Barta24

শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬

English

২০১৯’র ঈদের বাজার

চলছে কাবলি, ফরমালেও রয়েছে আকর্ষণ

চলছে কাবলি, ফরমালেও রয়েছে আকর্ষণ
ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ক্রেতারা, ছবি: বার্তা২৪
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের বাজার চাঙা হচ্ছে দিনে দিনে।

বাড়ছে ক্রেতা সমাগম। ইতোমধ্যেই পনের রমজান পার হয়ে যাওয়ায় ক্রেতারা আগ্রহী হয়ে উঠছেন পছন্দসই পোশাক কেনার প্রতি।

ঈদে ছেলেদের পোশাকে সবার আগে প্রাধান্য পায় পাঞ্জাবি। পছন্দসই পাঞ্জাবি না পাওয়া পর্যন্ত ঈদ যেন শুরুই হয় না। নানান ফ্যাশান হাউজ, বুটিক শপগুলো ঘুরে তবেই কেনা হয় কাঙ্ক্ষিত পাঞ্জাবিটি।

প্রতি বছরেই পাঞ্জাবির প্যাটার্ন ও কাটিংয়ে আসে নতুনত্ব ও ভিন্নতা। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের পাঞ্জাবির বাজারে এসেছে ও বাজার মাতাচ্ছে ‘কাবলি’। কাবলি কাটিং পাঞ্জাবি দেদারছে বিক্রি হচ্ছে বলেই জানায় বিভিন্ন ফ্যাশান হাউজগুলো। পনের রমজান পার হতেই ঈদ কালেকশনের কাবলির প্রথম সংগ্রহ শেষ হয়ে গেছে বেশিরভাগ হাইজেই। কাবলি কাটিং পাঞ্জাবির পাশাপাশি প্যান্টও পাওয়া যাচ্ছে একইসাথে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558436733463.jpg

কাবলি কেনার ক্ষেত্রে খুব বেশি চাকচিক্য ও রঙিন বর্ণের প্রতি না ঝুঁকে এক রঙা কাবলির খোঁজ করছেন ক্রেতারা। কালো ও ধূসর রঙ প্রাধান্য পাচ্ছে সবচেয়ে বেশি। সাথে চলছে ঘিয়া, সাদা ও হালকা রঙও।

প্লাস পয়েন্টের ম্যানেজার পারভেজ সাইফের সাথে কথোপকথনে বার্তা২৪ লাইফস্টাইলকে তিনি জানান, তরুণরা কাবলি স্টাইলটা খুব পছন্দ করছে। একদম ছিমছাম ডিজাইনের মাঝে নতুনত্ব থাকায় সহজেই কাবলি পাঞ্জাবিতে আকৃষ্ট হচ্ছেন তারা। তবে একটু বয়স্করা সাধারণ পাঞ্জাবির দিকেই ঝুঁকছেন কাবলি বাদ দিয়ে।

একই সুরে কথা বললেন এক্সটেসির সেলস পারসন শফিক তুহিন। জানালেন নিজের জন্য কিংবা ঈদ উপহারের জন্য কাবলি বিক্রি হচ্ছে সবচেয়ে বেশি। কাবলির চাহিদা বেশি থাকায় ক্রেতাদের পছন্দের ধরণ অনুয়ায়ি কাবলি বাজারে আনা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558436760599.jpg

তবে জেন্টল পার্কের ট্রেইনি ম্যানেজার শাহাদাত রহমান জানালেন, কাবলির পাশাপাশি স্লিম ফিট পাঞ্জাবির প্রতি সমানভাবে আকর্ষণ রয়েছে ক্রেতাদের। যদিও তুলনামূলকভাবে তরুণরাই ঝুঁকছে কাবলির দিকে। তবে কাবলি কিংবা স্লিম ফিট পাঞ্জাবি, রঙের ক্ষেত্রে কালো, নেভি ব্লুয়ের মতো গাড় রঙগুলোই প্রাধান্য পাচ্ছে বেশি।

পাঞ্জাবি সাধারণ সুতির মাঝে পাওয়া গেলেও, কাটিং ও প্যাটার্নের জন্য কাবলিগুলোর তন্তু হবে সিল্কের। বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজ ভেদে কাবলির দাম পড়বে ৩০০০ থেকে শুরু করে ৪৬০০ টাকা পর্যন্ত। কাবলি প্যান্টের মূল্য পড়বে ১২০০ থেকে ২০০০ পর্যন্ত।

