Barta24

বুধবার, ২৬ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

English Version

২০১৯’র ঈদের বাজার

আভিজাত্যে মনোহর মুক্তার গহনা

আভিজাত্যে মনোহর মুক্তার গহনা
মুক্তার গহনা, ছবি: মুক্তোকাহন
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসে, তোড়জোড় দেখা দেয় শেষ সময়ের কেনাকাটায়।

ইদানিং অনেকেই রমজানের আগে থেকে কেনাকাটা শুরু করেন বলে মাঝ রমজানেই ঈদের পোশাক কেনা হয়ে যায়। তবে পোশাকের সাথে মিলিয়ে পছন্দসই গহনা কেনা না হলে অপূর্ণ থেকে যাবে সাজ-পোশাক।

এছাড়া গহনার ওপরেও নির্ভর করে পোশাকের সৌন্দর্যের অনেকটা। স্বাভাবিকভাবেই উৎসবের পোশাক সাদামাটা হবে না। একটু ভারি কাজের, জাঁকজমক পোশাকের সাথে প্রয়োজন হয় মানানসই গহনা। এই গহনাও বাছাই করা চাই পোশাকের ধরণ, রঙ ও কাটিংয়ের উপর নির্ভর করে। এছাড়া প্রতি বছরেই গহনার ধাঁচে পরিবর্তন আসে। বদলাতে থাকে গহনার চাহিদা, গহনা তৈরির উপকরণ।

গত বছরে গহনার বাজারে আধিপত্য ছিল নতুন ধাঁচের মেটাল, মাটি, পমপম, পালক ও সুতার গহনার। সাথে ছোট-বড় রঙিন বিডসের তৈরি লম্বা গহনাতেও ছিল ক্রেতাদের আগ্রহ। এ বছরেও এমন ধরনের গহনার প্রতি ক্রেতাদের আকর্ষণ রয়েছে। তবে অনন্য ও গর্জিয়াস ভাব প্রকাশে বেরিয়ে আসতে হবে এই সকল গহনার প্রচলন থেকে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039563155.jpg

একটা সময়ে আভিজাত্য প্রকাশ পেত মুক্তা গহনাতে। সাধারণ চিকন একটি মুক্তার মালা ও একটি মুক্তার দুলেই যেন দ্যুতি ছড়াত সৌন্দর্য। কালের পরিক্রমায় মুক্তার প্রচলন কমে আসে। সেই স্থানে ঠায় পায় জিরকন পাথর সহ মেটালের তৈরি গহনা।

সময় ঘুরে এখন আবারো মুক্তার গহনার প্রচলন দেখা দিয়েছে। ফিরে আসছে মুক্তার তৈরি গহনার ট্রেন্ড। গর্জিয়াস লুকের সাথে মুক্তার তৈরি গহনার খোঁজ করছেন ক্রেতারা। ক্রেতাদের চাহিদা ও আকর্ষণের কেন্দ্রে চলে এসেছে মুক্তার তৈরি মনোহর গহনা।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039586830.jpg

ঈদে ঘরে বসে মুক্তার গহনা কিনতে চাইলে ঢুঁ মারতে হবে ডা. সিরাজুম মুনিরা’র অনলাইনভিত্তিক প্রতিষ্ঠান মুক্তোকাহনে। কালচারড ফ্রেশ ওয়াটার পার্ল সহ বিভিন্ন ধরনের বিডসের সমন্বয়ে তৈরি এই প্রতিষ্ঠানটির প্রতিটি গহনাই প্রশংসার দাবিদার।

মুক্তার সাথে টরমালাইন স্টোন, মেটাল বিডস, টারকোয়াজ স্টোন, ন্যাচারাল স্টোন, সেমি-প্রেশাস ন্যাচারাল স্টোন, শেল, ক্রাফটেড শেল, স্ল্যাব অ্যাগাট স্টোন, অনিক্স স্টোন, ক্রিস্টাল স্টোনের মিশ্রণে তৈরি প্রতিটি ভিন্ন ডিজাইনের গহনা খুব সহজেই মানিয়ে যাবে যেকোন ধরনের পোশাকের সাথেই।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039636513.jpg

