Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১২ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

২০১৯’র ঈদের বাজার

শাড়ির ক্যানভাসে উঠে আসুক গল্প!

শাড়ির ক্যানভাসে উঠে আসুক গল্প!
এক একটা শাড়িই হয়ে ওঠে এক একটি গল্প, ছবি কৃতজ্ঞতা: পটের বিবি
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদে পছন্দমতো একটা শাড়ি না হলে হয় নাকি!

ঈদ আনন্দের অনেকটাই নির্ভর করে শখের শাড়িটির উপর। প্রিয় শাড়িটি গায়ে জড়ালেই যেন ঈদের রঙ ছড়িয়ে পড়ে মনে। তাই শাড়িটিও হওয়া চায় একটু বিশেষ, ভিন্ন ও ব্যতিক্রম।

সময়ের হাত ধরে শাড়ির নকশায় এসেছে পরিবর্তন। এখন একটি শাড়ি শুধুই বারো হাতের আঁচল ও পাড়যুক্ত কাপড় নয়। এক একটি শাড়িতেই উঠে আসছে গল্প, পুরনো দিনের স্মৃতি। ফুটে উঠছে নান্দনিক ফুল, প্রজাপতি। বলতে গেলে শাড়িই যেন বর্তমান সময়ে ক্যানভাসের এক ভিন্ন মাত্রা।

নকশা, ধারণা, রঙ ও তন্তুতে আধুনিকতার সাথে যুক্ত হয়েছে বৈচিত্র্যতা। জাঁকজমক ও চাকচিক্যপূর্ণ শাড়ির বদলে, বর্তমান সময়ের ক্রেতাদের আগ্রহ তৈরি হয়েছে ছিমছাম কিন্তু আবহপূর্ণ শাড়ির প্রতি। এবারের ঈদ আয়োজনে তেমন ঘরানার শাড়ির আনাগোনাই দেখা গিয়েছে গুটিপোকা, পটের বিবি ও কালার ক্রেজ এর সংগ্রহে।

পটের বিবি

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558613832781.jpg

ছেলেবেলার বিশুদ্ধ আবেগের অন্য নাম মাসুদ রানা। কত স্মৃতি ও ভালোলাগা এই মাসুদ রানাকে ঘিরে। এদিকে রঙিন প্রজাপতির প্রতি মোহ যেন কাটতেই চায় না। ইচ্ছে হয় প্রজাপতিটাকে নিজের কাছে রেখে দিতে। আবেগের মাসুদ রানা কিংবা ভালোবাসার প্রজাপতি- যেটাই হোক না কেন, নান্দনিকতার পরিচয় দিয়ে তা শাড়িতে ফুটিয়ে তুলেছে পটের বিবি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558613859226.jpg

অনলাইন বাজারে ইতোমধ্যে সুপরিচিত হয়ে ওঠা পটের বিবি শুরু থেকেই ব্যতিক্রমী নকশা ও আয়োজনের জন্য জনপ্রিয়তা পেয়ে এসেছে। পাঁচ বছর পা দেওয়া এই অনলাইন প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার ফোয়ারা ফেরদৌস জানালেন, ঈদ উপলক্ষে মূলত পাঁচটি ভিন্ন থিমের নকশা নিয়ে এসেছে পটের বিবি।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558613885759.jpg

মৌমাছি, প্রজাপতি, মাসুদ রানা, আতা ও আরামদায়ক রঙের চেক শাড়ি। আবহাওয়া ও ক্রেতার আরামের বিষয়টিতে প্রাধান্য দিয়ে সুতি তন্তু ও সাদা রঙটির উপরেই জোর দেওয়া হয়েছে এবারের ঈদ সংগ্রহে। অভিনব এই শাড়িগুলোর মূল্য পড়বে ১৮০০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০০০ পর্যন্ত।

কালার ক্রেজ

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558613904475.jpg

ঈদে পার্টি থিমকে মাথায় রেখে শাড়ির সংগ্রহ এনেছে কালার ক্রেজ। এক একটা শাড়ির মাঝেই যেন উৎসবের আমেজ ফুটে ওঠে সেই প্রচেষ্টা থেকেই নজরকাড়া নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে পুরো শাড়িতে। গরম আবহাওয়ার বিষয়টি মাথায় রেখেই তন্তু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে হাফসিল্ক, এমনটাই জানালেন প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা মারুফা আক্তার স্বর্ণা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558613927098.jpg

হাফসিল্কের উপরে স্ক্রিনপ্রিন্টের কাজ ছাড়াও রয়েছে অ্যাপ্লিক, প্যাচওয়ার্ক, টাইডাই ও শিবুড়ি। নকশা ভেদে যে তন্তুতে যে কাজটি ভালোভাবে ফুটে ওঠে, সে কাজটিই বেছে নেওয়া হয় শাড়ির জন্য।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558613945719.jpg

