Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

রেফ্রিজারেটরে রাখবেন না এই খাবারগুলো

রেফ্রিজারেটরে রাখবেন না এই খাবারগুলো
ছবি: বার্তা২৪.কম
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আমাদের মাঝে খুব সাধারণ একটি প্রবণতা দেখা যায়।

হাতের কাছে থাকা সকল খাবারই রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা হয়। কাঁচা মাছ-মাংস তো বটেই, শুকনো মশলা কিংবা পাস্তাও রাখা হয় ফ্রিজে।

কিন্তু অনেকেই জানেন না, কোন খাবারগুলো ফ্রিজে সংরক্ষণ করা উচিৎ নয় ও কোন খাবারগুলো ফ্রিজে সংরক্ষণ করার প্রয়োজন নেই। এখানে তেমন কয়েকটি খাবার সম্পর্কে তুলে ধরা হলো।

তেলেভাজা খাবার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/12/1552390123354.jpg

ঘরে কিংবা বাইরে তৈরি তেলেভাজা খাবার বেঁচে গেলে নিশ্চয় ফ্রিজেই সংরক্ষণ করা হয়। এতে করে খাবারের স্বাদ ও কুড়মুড়ে ভাব একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। সেই সঙ্গে খাবারে জমে থাকা তেল অক্সিডাইজড হয়ে যায়। যা পুনরায় গরম করে খাওয়া হলে পেটের সমস্যাসহ নানাবিধ সমস্যা দেখা দিতে পারে।

কাঁচা সবজি ও ফল

শসা, তরমুজসহ যে সকল ফল ও সবজিতে পানির পরিমাণ বেশি থাকে, ফ্রিজে এই সকল প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান খুব বেশিদিন পর্যন্ত ভালো থাকে না। ফ্রিজে রাখার ফলে এতে থাকা জলীয় অংশ খুব সহজেই বরফে রূপান্তরিত হয়। ফ্রিজ থেকে বের করে পুনরায় স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আনা হলে, এই বরফকৃত অংশ পানিতে পরিণত হয়। ফলে সবজি ও ফল অনেকটা নরম হয়ে যায়। রান্না করলেও খুব একটা সুস্বাদু লাগে না।

ডিফ্রস্টেড মাংস

ফ্রিজ থেকে মাংস বের করে স্বাভাবিক তাপমাত্রায় রেখে স্বাভাবিক করার পর পুনরায় সেই মাংস ফ্রিজে সংরক্ষণ করার প্রক্রিয়াকেই বলা হয় ডিফ্রস্টেড করা। এটা করা একেবারেই উচিৎ নয়। কারণ ডিফ্রস্টেড মাংসে খুব সহজেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে এবং সাধারণ মাংসের চাইতে এই মাংসে দ্রুততার সঙ্গে ছড়িয়ে পড়ে। ফ্রিজে রাখার পর পুনরায় এই মাংস রান্না করা মানে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াসহ রান্না করা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই ব্যাকটেরিয়াগুলো উচ্চ তাপমাত্রাতেও অক্ষত থাকে।

দই

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/12/1552390441931.jpg

পুষ্টিগত ও স্বাস্থ্যগত দিক থেকে দই ফ্রিজে সংরক্ষণে কোন সমস্যা বা বাধা নেই। ফ্রিজে সংরক্ষিত দই এতে থাকা পাকস্থলীর জন্য উপকারী ব্যাকটেরিয়া ও স্বাস্থ্য উপকারিতা নষ্ট করে না। তবে ফ্রিজ রাখা দইতে খুব সহজেই পানি উঠে যায় ও এর ক্রিমি টেক্সচার নষ্ট হয়।

ভাত

এটা বলা যাবে না যে, ফ্রিজে রাখা ভাত খাওয়ার ফলে কোন ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকে। তবে ফ্রিজে রাখা ভাতে খুব সহজেই পানি ওঠে এবং স্টার্চের জন্য ঘন ভাব চলে আসে। যা অনেক সময় পেটের সমস্যা তৈরি করতে পারে।

মেয়নেজ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/12/1552390463193.jpg

দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহারের জন্য মেয়নেজ ফ্রিজে সংরক্ষণ করেন অনেকেই। কিন্তু এতে করে মেয়নেজ তার স্বাভাবিক স্বাদ ও টেক্সচার হারায়। রান্নায় বা কোন খাবার তৈরিতে ফ্রিজের মেয়নেজ ব্যবহার করা হলে কখনোই কাঙ্ক্ষিত স্বাদ পাওয়া যাবে না।

পাস্তা ও নুডলস

উচ্চমাত্রায় স্টার্চ এবং মেয়নেজ ও বিভিন্ন ধরণের সসের ব্যবহারের জন্য পাস্তা কিংবা নুডলস ফ্রিজে রাখা হলে খুব সহজেই থকথকে হয়ে যায়। এছাড়া এতে ডিম, মাংস, মাশরুম কিংবা চিংড়ি ব্যবহার করা হয় বলে ব্যাকটেরিয়াও ছড়ায় দ্রুত।

বিশেষ কিছু মশলা

শুকনো মশলা দীর্ঘদিন ভালো রাখতে চাইলে শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে। ফ্রিজে জলীয় বাষ্পের মাত্রা বেশি থাকবে স্বাভাবিকভাবেই। তাই শুকনো মশলা এখানে সংরক্ষণ করা থেকে বিরত থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: মাইক্রোওয়েভে রি-হিট করা যাবে না যে খাবারগুলো

আরও পড়ুন: ‘স্বাস্থ্যকর’ উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত পাঁচ খাবার

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র