Barta24

মঙ্গলবার, ২৩ জুলাই ২০১৯, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

সানগ্লাস ব্যবহারে যে তিন ভুল আপনিও করছেন!

সানগ্লাস ব্যবহারে যে তিন ভুল আপনিও করছেন!
রোদের মাঝে বাইরে বেরুতে সানগ্লাস প্রয়োজন হয় সবার আগে, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

গ্রীষ্মে বাইরে বের হওয়ার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ও আবশ্যিক অনুষঙ্গের মধ্যে ছাতা ও সানগ্লাস প্রধান।

এই দুইটি জিনিস ছাড়া তীব্র রোদের মধ্যে বাইরে বের হওয়া একেবারেই বোকামি। ছাতা সাথে রাখার কথা প্রায়শ ভুলে যাওয়া হলেও, রোদচশমা তথা সানগ্লাস সাথে রাখতে একেবারেই ভুল হয় না। শুধুমাত্র রোদের হাত থেকে ত্বক ও চোখকে বাঁচাতেই নয়, সাজ ও স্টাইলের বড় একটা অংশ জুড়েও থাকে সানগ্লাস।

কিন্তু সানগ্লাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তিনটি ভুল প্রতিনিয়ত করা হয়ে থাকে। যার ফলে সময়ের চাইতে অনেক আগে নষ্ট হয়ে যায় শখের ও প্রিয় সানগ্লাসটি। জেনে রাখুন কোন ভুলগুলো এড়িয়ে যেতে হবে সানগ্লাস ব্যবহারের ক্ষেত্রে।

সানগ্লাস মাথায় পরে থাকা

অনেকেই চোখ থেকে সানগ্লাস খুলে হাত নেওয়ার বদলে চোখ থেকে সানগ্লাস মাথায় উপরে তুলে দেয়। এক্ষেত্রে অনেকেই ভাবতে পারেন, মাথায় সানগ্লাস পরে থাকা স্টাইলের একটি অংশ। কিন্তু আদতে এটা খুবই ভুল একটি ধারণা। সানগ্লাস মাথায় পরে থাকার ফলে এটা খুব সহজে স্ট্রেচড হয়ে ঢিলা হয়ে যায়। ফলে পরবর্তিতে সানগ্লাস পরতে সমস্যা হয়। এছাড়া চুলের ঘষায় সানগ্লাসের গ্লাস ঘোলাটে হয়ে ওঠে ও ঘষা লাগাভাব তৈরি হয়।

এছাড়া এভিয়েশন স্টাইল সানগ্লাসের ক্ষেত্রে নোজপিস থাকে। যাদের চুল লম্বা, তাদের চুলে খুব সহজেই নোজ পিস আটকে যায়। এতে করে চুল ও সানগ্লাস উভয়ই ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/01/1561978355434.jpg

চেহারা ও মুখের গঠনের সাথে অ্যাডজাস্ট না করা

সানগ্লাস কেনা ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে অনেক বড় একটি অংশ হলো সানগ্লাসের আকৃতি ও মুখের গঠনের সাথে তা মাপমতো ঠিক করে নেওয়া। নাক ও কানের মধ্যবর্তী দূরত্বের অংশটুকু সেটা সবার ক্ষেত্রে একই মাপের হয় না। ফলে একই সানগ্লাস একেকজনের মুখে একেক রকম দেখায়। সেক্ষেত্রে মুখের ধরণ ও গঠন অনুযায়ী মাপ মুঝে এরপর সানগ্লাস কিনতে হবে। আরো একটি বিষয় মনে রাখতে হবে। সানগ্লাস অবশ্যই ট্রায়াল দিয়ে এরপরেই কিনতে হবে। নতুবা কেনার পরে চেহারার সাথে না মানালে অপচয় হবে।

অযত্নে ব্যাগে রেখে দেওয়া

সানগ্লাস বহন করার ক্ষেত্রে হাত ব্যাগ কিংবা ব্যাকপ্যাকের পকেটই ভরসা। চোখ থেকে সানগ্লাস নামিয়ে তাড়াহুড়ো করে ব্যাগে সানগ্লাস রেখে দেওয়ার ক্ষেত্রে মনে রাখা প্রয়োজন, এই বাজে অভ্যাসের দরুন খুব অল্প সময়ের মাঝেই সানগ্লাসটি নষ্ট হয়ে যায় অথবা ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পরে।

সানগ্লাস রাখার জন্য সবসময় সাথে সানগ্লাস প্রটেকটিভ কেস রাখতে হবে। সানগ্লাস রাখার কাপড়ের ব্যাগ হলেও চলবে, তবে শক্ত কেসিংয়ে সংরক্ষণ করতে পারলে সবচেয়ে ভালো থাকবে। সাথে রাখতে হবে মাইক্রোফাইবার ক্লিনিং কাপড়।

আরও পড়ুন: রোদচশমায় রংয়ের ছোঁয়া!

