Barta24

রোববার, ২১ জুলাই ২০১৯, ৬ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ছয় কারণে সখ্যতা গড়ুন সালাদের সাথে

ছয় কারণে সখ্যতা গড়ুন সালাদের সাথে
সালাদ খাওয়ার এনে দেবে সুস্বাস্থ্য, ছবি: সংগৃহীত
ফাওজিয়া ফারহাত অনীকা
স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
লাইফস্টাইল


  • Font increase
  • Font Decrease

সালাদ কিন্তু এখনকার সময়ে মেইন কোর্সের সাথে খাওয়া হয় না, মেইন কোর্স হিসেবেই খাওয়া হয়।

সুস্থতায় ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে সালাদ খাওয়ার অভ্যাস দারুণ। শরীরে জমে থাকা জেদি মেদ কমাতে ও পুষ্টির ঘাটতি পূরণে বিভিন্ন সবজি ও ফলের তৈরি সালাদকে রাখতে হবে খাবারের প্লেটে।

অলিভ অয়েল, গুঁড়া মরিচের গুঁড়া ও চিমটিখানিক লবণে পছন্দসই সবজি ও ফলকে মাখিয়ে নিয়েই তৈরি করে নেওয়া যায় সালাদ। ভিন্ন ভিন্ন রেসিপিতে ব্যতিক্রমীভাবে সালাদ তৈরি করা কঠিন কিছু নয় মোটেও। অনভ্যস্ততার দরুন প্রথম প্রথম সালাদে অরুচি কাজ করলেও, কিছুদিনেই অভ্যাস হয়ে যাবে। আজকের ফিচারে জানানো হলো, যে ছয়টি চমৎকার কারণে সালাদ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা প্রয়োজন আপনার।

ঘনঘন ক্ষুধাভাব দেখা দেবে না

সাধারণত প্রায়শ এমনটা হয়, খাবার খাওয়ার দুই ঘণ্টা পরেই আবারো ক্ষুধাভাব দেখা দেয়। সালাদ খাওয়ার ফলে এই সমস্যাটি একেবারেই দেখা দেবে না। সালাদ মানেই সবজি ও ফল। এ ধরনের প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান থেকে পর্যাপ্ত পরিমাণ আঁশ পাওয়া যায়। যা দীর্ঘ সময় পর্যন্ত পেট ভরা রাখতে কাজ করবে।

পানিশূন্যতার ভয় থাকবে না

বেশিভার সবজি ও ফলেই থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি ও জলীয় অংশ। ফলে এই দুই উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি সালাদ নিয়মিত খাওয়া হলে শরীর তার প্রয়োজনীয় পানির বড় একটা অংশ পূরণ করবে সালাদ থেকেই। এতে করে গরম আবহাওয়ায় অথবা শারীরিক কসরতে ঘাম বেশি হলেও পানিশূন্যতা দেখা দেওয়ার সম্ভবনা থাকবে না একদম।

পর্যাপ্ত পরিমাণ ভিটামিন ও মিনারেলের উৎস

এটা নতুন কোন তথ্য নয় যে শারীরিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজন ভিটামিন ও মিনারেলযুক্ত উপকারী খাদ্য উপাদান। ভিটামিন, মিনারেল ও বিভিন্ন ধরনের এনজাইম পাওয়া যাবে যে সকল সবজি ও ফল থেকে, তা যদি খাবারের মেন্যুতে থাকে, তবে ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি নিয়ে দুশ্চিন্তা করতে হবে না মোটেও।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/09/1562670410921.jpg

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে

ব্রকলি, অ্যাভোকাডো, ক্যাপসিকাম, বিভিন্ন ধরনের বেরি সমৃদ্ধ সালাদে থাকে পর্যাপ্ত পরিমাণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট সমূহ। এমন ফল ও সবজিতে তৈরি সালাদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে চমৎকার অবদান রাখে।

পাওয়া যাবে ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড

সালাদ তৈরিতে ব্যবহার করা হয় ওয়ালনাট অয়েল, সানফ্লাওয়ার অয়েল, অলিভ অয়েল অথবা পাম্পকিন সিড অয়েল। এই তেলগুলোতে থাকে ভরপুর ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড। যা একইসাথে সালাদের স্বাদ বাড়ায় ও সুস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী ভূমিকা রাখে।

পেটের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

একদম প্রথম দিকেই বলা হয়েছে সবজি ও ফলে থাকে প্রচুর পরিমাণ দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ। যা পাকলস্থলি ও পুরো পরিপাকতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে কাজ করে।

আরও পড়ুন: সকালে খালি পেটে কলা খেলে কী হয়?

আরও পড়ুন: খাবার খাওয়ার পরে চা পান: ভালো নাকি খারাপ?

