Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল

ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ক্যাস্টর অয়েল
ক্যাস্টর অয়েল, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ত্বকের বিভিন্ন স্থানে ফাটা দাগ দেখা দিতে পারে নানান কারণেই।

গর্ভধারণজনিত কারণ ছাড়াও বয়ঃসন্ধিকালীন ও অতিরিক্ত ওজনের ফলে ত্বক ফেটে যায়। যা থেকে ত্বকে ফাটা দাগ দেখা দেয়।

ত্বকের ফাটা দাগ পুরোপুরি দূর না করা গেলেও, প্রাকৃতিক উপাদান ও ক্যাস্টর অয়েলের ব্যবহারে, এই সমস্যাটি অনেকখানি কমিয়ে আনা যায়। এই ফিচারে ক্যাস্টর অয়েলের তিন ভিন্ন ব্যবহার তুলে ধরা হলো, যা ত্বকের ফাটা দাগের প্রাদুর্ভাব কমাতে কাজ করবে।

আলুর রস ও ক্যাস্টর অয়েলের মিশ্রণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574527138.jpg

এর জন্য প্রয়োজন হবে একটি আলুর রস ও দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল। দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে রেফ্রিজারেটরে কয়েক ঘন্টার জন্য রেখে দিতে হবে। ঠাণ্ডা তেলের মিশ্রণটি ত্বকের ফাটা দাগযুক্ত স্থানে তিরিশ মিনিট ধরে ম্যাসাজ করে আরও তিরিশ মিনিট রেখে দিতে হবে। এরপর কুসুম গরম পানিতে স্থানটি ধুয়ে নিতে হবে। সপ্তাহে ৩-৪ দিন ব্যবহারই যথেষ্ট।

কেন এটা কাজ করবে?

তেলের এই মিশ্রণটি ত্বকের ইলাস্টিসিটির মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং ত্বকের গভীর থেকে আর্দ্রতা তৈরি করে ক্ষতিগ্রস্ত ত্বককে ভালো হতে সাহায্য করে।

লবঙ্গ ও ক্যাস্টর অয়েলের মিশ্রণ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574494384.jpg

এই মিশ্রণ তৈরিতে প্রয়োজন হবে ৫-৬টি লবঙ্গ ও দুই টেবিল চামচ ক্যাস্টর অয়েল। প্রথমে এই দুইটি উপাদান একসাথে মিশিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করতে হবে। তেলের রঙে পরিবর্তন আসলে নামিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। এই তেলটি ফাটা দাগযুক্ত স্থানে পনের মিনিট ম্যাসাজ করে আধা ঘন্টা পর্যন্ত রেখে দিতে হবে। পরবর্তিতে কুসুম গরম পানিতে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে। এই তেলটি প্রতিদিন ব্যবহার করতে হবে।

কেন এটা কাজ করবে?

ত্বকের ফাটা দাগ দূর করার ক্ষেত্রে লবঙ্গ উপকারী একটি প্রাকৃতিক উপাদান। বিশেষত ক্যাস্টর অয়েলের সাথে মিশিয়ে ব্যবহারের ফলে এর উপকারিতা বেড়ে যায় অনেকখানি।

হলুদ গুঁড়া, ক্যাস্টর অয়েল ও অলিভ অয়েল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/11/1557574514876.jpg

এক চা চামচ হলুদ গুঁড়ার সাথে এক চা চামচ ক্যাস্টর অয়েল ও অলিভ অয়েল একসাথে মিশিয়ে ত্বকের আক্রান্ত স্থানে ম্যাসাজ করতে হবে। প্রায় ঘন্টাখানিক মিশ্রণটি ত্বকে রেখে দেওয়ার পর কুসুম গরম পানিতে ত্বক ধুয়ে নিতে হবে।

কেন এটা কাজ করবে?

ত্বকের যত্নে হলুদ গুঁড়া ও অলিভ অয়েলের ব্যবহার নতুন কিছু নয়। এই উপাদানগুলোতে থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমূহ ত্বকের ফাটা দাগ কমাতে ও ত্বক উজ্জ্বল করতে কাজ করবে।

আরও পড়ুন: ব্রণের প্রাদুর্ভাব কমবে ক্যাস্টর অয়েল ব্যবহারে

আরও পড়ুন: তৈলাক্ত ত্বকের যত্নে ঘরে তৈরি দুই ময়েশ্চারাইজার

আপনার মতামত লিখুন :

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র