Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

১৪২৬ বর্ষবরণের আয়োজন

এবারের বৈশাখে কোন মোটিফে কেমন পোশাক!

এবারের বৈশাখে কোন মোটিফে কেমন পোশাক!
ছবি: বার্তা২৪.কম
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ফেব্রুয়ারির শুরু থেকেই চারপাশ জুড়ে বিরাজ করে সাজ সাজ রবে উৎসবের আমেজ। এই আমেজের পেছনের মূল উপলক্ষ হলো, বাঙালির অন্যতম বড় উৎসব পহেলা বৈশাখ। পহেলা বৈশাখকে ঘিরে লাল পেড়ে সাদা শাড়ির পাশাপাশি বর্তমান সময়ে আরামদায়ক পোশাকের দিকেও ঝুঁকছেন নারীরা।

কুর্তি, সালোয়ার-কামিজে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করায় এমন ধরনের আরামদায়ক পোশাকের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে উত্তোরত্তর। তারই ধারাবাহিকতায় পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে একেবারেই ভিন্ন মোটিফ ও ডিজাইনের কুর্তি, সালোয়ার-কামিজ ও শাড়ি নিয়ে এসেছে বেশ কিছু অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।

অনলাইন ও অফলাইন জগতে রুচিশীল ক্রেতাদের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠা ‘ওয়্যারহাউজ’, ‘শরদিন্দু’ ও ‘শুকশারী’র বৈশাখের সংগ্রহ নিয়ে আজকের বার্তা লাইফস্টাইলের পাতায় থাকছে বিশেষ আয়োজন। ফিচারে চোখ বুলিয়ে জেনে নিতে পারেন তিনটি ভিন্ন ব্র্যান্ডের ভিন্ন মোটিফের আয়োজন সম্পর্কে।

ওয়্যারহাউজ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202486031.jpg

রঙ নিয়ে কাজ করতে ভালোবাসেন বলে, তাসনিম ফেরদৌসের কাছে সবচেয়ে প্রিয় সময়টা হলো বৈশাখ। কারণ এ সময়ে মনের খেয়াল খুশি মতো রঙ নিয়ে কাজ করা যায়। এমন নয় যে অন্য সময় নকশা তৈরিতে ইচ্ছামতো রঙের ব্যবহার করা যায় না। কিন্তু এ সময়টাতে যেন রঙের ব্যবহারে কোন নির্দিষ্ট গন্ডি থাকে না।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202556175.jpg

সে কারণে এ বছরের ওয়্যারহাউজের বৈশাখের সংগ্রহে প্রাধান্য পেয়েছে প্রায় সকল ধরণের রঙ। এমনটাই জানালেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা, কর্ণধার ও নকশাকার তাসনিম ফেরদৌস।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202546220.jpg

সাধারণত পিওর খাদি ও সুতি তন্তু নিয়ে কাজ করা হলেও জর্জেট ও লিলেনের উপরেও কাজ করা হয়েছে বৈশাখের সংগ্রহে। নকশা ও মোটিফের ক্ষেত্রে চিরপরিচিত ‘হাতপাখা’, ‘ঘোড়া’, ‘মুখোশ’ এর পাশাপাশি গরমে প্রশান্তির আমেজ আনতে ‘ললি পপসিকল’ আইসক্রিমের আদলেও নকশা থাকছে ওয়্যারহাউজে। কুর্তি, কোটি, লঙ ড্রেস, শ্রাগের পাশাপাশি শাড়িও থাকবে তাদের সংগ্রহে। কুর্তি ও কোটির মূল্য হবে ১০০০-২১০০ টাকার মধ্যে। ১৫০০-২৫০০ টাকার মাঝে পাওয়া যাবে ওয়্যারহাউজের শাড়িগুলো। ক্রেতাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই মূল্য নির্ধারন করা হয়েছে বলে জানান তাসনিম।

শরদিন্দু

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202572804.jpg

ক্রেতাদের কাছে ইতোমধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠা প্রতিষ্ঠান শরদিন্দুর বৈশাখের সংগ্রহে থাকছে বেশ ভালো চমক। বেশ কয়েকটি ভিন্ন মোটিফ নিয়ে নকশা করা হয়েছে বৈশাখের পোশাক ও শাড়ির। ‘পোশাক নকশার সময় মাথায় রাখি, আমার নকশা করা পোশাক যেন একটি গল্প বলে। হতে পারে কোন ফিকশনের গল্প, কোন প্রাচীন পুঁথির গল্প অথবা গ্রামীণ কোন চিত্রগাথার গল্প’, বলেছেন শরদিন্দুর প্রতিষ্ঠাতা, কর্ণধার ও নকশাকার হাবিবা আক্তার সুরভী।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202591013.jpg

