Barta24

শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯, ৫ শ্রাবণ ১৪২৬

English Version

ডায়বেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় থাকুক ঘি

ডায়বেটিস রোগীর খাদ্য তালিকায় থাকুক ঘি
ঘি, ছবি: সংগৃহীত
লাইফস্টাইল ডেস্ক
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম


  • Font increase
  • Font Decrease

ডায়বেটিস আক্রান্ত রোগীদের খাদ্য উপাদান ও খাদ্য তালিকার উপরে বিশেষ খেয়াল রাখতে হয়।

কেননা এটি রক্তে চিনির মাত্রা পাশাপাশি রক্তচাপের উপরেও প্রভাব ফেলে থাকে।

অতিরিক্ত তেলযুক্ত খাবার কখনোই কারোর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো নয়। প্রতিটি ব্যক্তির তেলযুক্ত খাবার খাওয়ার আগে ভাবা প্রয়োজন, যা খাওয়া হচ্ছে তা স্বাস্থ্যের উপরে কতটা প্রভাব ফেলবে। কিন্তু প্রায় সকল ধরনের খাবার তৈরিতেই কমবেশি তেলের ব্যবহার প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে তেলের বিকল্প উপাদান হিসেবে কী ব্যবহার করা যায়?

ঘি! এতে রয়েছে উন্নত মানের ফ্যাট। বিশেষজ্ঞরাও জানাচ্ছেন, স্বাস্থ্যের জন্য এটি ভালো। মেডিক্যালে ডায়বেটিসের জন্য পরামর্শ অনুযায়ি খাদ্যের মধ্যে অনেক আগে থেকেই ঘি ব্যবহার রয়েছে।

মাইক্রবায়োটিক পুষ্টিবিদ ও স্বাস্থ্যের কোচ শিল্পা আরোরা এর মতে, ঘি হচ্ছে ডায়বেটিসের ঔষধ। ঘিয়ে উপস্থিত ফ্যাটি এসিড শরীরে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে ও ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/10/1562742644488.jpg

ডায়বেটিস রোগীদের জন্য ঘি কেন ভালো খাদ্য উপাদান? কয়েকটি কারণ এখানে তুলে ধরা হলো।

১. পুষ্টিসমৃদ্ধ ফ্যাটের মূল উৎস হচ্ছে দেশী ঘি। ঘি দিয়ে তৈরিকৃত যে সকল খাদ্য খাওয়া হয় তা থেকে পুষ্টি শোষণ করে রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ করে ও ডায়বেটিস ঠিক রাখতে কাজ করে।

২. ঘিতে লাইনোলেইক (Linoleic) এসিড রয়েছে, যা ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীর নানান রকম কার্ডিওভাস্কুলার রোগ ও জটিল সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণ করে।

৩.  ঘিয়ে রয়েছে ভিটামিন- কে ও অন্যান্য অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে কাজ করে। সাধারণত ডায়বেটিসে আক্রান্ত রোগীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়।

৪. প্রাকৃতিক ঘি রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের পরিমান কমাতে কাজ করে।  

৫. কার্বোহাইড্রেট ও হাই গ্রাইসেমিক ইনডেক্স জাতীয় খাবার তথা- সাদা রুটি, পরোটা, ভাত ইত্যাদিতে ঘি মিশিয়ে খেলে গ্লাইসেমিক ইনডেক্সের মাত্রা কমবে।

৬. ঘি হজমশক্তি বৃদ্ধি করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে।

ঘি ডায়বেটিস রোগীদের জন্য উপকারী খাদ্য উপাদান বলে, প্রচুর পরিমাণে খাওয়া যাবে না। নির্দিষ্ট পরিমাণ রেখে প্রতিদিন খেতে হবে। এছাড়া ডায়বেটিস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে এবং অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে, ঘি যেন ঘরের তৈরি হয়, দোকান থেকে কেনা ঘি পরিহার করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ।

আরও পড়ুন: ঘুম আনতে সাহায্য করবে এই খাবারগুলো

আরও পড়ুন: বুক জ্বালাপোড়া কমাবে যে খাবারগুলো

আপনার মতামত লিখুন :

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান

চুলাতেই তৈরি হবে গরম নান
নান, ছবি: সংগৃহীত

সকাল কিংবা বিকালের নাশতায় যারা নিয়মিত রুটি ও পরোটা খান, একটা সময় পরে তাদের রুটিতে অভক্তি দেখা দেয়।

