Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

২০১৯’র ঈদের বাজার

চলছে কাবলি, ফরমালেও রয়েছে আকর্ষণ

চলছে কাবলি, ফরমালেও রয়েছে আকর্ষণ
ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা, ছবি: বার্তা২৪
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের বাজার চাঙা হচ্ছে দিনে দিনে।

বাড়ছে ক্রেতা সমাগম। ইতোমধ্যেই পনের রমজান পার হয়ে যাওয়ায় ক্রেতারা আগ্রহী হয়ে উঠছেন পছন্দসই পোশাক কেনার প্রতি।

ঈদে ছেলেদের পোশাকে সবার আগে প্রাধান্য পায় পাঞ্জাবি। পছন্দসই পাঞ্জাবি না পাওয়া পর্যন্ত ঈদ যেন শুরুই হয় না। নানান ফ্যাশান হাউজ, বুটিক শপগুলো ঘুরে তবেই কেনা হয় কাঙ্ক্ষিত পাঞ্জাবিটি।

প্রতি বছরেই পাঞ্জাবির প্যাটার্ন ও কাটিংয়ে আসে নতুনত্ব ও ভিন্নতা। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের পাঞ্জাবির বাজারে এসেছে ও বাজার মাতাচ্ছে ‘কাবলি’। কাবলি কাটিং পাঞ্জাবি দেদারছে বিক্রি হচ্ছে বলেই জানায় বিভিন্ন ফ্যাশান হাউজগুলো। পনের রমজান পার হতেই ঈদ কালেকশনের কাবলির প্রথম সংগ্রহ শেষ হয়ে গেছে বেশিরভাগ হাইজেই। কাবলি কাটিং পাঞ্জাবির পাশাপাশি প্যান্টও পাওয়া যাচ্ছে একইসাথে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558436733463.jpg

কাবলি কেনার ক্ষেত্রে খুব বেশি চাকচিক্য ও রঙিন বর্ণের প্রতি না ঝুঁকে এক রঙা কাবলির খোঁজ করছেন ক্রেতারা। কালো ও ধূসর রঙ প্রাধান্য পাচ্ছে সবচেয়ে বেশি। সাথে চলছে ঘিয়া, সাদা ও হালকা রঙও।

প্লাস পয়েন্টের ম্যানেজার পারভেজ সাইফের সাথে কথোপকথনে বার্তা২৪ লাইফস্টাইলকে তিনি জানান, তরুণরা কাবলি স্টাইলটা খুব পছন্দ করছে। একদম ছিমছাম ডিজাইনের মাঝে নতুনত্ব থাকায় সহজেই কাবলি পাঞ্জাবিতে আকৃষ্ট হচ্ছেন তারা। তবে একটু বয়স্করা সাধারণ পাঞ্জাবির দিকেই ঝুঁকছেন কাবলি বাদ দিয়ে।

একই সুরে কথা বললেন এক্সটেসির সেলস পারসন শফিক তুহিন। জানালেন নিজের জন্য কিংবা ঈদ উপহারের জন্য কাবলি বিক্রি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। কাবলির চাহিদা বেশি থাকায় ক্রেতাদের পছন্দের ধরণ অনুয়ায়ি কাবলি বাজারে আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558436760599.jpg

তবে জেন্টল পার্কের ট্রেইনি ম্যানেজার শাহাদাত রহমান জানালেন, কাবলির পাশাপাশি স্লিম ফিট পাঞ্জাবির প্রতি সমানভাবে আকর্ষণ রয়েছে ক্রেতাদের। যদিও তুলনামূলকভাবে তরুণরাই ঝুঁকছে কাবলির দিকে। তবে কাবলি কিংবা স্লিম ফিট পাঞ্জাবি, রঙের ক্ষেত্রে কালো, নেভি ব্লুয়ের মতো গাড় রঙগুলোই প্রাধান্য পাচ্ছে বেশি।

পাঞ্জাবি সাধারণ সুতির মাঝে পাওয়া গেলেও, কাটিং ও প্যাটার্নের জন্য কাবলিগুলোর তন্তু হবে সিল্কের। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ ভেদে কাবলির দাম পড়বে ৩০০০ থেকে শুরু করে ৪৬০০ টাকা পর্যন্ত। কাবলি প্যান্টের মূল্য পড়বে ১২০০ থেকে ২০০০ পর্যন্ত।

এতো গেলো পাঞ্জাবি ও কাবলির আলোচনা, এবারে আসা যাক শার্ট ও টি-শার্টের দিকে।

এক্সটেসির শফিকের কাছে এবারে ঈদ বাজারে শার্টের চাহিদার বিষয়ে জানতে চাইলে জানালেন, চেক শার্ট কিংবা ফ্লাওয়ার ও ডিজাইন প্রিন্টেড ক্যাজুয়াল শার্টের চাহিদা এবারে বেশ পড়ন্ত। তবে এক রঙা ফরমাল শার্টের চাহিদা প্রচুর। তিনি জানান, মাঝে চেক শার্ট ও প্রিন্টেড শার্টের চল থাকলেও, আবারো ফরমালের দিকেই ঝুঁকছে সবাই। বর্ণিল এক রঙা ফরমালেই এই গরমে স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া উপহার হিসেবেও ফরমাল শার্ট বেছে নিচ্ছে ক্রেতারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558436781553.jpg

