Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ক্যান্সারের বিপক্ষে কাজ করবে যে খাদ্য উপাদানগুলো

ক্যান্সারের বিপক্ষে কাজ করবে যে খাদ্য উপাদানগুলো
ছবি: বার্তা২৪.কম
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ইতোপূর্বে একটি ফিচারে বিষদভাবে তুলে ধরা হয়েছিল, কোন খাদ্য উপাদানে ক্যান্সার দেখা দেওয়ার সম্ভবনা বৃদ্ধি পায়।

আশার কথা হলো, যে কয়টি খাবার ক্যান্সারের সম্ভবনা বাড়িয়ে দেয়, তার চাইতে অনেক বেশি পরিমাণ প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান ক্যান্সারের বিরুদ্ধে কাজ করে, ক্যান্সার তৈরিতে বাধাদান করে ও ক্যান্সার বৃদ্ধি প্রতিরোধ করে।

উপকারী এই প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা থাকলে নিজেকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি পরিবারের সবাইকে সচেতন করে তোলা সম্ভব হবে।

আঁশ সমৃদ্ধ খাবার

চলতি বছরে ফেব্রুয়ারিতে ১২৫,০০০ জন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকের খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যের উপর পরীক্ষা করে দেখা গেছে, খাদ্য আঁশ শরীরকে ক্যান্সারমুক্ত রাখতে অবদান রাখে। এছাড়া প্রায় ২৪টি ভিন্ন ভিন্ন গবেষণার পর গবেষকেরা একমত হয়ে জানান, প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে আঁশ সমৃদ্ধ খাবার ক্যান্সার দেখা দেওয়ার সম্ভবনা কমিয়ে আনে।

গাজর

গাজরের সময়ে ইচ্ছামতও গাজর খাওয়া থেকে নিজেকে কোনভাবেই দূরে রাখবেন না। কারণ উজ্জ্বল কমলা রঙের এই সবজতে রয়েছে বেটা-ক্যারোটিন। উপকারী এই পুষ্টি উপাদানটি সার্ভিক্যাল ক্যান্সার ও কিছু ক্ষেত্রে ব্রেস্ট ক্যান্সারের মাত্রা কমাতে কাজ করে। গাজরের পাশাপাশি মিষ্টি আলু থেকেও পাওয়া যাবে বেটা ক্যারোটিন।

পরিমিত মাত্রায় কফি পান

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/14/1552552791502.jpeg

যারা নিয়মিত কফি পান করেন তাদের জন্য দারুণ সুখবরই বটে। নিয়মিত কফি পানের ফলে হৃদযন্ত্র সুস্থ থাকার পাশাপাশি ইউটেরাস, প্রস্টেট, লিভার, ব্রেস্ট ও থ্রোট ক্যান্সার দেখা দেবার সম্ভবনাও কমে যায়।

গ্রিন টি পান

যদি কফি এড়িয়ে চলেন তবে সমস্যা নেই। কফি বদলে গ্রিন টি পান করেও ক্যান্সারের হাত থেকে নিজেকে নিরাপদ দূরত্বে রাখা যাবে। গ্রিন টিতে থাকা পলিফেনল নামক ক্যান্সার বিরোধী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ক্যান্সার তৈরিতে বাধাদান করে এবং ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধি প্রতিহত করে।

ব্রকলি

কলিফ্লাওয়ার গোত্রের সবুজ সবজি শুধু পাকস্থলী সুস্থ রাখতেই নয়, ডিএনএ ড্যামেজকে রক্ষা করে ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতেও কাজ করে। তবে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছে, অন্যান্য প্রাণীদের উপর পরীক্ষা করে এমন ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেলেও, মানুষের উপর পরীক্ষার ফলাফল এখনও সম্পূর্ণভাবে পাওয়া যায়নি। তবে এখান থেকেও অনুরূপ ফলাফল আসবে বলেই তারা আশা করেন।

আয়োডিন সমৃদ্ধ খাবার

অন্যতম প্রয়োজনীয় ও উপকারী মিনারেল সমূহের মাঝে আয়োডিন অন্যতম। শরীরে থাইরয়েড হরমোন তৈরিতে সাহায্য করে আয়োডিন এবং মেটাবলিজমের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। সবচেয়ে দারুণ বিষয় হলো, গবেশনালব্ধ ফল জানাচ্ছে, শরীরে ক্যান্সার তৈরিকারী টিউমার বৃদ্ধিতে বাধাদান করে আয়োডিন।

হলুদ

যেকোন রান্নায় হলুদ গুঁড়ার ব্যবহার আবশ্যক। অতি পরিচিত এই হলুদ গুঁড়াই অ্যান্টি-ক্যান্সার উপাদান হিসেবে কাজ করে। ক্যান্সার গবেষক বায়োফিজিক্সস্ট অজয় গোল জানান, প্রাকৃতিক উপাদানের মাঝে হলুদ হলো সবচেয়ে উৎকৃষ্ট উপাদান। একইসাথে অন্যান্য প্রাণী ও মানুষের উপর পরীক্ষা চালিয়ে দেখা গেছে হলুদে থাকা কারকিউমেন ক্যান্সার কোষকে ধ্বংস করতে ও ক্যান্সার বৃদ্ধিতে বাধা প্রদান করে।

আরও পড়ুন: ক্যান্সার দেখা দিতে পারে যে খাবারগুলো থেকে

আরও পড়ুন: আঁশযুক্ত চার খাবারে ডায়বেটিস থাকবে নিয়ন্ত্রণে

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র