Barta24

শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬

English

সবচেয়ে সহজ রেসিপিতে গাজরের হালুয়া

সবচেয়ে সহজ রেসিপিতে গাজরের হালুয়া
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

কাল বাদে পরশু পবিত্র শবে বরাত।

এ সময়ে প্রতি ঘরে ঘরেই হালুয়া-রুটি তৈরির ধুম পড়ে যায়। প্রার্থনায় যেন পূর্ণ মনোনিবেশ করতে পারেন, তাই এক-দু দিন আগে থেকেই তৈরি করে নিতে পারেন গাজরের হালুয়া।

ভীষণ সুস্বাদু এই হালুয়াটি তৈরি করার প্রণালীটিও খুব সহজ। তবে অনেকেই সঠিক ও সহজ রেসিপিটি ভালোভাবে জানেন না। সেক্ষেত্রে গাজরের হালুয়া তৈরির সময় সমস্যায় পড়তে হতে পারে। আজকের ফিচারে তাই দেখে রাখুন সবচেয়ে সহজ রেসিপি কীভাবে তৈরি করবেন গাজরের হালুয়া।

গাজরের হালুয়া তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555659590016.JPG
গাজরের হালুয়া

 

১. ১ কেজি গাজর ৯ (কচি হলে ভালো)।

২. ৫০০ গ্রাম মাওয়া।

৩. ১ কাপ ফুল ক্রিম মিল্ক পাউডার।

৪. ১০০ গ্রাম ড্রাই ফ্রুটস (কাজুবাদাম, কাঠবাদাম, পেস্তা বাদাম ও কিশমিশ)।

৫. ২০০ গ্রাম চিনি।

৬. ১/২ চা চামচ এলাচ গুঁড়া।

৭. ১০০ গ্রাম ঘি।

গাজরের হালুয়া যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555659621714.JPG
গাজরের হালুয়া।

 

১. গাজর ধুয়ে শুকিয়ে খোসা ছিলে নিতে হবে। গ্রেটারের সাহায্যে সবগুলো গাজর গ্রেট করে নিতে হবে।

২. পাত্রে গ্রেট করা গাজর ও দুধ একসাথে দিয়ে চুলায় হালকা আঁচে বসিয়ে দিতে হবে। এভাবে ২-৩ মিনিট পরেই গাজর থেকে হালকা পানি বের হবে।

৩. এবারে পাত্রের মুখ ঢেকে হালকা আঁচে রেখে দিতে হবে। এতে করে গাজর সম্পূর্ণ দুধ শোষণ করে নিবে।

৪. গাজর শুকনো হয়ে আসলে এতে ড্রাই ফ্রুট মিক্স মিশিয়ে নিতে হবে। এরপরে মেশাতে হবে এলাচের গুঁড়া। মিনিট পাঁচেক এই মিশ্রণটি চুলায় হালকা আঁচে নাড়াচাড়া করতে হবে।

৫. এতে চিনি মিশিয়ে পুনরায় ভালোভাবে নাড়তে ও মেশাতে হবে। কিছুক্ষণ নেড়ে এতে ঘি দিয়ে পুনরায় ভালোভাবে নাড়তে হবে যেন চিনি পুরোপুরি মিশে যেতে পারে।

৬. গাজর থেকে ঘি, দুধ ও গাজরের মিশ্রণে মিষ্টি গন্ধ ছাড়লে চুলার আঁচ বন্ধ করে নামিয়ে নিতে হবে।

পরিবেশনের সময় হালুয়ার উপরে পছন্দমতো বাদামের কুঁচি ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: বছরের প্রথম দিনে ডিমের হালুয়ায় মিষ্টিমুখ

আরও পড়ুন: মাত্র পাঁচটি উপাদানে চকলেট-সুজির হালুয়া!