বার্তা২৪ কে স্বর্ণা জানালেন, দেশীয় পোশাকের উপরে ক্রেতাদের আগ্রহ প্রশংসনীয়। বিশেষত দেশীয় শাড়িতে গর্জিয়াস নকশা সহজেই ক্রেতদের কাছ থেকে প্রশংসা কুড়াতে সক্ষম হয়েছে। এছাড়া ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বিষয়টি প্রাধান্য দিয়ে কালার ক্রেজের শাড়ির মূল নির্ধারণ করা হয়েছে। সর্বনিম্ন ১৭০০ থেকে ২৬০০ টাকার মাঝে পাওয়া যাবে চমৎকার শাড়িগুলো।

গুটিপোকা

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558614214489.jpg

হাতে আঁকা শাড়ি ও পোশাকের খোঁজ চাইলে ঘুরে আসতে হবে অনলাইন ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান গুটিপোকার ঈদ কালেকশন। বরাবরই রঙ ও তুলির ছোঁয়ায় শাড়ি কিংবা পোশাকের পটে প্রাণের ছোঁয়া তুলে আনতে কাজ করছে এই প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার আফসানা সুমী জানালেন, এবারে ঈদ সম্ভারে মসলিন, জয়শ্রী সিল্ক, হাফসিল্ক ও সুতি তন্তুর উপরে কাজ করা হয়েছে। রঙ হিসেবে আরামদায়ক ও হালকা ঘরানার রঙগুলোই প্রাধান্য পেয়েছে শাড়িতে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/23/1558614173348.jpg

শাড়িতে তুলির আঁচড়ে দোলনচাঁপা, মধুমঞ্জুরি, ক্যামেলিয়া, বুনো গোলাপের পাশাপাশি গ্রীষ্মকালীন ফুল কৃষ্ণচূড়া, জারুলও থাকছে। সেই সাথে বর্ষার ধারণাকে মাথায় রেখে ময়ূরকেও ফুটিয়ে তোলা হয়েছে শাড়িতে। ক্রেতাদের আগ্রহের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে সুমী বলেন, ‘প্রতিটি নকশায় প্রচুর সাড়া পেয়েছি আমরা। ময়ূর সবসময় জনপ্রিয়। তবে ঋতুভিত্তিক ফুলেল নকশার চাহিদাও ভালো।’ শাড়ির তন্তু ও নকশা ভেদে গুটিপোকার শাড়ি মূল্য পড়বে সর্বনিম্ন ৩৫০০ থেকে ১৩৫০০ টাকা পর্যন্ত।

আরও পড়ুন: চলছে কাবলি, ফরমালেও রয়েছে আকর্ষণ

আপনার মতামত লিখুন :

আঙুরের সাতকাহন 

আঙুরের সাতকাহন 
আঙ্গুর ফল

আঙুর ফলের গোড়াপত্তন শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে। সুস্বাদু ও সুমিষ্ট এই ফলের বাহারি রঙের মাত্রায় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ  এই ফল আপনার হার্টকে রাখে সুস্থ।

আঙুরের সাত গুণাবলি--

 

গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহ থেকে মুক্তি-

দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিক থেকে শুরু হয় বাতের ব্যথা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য। রোগের সূত্রপাত হিসেবে ধরা হয় গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহকে। দেহের প্রতিরক্ষাকারী কোষগুলোকে নষ্ট করে, ক্যানসার কিংবা হার্টের রোগে ভোগায় এই প্রদাহ। গবেষণা বলছে, আঙুর হতে পারে গ্যাসের ব্যথার স্থায়ী সমাধান।

২৪ জন পুরুষের মধ্যে চালানো একটি জরিপে দেখা যায়, প্রতিদিন ১.৫ কাপ আঙুরের রস অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণে আঙুরের গুঁড়া শরীরের গ্যাসের প্রদাহকে কমিয়ে দেয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452636554.jpg

বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়-

এক গবেষণায় দেখা যায়, তিন মাস ধরে প্রতিদিন ২৫০ গ্রাম করে আঙুর ফল ১১১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে খাওয়ানোর ফলে তাদের স্মৃতি, মনোযোগ এবং  বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটেছে।

এমনকি প্রতিদিন আঙুর ফল আপনার মেজাজকে রাখে নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি ব্লাড সুগারের মাত্রাকেও পরিমিত পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে।

হাড়ের ক্ষয় রোধ করে:

হাড়ে লবণের মাত্রাকে ঠিক রেখে ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। হাড়ে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452652760.jpg

ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া  ধবংসকারী:

দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ইনফেকশন ঘটায়, এমন ভাইরাস ধ্বংস করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। প্রতিদিন খেলে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ হয়। ফলে মৌসুমি ঠাণ্ডা কাশি কিংবা জ্বর আপনাকে কাবু করতে পারবে না। এমনকি আঙুর ডায়রিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা বৃদ্ধি-

ক্যানসার, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে আঙুর ফল। বেটাকেরোটিন, লুটিন ,এলাজিক এসিড সমৃদ্ধ এই ফল দীর্ঘস্থায়ী রোগকেও প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452669126.jpg

তারুণ্য ধরে রাখে-

আঙুর ফলের পুষ্টিগুণ তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের বলিরেখা দূর করে আঙুর। স্বাস্থ্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।

