Barta24

শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

‘ডিজনিল্যান্ড ভিলেনস’ থিমে কালারপপ মেকআপ কালেকশন

‘ডিজনিল্যান্ড ভিলেনস’ থিমে কালারপপ মেকআপ কালেকশন
কালারপপ ডিজনি ভিলেনস কালেকশন, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মেকআপ সামগ্রীর রাজ্যে সুপরিচিত ও জনপ্রিয় ব্র্যান্ড ‘কালারপপ’।

লিপস্টিক, লিপ গ্লস, ম্যাট লিপ গ্লস, হাইলাইটার, ব্লাশ কিংবা আইশ্যাডোর জন্য চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা যায় কালারপপকে।

প্রায় প্রতিটি সিজনে এবং থিমের উপর নির্বাচন করে বের হয় কালারপপের ভিন্ন ভিন্ন প্রোডাক্ট লাইন। যা ক্রেতাদের আকৃষ্ট করে দারুণভাবে। উচ্চ মানসম্পন্ন কালারপপ সবসময়ই নিত্যনতুন পণ্যের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়ে ক্রেতাদের চমকে দিতে ভালোবাসে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/22/1553238826758.jpg

এবারে তাই ডিজনিল্যান্ডের সঙ্গে কোলাবরেশনে কালারপপ বাজারে এনেছে ‘কালারপপ ডিজনি ভিলেনস কালেকশন’। চলতি মাসের ২১ তারিখে বাজারজাত করা হয়েছে চোখধাঁধানো এই সেটটি।

২৭ পিসের এই লিমিটেড এডিশনের প্রতিটি শেড ও প্যাকেজিং করা হয়েছে ডিজনিল্যান্ডের কুখ্যাত ভিলেন ক্রুয়েলা ডে ভিল, দ্য এভিল কুইন, আরসেলা, ম্যালফিসেন্ট, হেইডস ও ডাঃ ফ্যাসিলিয়ার থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/22/1553238849014.jpg

একেবারেই নতুন ফর্মুলা ও ইউনিকনেস নিয়ে তৈরি করা কালারপপের সম্পূর্ণ এই কালেকশনটির মূল্য পড়বে ২৪৯ মার্কিন ডলার, যার বাংলাদেশি মূল্য ২১,০১৬ টাকা!

তবে কালেকশনটি সেট হিসেবে একসাথে নিতে না চাইলে, যেকোন একটি পণ্য আলাদাভাবেও কেনা যাবে। যেক্ষেত্রে পণ্যের ধরণ অনুযায়ী সর্বনিম্ন মূল্য ৭ ডলার তথা ৫৯০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ২২ ডলার তথা ১৮৫৬ টাকা পর্যন্ত হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/22/1553238867275.jpg

কালারপপের ডিজনি ভিলেন কালেকশনে রয়েছে- প্রেসড পাউডার, আইশ্যাডো, হাইলাইটারস, জেলি শ্যাডো, গ্লিটার পেস্ট ও ঠোঁটের মেকআপ সামগ্রী।

আরও পড়ুন: নতুন হেয়ার কালার ‘চকলেট লাইল্যাক’

আরও পড়ুন: হাতব্যাগে থাকুক প্রয়োজনীয় প্রসাধনী

আপনার মতামত লিখুন :

যে তিনটি সময়ে হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি

যে তিনটি সময়ে হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি
দীর্ঘসময় রোদের নিচে থাকা থেকে বিরত থাকতে হবে, ছবি: সংগৃহীত

বিরক্তিকর বৃষ্টি শেষে বাইরে এখন রোদ হাসছে।

বৃষ্টি মানেই যেমন রাস্তায় কাদা-ময়লার ঝক্কি-ঝামেলা, ঠিক তেমনই বাইরে রোদ মানেই হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা। রোদের হাত থেকে বাঁচার জন্য সানস্ক্রিন, ছাতা, পানির বোতল সাথে রাখা হলেও দুঃখের সাথে জানাতে হচ্ছে, এরপরেও হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থেকেই যায়।

হিটস্ট্রোক আসলে কী?

হিটস্ট্রোককে সান স্ট্রোকও বলা হয়। দীর্ঘসময় রোদে থাকার ফলে আমাদের শরীরের তাপমাত্রা যখন অতিরিক্ত বেড়ে যায় তখনই হিটস্ট্রোকের মতো সিরিয়াস কন্ডিশন দেখা দেয়। সাধারণত অতিরিক্ত গরম ও পানিশূন্যতার যোগফলে দেখা দেয় হিটস্ট্রোক।

কার্ডিওলজিস্ট পল মনটানা ডে লা কায়ডেনা, এমডি হিটস্ট্রোক সম্পর্কে জানান, হিটস্ট্রোকে শরীরের অভ্যান্তরিন তাপমাত্রা কমানোর জন্য একটি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে হৃদযন্ত্র ও মস্তিষ্ককে রক্ষা করার জন্য বিভিন্ন প্রত্যাঙ্গের কাজকে বন্ধ করে দেয়।

হিটস্ট্রোক দেখা দেওয়ার পূর্ব লক্ষণগুলোর মাঝে রয়েছে- অতিরিক্ত গরম বোধ হওয়া, ত্বক লালচে হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরানো, বমিভাব, অস্থিরতা ও জ্ঞান হারানো।

কোন সময়গুলোতে হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা বেশি থাকে?

