Barta24

সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

English

‘আসক্তি’ দেখা দিতে পারে এই সকল কাজেও!

‘আসক্তি’ দেখা দিতে পারে এই সকল কাজেও!
সেলফি তোলার অভ্যাসটিও হতে পারে আসক্তির কারণ। ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আসক্তি শব্দটা পড়ার সাথে সাথেই নিশ্চয় ড্রাগ, অ্যালকোহল কিংবা জুয়া খেলার আসক্তির বিষয়টি মাথায় কাজ করবে।

আসক্তি কখনোই ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে না। আসক্তি শব্দটা যেমন নেতিবাচক, তেমনভাবে জীবনের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে দেয়।

তবে আসক্তি শুধু ড্রাগস কিংবা পানীয়ের উপরে নয়- নিত্য ব্যবহার্য জিনিস, আচরণগত অভ্যাস এমনকি অনুভূতির উপরেও দেখা দিতে পারে আসক্তি। এমন কিছু বিষয়ের উপরে আসক্তি দেখা দিতে পারে, যা অবাক করে দিবে আপনাকে। অন্যান্য যে সকল বিষয়ের উপর আসক্তি দেখা দিতে পারে, তার কয়েকটি নিচে তুলে ধরা হলো।

কেনাকাটা করা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/28/1548667961319.jpeg

অনেকেই কথার কথা বলেন, কেনাকাটা করা নেশার মতো হয়ে গেছে একদম। এক্ষেত্রে নোট নিয়ে রাখুন, কেনাকাটা করাটা আক্ষরিক অর্থেই নেশার মতো হয়ে যায়। ‘টু বাই অর নট টু বাই: হোয়াই উই ওভারশপ অ্যান্ড হাও টু স্টপ’ বইয়ের লেখিকা এপ্রিল লেন বেসনস জানান, ভালো বোধ করার জন্য এবং নিজের মাঝে নিরাপদজনিত বোধকে কাজ করানোর জন্য অনেকেই কেনাকাটার প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়েন। এমনকি কেনাকাটা করার মাধ্যমে নিজেকে শান্ত রাখা সম্ভব হয় এবং নিজের মানসিক অশান্তিকে সাময়িকভাবে কমানো যায়’।

কিন্তু কীভাবে বুঝবেন আপনি কেনাকাটার প্রতি আসক্ত কিনা! কেনাকাটার সম্ভবনার উপর যখন আপনার মুড পরিবর্তন নির্ভর করবে এবং অন্য কোন কাজে মন ভালো করা কষ্টকর হয়ে উঠবে, তখন বুঝতে হবে এক্ষেত্রে আপনার আসক্তি তৈরি হয়েছে। এছাড়াও অতিরিক্ত কেনাকাটার ফলে পরিবার ও বন্ধুদের কাছ থেকে যখন নতুন কেনা পণ্য ও পণ্যের বিল লুকিয়ে রাখতে হবে, তখন বুঝতে হবে আসক্তি বেড়ে গেছে বেশ অনেকখানি।

গান শোনা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/28/1548668058012.jpeg

মজা করেই অনেকে বলেন, গান শুনলে নেশার মতো বোধ হয়। মজাচ্ছলে বলা কথাটিরও বাস্তব ভিত্তি রয়েছে। তবে আশার কথা হলো, এই আসক্তিটিকে জীবন থেকে সরানোর কোন প্রয়োজন নেই। ‘ন্যাচার’ জার্নালে প্রকাশিত সায়েন্টিফিক রিপোর্টের তথ্য মতে, উপভোগ্য ও পছন্দসই ভালো মানের সংগীত ‘ন্যাচারাল হাই’ অনুভূতি তৈরি করে। জার্নালে উল্লেখ করা হয়, ভালো খাবার খাওয়ার ফলে যেই অনুভূতিটি তৈরি হয়, গান শোনার ক্ষেত্রেও সেই একই অনুভূতিটি কাজ করে নিউরোট্রান্সমিটারে ডোপামিন নিঃসরণের মাধ্যমে।

সাইক্রিয়াটিস্ট ডেই নুয়েন জানান, এই কেমিক্যাল নিঃসরণের ফলে সেই একই কাজ বারবার করার আমাদের আগ্রহ তৈরি হয়। যে কারণে পারফেক্ট পছন্দসই গান বারবার শোনার প্রতি আমাদের খুব সহজেই আসক্তি চলে আসে।