আরও পড়ুন: রোদ কিংবা বৃষ্টি, ছাতা হোক সঙ্গী

আপনার মতামত লিখুন :

ভিন্নমাত্রায় কাসুন্দি ইলিশ

ভিন্নমাত্রায় কাসুন্দি ইলিশ
কাসুন্দি ইলিশ, ছবি: সংগৃহীত

মাছের বাজারে এখন ইলিশের দাপট।

এ সুযোগে ইলিশ মাছের পছন্দসই রেসিপি রাঁধার পাশাপাশি একটু ব্যতিক্রম রেসিপিও রেঁধে নিতে পারেন। আমাদের দেশে সর্ষে ইলিশ বা সরিষা ইলিশ অতি জনপ্রিয় ও প্রচলিত একটি ইলিশের রেসিপি। এবারে সেই সরিষা ইলিশের মতোই ঝাঁজ নিয়ে ভিন্ন ঘরানায় তৈরি করুন কাসুন্দি ইলিশ। কাসুন্দির ঝাঁজ ও হালকা টকভাব সহজেই ইলিশে যোগ করবে ভিন্নমাত্রা।

কাসুন্দি ইলিশ তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563883624853.JPG

১. মাথা ও লেজসহ ইলিশ মাছের ছয়টি বড় টুকরা।

২. চার টেবিল চামচ কাসুন্দি।

৩. ১০০ গ্রাম পরিমাণ টকদই।

৪. দুই টেবিল চামচ পেস্তা বাটা।

৫. ৫-৬টি কাঁচামরিচ ফালি।

৬. আধা চা চামচ রসুন বাটা।

৭. এক চা চামচ হলুদ গুঁড়া।

৮. চার টেবিল চামচ সরিষা তেল।

৯. স্বাদমতো লবণ।

কাসুন্দি ইলিশ যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563883641018.JPG

১. মাছের টুকরোগুলো ভালোভাবে কেটে ও ধুয়ে এতে লবণ ও হলুদ গুঁড়া মাখিয়ে মেরিনেট করে রেখে দিতে হবে।

২. মাছের অন্যান্য টুকরাগুলো ভাজার প্রয়োজন নেই। তবে মাথা ও লেজের অংশ কিছুটা ভেজে নিতে হবে।

৩. ভিন্ন একটি পাত্রে কাসুন্দি, পেস্তা বাটা, টকদই, লবণ ও হলুদ গুঁড়া একসাথে ভালোভাবে মেশাতে হবে।

৪. চুলাতে কড়াই বসিয়ে সরিষার তেল গরম করে এতে কাসুন্দির-দইয়ের মিশ্রণ ও রসুন বাটা দিয়ে নাড়তে হবে। কিছুক্ষণ নাড়ার পর এতে কাঁচামরিচ ফালি ও স্বাদমতো লবণ দিতে হবে।

৫. মিনিট পাঁচেক নাড়ার পর মাছের টুকরোগুলো দিয়ে অল্প আঁচে পনের মিনিটের জন্য কড়াইয়ের মুখ ঢেকে রাখতে হবে।

৬. পনের মিনিট পর কড়াইয়ের ঢাকনা খুলে মাছগুলো সাবধানের সাথে উল্টে দিয়ে আবারো পনের মিনিটের জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৭. এর মাঝে মাছ সিদ্ধ হয়ে আসবে এবং ঝোল টেনে আসবে। প্রয়োজনে আধা কাপ পানি দেওয়া যাবে।

মাছ মাখামাখা হয়ে আসলে নামিয়ে ভাতের সাথে পরিবেশন করতে হবে।

আরও পড়ুন: মাছের রেজালায় স্বাদের বদল

আরও পড়ুন: ভেটকি মাছের বেগম বাহার

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়

পরিবারের বয়োবৃদ্ধ সদস্যের মানসিক সুস্থতায়
বয়স্ক ব্যক্তিদের সাথে সময় কাটানো তাদের মানসিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখে, ছবি: সংগৃহীত

পরিবারের একদম বয়স্ক মানুষটি হন সবচেয়ে আপন, সবচেয়ে কাছের ও ভালোবাসার।

তার কাছেই যেন শত গল্প ও মায়ার ঝুলি জমে থাকে। কিন্তু বয়সের ভারে ন্যুজ হয়ে পড়া মানুষটিও একটা সময় পরে কেমন যেন দূরের হয়ে যান। হয়ে যান বিচ্ছিন্ন ও দুর্বোধ্য।