সেই ধারাবাহিকতায় শরদিন্দুর বৈশাখের সংগ্রহে প্রাচীন তিব্বতের মন্ত্র থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে কিছু জামা নকশা করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ পটচিত্র, লোকচিত্র, দক্ষিনের মাধুবানী আর্ট, জয়পুরের হাওয়া মহল, মুঘল মিনিয়েচার আর্ট পদ্মপুরাণের বেহুলা লক্ষিন্দরের দৃশ্যপটও ফুটে উঠেছে শরদিন্দুর নকশায়।

গরমের দিকটি বিবেচনায় নিয়ে সুতি কাপড় প্রাধান্য পেলে জমকালো অনুষ্ঠানের জন্য সিল্ক, জর্জেটের পোশাকও থাকছে। এছাড়া সংযোজন হিসেবে শরদিন্দু এনেছে তাতীর হাতে বোনা শাড়িতে স্ক্রিনপ্রিন্টের নকশা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202610608.jpg

সুরভী জানান, পোশাকের মূল্য নির্ধারণের সময় নিজেকে ক্রেতার স্থানে ভেবেই মূল্য নির্ধারণ করেন তিনি। তাই বেশ সুলভমূল্যেই পাওয়া যাবে ব্যতিক্রমী বৈশাখী সংগ্রহ। সুতির পোশাকগুলো ১০০০-২২০০ টাকা, সিল্ক ও জর্জেটের পোশাক ১৪০০-২৫০০ টাকা এবং শাড়ি পাওয়া যাবে ১৫০০-২৫০০ টাকার মাঝে।

শুকশারী

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202748810.jpg

দুই বন্ধু আনন্দময়ী প্রমা ও মিথিলা কবির এর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠা অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান শুকশারী। পোশাকের নকশা করার ক্ষেত্রে স্ক্রিনপ্রিন্ট ও ডিজিটাল প্রিন্টের উপরেই বেশি কাজ করা হয় বলে জানান প্রতিষ্ঠানটির সহ-প্রতিষ্ঠাতা প্রমা।

শুকশারীতে পোশাকের তন্তু নির্বাচনের ক্ষেত্রে ক্রেতার আরামের বিষয়টি সবসময় গুরুত্ব দেওয়া বলে সুতি ও লিলেনের উপরেই বেশি কাজ করা হয়। মূলত একটি নির্দিষ্ট থিম বা গল্পকে কেন্দ্র করেই পোশাকের নকশা করা হয়। তাই বৈশাখের জন্য একটু ভিন্ন মোটিফ নিয়ে কাজ করার চেষ্টায় শুকশারী নিয়ে এসেছে ‘রবী-পত্র’। যেখানে পোশাক জুড়ে বিশ্বকবীর হাতে লেখা চিঠিকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। সাথে রয়েছে বিখ্যাত ‘গুপী গাইন বাঘা বাইন’ চলচিত্রের পোস্টারে নিয়ে তৈরি করা নশকাদার পোশাক।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/02/1554202766702.jpg

এছাড়াও দেশীয় মোটিফের ছিমছাম নকশা ও হালকা ঘরানার রঙের কাজও রয়েছে শুকশারীর বৈশাখের সংগ্রহে। এখানে সিংগেল কুর্তি ১২৫০-১৪০০ টাকা ও থ্রি-পিস ১৭০০-২৪৫০ টাকার মাঝেই পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন: সাজ-পোশাকে দ্যুতি ছড়াচ্ছে ‘দেবী’

আরও পড়ুন: শারদ সাজে থাকুক হাতে তৈরি নান্দনিক টিপ

আপনার মতামত লিখুন :

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো

ছারপোকা দূর করবে এই জিনিসগুলো
টি ট্রি অয়েল, লবণ ও ল্যাভেন্ডার পাতা ছারপোকা দূর করতে কার্যকরি উপাদান