এদিকে প্লাস পয়েন্টের পারভেজ জানান, ফরমাল ও ক্যাজুয়াল দুই ধরনের শার্টের ক্ষেত্রেই ক্রেতাদের সারা পাওয়া যাচ্ছে ভালো। ক্যাজুয়ালের পাশাপাশি ফরমালেও সমান সাড়া পাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি মনে করেন, এক রঙের ফরমালে গাম্ভীর্য ফুটে ওঠে, যার প্রতি আকৃষ্ট হয় অনেক ক্রেতাই।

ফ্যাশন হাউজ ভেদে ক্যাজুয়াল ও ফরমাল শার্টের মূল্য পড়বে ৪৮০-২৮০০ পর্যন্ত।

তবে ঈদের কেনাকাটায় পাঞ্জাবি ও শার্টের ভিড়ে টি-শার্ট বেশখানিকটা চাপা পড়ে গেছে বলেই জানালো ফ্যাশন হাউজগুলো। সাধারণত অন্যান্য সময়ে টি-শার্ট কেনা হয় বলে, ঈদে সবচেয়ে বেশি ঝোঁক পাঞ্জাবির দিকেই থাকে। এছাড়া কিছু সংখ্যক ক্রেতারা শার্ট কেনার প্রতিও আগ্রহী হন। তবে সকল বয়সী ক্রেতা ও ক্রেতাদের চাহিদার বিষয়তি মাথায় রেখে টি-শার্টও পাওয়া যাবে ঈদের বাজারে।

আরও পড়ুন: রোদচশমায় রংয়ের ছোঁয়া!

আরও পড়ুন: সাজ-পোশাকে দ্যুতি ছড়াচ্ছে ‘দেবী’

আপনার মতামত লিখুন :

আঙুরের সাতকাহন 

আঙুরের সাতকাহন 
আঙ্গুর ফল

আঙুর ফলের গোড়াপত্তন শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে। সুস্বাদু ও সুমিষ্ট এই ফলের বাহারি রঙের মাত্রায় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ  এই ফল আপনার হার্টকে রাখে সুস্থ।

আঙুরের সাত গুণাবলি--

 

গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহ থেকে মুক্তি-

দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিক থেকে শুরু হয় বাতের ব্যথা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য। রোগের সূত্রপাত হিসেবে ধরা হয় গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহকে। দেহের প্রতিরক্ষাকারী কোষগুলোকে নষ্ট করে, ক্যানসার কিংবা হার্টের রোগে ভোগায় এই প্রদাহ। গবেষণা বলছে, আঙুর হতে পারে গ্যাসের ব্যথার স্থায়ী সমাধান।

২৪ জন পুরুষের মধ্যে চালানো একটি জরিপে দেখা যায়, প্রতিদিন ১.৫ কাপ আঙুরের রস অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণে আঙুরের গুঁড়া শরীরের গ্যাসের প্রদাহকে কমিয়ে দেয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452636554.jpg

বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়-

এক গবেষণায় দেখা যায়, তিন মাস ধরে প্রতিদিন ২৫০ গ্রাম করে আঙুর ফল ১১১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে খাওয়ানোর ফলে তাদের স্মৃতি, মনোযোগ এবং  বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটেছে।

এমনকি প্রতিদিন আঙুর ফল আপনার মেজাজকে রাখে নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি ব্লাড সুগারের মাত্রাকেও পরিমিত পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে।

হাড়ের ক্ষয় রোধ করে:

হাড়ে লবণের মাত্রাকে ঠিক রেখে ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। হাড়ে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452652760.jpg

ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া  ধবংসকারী:

দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ইনফেকশন ঘটায়, এমন ভাইরাস ধ্বংস করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। প্রতিদিন খেলে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ হয়। ফলে মৌসুমি ঠাণ্ডা কাশি কিংবা জ্বর আপনাকে কাবু করতে পারবে না। এমনকি আঙুর ডায়রিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা বৃদ্ধি-

ক্যানসার, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে আঙুর ফল। বেটাকেরোটিন, লুটিন ,এলাজিক এসিড সমৃদ্ধ এই ফল দীর্ঘস্থায়ী রোগকেও প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452669126.jpg

তারুণ্য ধরে রাখে-

আঙুর ফলের পুষ্টিগুণ তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের বলিরেখা দূর করে আঙুর। স্বাস্থ্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।

আঙুরে প্রোটিন সমৃদ্ধ ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার,  এবং অ্যান্টি অক্সিজেন রয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারো আঙুর ফল। এমনকি গ্রীষ্মের দিনগুলোতে ঠাণ্ডা আঙুর হতে পারে দারুণ একটা নাস্তা।

