Barta24

বৃহস্পতিবার, ২৭ জুন ২০১৯, ১৩ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

পৃথিবী বিখ্যাত পাঁচ ব্যয়বহুল কফি!

পৃথিবী বিখ্যাত পাঁচ ব্যয়বহুল কফি!
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

পছন্দের কফিশপে গড়ে দুই-তিন’শ টাকা খরচ করলেই মিলে যায় মনজুড়ানো গন্ধ ও স্বাদের লোভনীয় কফি।

উষ্ণ এই পানীয়ের আবেদন রয়েছে বিশ্বের সবখানেই। কফি পানের জন্য কফি বিনস যতটা ভালো মানের হবে, কফি ততটাই সুস্বাদু হবে।

সর্বোচ্চ দামের কফি হিসেবে অনেকেই কপি লুয়াককে চেনেন। আদতে কপি লুয়াকের চাইতেও আরও দামী কফি বিনস আছে, যেটা সম্পর্কে খুব একটা জানা নেই অনেকেরই। আজকের পোস্টে তাই তুলে ধরা হয়েছে পৃথিবীখ্যাত সর্বোচ্চ দামের পাঁচ কফি বিনসের বিশদ পরিচিতি।  

৫. হাসিয়েন্ডা এল রোবেল (Hacienda el Robel)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582316706.jpg

পুরো এক বছরে এই কফিটি পাওয়া যায় খুবই স্বল্প পরিমাণে, মাত্র ২২ কেজি। দক্ষিণ কলম্বিয়ার ফুলটাইম কৃষিবিদের তত্ত্বাবধানে পাওয়া যায় এই কফি বিনস। এই কফির গাছগুলো পরিচর্যায় ব্যবহৃত হয় মুরগীর বিষ্ঠার সার। গাছগুলো বেড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজন হয় সঠিক পদ্ধতি রোদের আলো ও ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়া। তবে দক্ষিণ কলম্বিয়ায় চড়া মূল্যের এই কফি গাছ বেড়ে উঠলেও কফি বিনস প্রস্তুত ও রোস্ট করার জন্য শুধু একটি স্থানই রয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্ন। যেখানে কফি বিনস ও কফি সম্পর্কিত সকল তথ্য গোপন রাখা হয় খুব যত্ন সহকারে। এই কফি বিনস প্রতি পাউন্ডের দাম পড়বে ১০০ মার্কিন ডলার তথা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৪১২ টাকা।

৪. অসপিনা ডিনেস্ট্রি গ্র্যান ক্যাফে প্রিমিয়ার গ্র্যান্ড সিআরইয়ু (Ospina Dynasty Gran café Premier Grand cru)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582357662.jpg

অন্যতম পুরনো কফি বিনস হিসেবে সুপরিচিত অসপিনা ডিনেস্ট্রি কফি বিনস। ১৮৩৫ সালে জেল পালানো দুই ভাইয়ের হাত ধরেই সর্বপ্রথম এই কফির উৎপত্তি হয়। নামের মতোই বেশ খানদানি পরিবেশে বেড়ে ওঠে এই কফি গাছ। কলম্বিয়ার অ্যান্টিওকিয়া (Antioquia) প্রদেশে প্রায় ৭৫০০ ফিট উঁচু আগ্নেয়গিরির ভস্মযুক্ত স্থানে এই কফি গাছগুলো পাওয়া যায়। অমন পরিবেশ ও স্থানে বেড়ে ওঠার ফলে এই কফির স্বাদ ও গন্ধ যেকোন কফি থেকেই ভিন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া কফি প্রস্তুত করার হলে ভেলভেটের মতো নমনীয় তবে প্রখর সুগন্ধের কফি তৈরি হয়। প্রতি পাউন্ড অসপিনা কফি কিনতে গুণতে হবে ১৫০ মার্কিন ডলার তথা ১২,৬১৮ টাকা।

৩. হাসিয়েন্ডা লা এসমেরাল্ডা (Hacienda la Esmeralda)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582384771.jpg