ছারপোকা দেখা দেওয়ার সমস্যাটি একইসাথে খুব বিরক্তিকর ও সাধারণ।

যারপরনাই এ সমস্যায় ভোগান্তি পোহাতে হয় ছারপোকাযুক্ত আসবাব, বিছানা, সোফা প্রভৃতি ব্যবহারকারীকে। রাতের দিকে সাধারণত এদের উপদ্রব বেশি দেখা যায়।

মূলত স্যাঁতস্যাঁতে ও পর্যাপ্ত আলো-বাতাসহীন স্থানে ছারপোকা বেশি হয়। সেক্ষেত্রে বিছানা, বালিশ, কুশন, তোশকের মতো নরম স্থানে ছারপোকা হলে রোদের আলোতে কয়েকদিন এই জিনিসগুলো রাখা হলে ও পোকামাকড় দূর করার স্প্রে ব্যবহার করা হলে ছারপোকা বেশিরভাগ সময় দূর হয়ে যায়।

তবে ঢাকা শহরে বহু স্থানের বাড়িতেই রোদের আলো প্রবেশ করতে পারে না। এছাড়া অন্যান্য আসবাবে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে রোদের আলোতে দেওয়া কষ্টকর। সেক্ষেত্রে কিছু উপাদানের ব্যবহারে আসবাবসহ অন্যান্য জিনিসপত্র থেকে সহজেই ছারপোকা দূর করা যাবে।

টি ট্রি অয়েল

টি ট্রি অয়েলের গন্ধ ছারপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে উপকারী এই এসেনসিয়াল অয়েলের ব্যবহারে ছারপোকা দূর করা যাবে ঝামেলাহীনভাবে। ২০০ মিলিলিটার পানিতে ২০ ফোঁটা টি ট্রি অয়েল মিশিয়ে ছারপোকাযুক্ত আসবাবে স্প্রে করে কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হবে এবং পুনরায় ছারপোকা যেন ফিরে না আসে, সেজন্য আসবাবে ১০ দিন পরপর টি ট্রি অয়েলযুক্ত পানি স্প্রে করতে হবে।

বেকিং সোডা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034457047.jpg

প্রতি রান্নাঘরেই এই উপাদানটি পাওয়া যাবে। শুধু রান্নার কাজে নয়, ছারপোকা দমনেও দারুণ কার্যকরি এই উপাদানটি। ছারপোকা আক্রান্ত আসবাবের উপর বেকিং সোডা ছিটিয়ে একদিনের জন্য রেখে দিতে হবে এবং একদিন পর পুনরায় বেকিং সোডা ছিটাতে হবে। এতে করে ছারপোকা মরে যাবে।

সাদা ভিনেগার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566034474797.JPG

ভিনেগারের তীব্র গন্ধ ছারপোকার যন্ত্রণা দূর করতে খুবই ভালো কাজ করে। বিশেষত আসবাবপত্রে ছারপোকা দেখা দিলে, সেক্ষেত্রে সাদা ভিনেগারের ব্যবহার সবচেয়ে উপকার দেবে। সমপরিমাণ পানি ও সাদা ভিনেগার মিশিয়ে পরপর কয়েকদিন ছারপোকাযুক্ত আসবাব মুছলে ছারপোকা চলে যাবে। ছারপোকা দূর হয়ে যাওয়ার পর প্রতি সপ্তাহে একবার ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে আসবাব মুছে নিতে হবে।

লবণ

সাধারন লবণ খুব ভালো ছারপোকা রিপ্যালেন্ট হিসেবে কাজ করে। বিছানা, বালিশের মতো জিনিসে ছারপোকার প্রাদুর্ভাব দেখা দিলে লবণ মিশ্রিত পানি স্প্রে করে শুকাতে হবে। এতে করে ছারপোকা দূর হয়ে যাবে।

ল্যাভেন্ডার পাতা

ল্যাভেন্ডারের মতো উপকারী পাতার গন্ধে ছারপোকা খুব দ্রুতই পালায়। জামাকাপড়ে বা বালিশ ও কুশন কভারে ছারপোকার আনাগোনা দেখা দিলে ল্যাভেন্ডার পাতা রেখে দিতে হবে। ব্যস ছারপোকার জন্য আর দুশ্চিন্তা করতে হবে না।

আরও পড়ুন: কর্নস্টার্চ ও কর্নফ্লাওয়ারের মাঝে পার্থক্য কী?

আরও পড়ুন: সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র