Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ওয়ার্ল্ড লিভার ডে: লিভারের সুস্থতায় যে সকল খাবার

ওয়ার্ল্ড লিভার ডে: লিভারের সুস্থতায় যে সকল খাবার
ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

‘পাওয়ার হাউজ’ খ্যাত প্রত্যঙ্গ হলো লিভার তথা যকৃত।

পরিপাকতন্ত্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই অংশটি মানবদেহের দ্বিতীয় বৃহত্তম প্রত্যঙ্গ। খাদ্য সঠিক ও পরিপূর্ণভাবে পরিপাক করা ও শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন পদার্থ বের করে দেওয়ার জন্য কাজ করে লিভার।

সাধারণত লিভার ২ শতাংশ পর্যন্ত ফ্যাট ধারণ করতে পারে। এই পরিমাণটি যদি ১০ শতাংশ হয়ে যায় তবে তাকে ‘ফ্যাটি লিভার’ হিসেবে ধরা হয়। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা যদি বৃদ্ধি পেতে থাকে তবে তা থেকে লিভার সিরোসিস (Cirrhosis) ও লিভার ফেইল্যুরের মতো গুরুত্বর সমস্যাও দেখা দিতে পারে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555670207817.jpg
যকৃতের প্রতীকী ছবি।

 

কী কারণে ফ্যাটি লিভারের সমস্যাটি দেখা দেয়?

ফ্যাটি লিভারের সমস্যাটি হতে পারে দুইটি কারণে। প্রথমত, মদ্যপানের ফলে। দ্বিতীয়ত অস্বাস্থ্যকর খাবার, অতিরিক্ত ওজন, হাইপারলিপিডেমিয়া, ডায়বেটিসজনিত কারণে।

ফ্যাটি লিভারের লক্ষণগুলো কী?

মূলত বেশ কয়েক বছর ধরে ধীরে ফ্যাটি লিভারের সমস্যাটি তৈরি হয়। ফলে এই রোগটির লক্ষণগুলো খুবই অস্পষ্ট এবং হুট করেই দেখা দেয়। আলাদাভাবে কোন শারীরিক সমস্যা বা অসুস্থতা দেখা দেয় না বলেই শনাক্তকরণে বিলম্ব হয়। তবে প্রাথমিকভাবে কিছু লক্ষণ অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তাঁর কয়েকটি হলো- অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ওজন কমে যাওয়া, ক্ষুদামন্দা, জন্ডিস, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, পেটের ডান পাশের উপরের অংশে ব্যথাভাব, দুর্বলতা ইত্যাদি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555670239964.jpg
যকৃতের প্রতীকী ছবি।

 

কীভাবে এই সমস্যাটি প্রতিরোধ করা যাবে?

উপরেই জানানো হয়েছে যে, অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসসহ অন্যান্য নানান কারণেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যাটি তৈরি হতে পারে। তবে খাদ্যাভ্যাস ঠিক রাখতে পারলে এই সমস্যাটি অনেকাংশেই দূরে রাখা সম্ভব।

আজ ১৯ এপ্রিল ‘ওয়ার্ল্ড লিভার ডে’ হিসেবে পালন করা হয়। নিজের সুস্থতা নিশ্চিত করতে জেনে নিন কয়েকটি খাদ্য উপাদানের নাম, যা লিভারকে সুস্থ রাখতে ও ফ্যাটি লিভারের সমস্যা প্রতিরোধে কাজ করবে

অলিভ অয়েল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555670259065.jpg
অলিভ অয়েল। 

 

অগণিত স্বাস্থ্য উপকারিতা ও উপকারী ফ্যাট সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক এই তেলটি রাখতে হবে প্রতিদিনের খাদ্যভাসে। যা লিভারকে সুস্থ রাখার পাশাপাশি মেটাবলিজমের মাত্রা বৃদ্ধিতে ও হৃদযন্ত্র সুস্থ রাখতেও কাজ করে।

তৈলাক্ত মাছ

তৈলাক্ত মাছ থেকে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। স্বাস্থ্যকর এই ফ্যাট প্রদাহ কমাতে, লিভারকে সুস্থ রাখতে, এনজাইমের মাত্রা ঠিক রাখতে ও হৃদরোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে কাজ করে।

বাদাম

বিভিন্ন ধরনের বাদামে রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফ্যাট, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন-ই ও স্বাস্থ্যের জন্য অন্যান্য উপকারী উপাদান। পুষ্টি উপাদানের এই মিশ্রণটি একইসাথে লিভার ও হৃদযন্ত্রের জন্য উপকারী।

ফুলকপি গোত্রের সবজি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Apr/19/1555670280553.jpg
ফুলকপি গোত্রের সবজি। 

 

ক্রুসিফেরাস (Cruciferous) গোত্রের সবজি যেমন: ফুলকপি, ব্রকলি, ব্রাসেলস স্প্রাউটস প্রভৃতি সবজিতে থাকে উচ্চমাত্রার খাদ্যআঁশ। যা বিভিন্ন সবজির মাঝে অনেক বেশি উপকারিতা বহন করে। গবেষণায় দেখা গেছে ব্রকলি ও ব্রাসেলস স্প্রাউটস একই মাত্রার ডিটক্সিফাইং এনজাইম নিঃসৃত করে। যা লিভারের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

বিটরুটের জ্যুস

বিটরুটের জ্যুসে হলো নাইট্রেটস ও বেটালাইনস নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের চমৎকার এক উৎস। যা হৃদযন্ত্র ও লিভারকে সুস্থ রাখে যেকোন ধরনের প্রদাহ ও অক্সিডেটিভ ড্যামেজ থেকে।

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড ডায়বেটিস ডে: প্রতিরোধে প্রয়োজন সচেতনতা

আরও পড়ুন: ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার ডে: ক্যান্সার দূরে রাখবে সঠিক নিয়ম

আপনার মতামত লিখুন :

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?

গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে কী করতে হবে?
গরমে ঘামাচির সমস্যাটি খুব বেশি দেখা দেয়, ছবি: সংগৃহীত

আবহাওয়ার তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেতে থাকলেই দেখা দিতে শুরু করে নানাবিধ শারীরিক সমস্যা, যার মাঝে থাকে ত্বকের সমস্যাও।

ঘামাচি তেমনই গরমকালীন একটা ত্বকের সমস্যা। গরমে ত্বকে লালচে র‍্যাশ ওঠাকেই স্থানীয় ভাষায় বলা হয় ঘামাচি ওঠা। এই র‍্যাশগুলো ত্বকে চুলকানির উপদ্রব তৈরি করে এবং বেশ জ্বালাপোড়া হয় ত্বকে।

কেন ঘামচি দেখা দেয়?

শরীরের ঘর্মগ্রন্থিগুলো বন্ধ হয়ে গেলে ঘামাচি দেখা দেয়। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীরের কিছু অংশে ত্বকের নিচের ঘাম আটকে থাকে, যা থেকে ত্বকের সমস্যা তথা র‍্যাশ বা ঘামাচি তৈরি হয়। আক্রান্ত স্থানের ত্বক লালচে হয়ে ছোট ছোট র‍্যাশ দেখে দেয় এবং ঘামচির সমস্যাটি শিশু থেকে শুরু করে পূর্ণবয়স্ক সবারই হতে পারে।

ঘামাচি সাধারণত ঘাড়, পিঠ, গলার ভাঁজে, হাতের ভাঁজে ও দুই পায়ের মধ্যবর্তী অংশে দেখা দেয়। বলা যেতে পারে, শরীরের যে অংশগুলোতে ঘাম জমে থাকে এবং সহজে বাতাস চলাচল করতে পারে না, সে অংশগুলোতেই ঘামাচির সমস্যা দেখা দেয়। এছাড়া অতিরিক্ত রোদের আলোর সংস্পর্শে আসলে শরীরের অন্যান্য অংশেও ঘামাচি দেখা দিতে পারে।

ঘামাচি প্রতিরোধে কী করতে হবে?

কিছুটা সাবধানতা অবলম্বন করতে পারলেই ঘামাচি থেকে নিজেকে দূরে রাখা সম্ভব হবে। এছাড়া ঘামাচির প্রকোপ শিশুদের মাঝে যেহেতু বেশি দেখা দেয়, সঠিক যত্ন ও খেয়াল রাখা হলে শিশুদের ঘামাচির সমস্যাটি কমে যাবে। সেক্ষেত্রে জেনে রাখুন একদম সহজ কিছু নিয়ম, যা মেনে চললে ঘামাচির উপদ্রব কম দেখা দেবে।

১. খুব বেশি গরম ও আর্দ্রতাপূর্ণ স্থান এড়িয়ে যেতে হবে এবং যতটা সম্ভব বাইরে সরাসরি রোদের আলো থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করতে হবে। কোন কারণ ঘাম তুলনামূলক বেশি হলে দ্রুত ফ্যানের নিচে বাতাসযুক্ত স্থানে বসতে হবে এবং শরীরের ঘাম শুকানোর চেষ্টা করতে হবে। এ সময়ে সাধারণ তাপমাত্রার পানি পান সবচেয়ে ভালো কাজ করবে।

২. গরম আবহাওয়ায় অন্যান্য যেকোন ধরনের তন্তুর চেয়ে সুতি তন্তুর পোশাক পরা সবচেয়ে বেশি উপকারী। সুতি কাপড় দ্রুত ঘাম শোষণ করে ও শুকিয়ে ফেলে এবং সুতি কাপড়ের ভেতর থেকে খুব ভালোভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে। যদিও সিল্ক, লিলেন, জর্জেট কাপড়গুলো আভিজাত্যভাব আনে, এই গরমে ঘামাচিকে দূরে রাখতে চাইলে সুতি তন্তুর পোশাকই বেছে নিতে হবে।

৩. বাইরে কাজে বের হওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই সাথে ফেসিয়াল টিস্যু ও পকেট তোয়ালে রাখার চেষ্টা করতে হবে। গরমে ঘাম হলেই সাথে সাথে ঘাম মুছে ফেলতে হবে এবং শরীর ঠাণ্ডা করা ও শুকানোর ব্যবস্থা নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে, ঘামে ত্বক যেন ১৫-২০ মিনিটের বেশি সময় আর্দ্র না থাকে।

৪. গরমে সবচেয়ে উপকার দেয় বেবি পাউডার। শিশুদের জন্য তো বটেই, বড়দের ক্ষেত্রেও বেবি পাউডার ত্বকে আরামদায়ক ও শীতল অনুভূতি তৈরি করে। যাদের শরীর কিছুটা ভারি গড়নের তাদের জন্য বেবি পাউডার খুব ভালো কাজ করবে।

৫. বাইরে থেকে ফিরেই শরীরে পানিতে ধুয়ে ফেলা অথবা ঠাণ্ডা পানিতে কাপড় ভিজিয়ে শরীর মুছে নেওয়ার অভ্যাস করতে হবে। এতে করে ত্বকের উপরিভাগে জমে থাকা ঘাম ও ময়লা পরিষ্কার হয়ে যাবে এবং ঘামাচির উপদ্রব দেখা দেবে না।

আরও পড়ুন: শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

আরও পড়ুন: পানিশূন্যতা রোধে কী করা প্রয়োজন?

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র