এই কফিটি গেইশা (Geisha) কফি বিনস হিসেবেও পরিচিত, যার আদি উৎপত্তিস্থল হলো ইথিওপিয়া। তবে পরবর্তীতে পানামাতে এসে জনপ্রিয় ও মূল্যবান কফি বিনস হিসেবে পরিচিত লাভ করে গেইশা। এই কফিটির ব্যতিক্রমী স্বাদ ও গন্ধের প্রধান কারণ কফি বিনস বেড়ে ওঠে ভিন্ন মাত্রার উচ্চতায়। মাটি থেকে প্রায় ১৫০০-১৯০০ মিটার উপরে জন্ম নেওয়া এই কফি বিনসের স্বাদ ও গন্ধ একেবারেই ভিন্ন হয়ে থাকে। এছাড়া এই কফি তৈরিতে শারীরিক পরিশ্রম ও যথেষ্ট সময়ের প্রয়োজন হয়। যে কারণে দামটাও গুণতে হয় বেশি। প্রতি পাউন্ড হাসিয়েন্ডা লা এসমেরাল্ডা কফি বিনস পাওয়া যাবে ১০০-৩৫০ মার্কিন ডলার তথা ৮৪১২-২৯,৪৪৩ টাকায়।

২. কপি লুয়াক (Kopi Luwak)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582501710.jpg

বিশ্বজোড়া অন্যতম জনপ্রিয় ও বিখ্যাত (নাকি কুখ্যাত!) কফি হলো এই কপি লুয়াক। মূলত এই কফি বিনস তৈরির মূল প্রক্রিয়াটির জন্যেই কপি লুয়াককে এতো বেশি মানুষ চেনে। পাম সিভেট (Palm Civet) নামক প্রাণী যাকে ইন্দোনেশিয়ার স্থানীয় নামে টডি ক্যাট নামেই ডাকা হয়ে থাকে, এই প্রাণীর মল থেকে পাওয়া যায় চড়া মূল্যের এই কফি বিনস।

বড় চোখের প্রাণী পাম সিভেট দারুণ বাছবিচার করে তবেই কফি চেরি খায়। সবচেয়ে ফ্রেশ, মিষ্টি ও সুন্দর কফি চেরিগুলো বেছে নেয় তারা খাওয়ার জন্য। কফি চেরিগুলো খাওয়ার পর সেগুলো সিভেটের পেটে ভালোভাবে পরিপাক হয়। এটাই মূলত কফি চেরিগুলোর সবচেয়ে ভালো ও প্রাকৃতিক ফার্মেনটেশন প্রক্রিয়া। পরিপাককৃত কফি চেরিগুলো মলের সাহায্যে বের হয়ে যাওয়ার পর সেগুলো বেছে কয়েক ধাপে পরিষ্কার করে, রোস্ট করে তবেই কফির জন্য জ্বাল দেওয়া হয়। এই কপি লুয়াক কেনা যায় প্রতি পাউন্ড ৬০০ মার্কিন ডলার তথা ৫০,৪৭৫ টাকায়। তবে দুঃখজনক হলো, বেশ কিছু সুযোগ সন্ধানী প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি সিভেটকে খাঁচায় আটকে রেখে কপি লুয়াক কফি বিনস প্রস্তুতের চেষ্টা করছে অর্থলোভে। এতে করে সিভেটের উপরে প্রভাব পড়ার পাশপাশি, রিয়েল কপি লুয়াকের মানও কমে যাচ্ছে।

১. ব্ল্যাক আইভরি (Black Ivory)

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Mar/26/1553582543558.jpg

বিখ্যাত কপি লুয়াকের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণের বেশি দামী ব্ল্যাক আইভরি দখল করে নিয়েছে এক নাম্বার স্থানটি। নামের মতোই বেশ গাম্ভীর্যপূর্ণ ও রহস্যময় মনে হতে পারে এই কফিকে। কিন্তু এই কফিটির সাথে কপি লুয়াকের খুব দারুণ একটি মিল রয়েছে। ব্ল্যাক আইভরিও তৈরি করা হয় হাতির মল থেকেই!