চুল টানা

ট্রিকোটিলোম্যানিয়া (Trichotillomania) নামক কেমিক্যাল এর প্রভাবে চুল টানা কিংবা আঙ্গুলে চুল প্যাঁচানোর মতো কাজটি থেকে নিজেকে নিবৃত রাখতে পারেন না আসক্ত ব্যক্তি। ক্যালিফোর্নিয়ার সার্টিফায়েড ডার্মাটোলজিস্ট অ্যানা গুয়ানচে জানান, এটা অনেকটাই অন্যমনস্ক একটি অভ্যাস। টিভি দেখার সময়, কারোর কথা শোনার সময় একেবারেই অন্য মনে চুল তানার কাজটি করে থাকেন অনেকে।

সেলফি তোলা

যেখানেই যাওয়া হোক না কেন- নতুন সেলফি তোলা, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করা, নতুন লাইক কমেন্ট চেক করার মাধ্যমে ডোপামিন নিঃসরণের মাত্রা অনেকটা বেড়ে যায়। যার ফলাফল স্বরূপ একটা সময় পর এই অভ্যাসটি আসক্তিতে রূপ নেয়। ফলে ঘনঘন সেলফি তোলার প্রবণতা দেখা দেয় তুলনামূলক বেশ খানিকটা বেশি।

ব্যস্ততা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/28/1548667985892.jpeg

এই পয়েন্টে অনেকেই প্রশ্ন তুলবেন, ব্যস্ত থাকার সঙ্গে আসক্তির সম্পর্ক আছে কি আদৌ? আছে বৈকি। ছুটে চলার এই জীবনে ব্যস্ততার সাথেই যেহেতু সখ্যতা বেশি থাকে, সেক্ষেত্রে যে আসক্তিও তৈরি হবে এ নতুন কিছু নয়। যেহেতু মানুষ একা থাকতে পছন্দ করে না, নিজের একাকীত্বকে কাটাতে ও একা থাকার সময়কে সংক্ষিপ্ত করতে এখন অনেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে অতিরিক্ত ব্যস্ততার প্রতি ঝুঁকে পড়ছে, ব্যস্ত জীবনযাপন করছে।

ভিডিও গেমস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jan/28/1548668000647.jpeg

সাইক্রিয়াটিস্ট ডেই নুয়েন জানান, খেলায় জিতে যাওয়ার আবেদনটা সবসময়ই অন্যরকম। এর সাথে যখন সম্পূর্ণ একটি ভার্চুয়াল জগতের সংমিশ্রণ ঘটে তখন বাস্তব জীবনের চাইতেও বেশি রোমাঞ্চ বোধ হয়। এই আসক্তিটি মাত্রাতিরিক্ত পর্যায়ে চলে যেতে পারে। অতি দীর্ঘ সময় ভিডিও গেম খেলা, স্ক্রিন টাইমের প্রতি বেশি ঝুঁকে যাওয়া, অন্যান্য কাজের তোয়াক্কা না করা, প্রয়োজনীয় বিষয়ে গাফেলতি করার মতো লক্ষণগুলো দেখা দিতে শুরু করে ধীরে ধীরে। যা ব্যাক্তিজীবনে তো বটেই, শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে দেয়।

ভালোবাসা

এই পয়েন্টটি পড়ে বিদ্রূপাত্মক হাসি দেওয়ার কোন প্রয়োজন নেই। ‘ফিলোসফি, সাইকিয়াট্রি এন্ড সাইকোলজি’ জার্নালে প্রকাশিত গবেষণার তথ্যানুসারে জানা যায়- বিহাভিয়ারাল, সাইকোলজিক্যাল এন্ড নিউরোসাইকোলজিক্যাল ইঙ্গিত প্রমান করে যে, ভালোবাসার অনুভূতির সঙ্গে ক্রনিক ড্রাগ খোঁজার আচরণের মাঝে অনেক বেশি মিল রয়েছে। যে কারণে ভালোবাসার অনুভূতি প্রকট আকার ধারণ করলে মানুষ সঠিক-বেঠিক কিংবা লজিক্যাল চিন্তার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে।

আরও পড়ুন: দীর্ঘায়ু পাওয়া যাবে মাত্র দশ মিনিটেই

আরও পড়ুন: সিনেমা দেখতে যাচ্ছেন? খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলোতে

আপনার মতামত লিখুন :

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?

