Barta24

সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

গরম আবহাওয়ায়, সুস্থতায় ডাবের পানি

গরম আবহাওয়ায়, সুস্থতায় ডাবের পানি
গরমে সুস্থ থাকতে ডাবের পানিতে জোর দিতে হবে, ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তা২৪.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

বাংলাদেশের তাপমাত্রা যেন দিনকে দিন বেড়েই চলছে।

ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যাচ্ছে চল্লিশের ঘর। মাত্রাতিরিক্ত তাপমাত্রার ভেতর নিজেকে সুস্থ রাখতে প্রয়োজন শরীরের বাড়তি যত্ন ও পুষ্টিকর খাদ্য উপাদান গ্রহণ। গরমে বাড়তি ঘামে শরীর থেকে পানি বের হয়ে যাওয়ায় পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এই পানির চাহিদা পূরণে পানির পাশাপাশি পান করতে হবে ডাবের পানিও।

ডাবের পানির গুণাগুণের শেষ নেই। মানব শরীরের জন্য ডাবে অনেক গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে।  ভিটামিন সি, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাংগানিজ, জিংক, অ্যামিনো অ্যাসিড, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ম্যাগনেসিয়ামে পূর্ণ প্রাকৃতিক এই পানীয়।   

তীব্র রোদে থাকার পর তৃষ্ণা মেটাতে ছুটে যাওয়া হয় দোকানে কোমল পানীয় কিনতে, কিন্তু পাশে থাকা ডাবের ভ্যানের দিকে যেন নজর যায়না।

কি মনে হচ্ছে, এতে নিজের শরীর কি সুস্থ রাখছেন? মোটেও নয়, বরং আরও ক্ষতি হচ্ছে আপনার স্বাস্থ্যের। কোমল পানীয়তে থাকা ক্ষতিকর উপাদানগুলো নানাভাবে ক্ষতি করছে শরীরের।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561349428128.jpg

তাই গরম আবহাওয়ায় পানীয় হিসেবে বেছে নিতে হবে ডাব। কেন? তা জেনে নেওয়া যাক-

১. ডাবের পানি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে দেহে পানির ভারসাম্য বজায় রাখে।

২. রক্তে গ্লুকোজের পরিমান কমিয়ে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণ করে।

৩. শারীরিক ক্লান্তির পাশাপাশি মানসিক হীনতা, বিষণ্ণতা দূর করে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

৪. হজম ক্ষমতা বাড়াতে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কাজ করে।

৫. পেট বা বুকে জ্বালাপোড়া বন্ধ করে।

৬. ইউরিন ইনফেকশন দূর করে।

৭. কিডনির রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

৮. রক্ত সঞ্চালন ঠিক রাখে।

৯. হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়।

১০. ত্বকের ব্রন, তৈলাক্তভাব দূর করে এবং ত্বক শুষ্ক থেকে সতেজ করে তারুণ্য ছাপ ধরে রাখে।

ভালো দিকগুলোতো জেনে নিলেন, কিন্তু কি জানেন সবকিছুরই ভালো দিকের সাথে কিছু নেতিবাচক দিকও থাকে, যা আমাদের শরীর ধারন করতে পারেনা। প্রত্যেকটি জিনিসের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা রাখতে হবে। যেমনটি ডাবের পানির ক্ষেত্রেও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jun/24/1561349479363.jpg

১. ওজন কমানোর চেষ্টা করলে ডাবের পানি নিয়মিত পান করা উচিৎ নয়। কারণ এতে চিনির পরিমান কম থাকলেও প্রচুর ক্যালরি রয়েছে।

২. ডাবের পানি রক্তে শর্করার মান বৃদ্ধি করে। সেক্ষেত্রে ডায়বেটিস রোগীদের জন্য একদম কচি ডাবের পানি পান করতে হবে।

৩. ডাবের পানিতে প্রচুর সোডিয়াম থাকে, তাই অধিক পরিমাণ ডাবের পানি পান হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে।

যেকোনো বয়সে যেকোনো খাদ্য অতিরিক্ত গ্রহণ করার ফলাফল ভালো হয়না। সবকিছুই নির্দিষ্ট পরিমাণে ও নিয়ম মেনে গ্রহণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই সাথে প্রতিটি খাদ্য উপাদানের ভালো গুণাগুণের পাশাপাশি ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে। এছাড়াও রোগীদের  ক্ষেত্রে সবকিছু সম্পর্কে খেয়াল রেখে চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে তবেই নির্দিষ্ট খাদ্য উপাদান গ্রহণ করতে হবে।

আরও পড়ুন: মৌসুমি ফল জামের সাত উপকারিতা

আরও পড়ুন: বুক জ্বালাপোড়া কমাবে যে খাবারগুলো

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র