Barta24

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুলাই ২০১৯, ৩ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ
কাজ করতে হবে আত্মবিশ্বাসের সাথে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

আমাদের সবার মধ্যে সন্দেহ প্রবণতা রয়েছে এবং আমরা সবচেয়ে বেশি সন্দেহ করি নিজেদেরকেই।

আত্ম-সন্দেহের এই প্রবণতাটি প্রতিটি মানুষের সহজাত ধর্ম। দারুণ আত্মবিশ্বাসী মানুষটিও কোন না কোন সময়ে নিজের প্রতি, নিজের কাজ নিয়ে সন্দিহান হয়ে ওঠেন। আত্ম-সন্দেহের প্রবণতাটি পুরোপুরিভাবে দূর করা সম্ভব না হলেও, অভ্যাসের মাধ্যমে তা কমিয়ে আনা সম্ভব।

বিশেষত কর্মক্ষেত্রে আত্ম-সন্দেহ সবচেয়ে বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে দেয় ক্যারিয়ারে। আত্ম-সন্দেহের প্রভাব কর্মক্ষেত্রে নিজেকে পিছিয়ে দেয় অনেকটা। আপনিও যদি এমন আত্ম-সন্দেহে ভোগেন তবে আজকের ফিচারটি আপনার জন্যেই। জেনে রাখুন খুব সহজ কিছু অভ্যাস রপ্ত করার মাধ্যমে কীভাবে কর্মক্ষেত্রে আত্ম-সন্দেহ দূরে রাখবেন।

নেতিবাচক চিন্তার পরিবর্তে ইতিবাচক চিন্তা করা

যেকোন বিষয়কেই ইতিবাচকভাবে দেখার চেষ্টা করতে হবে। হয়তো আপনি অফিসে কোন কাজে অকৃতকার্য হয়েছেন। এই বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে না দেখে ইতিবাচকভাবে দেখা চেষ্টা করতে হবে। কাজটি আপনি ঠিকমতো করতে পারেননি- এমন ভাবনার পরিবর্তে ভাবুন, এই ভুল থেকে আপনি শিখতে পারছেন। সঠিকভাবে কাজ করার অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারছেন।

লিখতে হবে নিজের নেতিবাচক চিন্তাগুলো

মাথার ভেতর খুব বেশি নেতিবাচক চিন্তা ঘুরাঘুরি করছে? আত্ম-সন্দেহের প্রবণতাও বৃদ্ধি পাচ্ছে সময়ের সাথে। তবে এক কাজ করুন। কাগজ-কলম নিয়ে বসে পড়ুন। মাথার ভেতর ঘুরতে থাকা নেতিবাচক চিন্তাগুলো লিখে ফেলুন। এতে করে আত্ম-সন্দেহের বাষ্প অনেকটাই কমে যাবে। লেখা শেষে বেশ কিছুক্ষণ পর নিজের লেখাগুলো পড়ুন। দেখবেন নিজের কাছেই অমূলক মনে হবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/08/1557302600100.jpg
নেতিবাচক চিন্তাগুলো লিখে ফেলতে হবে। 

 

কখনোই হার না মানা

আত্ম-সন্দেহ যতই প্রকট আকার ধারণ করুক না কেন, কখনোই তার সামনে হার স্বীকার করা যাবে না। সবসময় নিজের কাজের প্রতি ফোকাসড থাকতে হবে। কাজে ভুল হবে, বাধা আসবে, সমস্যা তৈরি হবে। কিন্তু এই সকল কারণের জন্য কোনভাবেই নিজেকে থামিয়ে রাখা যাবে না।

দুর্বলতা নয়, শক্তির দিকে মনোযোগ দিতে হবে

সবার মাঝেই কোন না কোন ক্ষেত্রে দুর্বলতা ও শক্তি রয়েছে। কেউ হয়তো লেখালেখি ভালো পারেন, কেউ হয়তো এডিটিং ভালো পারেন। আপনি কোন কাজটিতে ভালো সেটা শনাক্ত করুন। সেটাই আপনার শক্তি। ক্যারিয়ারের ক্ষেত্রে সেটা নিয়েই কাজ করার চেষ্টা করুন। দেখবেন আত্ম-সন্দেহ তৈরি হওয়ার কোন চান্স থাকবে না।