আঙুরে প্রোটিন সমৃদ্ধ ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার,  এবং অ্যান্টি অক্সিজেন রয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারো আঙুর ফল। এমনকি গ্রীষ্মের দিনগুলোতে ঠাণ্ডা আঙুর হতে পারে দারুণ একটা নাস্তা।

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস
ক্যাকটাস গাছ, ছবি: সংগৃহীত

ঘরের শোভা বর্ধনের জন্য কিংবা ভালোবেসে, শখের বশে গড়ে তোলা হয় ক্যাকটাসের সংগ্রহ।

নানা প্রজাতির, আকৃতির, ঘরানার ক্যাকটাস প্রীতি বেশি দেখা যায় শহুরে এলাকার মানুষদের মাঝে। ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দায় কিংবা প্রশস্ত জানালা ঘেঁসে ছোট-মাঝারি টবে বানান নিজস্ব ক্যাকটাস বাগান।

সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত দেখাশোনা করা হলে প্রতিটি ক্যাকটাসের গাছ খুব ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। ক্ষেত্র বিশেষে ও বিশেষ প্রজাতির ক্যাকটাসের ক্ষেত্রে ক্যাকটাসে বর্ণীল ফুলের দেখাও দেয়।

তবে সমস্যা হলো- ক্যাকটাস কষ্ট সহিষ্ণু উদ্ভিদ হলেও, অসাবধানতার দরুন ক্যাকটাস মরে যায়। প্রিয় জিনিসটি চোখের সাথে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়া খুবই কষ্টের। যত্নে গড়ে তোলা প্রিয় ক্যাকটাসটির পরিচর্যায় ও যত্নে যে বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন, এখানে তার কয়েকটি আলোচনায় রাখা হলো।

দ্রুত পানি দেওয়া

বেখেয়ালে প্রায় সময় ক্যাকটাসে দীর্ঘদিন পানি দেওয়া হয় না। এতে ক্যাকটাস শুকিয়ে যায়, কুঁচকে যায়, মরমর দেখায়। এমনটা হলে যত দ্রুত সম্ভব গাছে পানি দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে ক্যাকটাসের টবের নিচের অংশের ছিদ্র দিয়ে বাড়তি পানি যেন বেরিয়ে যেতে পারে। একইসাথে ক্যাকটাসটিকে খোলামেলা আলো ও বাতাসযুক্ত স্থানে রাখতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ কেটে ফেলা

ক্যাকটাসটির কোন অংশ যদি নষ্ট হয়ে যায় বা পচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয় তবে উক অংশটি সযত্নে কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। নতুবা উক্ত স্থান থেকে ভালো অংশেও পচন ধরে যাবে। ক্যাকটাসের কোন অংশে যদি ফাংগাসের মতো দেখা দেয়, বাদামী বা কালচে হয়ে আসে তবে বুঝতে হবে উক্ত স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448789213.jpg

সরু অংশ রোদে রাখা

ক্যাকটাসের জন্য রোদের আলো অপরিহার্য। ক্যাকটাস যত বাড়তে থাকে, ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা। অনেক সময় একই টবে ক্যাকটাস অনেক বেশি বড় হয়ে গেলে ক্যাকটাসের ছোট অংশ রোদের আলো ঠিকমতো পায় না। সে অংশগুলোকে রোদের আলো দেওয়ার জন্য বেশি করে রোদের দিকে মুখ করে রাখতে হবে।

মাটি শুষ্ক হলেই পানি

বাড়তি পরিচর্যার ফলে অনেকেই ক্যাকটাসের টবে এক-দুই দিন পরপরেই পানি দিতে থাকেন। এতে করে ক্যাকটাসের গোড়া থেকে পচন ধরে যায়। খেয়াল রাখতে হবে, ক্যাকটাসের টবে মাটি একেবারে শুকিয়ে গেলে তবেই তাতে পানি দিতে হবে। তার আগে নয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448770099.jpg

বড় টবে স্থানান্তরিত করা

ক্যাকটাস বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা এবং সেই সকল শাখাও বড় হতে থাকে। এভাবে ছোট ক্যাকটাসটিই এক সময় বিশাল আকৃতি ধারণ করে। ক্যাকটাস যত বড় হবে, তার জন্য তত বড় ও প্রশস্ত টবের প্রয়োজন হবে। নতুবা অপর্যাপ্ত স্থানের দরুন ক্যাকটাস ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে।

ক্যাকটাসের শরীর পরিষ্কার করা

ক্যাকটাসের শরীর জুড়ে কাঁটা থাকার দরুন এতে খুব সহজেই ধুলা-ময়লা চুল আটকে যায়। ধুলা-ময়লার স্তর পুরু হয়ে গেলে অনেক সময় ক্যাকটাস রোদের আলো শোষণ করে সালোকসংশ্লেষণ করতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাই ক্যাকটাসের টবে যেদিন পানি দেওয়া হবে, সেদিন পানির ঝাপটা দিয়ে ক্যাকটাসের পাতা ও শাখাপ্রশাখাগুলো পরিস্কার করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি সারে সতেজ গাছ

আরও পড়ুন: খোসা ছাড়ানো আলু বাদামি হয়ে যাচ্ছে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র