এতো গেলো পাঞ্জাবি ও কাবলির আলোচনা, এবারে আসা যাক শার্ট ও টি-শার্টের দিকে।

এক্সটেসির শফিকের কাছে এবারে ঈদ বাজারে শার্টের চাহিদার বিষয়ে জানতে চাইলে জানালেন, চেক শার্ট কিংবা ফ্লাওয়ার ও ডিজাইন প্রিন্টেড ক্যাজুয়াল শার্টের চাহিদা এবারে বেশ পড়ন্ত। তবে এক রঙা ফরমাল শার্টের চাহিদা প্রচুর। তিনি জানান, মাঝে চেক শার্ট ও প্রিন্টেড শার্টের চল থাকলেও, আবারো ফরমালের দিকেই ঝুঁকছে সবাই। বর্ণিল এক রঙা ফরমালেই এই গরমে স্বাচ্ছন্দ্য পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি। এছাড়া উপহার হিসেবেও ফরমাল শার্ট বেছে নিচ্ছে ক্রেতারা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/21/1558436781553.jpg

এদিকে প্লাস পয়েন্টের পারভেজ জানান, ফরমাল ও ক্যাজুয়াল দুই ধরনের শার্টের ক্ষেত্রেই ক্রেতাদের সারা পাওয়া যাচ্ছে ভালো। ক্যাজুয়ালের পাশাপাশি ফরমালেও সমান সাড়া পাওয়ার ক্ষেত্রে তিনি মনে করেন, এক রঙের ফরমালে গাম্ভীর্য ফুটে ওঠে, যার প্রতি আকৃষ্ট হয় অনেক ক্রেতাই।

ফ্যাশন হাউজ ভেদে ক্যাজুয়াল ও ফরমাল শার্টের মূল্য পড়বে ৪৮০-২৮০০ পর্যন্ত।

তবে ঈদের কেনাকাটায় পাঞ্জাবি ও শার্টের ভিড়ে টি-শার্ট বেশখানিকটা চাপা পড়ে গেছে বলেই জানালো ফ্যাশন হাউজগুলো। সাধারণত অন্যান্য সময়ে টি-শার্ট কেনা হয় বলে, ঈদে সবচেয়ে বেশি ঝোঁক পাঞ্জাবির দিকেই থাকে। এছাড়া কিছু সংখ্যক ক্রেতারা শার্ট কেনার প্রতিও আগ্রহী হন। তবে সকল বয়সী ক্রেতা ও ক্রেতাদের চাহিদার বিষয়তি মাথায় রেখে টি-শার্টও পাওয়া যাবে ঈদের বাজারে।

আরও পড়ুন: রোদচশমায় রংয়ের ছোঁয়া!

আরও পড়ুন: সাজ-পোশাকে দ্যুতি ছড়াচ্ছে ‘দেবী’

আপনার মতামত লিখুন :

অলসতাকে বিদায় জানান ছয় নিয়মে

অলসতাকে বিদায় জানান ছয় নিয়মে
বড় কাজের চিন্তা অনেক সময় অলসতার কারণ

সাপ্তাহিক ছুটির দিন মানেই আলস্যে দিনাতিপাত।

তবে শুধু যদি আলস্যেই পুরো দিন কাটিয়ে দিতে ইচ্ছা করে, তাহলে বেশ সমস্যার মুখোমুখি হতে হবে। বিশ্রাম তো থাকবেই, সাথে প্রয়োজনীয় ও জরুরি কাজগুলোও সেরে নিতে হবে। কিন্তু আলস্য যেন পিছুই ছাড়তে চায় না। ফলে কর্মব্যস্ততা ফিরে আসলে হিমশিম খেতে হয় কাজের চাপে। আজকের ফিচারে তাই তুলে ধরা হয়েছে, কীভাবে ছয় উপায়ে আলস্যকে বিদায় জানানো যাবে।

কাজকে ভাগ করে নেওয়া

প্রায়শ বেশ বড় ধরনের কাজের দায়িত্ব কাঁধে এসে পড়ে। বড় কাজ কীভাবে করা যাবে- এই চিন্তাতেই অনেকের মাঝে অলসতা চলে আসে। সেক্ষেত্রে কাজটিকে কয়েক ভাগে ভাগ করে নিতে হবে। ফলে কয়েকটি ছোট ছোট কাজের সমষ্টিতে সেই বড় কাজটি সম্পন্ন হবে। এমনভাবে ছোট কাজগুলো সহজেই করে ফেলা যাবে এবং খুব একটা কষ্টও হবে না।