ইতিবাচক মনোভাব সম্পন্ন মানুষের সাথে কথা বলা

নিজের কাজ, ক্যারিয়ার, কর্মক্ষেত্র নিয়ে এমন মানুষের সাথে কথা বলার চেষ্টা করুন, যারা আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে। আপনাকে ইতিবাচক ভাবনা ভাবতে সাহায্য করবে। এমন মানুষগুলো আপনার ভেতর থেকে আত্ম-সন্দেহ দূর করে আপনাকে আত্মবিশ্বাসী হওয়ার জন্য সাহায্য করবে। সেক্ষেত্রে আরও বলে রাখা ভালো, ইতিবাচক মানুষদের সাহচার্য যতটাই কাম্য নেতিবাচক মানুষদের থেকে নিজেকে ততটাই দূরে রাখতে হবে।

আরও পড়ুন: ক্যারিয়ারে সাফল্য আনতে চান?

আরও পড়ুন: কর্মোদ্দীপ্ত থাকতে সাহায্য করবে এই নিয়মগুলো!

আপনার মতামত লিখুন :

ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সচেতনতার সাথে প্রয়োজন সঠিক পদক্ষেপ

ডেঙ্গু প্রতিরোধ: সচেতনতার সাথে প্রয়োজন সঠিক পদক্ষেপ
পানি জমলেই জন্ম নেবে মশা, ছবি: সংগৃহীত

মায়ের শীতল হাতের ছোঁয়া আর মমতামাখা ভালোবাসার চাদর জড়িয়েও কমানো যাচ্ছে না তিন বছর বয়সী ঐশীর জ্বর। হাসপাতালের বারান্দায় স্থান হয়েছে ঐশীর, অথচ মা কখনো তাকে খালি পায়ে মেঝেতে নামতে দিত না। ধীরে ধীরে ফ্যাকাসে হয়ে আসছে ঐশীর চেহারা, মাঝে মাঝে বমি করছে। অস্থির মা বারবার ছুটে যাচ্ছে ডাক্তারের কাছে। মেয়ের পাশে অসহায় পিতা নির্বাক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে, বেদনায় পাণ্ডুর মুখ কিন্তু কাঁদতে পারছে না মেয়ের কষ্ট দেখে।

অথচ মায়ের সচেতনতার কমতি ছিলো না কিছুতেই। জুন মাসে ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হলে তিনিও সচেতন হয়ে উঠেন। সকাল সন্ধ্যা স্প্রে এবং সন্তান ঘুমালে কয়েল জ্বালিয়ে দেওয়া তার আহার্যের মত নিত্যনৈমেত্তিক কাজ। কিন্তু সাধের বারান্দাতে বাহারি ফুল গাছের সম্ভার তৈরি করেছিলেন। সেখানেই জন্ম নেয় ঘাতক এডিস মশা।

সেক্ষেত্রে সচেতন হয়ে অ্যারোসল স্প্রে বা মশার কয়েলের পাশাপাশি ব্যবহার করতে হবে মশারি। দুপুরের ভাতঘুমে আলসেমি করে মশারি ব্যবহার করে না অনেকেই। এই প্রথার বাইরে বেরিয়ে আসতে হবে। সাথে সন্ধ্যায় হতেই বন্ধ করে দিতে হবে জানাল।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563457264592.jpg

শুধুমাত্র সামাজিক সচেতনতা নয়, সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণ রক্ষা করতে পারে ডেঙ্গুর মহামারি। নিজের ঘর ও উঠান থেকে শুরু করতে হবে পরিচ্ছন্নতা। কোন স্থানে কিছুতেই জমতে দেওয়া যাবে না পানি। জলাবদ্ধতা নিরসন করা গেলে আঁতুড় ঘরেই নিধন হবে মহামারি ডেঙ্গু। সাধারণত ফুলের টব, পরিত্যাক্ত ড্রাম, ফেলে দেওয়া বোতল, ভাঙ্গা বালতি ইত্যাদিতে এক বা দুই দিনের জমে যাওয়া পানিতে জন্ম নেয় মশার লার্ভা। আর এক সপ্তাহের ভেতর হয়ে উঠে ঘাতক।