কোন জিনিস কতদিন পর পরিষ্কার করতে হবে?
ছবি: সংগৃহীত

নিজের আশেপাশের সবকিছু তথা ঘর ও ঘরের জিনিসপত্র যতবেশি পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব হবে, নিজেকে ও পরিবারের সবাইকে ততবেশি সুস্থ রাখা সম্ভব হবে। শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রফুল্লতার সাথে সাথে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার সংযোগটা বহু পুরনো। এ কারণে পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে ছাড় দেওয়ার উপায় নেই।

পরিধেয় পোশাক কিংবা অপরিষ্কার থালাবাসন যে প্রতিদিন পরিষ্কার করতে হয়, সেটা নতুন করে বলে দেওয়ার প্রয়োজন নেই। কিন্তু ঘরে থাকা আয়না কতদিন পর পরিষ্কার করা প্রয়োজন সেটা অনেকেই বুঝতে পারেন না। তবে বাসার অবস্থান ও এলাকাভেদে জিনিসপত্রে ধুলাময়লা জমার ক্ষেত্রে রকমফের দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে কোন আসবাবে ধুলা জমে থাকতে দেখলে দ্রুত পরিষ্কার করে ফেলতে হবে।

প্রতি সপ্তাহে, প্রতি মাসে কিংবা ৩-৫ মাস অন্তর কোন জিনিসগুলো পরিষ্কার করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা থাকলে জিনিসপত্র পরিষ্কার রাখা বেশ অনেকটা সহজ হয়। যে কারণে আজকের ফিচারে খুব গুছিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা থেকে জানা যাবে কতদিন পর কোন জিনিসটি পরিষ্কার করা প্রয়োজন।

প্রতিদিন যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123957938.jpg

১. বিছানা গুছিয়ে ঝাড়তে হবে।

২. নোংরা ও এঁটো থালাবাসন জমিয়ে রাখা যাবে না। প্রতিদিনেরটা প্রতিদিন ধুয়ে ফেলতে হবে।

৩. খাবার টেবিল গুছিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

৪. বাথরুমের মেঝে ঝাঁট দিতে হবে।

৫. রান্নাঘরের থাক ও মেঝে মুছতে হবে।

৬. রান্নাঘরের সিংক পরিষ্কার করতে হবে।

৭ নোংরা পোশাক ধুতে হবে।

৮. ঘর ও বারান্দার মেঝে ঝাড়ু দিতে হবে। মুছতে পারলে সবচেয়ে ভালো।

প্রতি সপ্তাহে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123762608.jpg

১. বিছানা ও বালিশের কভার বদলাতে হবে।

২. রান্নাঘর ও রেফ্রিজারেটরে থাকা পুরনো ও মেয়াদোত্তীর্ণ খাবার ফেলে দিতে হবে।

৩. ঘরের সকল আসবাবের আয়না মুছতে হবে।

৪. বুকশেফলে থাকা বইপত্র থেকে ধুলা ঝাড়তে হবে।

৫. শোকেসের জিনিসপত্র পরিষ্কার করতে হবে।

৬. আসবাবপত্র থেকে ধুলাবালি সরাতে হালকা ভেজা কাপড়ের সাহায্যে মুছতে হবে।

৭. মাইক্রোওয়েভ ওভেনের ভেতরের ও বাইরের অংশ পরিষ্কার করতে হবে।

৮. গোসল করার লোফাহ বা স্পন্স পরিষ্কার করতে হবে।

প্রতি মাসে যা পরিষ্কার করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566123841141.jpg

১. ঘরের কোন ও ছাদের অংশের ধুলাময়লা ঝাড়তে হবে।

২. লাইট ও বাল্বে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করতে হবে।

৩ সোফার কভার ও দরজা, জানালার পর্দা পরিষ্কার করতে হবে।

৪. ডিশওয়াশার ও ওয়াশিং মেশিন পরিষ্কার করতে হবে।

৫. ফ্রিজের ভেতর ও বাইরের অংশ ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।

৬. টিভি থেকে ধুলাবালি সরাতে পরিষ্কার করতে হবে।

৭. দেয়াল ঘড়ি, ওয়ালম্যাট, বড় ছবির ফ্রেম নামিয়ে মুছে নিতে হবে।

৮. নিত্য ব্যবহারের ব্যাকপ্যাক ধুয়ে নিতে হবে।

৩-৫ মাস পরপর যা পরিষ্কার করতে হবে

১. আসবাবপত্রের নিচের অংশ থেকে ধুলাময়লা বের করতে হবে।

২. কার্পেট পরিষ্কার করতে হবে।

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আরও পড়ুন: প্রয়োজন কিংবা ফ্যাশনে চাই রোদচশমা!