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/19/1563522061165.JPG

হিটস্ট্রোকের ফলে মস্তিষ্ক, কিডনি ও হৃদযন্ত্রের বড় ধরনের ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। এমনকি গুরুত্বর অবস্থা হলে এবং হিটস্ট্রোক দেখা দেওয়ার পর লম্বা সময় কোন ধরনের চিকিৎসা গ্রহণ করা না হলে মৃত্যুর ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

ডাঃ মনটানা হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে ও সচেতন হতে তিনটি বিষয় ও সময় সম্পর্কে জানিয়েছে, যে সময়গুলোতে হিটস্ট্রোকের সম্ভাবনা থাকে সবচেয়ে বেশি।

বাইরে খেলাধুলা করা

গ্রীষ্মকালে বাইরে খেলাধুলা করার ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে সবচেয়ে বেশি। বিশেষত যাদের নিয়মিত বাইরে উন্মুক্ত স্থানে অনুশীলন করতে হয়। জুলাই-আগস্ট মাসে একইসাথে তাপমাত্রা ও বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। যার দরুন খুব সহজেই গরম আবহাওয়ায় অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং দীর্ঘসময় বাইরে থাকার ফলে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়।

বাইরে কাজ করা

যাদের প্রতিদিন বাইরে ঘুরে কাজ করতে হয়, তাদের জন্য হিটস্ট্রোকের ঝুঁকিটা থাকে সবচেয়ে বেশি। বিশেষত ভারি যন্ত্র বহন করা, দীর্ঘসময় হাঁটাহাঁটি করা, ছায়াযুক্ত স্থানের অভাব, শারীরিক পরিশ্রম বেশি করতে হয়- এমন কাজের ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি থাকে বেশি।

শরীর পানিশূন্য হয়ে যাওয়া

শিশু ও বৃদ্ধ ব্যক্তিরা খুব সহজেই পানি শূন্যতায় ভোগেন। তারা যদি দীর্ঘসময় রোদের নিচে থাকেন ও অতিরিক্ত ঘামেন তবে তাদের হিটস্ট্রোক দেখা দেওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায় বহুগুণ।

হিটস্ট্রোক দেখা দিলে কী করতে হবে?

অসাবধানতায় যদি হিটস্ট্রোক দেখা দেয় তবে রোগীকে দ্রুত ফ্যানের বাতাসযুক্ত স্থানে আনতে হবে এবং পানিতে ভেজানো কাপড় দিয়ে শরীর মুছে দিতে হবে। সেই সাথে রোগীর বগল, ঘাড়, কাঁধ ও পিঠে আইসপ্যাক দিতে হবে। এ সকল স্থানের ত্বকের খুব কাছাকাছি রক্তনালীকা থাকে। ফলে শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত কমে যাবে। তবে শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে আইসপ্যাক ব্যবহার এড়িয়ে যেতে হবে।

এ সকল ধাপের পর রোগী কিছুটা ধাতস্থ হলেচ পানি পান করাতে হবে এবং চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।

আরও পড়ুন: প্রচণ্ড গরমেও এড়িয়ে চলুন ঠাণ্ডা পানি!

আরও পড়ুন: ঘরের পরিবেশ থাকুক দূষণমুক্ত

খালি পেটে কফি পান নয়

খালি পেটে কফি পান নয়
ছবি: সংগৃহীত

বহুমুখী স্বাস্থ্য উপকারিতা তো আছেই, কফির সুঘ্রাণ ও সুস্বাদের সাথে দিনের শুরু হওয়া অনেকের জন্যেই বাধ্যতামূলক যেন।

অনেকেই ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে, কোন খাবার না খেয়েই কফির পেয়ালায় চুমুক বসান। কিন্তু একদম খালি পেটে কফি পান করা কতটা উপকারী? খালি পেটে কফি পানে কি তার উপকারিতাগুলো শরীর পরিপূর্ণভাবে পায়?

উত্তরে বলতে হবে, না। একদম খালি পেটে নয়, কফি পান করতে হবে হালকা কোন খাবার খাওয়ার পরেই। একদম খালি পেটে কফি পানের ফলে শরীরে কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। কর্টিসল শরীরের মেটাবলিজম, রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা ও মানসিক চাপের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563462138926.jpg

এখন প্রশ্ন হলো, কর্টিসল নিঃসরণের মাত্রা বৃদ্ধি পেলে কি সমস্যা হবে? এখানে উত্তরে বলতে হবে, হ্যাঁ। গবেষণা থেকে দেখা গেছে, খালি পেটে কফি পানের ফলে কর্টিসলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়, যা মানসিক চাপ তৈরি করে ও বাড়িয়ে দেয়।

এতে করে খুব দ্রুত মুড বদলে যায় এবং এর ফলে স্বাস্থ্যের উপর দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে। এছাড়া কফি পাকস্থলিস্থ অ্যাসিড নিঃসরণের মাত্রাও বৃদ্ধি করে। যা অ্যাসিডিক প্রভাব তৈরি করে। ফলে বুক জ্বালাপোড়ার মতো সমস্যা দেখা দেয়।

নিজেকে চাঙা রাখতে, সারাদিনের কর্মব্যস্ততার সাথে তাল মিলিয়ে চলতে ও কফির উপকারিতাগুলো পেতে চাইলে সকালে নাশতা সেরে অথবা হালকা কিছু খেয়ে তবেই কফি পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ব্ল্যাক কফি পানে ওজন কমে?

আরও পড়ুন: কতটুকু কফি পান নিরাপদ?

আরও পড়ুন: কফি পানের সঠিক সময় কোনটি?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র