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম এডিস মশাবাহী ভয়াবহ ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয় ২০০০ সালে। ৯৩ জন মারা যায় সেবার। সকলে সচেতন হয়ে উঠলে ধীরে ধীরে কমতে থাকে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা।

কিন্তু গত বছর থেকে আবার যেন মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে ডেঙ্গু জ্বর। সরকারি হিসাবমতে গত বছর ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত প্রায় ১০ হাজার রোগীর মাঝে মারা যায় ২৬ জন।

এবারের ডেঙ্গু জ্বর একটু ভিন্ন। শক্তিশালী স্টেইনের ডেঙ্গু ভাইরাস মূলত তৃতীয় প্রজাতির এডিস মশা ছড়াচ্ছে। জুন মাস থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত এই ৫ মাসে ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ বেশি দেখা যায়। ইতোমধ্য সরকারি হিসাবে প্রায় সাড়ে চার সহাস্রাধিক ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী চিকিৎসাধীন রয়েছে। মারা গিয়েছে তিন জন। বেসরকারি হিসাবে কয়েকগুন বেশি বলে জানাচ্ছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

বিগতবার থেকে এবার ডেঙ্গু জ্বরের প্রকোপ যেমন বেশি তেমনি রয়েছে ভিন্নতা। আগে ডেঙ্গু জ্বর হলে মাথা ব্যথা, চোখের পেছন অংশে ব্যথা হত। কিন্তু এবারের ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ ভিন্ন, ধরতেও সময় প্রয়োজন হচ্ছে।

তাই সামান্য জ্বর হলেও অবহেলা না করে ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে। শিশু, বৃদ্ধ, গর্ভবতী নারী, ডায়বেটিস, লিভার, কিডনী ও রক্তচাপে আক্রান্ত রোগীদের ডেঙ্গু জ্বর হলে বিশেষ নজর দিতে হবে।

এ বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগীর শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি না হলেও দুই-তিন দিনের মধ্য রক্তে প্লাটিলেট কমে যাচ্ছে। তাই সতর্ক থাকতে হবে। বেশি করে পানি ও তরলজাত খাবার দিতে হবে রোগীকে।

এছাড়া এসপেরিন বা এন্টিবায়োটিক ঔষুধ কোনোভাবেই সেবন করা যাবে না। জ্বর নিরাময়ের জন্য প্যারাসিটামল জাতীয় ঔষুধ খেতে হবে। পান করতে হবে ডাবের পানি ও স্যালাইন।

সচেতনতা ও সঠিক পদক্ষেপ গ্রহণে ডেঙ্গুকে প্রতিরোধ করা খুব কঠিন কিছু নয় মোটেও।

আরও পড়ুন: যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!

যেভাবে মশা দূরে থাকবে আপনার কাছ থেকে!
নিয়ম জেনে রাখলে মশাকে দূরে রাখা সম্ভব হবে সহজেই, ছবি: সংগৃহীত

বেড়েছে মশার প্রকোপ, সাথে বেড়েছে ভয়ানক ডেঙ্গুর প্রতাপ।

প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। ফলে ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা গড়ে উঠছে সবার মাঝে। মশা যেন বাড়িঘরে ও তার আশেপাশে জমে থাকা পানিতে জন্মাতে ও বৃদ্ধি পেতে না পারে তার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন সবাই।

সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণের পরেও কিন্তু ফাঁক থেকেই যায়। নিজের বাড়িঘরকে নাহয় মশামুক্ত করলেন, কিন্তু বাইরে যেখানেই যান না কেন সেখানেও কি বাড়ির মতো নিরাপদে থাকা যাবে? নিজে ক্লাসে, অফিসে কিংবা বেড়াতে গেলে, অথবা সন্তানকে স্কুলে পাঠিয়ে কতটুকু নিশ্চিন্তে থাকতে পারছেন মশার আতঙ্ক থেকে? প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে।

সেক্ষেত্রে বাড়িঘর ও চারপাশকে মশামুক্ত করার মতো নিজেকেও মশা থেকে দূরে রাখতে, কিছু  অতি জরুরী ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এমন কয়েকটি সহজ নিয়ম জেনে রাখুন।