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে সুরক্ষিত ত্বক
টি ট্রি অয়েল

বিভিন্ন ধরনের এসেনশিয়াল অয়েলের মাঝে টি ট্রি অয়েল সবচেয়ে পরিচিত ও প্রচলিত একটি।

এই এসেনশিয়াল অয়েলের অসংখ্য উপকারিতার মাঝে ত্বকের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য পায়। শুধু ত্বক নয়, চুলের যত্নেও সমানভাবে ব্যবহৃত হয় টি ট্রি অয়েল। এছাড়াও ডিওডরেন্ট, পোকামাকড় দূর করতে ও মাউথওয়াশ হিসেবেও কার্যকর এই এসেনশিয়াল অয়েল।

টি ট্রি অয়েল ব্যবহার বিধি

টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব কঠিন কোন বিধিনিষেধ নেই। তবে মনে রাখতে হবে, ত্বকে বা চুলে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সরাসরি এই তেল ব্যবহার করা যাবে না। ক্যারিয়ার তেল তথা নারিকেল তেল অথবা অলিভ অয়েলের সাথে মিশিয়ে তবেই ব্যবহার করতে হবে এই এসেনশিয়াল অয়েল।

অনেকেই টি ট্রি অয়েল পরিমাণে অনেক বেশি নিয়ে ফেলে। এক্ষেত্রে ১-৩ ফোঁটা ব্যবহার করাই যথেষ্ট। অল্প পরিমাণ এসেনশিয়াল অয়েল থেকেও সম্পূর্ণ উপকারিতা পাওয়া যাবে।

তবে টি ট্রি অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে হবে অবশ্য। এই তেল চোখের আশেপাশের অংশ ব্যবহার না করাই শ্রেয়। এতে চোখের আশেপাশের অংশের ত্বকে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। কারণ মুখমণ্ডলের এ অংশের ত্বক তুলনামূলক বেশি পাতলা হয়ে থাকে।

এছাড়া টি ট্রি অয়েল ব্যবহার পূর্বে পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করে নিশ্চিত হয়ে নেওয়া ভালো, এই তেল ব্যবহারে ত্বকে কোন সমস্যা দেখা দেয় কিনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115011865.jpg

টি ট্রি অয়েলের উপকারিতা

এই এসেনশিয়াল অয়েলের বিবিধ উপকারিতার মাঝে মূল ও প্রধান কয়েকটি উপকারিতা তুলে ধরা হলো।

শুষ্ক ত্বকের সমস্যা কমায়

যাদের ত্বক খুব শুষ্ক, তাদের জন্য টি ট্রি অয়েল খুব ভালো কাজ করবে। এই তেলটি শুষ্ক ত্বকের জ্বালাপোড়াভাব ও চুলকানির প্রাদুর্ভাব কমায়। বিশেষত এতে থাকা জিংক অক্সাইড শুষ্ক ত্বক ও একজিমার সমস্যা কমাতে কাজ করে।

তৈলাক্ত ত্বকের যত্ন

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক উপাদান তৈলাক্ত ত্বকের জন্য উপকারী। একটি গবেষণা জানাচ্ছে,  সানস্ক্রিনের সাথে টি ট্রি অয়েল মিশ্রিত থাকলে ত্বকের তৈলাক্ততা কমে যায় অনেকখানি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/18/1566115031078.jpg

ত্বকের প্রদাহ

উপকারী এই এসেনশিয়াল অয়েলের অ্যান্ট-ইনফ্ল্যামেটরি প্রভাব ত্বকের প্রদাহ, ব্যথা ও জ্বালাপোড়ার সমস্যাকে কমিয়ে এনে আরাম প্রদান করে। এমনকি ত্বকের কোন অংশ ফুলে গেলে বা ত্বকে লালচে ভাব দেখা দিলে সেটা কমাতেও কাজ করে টি ট্রি অয়েল।

ক্ষত সারাতে টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ধর্ম ত্বকের কাটাছেঁড়া ও ক্ষত সারাতে খুব চমৎকার কাজ করে। ২০১৩ সালের একটি গবেষণা থেকে দেখা গেছে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৯ জনের টি ট্রি অয়েল ব্যবহারে ক্ষত দ্রুত ও অল্প সময়ের মাঝে ভালো হয়েছে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র