বয়স বৃদ্ধির সাথে অবধারিতভাবে দেখা দিতে শুরু করে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা। ডায়বেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হাড়ের ক্ষয়, কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি, দৃষ্টিশক্তিজনিত সমস্যাসহ সাধারণ সমস্যাগুলোর সাথে যুক্ত হয় চেনা অথবা অচেনা ছোট-বড় আরও কয়েক ধরনের শারীরিক অসুস্থতা।

তবে বয়োবৃদ্ধদের শারীরিক সমস্যার সাথে দেখা দিতে শুরু করে মানসিক সমস্যাও। সেটা কেমন? খেয়াল করে দেখবেন, তারা সহজে কোন কিছু মনে রাখতে পারেন না। দুপুরে যদি জানতে চাওয়া হয়- সকালে কী খেয়েছেন, তবে সঠিকভাবে উত্তর দিতে পারবেন না। একইসাথে মানুষের নাম, চেহারা ভুলে যাওয়ার মতো সমস্যাও দেখা দেয়।

এছাড়া দেখা দেয় অকারণে ও আকস্মিক মেজাজের পরিবর্তন। পুরনো কোন কথা মনে করে অঝোরে কান্নাকাটি করা, সামান্য কোন সমস্যায় অতিরিক্ত রেগে যাওয়া, খুঁতখুঁত করা, একই কথা বারবার বলার মতো লক্ষণগুলো বয়স বৃদ্ধির সাথে সম্পর্কিত।

এ কারণে একজন বয়োবৃদ্ধ মানুষের শারীরিক সুস্থতায় যত্ন নেওয়ার সঙ্গে মানসিক সুস্থতার জন্যেও যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে ভারতের মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বোপানা শ্রীধর জানাচ্ছেন কোন তিনটি বিষয়ের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়া প্রয়োজন।

খাদ্যাভ্যাস

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/23/1563877234210.jpg

নিত্যদিনের খাদ্যাভ্যাস ও খাবারের পুষ্টির উপরে মানসিক সুস্থতা অনেকখানি নির্ভর করে। শ্রীধর পরামর্শ দেন, বয়স্কদের প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে কাজুবাদাম রাখার জন্য, যা মস্তিষ্কের সুস্থতায় অনেকখানি অবদান রাখে। এতে থাকা ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ অ্যাসিড সরাসরি মস্তিষ্কের সুস্থতা নিশ্চিতে কাজ করে। এছাড়া লো ফ্যাট খাদ্য উপাদান ও যথাসম্ভব প্রাকৃতিক উপাদান বেশি রাখার উপরেও জোর দেন তিনি।

শরীরচর্চা

বয়স্কদের জন্য শরীরচর্চার বিষয়টি কঠিন মনে হলেও, একদম হালকা ঘরানার ফ্রি হ্যান্ড এক্সারসাইজও তাদের জন্য অনেক বড় উপকারিতা বহন করবে। এতে করে ডায়বেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকা, ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকা, হাড়ের উপকারিতার মতো সুবিধার পাশপাশি মন প্রফুল্ল ও প্রশান্ত থাকবে। স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি পাওয়ার পাশাপাশি মনোযোগেও লক্ষণীয় পরিবর্তন আসবে।

যোগাযোগ

পাশ্চাত্যে একটি বিষয়ের প্রচলন রয়েছে। সমবয়সী অনেকে একসাথে দেখা করা, গল্প করা, সময় কাটানো, একেঅপরের সাথে যোগাযোগ করা। সামাজিকতার এই আয়োজনে অংশগ্রহণে বৃদ্ধদের আগ্রহী করা হয়। এতে করে তাদের মনঃ ভালো থাকে ও মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব পরে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে আমাদের দেশে বয়োবৃদ্ধরা বেশ একাকী সময় কাটান ও একা হয়ে পরেন। এতে করে তারা খুব অল্পতে বিষণ্ণ হয়ে পরেন এবং বৃদ্ধ বয়সের বিষণ্ণতা থেকেই দেখা যায় মেজাজ খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাগুলো। সেক্ষেত্রে পরিবারের সবাইকে সচেষ্ট হতে হবে বয়োবৃদ্ধদের সাথে সময় কাটানো এবং তাদের একাকীত্ব দূর করার প্রতি।

আরও পড়ুন: আয়ুর্বেদে বাড়বে স্মৃতিশক্তি

আরও পড়ুন: পুষ্টির অভাবে বিষণ্ণতা দেখা দেয় কি?

 

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র