্প একেবারেই নেই। অ্যামেরিকার ন্যাশনাল ইস্টিটিউট অফ হেলথ জানায়, সঠিক মাত্রার ঘুম মনোযোগ ও স্মৃতিশক্তি দৃঢ় করতে কাজ করে এবং আট ঘন্টার পূর্ণ ঘুম শেষে সকালে ওঠার পর মস্তিষ্ক পরিপূর্ণভাবে কাজ করতে পারে।

গড়তে হবে গুছিয়ে কাজ করার অভ্যাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/01/1546326043666.jpeg

শুধু অফিসের কাজ নয়, নিজের ব্যক্তিগত কাজ কিংবা বাসার কাজের ক্ষেত্রেও গোছানো স্বাভাব আয়ত্বে আনতে হবে। এতে করে সবকিছুই খুব সহজে ও ঝামেলাবিহীনভাবে করা সম্ভব হবে। যেমন, আগামী পুরো সপ্তাহে অফিসে পরার জামা আগে থেকে রেডি করে রাখলে, অফিসের যাবার আগে তুলনামূলক কম সময় প্রয়োজন হবে। এমনকি পরবর্তী মিটিং এর কাজ আগে থেকে জানা থাকলে, সেইভাবে পরিকল্পনা করে রাখলেও দ্রুত কাজ শেষ করা সম্ভব হবে।

শুরু করতে হবে শরীরচর্চা

ক্যারিয়ারের সঙ্গে শরীরচর্চার বিষয়টি অদ্ভুত শোনালেও নিজেকে একটিভ রাখার জন্য শরীরচর্চার কোন বিকল্প নেই। গবেষকেরা জানান, শরীরচর্চার ফলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকে এবং রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়। উভয় কারণই শরীরে এনার্জি বৃদ্ধি করে এবং শারীরিক ও মানসিক স্ট্রেস কমায়। স্বাভাবিকভাবেই আপনি যত বেশি স্ট্রেস ফ্রি থাকতে পারবেন, তত বেশি নিজের কাজের প্রতি মনযোগী হতে পারবেন। তাই প্রতিদিন অন্তত ১৫-২০ মিনিট ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজ করার অভ্যাসটা আজ থেকে গড়ে তুলুন।

সাপ্তাহিক লক্ষ্য নির্ধারণ করুন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/01/1546326205345.jpeg

একেবারে খুব বড় কোন লক্ষ্য নির্ধারণ করার প্রয়োজন নেই। সাপ্তাহিক লক্ষ্য নির্ধারণ করুন। পরবর্তি সপ্তাহে কোন কাজগুলো শেষ করবেন সেটা ঠিক করুন। সেই অনুযায়ী কাজ করুন। লক্ষ্য পূরণ হলে পরবর্তি সপ্তাহের জন্য পরিকল্পনা করে ফেলুন। এভাবে ছোট ছোট লক্ষ্য পুরণের মাধ্যমেই বড় অনেক কাজ শেষ করে ফেলা সম্ভব হবে।

কাজ করুন দক্ষতার সাথে

কাজ তো সকলেই করেন, কিন্তু বুদ্ধি ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করেন খুব কম মানুষ। নতুন বছরে তাই কাজ করার চেষ্টা করুন পরিকল্পনা মাফিক, দক্ষতার  সাথে। যে কাজটি দুই ঘণ্টার মাঝেই শেষ করা সম্ভব, তার জন্য দুই দিন পরিশ্রম করা অর্থহীন। তাই নিজের কাজগুলো ভাবুন, পরিকল্পনা করুন, কাজের ধরণকে জানার চেষ্টা করুন। এতে করে অহেতুক পরিশ্রম করার প্রয়োজন হবে না।

সেলফ ইমপ্রুভমেন্ট এর দিকে নজর দিন

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/01/1546326091307.jpeg

নিজের কর্ম দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রচুর ক্ষেত্র পাওয়া যাবে, যেখানে নিজেকে সময় দিতে হবে। নিজের মাঝে সবসময় নতুন কিছু শেখার ও জানার মনোভাবটাকে ধরে রাখতে হবে। কারণ শেখার কোন শেষ নেই। যেকোন ক্ষেত্রেই, যত বেশি শেখা যাবে, ততবেশি নিজেকে পরিণত করে গড়ে তোলা সম্ভব হবে। শেখার জন্য যে রীতিমত ক্লাস করতে হবে, পরীক্ষা দিতে হবে- এমনটা নয়। ইউটিউবে শিক্ষামূলক ভিডিও দেখা, শিক্ষামূলক কোন বই পড়া এমনকি কর্পোরেট লাইফের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কোন ক্লাসে অংশ নেওয়াও হতে পারে ইতিবাচক পদক্ষেপ।

পরিকল্পনা করুন ছুটি কাটানোর

ক্যারিয়ারের মাঝে ছুটি কাটানোর কথা বলা হচ্ছে হবে অবাক হবে না। ব্যস্ত ও যান্ত্রিক জীবনের মাঝে হাঁপিয়ে উঠলে খুব স্বাভাবিকভাবেই কাজের গতি ধীর হয়ে যায়। কাজের প্রতি বিরক্তিভাব চলে আসে। তাই সময় বুঝে ৫-৭ দিনের ছুটির পরিকল্পনা করে ফেলুন।

আরো পড়ুন: ক্যারিয়ারে যখন হতাশা!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র