উত্তর থাইল্যান্ডের হাতিদের অ্যারাবিকা কফি বিনস খাওয়ার মধ্য দিয়ে এই ব্ল্যাক আইভরি তৈরির প্রস্তুত প্রণালি শুরু হয়। হাতি এক বিশেষ ধরণের এনজাইম তৈরি করে, যার ফলে কফি বিনস সম্পূর্ণভাবে পরিপাক হতে দীর্ঘ সময়ের প্রয়োজন হয়। পরবর্তীতে হাতির মল থেকে কফি বিনস আলাদা করা হয়।

এই কফির অবিশ্বাস্য উচ্চমূল্যের পেছনে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। হাতি যে পরিমাণ কফি বিনস খায়, যে পরিমাণ পরিপাককৃত কফি বিনস পাওয়া যায় না। কারণ হাতি বেশিরভাগ কফি বিনস সম্পূর্ণ চিবিয়ে ফেলে। এছাড়া হাতির মল থেকে আস্ত কফি বিনস খুঁজে বের করাও বেশ কষ্টসাধ্য ও সময় সাপেক্ষ বিষয়। সর্বোচ্চ দামের ব্ল্যাক আইভরি কফি পান করতে চাইলে প্রতি পাউন্ড কফি বিনস কিনতে হবে ১৫০০ মার্কিন ডলার তথা ১,২৬,১৮৮ টাকায়।

আরও পড়ুন: কতটা উপকারী প্রিয় পানীয় কফি?

আরও পড়ুন: কোল্ড কফি ও হট কফি: কোনটা বেশি উপকারী?

আপনার মতামত লিখুন :

অবিবাহিত নারীরাই সবচেয়ে সুখী!

অবিবাহিত নারীরাই সবচেয়ে সুখী!
একা থাকলেই সুখে থাকা যাবে সবচেয়ে ভালোভাবে, ছবি: সংগৃহীত

এই ২০১৯ সালে এসে ‘কুড়িতেই বুড়ি’ প্রবাদটি না খাটলেও,

বয়স পঁচিশের গণ্ডি পেরোনোর আগেই এ দেশের প্রতিটি মেয়ের বিয়ের জন্য তোরজোড় শুরু হয়ে যায়।

নিজের পরিবার, সংসার, সন্তানসন্ততির স্বপ্ন সবারই থাকে। জীবনের একটা পর্বে এসে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবাই চায় বিয়ে করে থিতু হতে। কিন্তু সমস্যাটা হলো, বিয়ে করে সুখী কতজনে? নির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, বিয়ে করে সুখী কতজন নারী?

নিজের চিরচেনা গণ্ডির বাইরে এসে সম্পূর্ণ অথবা আধা-পরিচিত একটি পরিবারের সাথে মানিয়ে নেওয়া, দায়িত্ব নেওয়া, সবকিছু সামলানোর ঝক্কি মাথায় নেওয়া, সবার মন রক্ষা করে চলা- একজন নারীর জন্য কতটা সুখ বয়ে আনে?

এতদসত্ত্বেও বান্ধবীর বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, ছোট ভাই-বোনদের বিয়ে আটকে আছে, বয়স বেড়ে যাচ্ছে, সময় চলে যাচ্ছে- এমন নানান চিন্তায় বিয়ে করার জন্য প্রতিটি অবিবাহিত নারীই নিজের ভেতর থেকে বিয়ে করার তাগিদ অনুভব করেন, পুরোপুরিভাবে বিয়ে জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত না হলেও।

