Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৭ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

বুক জ্বালাপোড়া কমাবে যে খাবারগুলো

বুক জ্বালাপোড়া কমাবে যে খাবারগুলো
ছবি: বার্তা২৪
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

প্রচলিত এই সমস্যাটি দেখা দেয় খাদ্যাভাসের অনিয়মসহ পেটের সমস্যা ও অনিয়মের কারণেও।

গ্যাস্ট্রোএসোফেজাল রিফ্লাক্স ডিজিজ (Gastroesophageal Reflux Desease) তথা অ্যাসিড রিফ্লাক্সের ফলেই মূলত বুক জ্বালাপোড়া করে। পাকস্থলী থেকে অ্যাসিড উপরের দিকে উঠে আসার ফলে এই সমস্যাটি হয়ে থাকে।

একদিকে খাবার যেমনভাবে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি তৈরি করে, তেমনিভাবে কিছু খাবার বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা কমিয়েও থাকে। খাদ্যাভাসের প্রতি সচেতন হলেও প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় এই খাবারগুলো রাখলে বুক জ্বালাপোড়া দেখা দেওয়ার প্রভাব কমে যাবে অনেকটা।

আদা

আদাতে রয়েছে প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান। যা বুক জ্বালাপোড়া ও গ্যাসজনিত সমস্যা কমানোর ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক উপাদান হিসেবে কাজ করে। আদা গ্রহণের জন্য আদা কুঁচি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি ছেঁকে পান করতে হবে।

অ্যালোভেরা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/04/1556968589992.jpg
অ্যালোভেরা জেল

 

অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি উপাদান সমৃদ্ধ অ্যালোভেরা হিলিং উপাদান হিসেবে বিশেষ পরিচিত। প্রাকৃতিক ও উপকারী এই উপাদানটি অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা খুব দ্রুত কমাতে কাজ করে। অ্যালোভেরা গ্রহণের জন্য পাতার জেলের অংশ ছেঁচে নিয়ে পানি ও মধুর সাথে মিশিয়ে পান করতে হবে।

ওটস

অনেকেই সকালের নাশতা হিসেবে ওটস খেতে ভালোবাসেন। সেক্ষেত্রে বলে রাখা ভালো, যাদের বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্য এটা বিশেষ উপকারী নাশতা হিসেবে বিবেচিত হবে। পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশসমৃদ্ধ ওটস অ্যাসিড রিফ্লাক্স হতে বাধা দান করে। যদি ওটস সহজলভ্য না থাকে তবে হোল গ্রেইন ব্রেড খেতে হবে।

ডিমের সাদা অংশ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/04/1556968477406.jpg
ডিমের সাদা অংশ

 

ডিমের সাদা অংশে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফ্যাট। যা অ্যাসিড রিফ্লাক্স ও বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যাটি কমাতে কাজ করে। তবে সম্পূর্ণ ডিম খাওয়া যাবে না। ডিমের সাদা অংশ খেলে উপকার পাওয়া গেলেও ডিমের কুসুম থেকে দূরে থাকতে হবে।

কলা

ফলের মাঝে কলা বুক জ্বালাপোড়া কমায়। pH5.6 সমৃদ্ধ এই ফলটি অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কমিয়ে ফেলে। তবে ১ শতাংশ ক্ষেত্রে দেখা গেছে কলা খাওয়ার ফলে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

কলিফ্লাওয়ার সবজি

কলিফ্লাওয়ার ঘরানার সবজির মাঝে ফুলকপি, ব্রকলি, অ্যাসপ্যারাগাস অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যাটি প্রতিরোধে কাজ করে। মূলত যেকোন ধরনের সবুজ সবজিই এক্ষেত্রে উপকারী ভূমিকা পালন করে।

আরও পড়ুন: ভিটামিন-সি পাওয়া যাবে অন্যান্য যে সকল ফলে

আরও পড়ুন: কিডনি সুস্থ রাখতে যে খাবারগুলো খেতে হবে

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র