Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

পেঁয়াজের ঝাঁজে রয়েছে সুস্থতা

পেঁয়াজের ঝাঁজে রয়েছে সুস্থতা
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

দেশীয় তো বটেই, দেশের বাইরের বিভিন্ন ধরণের রান্নাতেও প্রয়োজন হয় পেঁয়াজ।

অন্যতম বহুল ব্যবহৃত প্রাকৃতিক এই উপাদানটি অ্যালিয়াম (Allium) গ্রুপের একটি উদ্ভিজ সবজি। এই গ্রুপের মাঝে পেঁয়াজের সঙ্গে আরও আছে রসুন। অ্যালিয়াম গ্রুপের প্রতিটি সবজি তার কড়া স্বাদ ও গন্ধের জন্য পরিচিত।

বেশ কয়েক স্তরের পেঁয়াজে ক্যালোরি থাকে খুবই সীমিত। ঠিক বিপরীতভাবে এতে থাকে উচ্চমাত্রার পুষ্টিগুণ, ভিটামিন, মিনারেল ও ক্যান্সার প্রতিরোধমূলক উপাদান। প্রতিদিন বিভিন্ন রান্নায় যে খাবারটি খাচ্ছেন তার স্বাস্থ্য উপকারিতা ও গুণাবলীগুলো সম্পর্কে জেনে নিন।

মন ভালো রাখে পেঁয়াজ

পেঁয়াজ গ্রহণের ফলে পরোক্ষভাবে ডিপ্রেশনকে দূরে রাখা সম্ভব হয়। এতে থাকা ফলেট শরীরে হোমোসিস্টেইন (Homocysteine) হরমোনের নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করে। এই হোমোসিস্টেইন সেরেটনিনের নিঃসরণকে বাধাগ্রস্থ করে। সেরেটনিন ‘ভালো বোধ করার’ হরমোন হিসেবে পরিচিত। ফলেট হোমোসিস্টেইন এর অতিরিক্ত নিঃসরণ প্রতিরোধ করায়, পরোক্ষভাবে মন ভালো থাকে।

সুস্থ রাখে ত্বক

পেঁয়াজের ভিটামিন-সি ত্বকের কোলাজেন তৈরিতে এবং সাপোর্টে কাজ করে। যা শুধু ত্বকের নয়, চুলের স্বাস্থ্য রক্ষার্থেও কাজ করে এবং চুল ও ত্বক সুস্থ রাখে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/10/1547100009983.jpg

নারী স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি

পেঁয়াজে রয়েছে সাধারণ ও স্বাস্থ্যকর চিনি, ভিটামিন- এ, বি৬, সি, ই এবং বিভিন্ন ধরণের মিনারেল যেমন- সোডিয়াম, পটাশিয়াম ও দ্রবণীয় আঁশ। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে স্বাস্থ্য পুষ্টিগুণটি পাওয়া যাবে পেঁয়াজ থেকে সেটা হলো ফলিক অ্যাসিড। নারীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও সুস্থতায় যা ভীষণ জরুরি।

পেঁয়াজেও রয়েছে প্রোবায়োটিক্স

স্বল্প ও পরিমিতমাত্রার প্রোবায়োটিক পাকস্থলিস্থ ভালো ব্যাকটেরিয়াদের বেঁচে থাকতে সাহায্য করে। ফলে পাকস্থলীর সুস্থ থাকে। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো খাদ্য সঠিকভাবে পরিপাক হতে কাজ করে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এমনই একটি প্রোবায়োটিক হলো ইনস্যুলিন, যা পেঁয়াজের ভেতর দ্রবণীয় আঁশ হিসেবে থাকে। এই ইনস্যুলিন আলসারের সমস্যা প্রতিরোধ করে।

হৃদরোগকে দূরে রাখতে কাজ করে

পেঁয়াজে থাকা সালফার রক্তে কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইডের মাত্রা কমায়। অ্যালিয়াম ও অ্যালাইল ডিসালফাইড নাইট্রিক অক্সাইড নিঃসরণের মাধ্যমে শিরায় রক্ত চলাচলের পথ সুগম করে তোলে। এছাড়া এটা হার্টবীটের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও রক্ত জমাট বাঁধা মতো সমস্যাগুলোকে প্রতিহত করে। ফলে হৃদরোগের সম্ভবনা কমে যায় একেবারেই।

অ্যালার্জির সমস্যা কমায়

পেঁয়াজে থাকা কোয়ারসেটিন (Quercetin) হলো অ্যান্টি-হিস্টামিন উপাদান। যা অ্যালার্জির সমস্যায় আরাম প্রদান করতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন: এই শীতে ডায়বেটিস থাকুক নিয়ন্ত্রণে

আরও পড়ুন: লম্বা সময় ক্ষুধা পাবে না যে চার খাবারে

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র