অনুপ্রেরণা

কাজ করার ক্ষেত্রে অনুপ্রেরণা পাওয়া যায় না বিধায় বেশ কিছু ক্ষেত্রে মানুষের মাঝে অলসতা চলে আসে। এমন সময়ে নিজেকে কাজটি করার প্রতি ও অলসতা ঝেড়ে ফেলার জন্য অনুপ্রাণিত করতে কাজটি সম্পন্ন করার পরবর্তী সময়টি ভাবার চেষ্টা করতে হবে। যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অলসতা দূর করতে চমৎকার কাজ করে।

সুবিধা সম্পর্কে চিন্তা করা

অলসতার জন্য আজ যে কাজটি ফেলে রাখা হচ্ছে, তার জন্য নিজেকেই ভুগতে হবে আগামীকাল। ঠিক এর বিপরীত চিত্রটি ভাবার চেষ্টা করতে হবে। কাজটি যদি অলসতা ঝেড়ে আজই করে ফেলা যায় তবে আগামীকাল কতটা স্বাচ্ছন্দ্যে কাটানো যাবে সেটা ভাবলে সহজেই অলসতার মতো নেতিবাচকতাকে দূরে সরিয়ে রাখা সম্ভব হবে।

একবারে একাধিক কাজ নয়

অনেকের মাঝেই একবারে একাধিক কাজ করার প্রবণতা রয়েছে। এতে করে খুব সহজেই মস্তিষ্ক ক্লান্ত হয়ে পড়ে। ফলাফল স্বরূপ কাজে আগ্রহ হারিয়ে যায় এবং অলসতা এসে ভিড় জমায়। তাই একবারে একের অধিক কাজ না করে, একটি কাজ শেষ করে এরপর আরেকটি কাজ শুরু করতে হবে।

নিজেকে বোঝানো

নিজের সাথে নিজের কথা বলা, নিজেকে বোঝানো ক্ষেত্র বিশেষে খুব ভালো কাজ করে। অলসতার জন্য যে কাজগুলো পড়ে রয়েছে, সেগুলো করার জন্য নিজেকে নিজের বোঝাতে হবে। নিজের সাথে নিজের কথা বলতে হবে।

সমস্যা সম্পর্কে চিন্তা করা

শুধুমাত্র অলসতার জন্য যে কাজগুলো করা হচ্ছে না, প্রয়োজনের সময়ে সেটাই সমস্যা হিসেবে সামনে এসে দাঁড়াবে। এই বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখতে হবে নিজের মাঝে। পাঁচ পাতার একটি এসাইনমেন্ট যদি আজকেই শেষ না করা হয়, তবে আগামীকাল এর সাথে যুক্ত হবে আরও দশ পাতার এসাইনমেন্ট। যা একসাথে শেষ করতে গিয়ে ভীষণ বিপত্তির মুখে পড়তে হবে। এই বিপত্তির বিষয়টি আগে থেকেই চিন্তা করলে, অলসতা ঝেড়ে কাজটি করে ফেলা সহজ হবে।

আরও পড়ুন: পেটের মেদ কমানোর কার্যকর উপায়

আরও পড়ুন: যেভাবে নতুনের মতো থাকবে কাঠের চামচ

ভ্রমণে যেমন খাবার রাখা চাই সাথে

ভ্রমণে যেমন খাবার রাখা চাই সাথে
ভ্রমণে সঠিক খাবার গ্রহণে পরিকল্পনা করা জরুরী

ভ্রমণ যেমন মনকে প্রফুল্ল রাখে, তেমনিভাবে সুস্থ রাখে শরীরকেও।

তবে ভ্রমণে স্বাস্থ্যকর ও সঠিক খাবার নিয়ম মেনে গ্রহণ করা বেশ বড় ধরনের একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ভিন্ন স্থান, ভিন্ন পরিবেশ, ভিন্ন রুটিন এবং সাথে সময়ের তারতম্যের সাথে মানিয়ে খাদ্যাভ্যাসকে ঠিক রাখা দারুণ কষ্টসাধ্য।

নিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাসের মাঝে একদিনের অনিয়ন্ত্রিত খাবার গ্রহণেই দেখা দিতে পারে শারীরিক সমস্যা। এছাড়া যদি পুরো পরিবারের সাথে ভ্রমণে বের হওয়া হয়, তবে ঝামেলা দেখা দেওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায় অনেকখানি। ভ্রমণে থাকাকালীন সময়ে বাইরের খাবার খাওয়া হয় সবচেয়ে বেশি, যা থেকেই শুরু হয় সমস্যার সূত্রপাত।

ভ্রমণে কেমন খাবার রাখা প্রয়োজন?