এ সময়ে রুটির বদলে গরম নান খেতে মনে চায়। ফোলা ও গরম নানের সাথে সবজি কিংবা মাংসের ঝোল যেন অমৃতসম।

এই নান কেনার জন্য এলাকার রেস্টুরেন্টে দৌড়ঝাঁপ না করে ঘরে বসে চুলাতেই তৈরি করে নেওয়া যাবে মজাদার গরমাগরম নান। দেখে নিন নান তৈরির রেসিপিটি।

নান তৈরিতে যা লাগবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623276721.JPG

১. ১/৪ কাপ দই।

২. এক চা চামচ চিনি।

৩. এক চা চামচ বেকিং পাউডার।

৪. এক চিমটি বেকিং সোডা।

৫. দুই কাপ ময়দা।

৬. এক চা চামচ লবণ।

৭. দুই টেবিল চামচ তেল।

৮. ১/৪-১/৩ কাপ পানি।

৯. এক টেবিল চামচ কালোজিরা।

১০. ঘি অথবা মাখন।

নান যেভাবে তৈরি করতে হবে

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623263865.JPG

১. একটি পাত্রে দই, এক চা চামচ চিনি, এক চা চামচ বেকিং পাউডার ও এক চিমটি বেকিং সোডা ভালোভাবে মেশাতে হবে।

২. এতে দুই কাপ ময়দা ও স্বাদমতো লবণ দিয়ে চামচের সাহায্যে ভালোভাবে মেশাতে হবে। মিশ্রণের মাঝখানে দুই টেবিল চামচ তেল অ ১/৪ কাপ পানি দিয়ে ময়দার কাই তৈরি করতে হবে। ময়দার কাই শক্ত হলে পানি ও নরম হলে ময়দা মেশাতে হবে।

৩. ময়দার কাইটি মসৃণ হয়ে আসলে তার উপরে তেল মাখিয়ে পাত্রের মাঝখানে রেখে তার উপরে ভেজা অ পরিষ্কার কাপড় দিয়ে দুই ঘন্টার জন্য ঢেকে রাখতে হবে।

৪. দুই ঘণ্টা পর ময়দার কাই থেকে ছোট ছোট বল তৈরি করে রুটির মতো বেলে নিতে হবে। বেলার সময় তার উপরে কালোজিরা ছড়িয়ে দিতে হবে এবং রুটির মতো গোলাকৃতির না করে লম্বাটে করে নিতে হবে। চাইলে হাত দিয়ে টেনে লম্বাটে করে নেওয়া যাবে।

https://img.imageboss.me/width/700/quality:100/https://img.barta24.com/uploads/news/2019/Jul/20/1563623299530.JPG

৫. এবারে চুলায় তাওয়া গরম করে নান দিয়ে দিতে হবে। একপাশ কিছুটা ভাজা হলে ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দেবে। এমন হলে নান উল্টে দিয়ে অপর পাশ ভাজতে হবে। এ পাশেও ছোট ছোট ছিদ্র দেখা দিলে আবারো উল্টে দিতে হবে।

তাওয়া থেকে নামানোর আগে নানের উপরে ঘি অ ধনিয়া পাতা কুঁচি ছড়িয়ে দিতে হবে।

আরও পড়ুন: বাড়িতেই তৈরি করুন ভেজিটেবল মমো

আরও পড়ুন: ঘিয়ে তৈরি মুচমুচে নিমকি

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!

কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাচ্ছে চার কারণে!
কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়, ছবি: সংগৃহীত

প্রতিটি কর্মজীবীকে দিনের সিংহভাগ সময় কাটাতে হয় নিজ কর্মক্ষেত্রে।

কাজের চাপ, ব্যস্ততা, ডেডলাইন, মিটিংসহ সবকিছুর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে গিয়ে ক্লান্তি দেখা দেয় একটা সময়। সময়মতো বিশ্রাম নিলে এই ক্লান্তিভাব খুব দ্রুত কেটেও যায়। কিন্তু কর্মক্ষেত্রে দম ফুরিয়ে যাওয়া আর ক্লান্তিবোধ এক নয়।

কর্মোদ্যম ফুরিয়ে গেলে শারীরিক ক্লান্তির সাথে মানসিক ক্লান্তি প্রভাব বিস্তার করে। কাজ, ব্যস্ততা, ছুটে চলা- সবকিছুকেই অর্থহীন বোধ হতে থাকে। অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয় জীবনে চলার পথে। এমন অবস্থা চলতে একটা সময় জীবনের উপরে বিরক্তিবোধ কাজ করা শুরু করে।