বার্তা২৪ থেকে প্রতিষ্ঠানটির চিফ অ্যাডমিন মাহবুবুল ইসলামের সাথে কথা বলে জানা গেলো, মুক্তার তৈরি গহনায় ক্রেতাদের আকর্ষণ বাড়ছে প্রতিনিয়ত। ক্রেতাদের চাহিদা ও আগ্রহের বিষয়তি বিবেচনায় রেখে প্রতিনিয়ত নতুন ডিজাইনের পণ্য তৈরি নিয়ে কাজ করছে মুক্তোকাহন। জানালেন গলা-কানের সেটের চাইলে সিঙ্গেল দুল ও আংটির চাহিদা তুলনামূলক বেশি।

মাহবুবুল আরও জানালেন, মুক্তোকাহনে গহনা তৈরি করা হয় একদম ফ্রেশ ও র পার্ল কিনে এনে নিজস্ব ডিজাইনে। যে কারণে স্টকে সকল ডিজাইনের গহনা সবসময় সহজলভ্য থাকে না। তবে ক্রেতারা চাইলে ডিজাইন অনুযায়ি গহনা তৈরি করে দেওয়া হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/May/28/1559039654865.jpg

মুক্তোকাহনে সর্বনিম্ন ৩০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ৪০০০ টাকার মাঝে পাওয়া যাবে মুক্তা সহ অন্যান্য স্টোনে তৈরি গলা-কানের সেট, কানের দুল, আংটি ও ব্রেসলেট। সকল ধরনের ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বিষয়টি মাথায় রেখেই মূল্য নির্ধারণ করা হয় বলে, সকলেই কিনতে পারবেন মুক্তার গহনা।

ঈদের কেনাকাটায় গহনা যদি এখনও বাকি থাকে তবে মুক্তার গহনাকে রাখতে পারেন এ বছরে কেনাকাটার তালিকায়। নিজের জন্য তো বটেই, প্রিয় মানুষকে উপহার দেওয়ার জন্যেও মুক্তার গহনা হতে পারে সবচেয়ে ভালো অনুষঙ্গ।

আরও পড়ুন: ঈদ ট্রেন্ডে থাকবে ‘ন্যুড মেকআপ লুক’

আরও পড়ুন: শাড়ির ক্যানভাসে উঠে আসুক গল্প!

আপনার মতামত লিখুন :

আঙুরের সাতকাহন 

আঙুরের সাতকাহন 
আঙ্গুর ফল

আঙুর ফলের গোড়াপত্তন শুরু হয়েছে হাজার বছর আগে। সুস্বাদু ও সুমিষ্ট এই ফলের বাহারি রঙের মাত্রায় রয়েছে প্রচুর পুষ্টিগুণ। উচ্চ ভিটামিন সমৃদ্ধ  এই ফল আপনার হার্টকে রাখে সুস্থ।

আঙুরের সাত গুণাবলি--

 

গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহ থেকে মুক্তি-

দীর্ঘস্থায়ী গ্যাস্ট্রিক থেকে শুরু হয় বাতের ব্যথা। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্য। রোগের সূত্রপাত হিসেবে ধরা হয় গ্যাস্ট্রিকের প্রদাহকে। দেহের প্রতিরক্ষাকারী কোষগুলোকে নষ্ট করে, ক্যানসার কিংবা হার্টের রোগে ভোগায় এই প্রদাহ। গবেষণা বলছে, আঙুর হতে পারে গ্যাসের ব্যথার স্থায়ী সমাধান।

২৪ জন পুরুষের মধ্যে চালানো একটি জরিপে দেখা যায়, প্রতিদিন ১.৫ কাপ আঙুরের রস অথবা নির্দিষ্ট পরিমাণে আঙুরের গুঁড়া শরীরের গ্যাসের প্রদাহকে কমিয়ে দেয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452636554.jpg

