Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

ছুটির দিনে অস্বাস্থ্যকর খাবারে বাড়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকি

ছুটির দিনে অস্বাস্থ্যকর খাবারে বাড়ে স্বাস্থ্য ঝুঁকি
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

পুরো সপ্তাহ জুড়ে নিয়ম মেনে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া হলেও, ছুটির দিনে যেন সেই নিয়মে একেবারেই ওলট-পালট হয়ে যায়।

প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার খাওয়া হলেও, সাপ্তাহিক ছুটির দিনে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার বিষয়টি মাথাতেই থাকে না।

পরিবার, বন্ধুবান্ধব কিংবা প্রিয়জনের সঙ্গে ঘরে কিংবা বাইরে খাওয়া হয় মুখরোচক, হাই ক্যালোরিযুক্ত, অস্বাস্থ্যকর খাবার। এই একদিন খাদ্যাভাসকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যেন ভীষণ কষ্টদায়ক হয়ে ওঠে।

কিন্তু শুধু ছুটির সময়ের গন্ডগোলটাই নষ্ট করে দেয় পুরো সপ্তাহের ডায়েটের পরিকল্পনা। অস্বাস্থ্যকর খাবারের পাশাপাশি, অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক বেশি পরিমাণে খাবার খাওয়া হয় এই সময়ে।

ফলে ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভবনা বেড়ে যায় বেশ অনেকটা। শুধু তাই নয়, হৃদরোগ, রক্তচাপ বৃদ্ধি, ডায়বেটিসের মতো গুরুত্বর রোগের প্রাদুর্ভাবটাও দেখা দেওয়ার সম্ভবনা থাকে এক-দুই দিনের অনিয়মের ফলে। এসকল কিছু দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা। এছাড়াও থাকে স্বল্পমেয়াদী শারীরিক সমস্যা দেখা দেওয়ার প্রবণতাও।

পেট ফোলাভাব দেখা দেওয়া, গ্যাস্ট্রিক আলসারের সমস্যা হওয়া, বুক জ্বালাপোড়া করা, মুখ ও হাত-পা ফুলে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো খুব সহজেই দেখা দিয়ে থাকে অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের ফলে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/12/1552369819285.jpeg

যে কারণে সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে খাবার খাওয়ার বিষয়ে সচেতন হতে হবে। শুধু খাবার নয়, খাবারের পরিমাণের বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ পুরো সপ্তাহ জুড়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ খাবার খাওয়ার ফলে পাকস্থলী সেইভাবেই মানিয়ে নেয়। হুট করে বেশি খাবার খাওয়া হলে পাকস্থলীর উপরে বাড়তি চাপের সৃষ্টি হয়। যার দরুন পেট ফোলা ভাব, গ্যাসের প্রাদুর্ভাব ও ডায়রিয়ার সমস্যা দেখা দেয়। তাই ছুটির দিনেও খাবার খেতে হবে ততটুকুই, যতটুক খাবার খাওয়া হয় নিত্যদিন।

গুরুত্বপূর্ণ একতি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। জাংক ফুড, তৈলাক্ত খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়ার ফলে পাকস্থলীর উপর যে চাপের সৃষ্টি হয়, তা শরীরের অন্যান্য প্রত্যাঙ্গের উপরেও চাপ তৈরি করে। এতে করে খুব সহজেই অসুস্থ বোধ হয়, অস্বস্তি কাজ করে।

এই সপ্তাহটিও শেষের দিকে। আর দু’দিন পরেই কাঙ্ক্ষিত সাপ্তাহিক ছুটির দিন। শুধু ছুটির দিনে নয়, সবসময় নিজেকে সুস্থ রাখতে চাইলে খাদ্যাভাসের বিষয়ে কঠিন অবস্থান নিতে হবে।

অবশ্যই মুখরোচক খাবার খেতে ইচ্ছা হবে। কিন্তু সেটা যেন কোনভাবেই স্বাস্থ্যহানী না ঘটায় সে বিষয়ে নজর রাখতে হবে। বিভিন্ন ধরণের স্বাস্থ্যকর খাদ্য উপাদানের সাহায্যেই মজাদার খাবার তৈরি করা যায়। সেই বিষয়ে নজর দিতে হবে। বাইরের অস্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণের বিষয়ে সবসময়েই সচেতন অবস্থান নিতে হবে। নিজেকে সুস্থ রাখার জন্য এই সতর্কতার কোন বিকল্প নেই একেবারেই।

আরও পড়ুন: কী থাকবে সকালের নাস্তায়?

আরও পড়ুন: অমনোযোগে বেশি খাওয়া হচ্ছে?

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র