কর্মোদ্যম হারিয়ে যাওয়া বা দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি বেশ কয়েকটি কারণে দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রফেশনাল প্রেসক্রিপশন ফর লাইফের কোচ সুসান বিয়ালি হাস এমডি। বিগত কয়েক বছর ধরে এ বিষয়ে কাজ করে এবং বহু মানুষকে কাউন্সেলিং করে তিনি বুঝতে পেরেছেন কর্মক্ষেত্রে কর্মোদ্যমতা হারানো শুরু হয় খুব ছোট কিছু থেকেই।

নির্দিষ্ট কোন একটি কারণ

ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন ধরনের চাপ থাকে, কাজের ধরণ থাকে। সেক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভিন্ন কারণে দেখা দিতে পারে দম ফুরিয়ে যাওয়ার বিষয়টি। কোচ সুসান জানাচ্ছেন মূলত ছয়টি কারণ কাজ করে এক্ষেত্রে। অতিরিক্ত কাজের চাপ, নিয়ন্ত্রণের অভাব, অপর্যাপ্ত উপহার, কর্মক্ষেত্রে কমিউনিটি সংক্রান্ত সমস্যা, অন্যায্য/ অনৈতিক চর্চা, নৈতিকতার অমিল। এ বিষয়গুলো খুব ধীরে ধীরে কাজের উপর অনাগ্রহ তৈরি করে এবং কর্মোদ্যমতা নষ্ট করে দেয়।

আপনিও কর্মোদ্যম হারিয়ে ফেলেন তবে চেষ্টা করুন কারণটি খুঁজে বের করার। কোন কারণে এমনটা হচ্ছে সেটা শনাক্ত করতে পারলে সেটা সমাধানে কাজ করতে পারবেন।

অন্যের কাজ করা

স্বাভাবিকভাবেই অফিসে নিজের কাজের চাপ থাকে অনেক বেশি। সেখানে অন্যের কাজের বোঝাও যদি মাথায় এসে ভর করে তবে সেটা শারীরিক ও মানসিক চাপ তৈরি করে অনেক বেশি। আপনিও যদি এমনটা করে থাকেন তবে এই অভ্যাসটি খুব দ্রুত পরিহার করতে হবে।

ব্যক্তিগত জীবন ও কর্মজীবনের মাঝে দেয়াল না থাকা

অফিসের কাজ বাসাতে টেনে নিয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে গভীর রাত পর্যন্ত কাজ করে যাওয়ার ফলে স্বাভাবিকভাবেই কোন বিশ্রাম হয় না। মাথার ভেতর সর্বদা কাজের বিষয়গুলো ঘুরঘুর করতে থাকে, যার ফলে প্রচণ্ড মানসিক অশান্তি ও অস্থিরতা দেখা দেয়।

সেক্ষেত্রে কোচ সুসান পরামর্শ দেন- যতই কাজের চাপ থাকুক না কেন বা কাজ শেষ করার তাড়া থাকুক না কেন, কোনভাবেই অফিসের কাজ বাসাতে আনা যাবে না। বাসায় বসেও অফিসের কাজ করা ও অফিসে থাকার মাঝে আদতে কোন পার্থক্য থাকে না। এতে করে পরদিন পুনরায় অফিসে গেলেও বিন্দুমাত্র কর্মোদ্যমতা পাওয়া যায় না।

নিজের যত্ন না নেওয়া

একজন পূর্ণবয়স্ক মানুষের জন্য চব্বিশ ঘণ্টার মাঝে অন্ততপক্ষে ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম বাধ্যতামূলক। এর কম হলে শরীর ও মন জুড়ে অপরিসীম ক্লান্তি ভর করে। এছাড়া নিজের যত্ন নেওয়ার ক্ষেত্রে যদি হেলাফেলা করা হয়, তার প্রভাব সরাসরি দেখা দেয় কাজের উপর। সারাদিন অফিসে ডেস্কে বসে থেকেও মাথা কাজ করবে না, কাজে মন বসবে না। সেক্ষেত্রে অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন, নিজের অযত্নও কর্মোদ্যম ফুরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

আরও পড়ুন: কর্মক্ষেত্রে দূরে থাকুক আত্ম-সন্দেহ

আরও পড়ুন: সমস্যাটি যখন কর্মক্ষেত্রে!

এ সম্পর্কিত আরও খবর

Barta24 News

আর্কাইভ

শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র