বুদ্ধিমত্তা বাড়ায়-

এক গবেষণায় দেখা যায়, তিন মাস ধরে প্রতিদিন ২৫০ গ্রাম করে আঙুর ফল ১১১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে খাওয়ানোর ফলে তাদের স্মৃতি, মনোযোগ এবং  বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ঘটেছে।

এমনকি প্রতিদিন আঙুর ফল আপনার মেজাজকে রাখে নিয়ন্ত্রণে। পাশাপাশি ব্লাড সুগারের মাত্রাকেও পরিমিত পর্যায়ে রাখতে সাহায্য করে।

হাড়ের ক্ষয় রোধ করে:

হাড়ে লবণের মাত্রাকে ঠিক রেখে ক্ষয়রোধ করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। হাড়ে প্রয়োজনীয় পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়ামের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452652760.jpg

ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া  ধবংসকারী:

দেহের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ইনফেকশন ঘটায়, এমন ভাইরাস ধ্বংস করতে সাহায্য করে আঙুর ফল। প্রতিদিন খেলে ভিটামিন সি-এর অভাব পূরণ হয়। ফলে মৌসুমি ঠাণ্ডা কাশি কিংবা জ্বর আপনাকে কাবু করতে পারবে না। এমনকি আঙুর ডায়রিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

রোগ প্রতিরোধকারী ক্ষমতা বৃদ্ধি-

ক্যানসার, হৃদরোগ কিংবা ডায়াবেটিসের মতো রোগের প্রতিরোধক হিসেবে কাজ করে আঙুর ফল। বেটাকেরোটিন, লুটিন ,এলাজিক এসিড সমৃদ্ধ এই ফল দীর্ঘস্থায়ী রোগকেও প্রতিরোধ করতে সক্ষম।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561452669126.jpg

তারুণ্য ধরে রাখে-

আঙুর ফলের পুষ্টিগুণ তারুণ্য ধরে রাখতে সাহায্য করে। ত্বকের বলিরেখা দূর করে আঙুর। স্বাস্থ্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন সি-এর চাহিদা পূরণ করে ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতেও সাহায্য করে।

আঙুরে প্রোটিন সমৃদ্ধ ভিটামিন, মিনারেল, ফাইবার,  এবং অ্যান্টি অক্সিজেন রয়েছে। সুতরাং তুমি তোমার সকাল কিংবা বিকেলের নাস্তায় রাখতে পারো আঙুর ফল। এমনকি গ্রীষ্মের দিনগুলোতে ঠাণ্ডা আঙুর হতে পারে দারুণ একটা নাস্তা।

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস

সঠিক পরিচর্যায় সতেজ ক্যাকটাস
ক্যাকটাস গাছ, ছবি: সংগৃহীত

ঘরের শোভা বর্ধনের জন্য কিংবা ভালোবেসে, শখের বশে গড়ে তোলা হয় ক্যাকটাসের সংগ্রহ।

নানা প্রজাতির, আকৃতির, ঘরানার ক্যাকটাস প্রীতি বেশি দেখা যায় শহুরে এলাকার মানুষদের মাঝে। ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দায় কিংবা প্রশস্ত জানালা ঘেঁসে ছোট-মাঝারি টবে বানান নিজস্ব ক্যাকটাস বাগান।

সঠিক পরিচর্যা ও নিয়মিত দেখাশোনা করা হলে প্রতিটি ক্যাকটাসের গাছ খুব ভালোভাবে বেড়ে ওঠে। ক্ষেত্র বিশেষে ও বিশেষ প্রজাতির ক্যাকটাসের ক্ষেত্রে ক্যাকটাসে বর্ণীল ফুলের দেখাও দেয়।

তবে সমস্যা হলো- ক্যাকটাস কষ্ট সহিষ্ণু উদ্ভিদ হলেও, অসাবধানতার দরুন ক্যাকটাস মরে যায়। প্রিয় জিনিসটি চোখের সাথে ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাওয়া খুবই কষ্টের। যত্নে গড়ে তোলা প্রিয় ক্যাকটাসটির পরিচর্যায় ও যত্নে যে বিষয়গুলোর প্রতি খেয়াল রাখা প্রয়োজন, এখানে তার কয়েকটি আলোচনায় রাখা হলো।