মশা দূরে রাখার ক্রিম

মসকুইটো রিপ্যালেন্ট ক্রিম পাওয়া যাবে যেকোন ওষুধের দোকানেই। আমাদের দেশে সবচেয়ে বেশি প্রচলিত মশা দূরে রাখার ক্রিম হলো ওডোমস। ১২০ টাকা থেকে ৪০০ টাকার মাঝে বিভিন্ন ধরনের ওডোমস পাওয়া যাবে। ব্যবহারের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে ফাটা ত্বকে এই ক্রিম ব্যবহার করা যাবে না এবং প্রয়োজন না হলে ক্রিম ব্যবহারের পর ত্বক ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

ল্যাভেন্ডার বডি অয়েল ও স্প্রে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563455085164.JPG

ল্যাভেন্ডারের সুঘ্রাণ আপনার যতই প্রিয় হোক না কেন, মশা একেবারেই সহ্য করতে পারে না। এই এসেনশিয়াল অয়েল ব্যবহারে খুব সুন্দর বডি স্প্রেও তৈরি করে নেওয়া যাবে। কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম যদি ত্বকে সমস্যা তৈরি করে, তবে ল্যাভেন্ডার অয়েল ব্যবহার হবে সবচেয়ে ভালো উপায়।

পুদিনা পাতা অথবা রসুন ব্যবহার

পুদিনা পাতার মিষ্টি গন্ধ কিংবা রসুন ঝাঁঝালো গন্ধ- কোনটাই মশা সহ্য করতে পারে না। মশা দূরে রাখার ক্রিম কিংবা ল্যাভেন্ডার ওয়েল হাতের কাছে না থাকলে এই প্রাকৃতিক উপাদান দুইটি ব্যবহারেই ভরসা। শরীরের উন্মুক্ত স্থানে কয়েকটি পুদিনা পাতা চটকে অথবা রসুন রস অল্প পরিমাণে ম্যাসাজ করে নিতে হবে। এতেই দূরে থাকবে মশা।

পোশাক নির্বাচনে সতর্কতা

একটা ভুল ধারণা রয়েছে আমাদের মাঝে। শরীরের যত বেশি অংশ ঢেকে রাখা যাবে তত বেশি মশা দূরে থাকবে, এই ভাবনা থেকে টাইট ফিটিং পোশাক পরা হয় সবচেয়ে বেশি। অথচ টাইট ফিটিং পোশাক পরার দরুন মশার জন্য কামড়ানো বরং সুবিধাজনক হয়ে যায়। সেক্ষেত্রে ত্বক ঢেকে রাখার জন্য ঢোলা ঘরানার পোশাক পড়তে হবে। একইসাথে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, যথাসম্ভব গাড় পোশাক এড়িয়ে হালকা রঙয়ের পোশাক নির্বাচনের বিষয়ে। গাড় রঙ মশাকে আকৃষ্ট করে বেশি।

সুগন্ধির ব্যবহার

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/18/1563455060791.JPG

বেশ কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, পারফিউম বা সুগন্ধির ব্যবহার মশাকে দূরে রাখতে কার্যকরি। সেক্ষেত্রে সুগন্ধিতে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যালযুক্ত উপাদান মসকুইটো রিপ্যালেন্ট হিসেবে কাজ করে।

লেবুর শরবত পান

খেয়াল করে দেখবেন, মশা লেবুর গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। লেবুর সাইট্রিক ধর্ম মশাকে দূরে রাখতে কাজ করে। সেক্ষেত্রে লেবু সবসময় সাথে নিয়ে ঘোরা যেহেতু সম্ভব নয়, তাই সাথে বোতল ভর্তি লেবুর রস মিশ্রিত পানি বা লেবুর শরবত রাখুন। প্রতি ঘন্টায় কয়েক চুমুক লেবুর শরবত পান মশাকে দূরে রাখতে সাহায্য করবে।

আরও পড়ুন: শারীরিক সুস্থতা পেতে গড়ুন ১০ অভ্যাস

আরও পড়ুন: যে ৬ সময়ে হাত পরিষ্কার করা অপরিহার্য

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র