আপনার মতামত লিখুন :

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'
দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট ও কয়েকটি মেন্যু, ছবি: বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম

তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় বলা চলে, পুরোটাই অফিস পাড়া। সকাল থেকে সন্ধ্যা কিংবা রাত- প্রতিনিয়তই চলছে কাজ। কিন্তু এই এলাকায় ছিল না ভালো কোনো খাবারের জায়গা। হাতেগোনা যে কয়টা রেস্টুরেন্ট আছে তার কোনোটাতে হয় দাম বেশি রাখা হয় কিংবা খাবার স্বাস্থ্যসম্মত নয়। এই বিষয়গুলো মাথায় রেখে তেজগাঁওয়ে শুরু হয়েছে 'দ্যা গ্যারাজ ফুডকোর্ট'।

তেজগাঁও শান্তা টাওয়ার মোড় বা ব্র্যাক ব্যাংক অনিক টাওয়ারে যেতে গলির মুখেই ২২২ নাম্বার হাউজে এই ফুডকোর্ট অবস্থিত। রয়েছে ২০০টির বেশি আসন। তবে ফুডকোর্টটি শীততাপ নিয়ন্ত্রিত না হলেও বড় বড় ফ্যানের মাধ্যমে ঠাণ্ডা বাষ্প দিয়ে জায়গাটি শীতল করার ব্যবস্থা আছে।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

সরেজমিনে দেখা গেছে, বর্তমানে এই ফুডকোর্টে জুসবারসহ প্রায় ১০টি দোকান আছে। এসব দোকানে নুডলস, বার্গার, দই ফুচকা, দোসা, রাজকচুরি, ফ্রাইড রাইস, ফ্রাইড চিকেন, লাঞ্চ আইটেম, চাপ, পরোটা, এগ রোল এবং চাপরোল পাওয়া যায়। আর বেভারেজ আইটেমের মধ্যে রয়েছে- কোল্ড কফি, হটকফি, এসপ্রেসো কফিসহ আনারস, আম ও সিজনাল নানা ফ্রুট জুস।

এখানে চিকেন ও বিফ চাপ ১৫০ টাকা, চিকেন চাপ প্যাকেজ মিল ১৮০ টাকা, পরোটা ২০ টাকা, চিকেন রোল ১০০ টাকা, বিফ রোল ১২০ টাকা, এগরোল ৪০ টাকা, বিফ তেহারি ১৫০ টাকা, চিকেন খিচুরি ও বেগুন ভাজি ১৮০ টাকায় পাওয়া যায়।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

এছাড়া দোসা এক্সপ্রেসে দোসা পাওয়া যাবে ১৮০–৩৫০ টাকায়।

'হাক্কা ঢাকায়' সেট মেন্যু ৩২৯–৫২৯ টাকা। এপিটাইজার আইটেমের পাওয়া যাচ্ছে ১৯৯-৩০০ টাকায়, যার মধ্যে রয়েছে চিকেন, প্রন ডাম্পলিং, হাক্কা চিকেন উইংস। রাইস এবং নুডুলস আইটেমের মধ্যে আছে চিকেন, প্রন এবং বিফ ফ্রাইড রাইস ও নুডুলস, যার দাম পড়বে ১৯৯-৩০০ টাকা। এছাড়াও রয়েছে রাইস, চিকেন চিলি ও ফ্রাইড চিকেন এর একটি লাঞ্চ মেন্যু, যার দাম ধরা হয়েছে ১৯৯ টাকা।

তেজগাঁওয়ে 'দ্যা গ্যারেজ ফুডকোর্ট'

চিজ এক্সপ্রেসে স্লাইস পিজ্জার দাম পড়বে ১২৯ টাকা। এছাড়াও সর্বোচ্চ ১৬ ইঞ্চি পিজ্জা পাওয়া যাবে এক হাজার ২৪৯ টাকায়।

দ্যা গ্যারাজ কফিতে এসপ্রেসো কফি পাওয়া যাবে ১০০ টাকায়। এছাড়াও আমরিকানো ১৩০ টাকা, মকা ২২০ টাকা, ডেজার্ট আইটেম ১০০-২৫০ টাকা, হট ড্রিঙ্কস ২০০ টাকা, চা ৩৫ টাকা, আইসড কফি ১৫০-২৫০ টাকা, সিজনাল ফ্রুট জুস ১৩০ টাকা। রয়েছে জনপ্রিয় টেকআউট বার্গারের ফুড স্টলও।

ফুডকোর্টতির ইনচার্জ বদিউজ্জামান জানান, গত মে মাসে এর যাত্রা শুরু হয়। প্রতিদিন সকাল ১১টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ফুডকোর্ট খোলা থাকে।

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র