Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

মেটাবলিজম কমছে যেসকল অভ্যাসে

মেটাবলিজম কমছে যেসকল অভ্যাসে
কম ঘুম মেটাবলিজমের মাত্রা কমায়, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

মেটাবলিজম এক প্রকারের কেমিক্যাল রিঅ্যাকশন, যা কোষ ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত।

মেটাবলিজমের মাত্রা যত কম হয় ওজন ততটাই বৃদ্ধি পায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে অকারণে ওজন বেড়ে যাওয়ার কারণটি হলো, বয়স বৃদ্ধির পাওয়ার ফলে মেটাবলিজমের হার কমে যেতে থাকে প্রাকৃতিকভাবেই।

নির্দিষ্ট একটি বয়স পর্যন্ত মেটাবলিজমের হার শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী স্বাভাবিক থাকে। কিন্তু প্রতিদিনের কিছু বদভ্যাসে মেটাবলিজমের হার কমে যায় লক্ষ্যণীয় মাত্রায়। ফলাফল স্বরূপ দেখা দেয় বাড়তি ওজন।

হয়তো নিজের আপনার মাঝেও আছে এই সকল বদভ্যাসের কয়েকটি। জেনে রাখুন ও সচেতন হোন এখনই।

সকালের নাস্তা দেরী করে খাওয়া

সকালের নাস্তা যত দেরী করে খাওয়া হয়, খাবারের পুষ্টিগুণ পাওয়া যায় তত দেরীতে ও খাবার পরিপাক হতে সমস্যা। সেই সাথে কমে যায় মেটাবলিজমের হার। আমাদের গ্রহণকৃত খাদ্যপরিপাক হয়ে শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। যা শরীরে শক্তির যোগান দেয়। এই প্রক্রিয়া বাধাপ্রাপ্ত হওয়ার দরুন মেটাবলিজমের স্বাভাবিক ক্রিয়া স্লথ হয়ে যায়।

পর্যাপ্ত পানি পান না করা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/06/1554554027286.jpeg

মানবদেহের প্রতিটি সেলুলার প্রসেস পানির উপর নির্ভরশীল, ফলে শরীরে যখন পানি স্বল্পতা দেখা দেয় তখন স্বাভাবিকভাবে মেটাবলিজমের হার কমে যায়। এমনকি  পর্যাপ্ত পানি পান করা না হলে হাঁটাচলা ও স্বাভাবিক কার্যক্রমের জন্যেও পর্যাপ্ত শক্তি পাওয়া যায় না।

ক্রাশ ডায়েট ফলো করা

বাড়তি ওজনকে কমিয়ে ফেলার জন্য অনেকেই ক্রাশ ডায়েট ফলো করে থাকেন। যা কোনভাবে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্য ও পুষ্টির অভাব দেখা দিলে মেটাবলিজমের হার কমে যায় এবং শরীরে জমে থাকা ক্যালোরি বার্ন করতে শুরু করে।

প্রয়োজনের চাইতে বেশি সময় বসে থাকা

অফিসে, গাড়িতে, বাসায় বসে নেটফিক্স দেখা- প্রতিটি ক্ষেত্রেই প্রয়োজনের চাইতে অনেক বেশি সময় একতানা বসে থাকার ফলে হৃদরোগ, ডায়বেটিসসহ দেখা দিতে পারে গুরুত্বর শারীরিক সমস্যা। প্রায় ৪৭টি ভিন্ন গবেষণার ফলাফল জানাচ্ছে- নিয়মিত শরীরচর্চা করা হলেও একটানা দীর্ঘসময় বসে থাকার ফলে মেটাবলিজম একেবারেই নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে। এতে করে শরীরে চিনির মাত্রা বেড়ে যায় অনেক। যে কারণে গবেষকেরা পরামর্শ দেন, প্রতি আধা ঘণ্টা অন্তর অন্তত মিনিট পাঁচেকের জন্য হাঁটাহাটি করার। এমনকি কোন কিছু না করে শুধু দাঁড়িয়ে থাকলেও মেটাবলিজম সচল থাকে।

প্রয়োজনের চাইতে কম ঘুমানো

একজন প্রাপ্তবয়স্কের গড়ে প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো প্রয়োজন। কিন্তু নানাবিধ কারণ ও ব্যস্ততার দরুন প্রয়োজনের চাইতে কম ঘুমানো হয় অনেকের। কম ঘুমের ফলে ইন্স্যুলিন রেসিস্ট্যান্স বৃদ্ধি পায়, যা বাড়িয়ে দেয় রক্তে চিনির মাত্রা। এ থেকেই মেটাবলিজমের মাত্রা হ্রাস পায়।

প্রবল মানসিক চাপ

মানসিক চাপের সঙ্গে নিঃসৃত হয় হরমোন কর্টিসল। কর্টিসল হরমোন নিজেই ওজন বৃদ্ধির জন্য দায়ী। উপরন্তু কর্টিসল মেটাবলিজমের হারকেও কমিয়ে দেয়। ফলে মানসিক চাপের দরুন নেতিবাচক উভয় দিক থেকেই দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: পরিচিত বদভ্যাসেই দেখা দেয় কিডনির সমস্যা

আরও পড়ুন: হৃদরোগের ‘নীরব’ লক্ষণগুলো এড়িয়ে যাবেন না!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র