দ্রুত পানি দেওয়া

বেখেয়ালে প্রায় সময় ক্যাকটাসে দীর্ঘদিন পানি দেওয়া হয় না। এতে ক্যাকটাস শুকিয়ে যায়, কুঁচকে যায়, মরমর দেখায়। এমনটা হলে যত দ্রুত সম্ভব গাছে পানি দিতে হবে এবং খেয়াল রাখতে হবে ক্যাকটাসের টবের নিচের অংশের ছিদ্র দিয়ে বাড়তি পানি যেন বেরিয়ে যেতে পারে। একইসাথে ক্যাকটাসটিকে খোলামেলা আলো ও বাতাসযুক্ত স্থানে রাখতে হবে।

নষ্ট হয়ে যাওয়া অংশ কেটে ফেলা

ক্যাকটাসটির কোন অংশ যদি নষ্ট হয়ে যায় বা পচে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দেয় তবে উক অংশটি সযত্নে কেটে বাদ দিয়ে দিতে হবে। নতুবা উক্ত স্থান থেকে ভালো অংশেও পচন ধরে যাবে। ক্যাকটাসের কোন অংশে যদি ফাংগাসের মতো দেখা দেয়, বাদামী বা কালচে হয়ে আসে তবে বুঝতে হবে উক্ত স্থানে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448789213.jpg

সরু অংশ রোদে রাখা

ক্যাকটাসের জন্য রোদের আলো অপরিহার্য। ক্যাকটাস যত বাড়তে থাকে, ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা। অনেক সময় একই টবে ক্যাকটাস অনেক বেশি বড় হয়ে গেলে ক্যাকটাসের ছোট অংশ রোদের আলো ঠিকমতো পায় না। সে অংশগুলোকে রোদের আলো দেওয়ার জন্য বেশি করে রোদের দিকে মুখ করে রাখতে হবে।

মাটি শুষ্ক হলেই পানি

বাড়তি পরিচর্যার ফলে অনেকেই ক্যাকটাসের টবে এক-দুই দিন পরপরেই পানি দিতে থাকেন। এতে করে ক্যাকটাসের গোড়া থেকে পচন ধরে যায়। খেয়াল রাখতে হবে, ক্যাকটাসের টবে মাটি একেবারে শুকিয়ে গেলে তবেই তাতে পানি দিতে হবে। তার আগে নয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/25/1561448770099.jpg

বড় টবে স্থানান্তরিত করা

ক্যাকটাস বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ছড়াতে থাকে তার শাখাপ্রশাখা এবং সেই সকল শাখাও বড় হতে থাকে। এভাবে ছোট ক্যাকটাসটিই এক সময় বিশাল আকৃতি ধারণ করে। ক্যাকটাস যত বড় হবে, তার জন্য তত বড় ও প্রশস্ত টবের প্রয়োজন হবে। নতুবা অপর্যাপ্ত স্থানের দরুন ক্যাকটাস ধীরে ধীরে নষ্ট হয়ে যাবে।

ক্যাকটাসের শরীর পরিষ্কার করা

ক্যাকটাসের শরীর জুড়ে কাঁটা থাকার দরুন এতে খুব সহজেই ধুলা-ময়লা চুল আটকে যায়। ধুলা-ময়লার স্তর পুরু হয়ে গেলে অনেক সময় ক্যাকটাস রোদের আলো শোষণ করে সালোকসংশ্লেষণ করতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। তাই ক্যাকটাসের টবে যেদিন পানি দেওয়া হবে, সেদিন পানির ঝাপটা দিয়ে ক্যাকটাসের পাতা ও শাখাপ্রশাখাগুলো পরিস্কার করে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: ঘরে তৈরি সারে সতেজ গাছ

আরও পড়ুন: খোসা ছাড়ানো আলু বাদামি হয়ে যাচ্ছে?

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র