তবে এ বিষয়ে একটি চমৎকার সুখবর জানানো যায়। বিহাভিয়েরাল সায়েন্সের প্রফেসর পল ডল্যান দ্য গার্ডিয়ানকে বলেন, ‘অন্যান্য গোষ্ঠীর মাঝে বিবাহিতরা তুলনামূলক সুখী। তবে তা শুধু তখনই, যখন সঙ্গী তাদের সাথে একই ঘরে থাকে এবং তাদের সামনে প্রশ্ন করা হয়- কেমন আছেন তারা। কিন্তু যখনই সঙ্গী ঘরে থাকেন না বা ঘরে থেকে বাইরে যান, তখনই ঘটনা পাল্টে যায়।’

এই বক্তব্যের সাথে তিনি যোগ করেন, ‘সবচেয়ে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী ও সুখী হলেন অবিবাহিত ও নিঃসন্তান নারীরা।’

তার লেখা ‘হ্যাপি এভার আফটার: এস্কেপিং দ্য মিথস অব দ্য পারফেক্ট লাইফ’ বইটা প্রকাশের কিছুদিন পরেই তিনি এমন বক্তব্য রাখেন। দ্য গার্ডিয়ানের মতে যেখানে অ্যামেরিকান টাইম ইউজ সার্ভে (ATUS) এর তথ্য ও পরিসংখ্যান উঠে আসে। যে পরিসংখ্যানে অবিবাহিত, বিবাহিত, সেপারেটেড, ডিভোর্সি ও বিধবাদের সুখে থাকার বিষয়ে জানতে চাওয়া হয়েছিল।

চমকপ্রদভাবে দেখা গিয়েছে, বিবাহিত পুরুষরা বেশ সুখী হয়। কারণ হিসেবে মনে করা হচ্ছে, বিয়ে ও বিবাহিত জীবনের ফলে নারীদের তুলনায় পুরুষরা বেশি সুবিধা পেয়ে থাকেন।

ডল্যান বলেন, ‘পুরুষরা গাঁটছড়া বাঁধার পর তুলনামূলক কম ঝুঁকি নেন, কাজ করেন, টাকা আয় করেন এবং তাদের আয়ুও বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পায়। অন্যদিকে বিয়ের ফলে নারীদের আয়ু কমে যায় বেশ অনেকটা।’

এ বিষয়ে আরও বড় ও বিষয় গবেষণা ও তথ্য সংগ্রহের কাজে জোরেশোরে নামবেন বলেও জানান প্রফেসর।

আরও পড়ুন: নারীদের জন্য বিশ্বের সেরা ১৯ দেশ!

আরও পড়ুন: মস্তিষ্কের সুস্থতায় মিউজিক!

কীভাবে দূর হবে অবসাদ?

কীভাবে দূর হবে অবসাদ?
অবসন্নতা দূর করতে সঠিক নিয়ম মেনে চলতে হবে।

শারীরিক অবসাদ বা ক্লান্তি, পরিশ্রান্ত বোধ হওয়ার সমস্যাটি মূলত মধ্যবয়স্কদের মাঝে বেশি দেখা দিলেও,

এখনকার সময়ে তরুণদের মাঝেও শারীরিক অবসাদ দেখা দেওয়ার প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। শারীরিক কাজের চাপ অথবা মানসিক চাপের দরুন অবসাদ তৈরি হয়। কিছু ক্ষেত্রে লুকায়িত শারীরিক সমস্যার লক্ষণ হিসেবে দেখা দেয় অবসাদ। যেমন- রক্তস্বল্পতা, হৃদরোগ, থাইরয়েডের সমস্যা, ডায়বেটিস ইত্যাদি। দীর্ঘদিন যাবত অবসাদভাব অনবরত দেখা দিতে থাকে তবে অবশ্যই চিকিৎসকের শরাপন্ন হতে হবে এবং তার পরামর্শ অনুযায়ী পথ্য গ্রহণ করতে হবে।

কাজের চাপ, মানসিক অশান্তি ও দুশ্চিন্তা থেকে যদি কিছুদিন পরপরই এই অবসাদভাব দেখা দিয়ে থাকে, সেক্ষেত্রেও নিজেকে সতেজ ও প্রাণবন্ত রাখতে কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে।

