Alexa
independent day 2019

পেঁয়াজের ঝাঁজে রয়েছে সুস্থতা

পেঁয়াজের ঝাঁজে রয়েছে সুস্থতা

ছবি: সংগৃহীত

ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা, স্টাফ করেসপন্ডেন্ট, লাইফস্টাইল

দেশীয় তো বটেই, দেশের বাইরের বিভিন্ন ধরণের রান্নাতেও প্রয়োজন হয় পেঁয়াজ।

অন্যতম বহুল ব্যবহৃত প্রাকৃতিক এই উপাদানটি অ্যালিয়াম (Allium) গ্রুপের একটি উদ্ভিজ সবজি। এই গ্রুপের মাঝে পেঁয়াজের সঙ্গে আরও আছে রসুন। অ্যালিয়াম গ্রুপের প্রতিটি সবজি তার কড়া স্বাদ ও গন্ধের জন্য পরিচিত।

বেশ কয়েক স্তরের পেঁয়াজে ক্যালোরি থাকে খুবই সীমিত। ঠিক বিপরীতভাবে এতে থাকে উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ, ভিটামিন, মিনারেল ও ক্যান্সার প্রতিরোধমূলক উপাদান। প্রতিদিন বিভিন্ন রান্নায় যে খাবারটি খাচ্ছেন তার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও গুণাবলীগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।

মন ভালো রাখে পেঁয়াজ

পেঁয়াজ গ্রহণের ফলে পরোক্ষভাবে ডিপ্রেশনকে দূরে রাখা সম্ভব হয়। এতে থাকা ফলেট শরীরে হোমোসিস্টেইন (Homocysteine) হরমোনের নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই হোমোসিস্টেইন সেরেটনিনের নিঃসরণকে বাধাগ্রস্থ করে। সেরেটনিন ‘ভালো বোধ করার’ হরমোন হিসেবে পরিচিত। ফলেট হোমোসিস্টেইন এর অতিরিক্ত নিঃসরণ প্রতিরোধ করায়, পরোক্ষভাবে মন ভালো থাকে।

সুস্থ রাখে ত্বক

পেঁয়াজের ভিটামিন-সি ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে এবং সাপোর্টে কাজ করে। যা শুধু ত্বকের নয়, চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থেও কাজ করে এবং চুল ও ত্বক সুস্থ রাখে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/10/1547100009983.jpg

নারী স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি

পেঁয়াজে রয়েছে সাধারণ ও স্বাস্থ্যকর চিনি, ভিটামিন- এ, বি৬, সি, ই এবং বিভিন্ন ধরণের মিনারেল যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও দ্রবণীয় আঁশ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে স্বাস্থ্য পুষ্টিগুণটি পাওয়া যাবে পেঁয়াজ থেকে সেটা হলো ফলিক অ্যাসিড। নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সুস্থতায় যা ভীষণ জরুরি।

পেঁয়াজেও রয়েছে প্রোবায়োটিক্স

স্বল্প ও পরিমিতমাত্রার প্রোবায়োটিক পাকস্থলিস্থ ভালো ব্যাকটেরিয়াদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ফলে পাকস্থলীর সুস্থ থাকে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো খাদ্য সঠিকভাবে পরিপাক হতে কাজ করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এমনই একটি প্রোবায়োটিক হলো ইনস্যুলিন, যা পেঁয়াজের ভেতর দ্রবণীয় আঁশ হিসেবে থাকে। এই ইনস্যুলিন আলসারের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

হৃদরোগকে দূরে রাখতে কাজ করে

পেঁয়াজে থাকা সালফার রক্তে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়। অ্যালিয়াম ও অ্যালাইল ডিসালফাইড নাইট্রিক অক্সাইড নিঃসরণের মাধ্যমে শিরায় রক্ত চলাচলের পথ সুগম করে তোলে। এছাড়া এটা হার্টবীটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও রক্ত জমাট বাঁধা মতো সমস্যাগুলোকে প্রতিহত করে। ফলে হৃদরোগের সম্ভবনা কমে যায় একেবারেই।

অ্যালার্জির সমস্যা কমায়

পেঁয়াজে থাকা কোয়ারসেটিন (Quercetin) হলো অ্যান্টি-হিস্টামিন উপাদান। যা অ্যালার্জির সমস্যায় আরাম প্রদান করতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: এই শীতে ডায়বেটিস থাকুক নিয়ন্ত্রণে

আরও পড়ুন: লম্বা সময় ক্ষুধা পাবে না যে চার খাবারে

লাইফস্টাইল এর আরও খবর