আপনার মতামত লিখুন :

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়

তিন উপাদানে ডিটক্সিফাইং পানীয়
ডিটক্সিফাইং পানীয়

অন্যান্য সময়ের চাইতে ঈদের সময়টাতে তেল, চর্বি ও উচ্চমাত্রার ক্যালোরিযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া হয়।

এতে করে সহজেই শরীরের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পরে। এই ক্ষতিকর প্রভাব কাটানোর জন্য প্রয়োজন হয় ডিটক্সিফাইং পানীয়। যা শরীর থেকে ক্ষতিকর প্রভাবকে দূর করে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

এমন পানীয় তৈরিতে সাধারণত খুব বেশি উপাদান প্রয়োজন হয় না। আজকের বিশেষ ডিটক্সিফাইং পানীয়টি তৈরিতেও মাত্র তিনটি সহজলভ্য উপাদান প্রয়োজন হবে। প্রতিদিন সকালে খালি পেটে এই পানীয়টি পান করলে সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যাবে।

ডিটক্সিফাইং পানীয় তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047849609.jpg

১. একটি বড় লেবুর রস।

২. ১-২ ইঞ্চি পরিমাণ আদা কুঁচি।

৩. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৪. দুই কাপ পরিমাণ পানি।

৫. এক চিমটি কালো গোলমরিচ গুঁড়া (ঐচ্ছিক)

ডিটক্সিফাইং পানীয় যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566047866015.jpg

পানি ফুটিয়ে নামিয়ে এতে লেবুর রস, আদা কুঁচি, হলুদ গুঁড়া ও গোলমরিচ গুঁড়া মিশিয়ে পুনরায় চুলায় বসিয়ে ফুটিয়ে নিতে হবে। তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে কুসুম গরম থাককাকালী সময়ে পান করতে হবে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে উপকারী পাঁচ পদের জুস

আরও পড়ুন: আহ, মশলা চা!

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?

কতখানি নিকোটিন থাকে একটি সিগারেটে?
ছবি: সংগৃহীত

প্রশ্নাতীতভাবে ধূমপান সবচেয়ে বাজে ও ক্ষতিকর একটি অভ্যাস।

এ বদভ্যাসের দরুন নিজের স্বাস্থ্য তো বটেই, পাশাপাশি অন্যের স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মাঝে পড়ে যায়। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরেও বেশিরভাগ ধূমপায়ী এই অভ্যাসটি বাদ দিতে চান না। তবে এর বিপরীত চিত্রও রয়েছে। অনেকেই চেষ্টা করেন স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এই অভ্যাসটিকে পাশ কাটিয়ে উঠতে। তবে ধূমপায়ী, অধূমপায়ী ও ধূমপান ত্যাগ করার চেষ্টা করছেন যারা, প্রত্যেকেই একটি বিষয় সম্পর্কে জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন- একটি সিগারেটে কতখানি নিকোটিন থাকে! চলুন এই বিষয়টি জানানো যাক।

প্রতিটি সিগারেটে থাকে ৭০০০ ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল। যার মাঝে সবচেয়ে ক্ষতিকর হলো নিকোটিন (Nicotine). হাজারো ধরনের কেমিক্যালের ভেতর এই নিকোটিন তৈরি হয় তামাক পাতা থেকে। তামাক পাতা থেকে তৈরি হওয়া এই উদ্ভিজ কেমিক্যাল নিকোটিনেই ধূমপায়ীদের আসক্তি তৈরি হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/17/1566042274926.jpg

মেডিকেশন অ্যাডভোকেট জেসন রিড জানান, প্রতিটি সিগারেটে গড়ে এক মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। এছাড়া এক গবেষণা থেকে দেখা গেছে সিগারেটের ধরনের উপর নির্ভর করে এক একটি সিগারেটে ১.২-১.৪ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। স্বল্প নিকোটিনযুক্ত ‘সিগারেট লাইট’ এ ০.৬-১ মিলিগ্রাম পরিমাণ নিকোটিন থাকে। তবে সাধারণ সিগারেটের মতো সিগারেট লাইটেও একই ধরনের সিগারেট বুস্ট তথা সিগারেটের প্রভাব থাকে।

এছাড়া নিকোটিন গ্রহণের মাত্রা ধূমপায়ীর উপর নির্ভর করে। সিগারেটে কত জোরে টান দিচ্ছে এবং সিগারেট পাফের কতটা নিকটবর্তী স্থান পর্যন্ত সিগারেট পান করছে- এই দুইটি বিষয়ের উপর নির্ভর করেও নিকোটিন গ্রহণের মাত্রায় তারতম্য দেখা দেয়।

আরও পড়ুন: ধূমপানে অন্ধত্ব!

আরও পড়ুন: প্যাসিভ স্মোকিংয়ে ক্যানসার ঝুঁকিতে আমরা সবাই!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র