শারীরিক কার্যক্রম শুরু করতে হবে

গবেষণায় তথ্য জানাচ্ছে, শারীরিক কার্যক্রম এনার্জির মাত্রা বৃদ্ধিতে অনেকখানি অবদান রাখে। প্রতিদিন পনেরো মিনিটের হালকা ঘরানার শারীরিক কার্যক্রমও শারীরিক অবসাদ দূর করার পাশাপাশি হৃদযন্ত্র ও ফুসফুসকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের গবেষণার ফলাফল সুপারিশ করে, শারীরিক কার্যক্রম শারীরিক অবসাদ দূর করার সঙ্গে আত্মবিশ্বাসকেও দৃঢ় করতে কাজ করে।

এছাড়া অফিসে কর্মরত অবস্থায় যখনই শ্রান্তিভাব দেখা দেবে, চেয়ার ছেড়ে উঠে অফিস পরিসরে কিছুক্ষণ হাঁটাচলা করতে হবে। সম্ভব হলে বাইরে থেকে মিনিট পাঁচেকের জন্য ঘুরে আসতে হবে। এতে অবসন্নতা কমে যাবে।

পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561616943465.jpg

জানেন কি, শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেওয়া থেকেও অবসন্নতা ও ক্লান্তিভাবের তৈরি হতে পারে। কাজের চাপে, সারাদিনের ব্যস্ততায় অনেকেই পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পানের বিষয়টি একেবারেই ভুলে যান। যা থেকে শরীরে দেখা দেয় তরলের অভাব। যেহেতু আমাদের শরীরের বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য পানি প্রয়োজন হয়, তাতে ঘাটতি দেখা দিলেই এই অবসন্নতা কাজ করে।

ঘুমাতে হবে দ্রুত

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561617035879.jpg

সবসময় পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে, নিয়ম করে প্রতিদিন ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমানোর জন্য। একজন প্রাপ্ত বয়স্কের শরীরে চাহিদা অনুযায়ী ঘুমে কমতি থাকলেই অবসন্নতা দেখা দিয়ে থাকে। ২০০৪ সালে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির একটি গবেষণা জানাচ্ছে, অপরিমিত ঘুম অবসন্নতা দেখা দেওয়ার অন্যতম বড় একটি কারণ। কাজের চাপ ও বিভিন্ন ধরণের চিন্তা ও দুশ্চিন্তার দরুন ঘুমের কমতি শরীর একেবারেই নিতে পারে না।

অল্প পরিমাণে কয়েকবারে খেতে হবে

যারা দিনের মাঝে দুই-তিনবারে অনেক বেশি খাবার খান তাদের চাইতে যারা দুই-তিন ঘন্টা অন্তর অল্প পরিমাণ খাবার গ্রহণ করেন, তাদের মাঝে শারীরিক অবসন্নতা কম দেখা দেয়। এমনকি এই অভ্যাসের দরুন রক্তে চিনির মাত্রায় নিয়ন্ত্রণে থাকে। কয়েকবার খাবার খাওয়া হলেও প্রতি বারেই অল্প পরিমাণে খাবার খেতে হবে।

যোগব্যায়ামের অভ্যাস করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/27/1561619951015.jpg

যেকোন ঘরানার যোগব্যায়ামই অবসন্নতাকে দূর করতে কার্যকর। শুধু দূর করতেই নয়, শারীরিক শক্তি বৃদ্ধিতেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ-ছয় দিন যোগব্যায়ামের অভ্যাস শরীর ও মনকে প্রাণবন্ত রাখতে কাজ করবে।

আরও পড়ুন: প্রতিনিয়ত অকাল মৃত্যুকে ডেকে আনছি যার মাধ্যমে!

আরও পড়ুন: সুস্থতার জন্যে বিশ্রাম ও ঘুম কতটা জরুরি?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র