ভ্রমণে বের হওয়ার আগে খাবারের যোগাড় করতে হবে অবশ্যই। তবে খাবারের জন্য কী ধরনের খাবারের যোগাড় করা প্রয়োজন সে সম্পর্কে সঠিক ধারণা না থাকলে বিপত্তি দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে চার ধরনের খাবার সংগ্রহ করার চেষ্টা করতে হবে।

১. ভ্রমণে বের হতে খাবারের বন্দোবস্ত করতে প্রথমেই স্বাস্থ্যকর খাবার রাখতে হবে। ধরুন তিনদিনের জন্য ভ্রমণে বের হচ্ছেন আপনি। এ কদিনের জন্য ঘরে তৈরি ও হালকা ঘরানার স্বাস্থ্যকর খাবারই হবে প্রথম পছন্দ।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566562307363.jpeg

২. খাবার যেন এমন হয়, যেকোন অবস্থায় ও সময়ে ক্ষুধাভাব দেখা দিলেই খাওয়া যায়। খাবার খাওয়ার জন্য বাড়তি সময় ও ঝামেলার প্রয়োজন হবে না।

৩. ভ্রমণে বের হলে হাতে সময় সবসময়ই কম থাকে। এ সময়ে খাবারের আয়োজনের জন্য বাড়তি সময় পাওয়া যায় না বললেই চলে। তাই খাবারটি এমন হওয়া চাই যেন অল্প সময়ের মাঝেই প্রস্তুত করে নেওয়া যায়।

৪. বাজেট-ফ্রেন্ডলি অপশনের দিকেই ঝুঁকতে হবে খাবারের আয়োজন করতে। স্বাভাবিকভাবে ভ্রমণের জন্য আলাদা বাজেট তৈরি করতে হয়, সেখানে যদি খাবারের জন্য বিশাল বড় বাজেট রাখা হয় তবে খরচ সামলাতে হিমশিম খেতে হবে।

কী ধরনের খাবার প্রাধান্য পাবে ভ্রমণে?

একটা বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন, ভ্রমণে থাকাকালীন সময়ে ভরপেট ভারি খাবার গ্রহণের পরিবর্তে হালকা, সহজলভ্য ও পর্যাপ্ত পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। সে হিসেবে যে খাবারগুলো প্রাধান্য পাবে তার কয়েকটি তালিকায় তুলে আনা হলো।

ফল

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566562556011.jpg

ভ্রমণে কলা, কমলালেবু ও আপেলের মতো সহজ ফল সাথে রাখা যেতে পারে। বহনে সুবিধাযোগ্য, ক্ষুধা নিবারনে সাহায্য করে এবং পুষ্টি সমৃদ্ধ হওয়ায় এই ফলগুলো থাকবে উপরের সারিতে।

ড্রাই ফ্রুটস ও বাদাম

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Aug/23/1566562346376.jpg

ভ্রমণে থাকাকালীন সময়ে ক্লান্তিবোধ করলে কিশমিশ কিংবা কয়েকটি কাঠবাদাম খেয়ে নিলেই শক্তি পাওয়া যাবে পুনরায়। এই খাবারগুলো তাৎক্ষণিকভাবে শারীরিক শক্তি প্রদান করে। তবে একবারে খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া যাবে বাদাম বা ড্রাই ফ্রুটস।

স্যান্ডউইচ

পাউরুটিতে মাখন, শসা, টমেটো, শুকনো মুরগির মাংস ও অল্প পেঁয়াজ দিয়ে দিয়ে স্যান্ডউইচ তৈরি করে সাথে রাখলে, ভ্রমণে যখন তখন খাওয়া যাবে। একটি স্যান্ডউইচেই পেট ভরবে এবং সাদামাট উপাদানে তৈরি বলে দ্রুত নষ্ট হওয়ার ভয়ও থাকবে না।

শুকনো খাবার

ভ্রমণে শুকনো খাবার সবসময়ই ভীষণ সুবিধাজনক। একটা সময়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়ার ক্ষেত্রে সাথে শুকনো গুঁড় ও মুড়ি রাখার প্রচলন ছিল। এখনকার সময়ে শুকনো খাবার রাখতে চাইলে পছন্দসই যেকোন খাবারই রাখা যেতে পারে। সেটা ঘরে তৈরি কেক, পিঠা, চিড়া ভাজা, নিমকি কিংবা মুড়ির তৈরি মোয়াও হতে পারে।

আরও পড়ুন: প্রশান্তি ও সুস্থতায় সবজির পপ্সিকল

আরও পড়ুন: রান্না দ্রুত হবে কীভাবে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র