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস
ক্যাকটাস গাছ, ছবি: সংগৃহীত

ঘরের শোভা বর্ধনের জন্য কিংবা ভালোবেসে, শখের বশে গড়ে তোলা হয় ক্যাকটাসের সংগ্রহ।

নানা প্রজাতির, আকৃতির, ঘরানার ক্যাকটাস প্রীতি বেশি দেখা যায় শহুরে এলাকার মানুষদের মাঝে। ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দায় কিংবা প্রশস্ত জানালা ঘেঁসে ছোট-মাঝারি টবে বানান নিজস্ব ক্যাকটাস বাগান।

সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত দেখাশোনা করা হলে প্রতিটি ক্যাকটাসের গাছ খুব ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। ক্ষেত্র বিশেষে ও বিশেষ প্রজাতির ক্যাকটাসের ক্ষেত্রে ক্যাকটাসে বর্ণীল ফুলের দেখাও দেয়।

তবে সমস্যা হলো- ক্যাকটাস কষ্ট সহিষ্ণু উদ্ভিদ হলেও, অসাবধানতার দরুন ক্যাকটাস মরে যায়। প্রিয় জিনিসটি চোখের সাথে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়া খুবই কষ্টের। যত্নে গড়ে তোলা প্রিয় ক্যাকটাসটির পরিচর্যায় ও যত্নে যে বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন, এখানে তার কয়েকটি আলোচনায় রাখা হলো।

দ্রুত পানি দেওয়া

বেখেয়ালে প্রায় সময় ক্যাকটাসে দীর্ঘদিন পানি দেওয়া হয় না। এতে ক্যাকটাস শুকিয়ে যায়, কুঁচকে যায়, মরমর দেখায়। এমনটা হলে যত দ্রুত সম্ভব গাছে পানি দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে ক্যাকটাসের টবের নিচের অংশের ছিদ্র দিয়ে বাড়তি পানি যেন বেরিয়ে যেতে পারে। একইসাথে ক্যাকটাসটিকে খোলামেলা আলো ও বাতাসযুক্ত স্থানে রাখতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ কেটে ফেলা

ক্যাকটাসটির কোন অংশ যদি নষ্ট হয়ে যায় বা পচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয় তবে উক অংশটি সযত্নে কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। নতুবা উক্ত স্থান থেকে ভালো অংশেও পচন ধরে যাবে। ক্যাকটাসের কোন অংশে যদি ফাংগাসের মতো দেখা দেয়, বাদামী বা কালচে হয়ে আসে তবে বুঝতে হবে উক্ত স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448789213.jpg

সরু অংশ রোদে রাখা

ক্যাকটাসের জন্য রোদের আলো অপরিহার্য। ক্যাকটাস যত বাড়তে থাকে, ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা। অনেক সময় একই টবে ক্যাকটাস অনেক বেশি বড় হয়ে গেলে ক্যাকটাসের ছোট অংশ রোদের আলো ঠিকমতো পায় না। সে অংশগুলোকে রোদের আলো দেওয়ার জন্য বেশি করে রোদের দিকে মুখ করে রাখতে হবে।

মাটি শুষ্ক হলেই পানি

বাড়তি পরিচর্যার ফলে অনেকেই ক্যাকটাসের টবে এক-দুই দিন পরপরেই পানি দিতে থাকেন। এতে করে ক্যাকটাসের গোড়া থেকে পচন ধরে যায়। খেয়াল রাখতে হবে, ক্যাকটাসের টবে মাটি একেবারে শুকিয়ে গেলে তবেই তাতে পানি দিতে হবে। তার আগে নয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448770099.jpg

বড় টবে স্থানান্তরিত করা

ক্যাকটাস বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা এবং সেই সকল শাখাও বড় হতে থাকে। এভাবে ছোট ক্যাকটাসটিই এক সময় বিশাল আকৃতি ধারণ করে। ক্যাকটাস যত বড় হবে, তার জন্য তত বড় ও প্রশস্ত টবের প্রয়োজন হবে। নতুবা অপর্যাপ্ত স্থানের দরুন ক্যাকটাস ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে।

ক্যাকটাসের শরীর পরিষ্কার করা

ক্যাকটাসের শরীর জুড়ে কাঁটা থাকার দরুন এতে খুব সহজেই ধুলা-ময়লা চুল আটকে যায়। ধুলা-ময়লার স্তর পুরু হয়ে গেলে অনেক সময় ক্যাকটাস রোদের আলো শোষণ করে সালোকসংশ্লেষণ করতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাই ক্যাকটাসের টবে যেদিন পানি দেওয়া হবে, সেদিন পানির ঝাপটা দিয়ে ক্যাকটাসের পাতা ও শাখাপ্রশাখাগুলো পরিস্কার করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি সারে সতেজ গাছ

আরও পড়ুন: খোসা ছাড়ানো আলু বাদামি হয়ে যাচ্ছে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র